ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের চারটি মদের গুদাম সিলগালা


সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের চারটি মদের গুদাম সিলগালা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের চারটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে, যেগুলোতে ‘অননুমোদিত’ভাবে শুল্কমুক্ত মদ রাখার অভিযোগ রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার গভীররাতে গুলশানের ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এ এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেসব ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এনবিআর জানায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এ অভিযানটি পরিচালনা করেছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এনবিআর-এর বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিকভাবে ‘গুরুতর অসঙ্গতি’ পাওয়ার কারণে ‘অধিকতর যাচাইয়ের জন্য’ ওয়্যারহাউজগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার কাউন্সিল আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ‘রোল মডেল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


বার কাউন্সিল আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ‘রোল মডেল’

॥ এস এম আশিকুজ্জামান ॥

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : মানসম্মত পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী তালিকাভুক্তি, পেশাগত অসদাচরণের জন্য নিজেদের ট্রাইব্যুনালে বিচার এবং মৃত্যু পরবর্তী আর্থিক অনুদানের নিশ্চয়তার কারণে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বর্তমানে পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে ‘রোল মডেল’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার-১৯৭২’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মূল দায়িত্ব দেশের নতুন আইনজীবীদের মানসম্পন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করা।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া

আইন বিষয়ে স্নাতক বা এলএলবি ডিগ্রিধারী আইন পেশায় যুক্ত হতে ইচ্ছুক হলে প্রথমে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন আইনজীবীর অধীনে ছয় মাসের শিক্ষানবিশকাল সম্পন্ন করতে হয়। শিক্ষানবিশকাল শেষে বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব। পরীক্ষার প্রথম ধাপে নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) পরীক্ষা, পরবর্তীতে লিখিত এবং সর্বশেষ মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে আইনজীবী সনদ অর্জনকারীরা জেলা আদালতে আইন পেশা পরিচালনার সুযোগ পান।

অন্যদিকে, হাইকোর্টের আইনজীবী হতে হলে জেলা আদালতে দুই বছর আইন পেশা পরিচালনাকারী আইনজীবীকে বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তবে এলএলএম ডিগ্রিধারী আইনজীবীরা জেলা আদালতে এক বছর আইন পেশা পরিচালনার পর হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা দিতে পারেন। হাইকোর্ট পারমিশনের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সফল হলে আইনজীবীরা হাইকোর্টে আইন পেশা পরিচালনার জন্য বার কাউন্সিল থেকে সনদ লাভ করেন।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির বিষয়ে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’কে জানিয়েছেন, আইনজীবী তালিকাভুক্তিকরণ বার কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান কাজ। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়াটি নিয়মিত ছিল না। তবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর যতদূর সম্ভব এটি নিয়মিত করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে আইনজীবী তালিকাভুক্তির দুটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘যার নাই কোনো গতি, সে করে ওকালতি’- এমন কথিত ধারণাকে দূরে ঠেলে আইন পেশার মান মর্যাদা বৃদ্ধি ও মেধার চর্চা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আইনজীবী তালিকাভুক্তির সিলেবাসকে যুগোপযোগী করে সংশোধন করা এবং বছরে দুটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি প্রশ্নের মান উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। প্রকৃত মেধাবীদের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, সারা দেশে আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের জন্য বার কাউন্সিলকে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আইনজীবীরা আগামীতে বার কাউন্সিলের ট্রেনিং থেকে উপকৃত হবেন।

বার কাউন্সিল গঠন

বার কাউন্সিল ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাকি ১৪ জন সদস্যের মধ্যে সাধারণ আসনে (৭টি) সারা দেশের আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে ৭ জন সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া সারা দেশের স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে (আইনজীবী সমিতি) ৭টি গ্রুপে (গ্রুপ-এ থেকে গ্রুপ-জি) ভাগ করা হয়। প্রতিটি গ্রুপ থেকে আইনজীবীদের ভোটে একজন করে মোট সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন। সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৪ জন সদস্য তাদের প্রথম সভায় নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে ‘ভাইস-চেয়ারম্যান’ হিসেবে নির্বাচন করেন।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ক্ষমতাবলে গত ৩০ জুন ১৫ সদস্যের একটি অ্যাড-হক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছর মেয়াদে কার্যকর থাকবে বলে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বার কাউন্সিলে ১০ কমিটি

বার কাউন্সিলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০টি কমিটি রয়েছে। এই কমিটিগুলো হলো- এক্সিকিউটিভ কমিটি, এনরোলমেন্ট কমিটি, ফিন্যান্স কমিটি, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি, ল রিফর্ম কমিটি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটি, হাউস কমিটি, রিলিফ কমিটি, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটি এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিল্যান্স কমিটি।

আইনজীবী তালিকাভুক্তি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রধান বিচারপতি মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। এছাড়া প্রধান বিচারপতি মনোনীত হাইকোর্টের অপর দুজন বিচারপতি এই কমিটির সদস্য হিসেবে থাকেন। অ্যাটর্নি জেনারেল (পদাধিকারবলে) এবং বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে নির্বাচিত একজন আইনজীবীও এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হন।

আইনজীবীর অসদাচরণ বিচারে ট্রাইব্যুনাল

আইনজীবীদের পেশাগত অসদাচরণের বিচার করার জন্য বার কাউন্সিলের অধীনে একটি ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। এই ট্রাইব্যুনাল আইনজীবীদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত ও বিচার কার্য পরিচালনা করে।

সাক্ষ্য গ্রহণ, সমন জারি এবং অন্যান্য কার্যধারার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ক্ষমতা রয়েছে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের। পেশাগত অসদাচরণের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে আইনজীবীর বিরুদ্ধে মূলত তিন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এগুলো হলো- তিরস্কার বা ভর্ৎসনা, আইনজীবী সনদ সাময়িক বাতিল বা স্থগিতকরণ অথবা পেশা থেকে স্থায়ী বহিষ্কার। তবে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

আইনজীবীদের অসদাচরণের বিচারের বিষয়ে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বাসস’কে জানিয়েছেন, কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ আসলে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে অভিযুক্ত আইনজীবীকে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগকারী ব্যক্তিকে তার অভিযোগ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে বার কাউন্সিলে পাঁচটি ট্রাইব্যুনাল পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করছে এবং অনেক অভিযোগ নিষ্পত্তি হচ্ছে। দেশের পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি ‘রোল মডেল’ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আর্থিক অনুদানে বেনাভোলেন্ট ফান্ড

কোনো আইনজীবী মৃত্যুবরণ করলে তার নমিনি বা পরিবার বার কাউন্সিলের (বেনাভোলেন্ট ফান্ড) তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান পেয়ে থাকেন। কত বছর চাঁদা দেওয়া হয়েছে সে অনুযায়ী চাঁদা দানকারী আইনজীবীর মৃত্যুদাবির টাকা নির্ধারিত হয়। যেখানে ৪০ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় চাঁদা দানকারীর মৃত্যুদাবি ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেনাভোলেন্ট ফান্ড বিষয়ে বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন সিকদার বাসস’কে জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৭ কর্মদিবসের মধ্যে আইনজীবীর মৃত্যুদাবির টাকার চেক স্ব-স্ব আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন ১৫ তলা বিশিষ্ট বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে আইনজীবীদের জন্য উন্নত মানের রেস্ট হাউজ সুবিধা রয়েছে। আইনজীবীরা নির্ধারিত ভাড়া দিয়ে এই রেস্ট হাউজে থাকতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের পদায়নের সময় বৃদ্ধি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য যোগদান আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা নিয়োগপত্রের শর্ত পূরণ করে যোগদান করছেন। তবে, পদায়নের জন্য অপেক্ষা বেড়ে গেছে। যোগদানকৃত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের জন্য পদায়নের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নবনিযুক্ত শিক্ষকগণের পদায়ন আদেশের তারিখ ৪ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ১ অক্টোবর যোগদানকৃত শিক্ষকগণের জন্য ৪ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণের আয়োজন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আদেশের কপি ৩ পার্বত্য জেলা ব্যতীত অন্যান্য সব জেলা সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলো প্রকাশ করে। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে, সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কেউ কেউ পরে নিয়োগপত্র পেয়েছেন, আবার অনেকেই গতকাল পর্যন্ত নিয়োগপত্র পাননি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের মধ্যে ৫৩০ জন নিজের ইচ্ছায় আবেদন করেননি অথবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। ফলে চূড়ান্ত আবেদনের সংখ্যা ১৩ হাজার ৮৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এই শিক্ষকদের মধ্যে এখনো প্রায় শতাধিকের বেশি প্রার্থীকে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলপিজি মজুদ করছে শীর্ষ ৫ কম্পানি-গোয়েন্দা প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


এলপিজি মজুদ করছে শীর্ষ ৫ কম্পানি-গোয়েন্দা প্রতিবেদন

দেশের শীর্ষ পাঁচটি কম্পানি আমদানি করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, এই বিষয়ে সরকারকে খতিয়ে দেখতে বলেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।

টাইমস অব বাংলাদেশের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সংস্থাটি পাঁচটি বড় এলপিজি কম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। এই কম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে আইগ্যাজ, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব কম্পানি এলপিজির কিছু চালান আটকে রেখেছে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার দুই হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সেপ্টেম্বরে এই সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

তবে দেশে এলপিজি আমদানির পরিমাণের হিসাবে সার্বিক সরবরাহ সংকটের স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানি করা এলপিজির বড় একটি অংশ স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজারে না ছেড়ে আটকে রাখা হয়ে থাকতে পারে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি দেখছি।’

সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে এনএসআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে দেশে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। আগস্টে আমদানি হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার টন।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) তথ্যের সঙ্গেও এই হিসাবের মিল রয়েছে। সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, দেশে এলপিজি আমদানি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে এবং সেপ্টেম্বরে আমদানি হওয়া এলপিজি চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট।

এনএসআই বলেছে, এলপিজি আটকে রাখার অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ অক্টোবর থেকে প্রতি টন এলপিজির অতিরিক্ত দাম প্রায় ৬৪ ডলার বেড়েছে। চালান আটকে রাখার সময়ের সঙ্গে এই দাম বাড়ার সময়ের মিল রয়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে কোনো আমদানি করা এলপিজি ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে সরকারকে বলেছে এনএসআই। দাম বাড়ার পর এসব চালান বাজারে ছাড়া হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ সত্য হলে আমদানিকারকেরা বাড়তি বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে পারেন। এতে বাজারে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়তে পারে। এনএসআই বলেছে, বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যে হারে দাম বাড়ার চাপ সামলাতে পারে, তার চেয়েও বেশি হারে এলপিজির দাম বাড়ছে। এর ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর।

দাম বাড়ার পেছনে প্রকৃত সরবরাহ সংকট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছে এনএসআই। একই সঙ্গে পণ্য মজুদ করে রাখা, চালান বাজারে ছাড়তে দেরি করা বা অন্য কোনো কারণে দাম বাড়ছে কি না, সেটিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর থেকে বড় আমদানিকারকদের কাছে থাকা এলপিজির মজুদের জরুরি হিসাব করার নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেছে সংস্থাটি। এতে প্রতিটি চালান কখন এসেছে, কখন খালাস হয়েছে, কত পণ্য মজুদ রয়েছে এবং কবে বাজারে ছাড়া হয়েছে—এসব তথ্য রাখতে বলা হয়েছে।

অক্টোবরে দাম বাড়ার আগে আমদানি করা কত পরিমাণ এলপিজি দাম সমন্বয়ের পরও বাজারে ছাড়া হয়নি, তা বের করতেও বলেছে এনএসআই। বাড়তি দাম বা বেশি মুনাফার আশায় কোনো আমদানিকারক বা বাজারের অন্য কোনো পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে চালান ছাড়তে দেরি করেছে কি না, সেটিও তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাজারে যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ থাকার কথা বলা হচ্ছে, তা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করতে বলেছে সংস্থাটি।

বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এলপিজি আমদানি, মজুদ ও বাজারে সরবরাহের তথ্য নজরদারির সুপারিশ করেছে এনএসআই। সরবরাহে বাধা বা অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

সংস্থাটি পর্যাপ্ত আমদানি করা এলপিজি বাজারে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে। এতে অতিরিক্ত মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি ঠেকানো সম্ভব হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে এলওএবি তার সদস্য কম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসি নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, দেশে এলপিজি আমদানি সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। সেপ্টেম্বরে আমদানি হওয়া এলপিজি দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। তাই কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ নেই।

বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা অনুমোদন ছাড়া এলপিজি মজুদ করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতারা আইন লঙ্ঘন করবেন বলেও সতর্ক করেছে এলওএবি। এ ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সরকারও এলপিজির বাজারে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এলওএবি জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে এলওএবি। এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নাম থাকা ওমেরা পেট্রোলিয়াম চালান আটকে রেখে বাজারে সরবরাহ কমানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ওমেরা পেট্রোলিয়ামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এলপিজির সরবরাহ নিশ্চিত করাকে তারা সব সময় অগ্রাধিকার দেন। বাজারে অস্থিরতা বা সরবরাহে সমস্যা হলেও এই নীতি থেকে তারা সরে আসেননি।

প্রতিবেদনে নাম থাকা আরেকটি কম্পানির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি চালানের গতিবিধি নথিভুক্ত থাকে। তাই অভিযোগটি তাদের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলে না। তিনি আরো বলেন, কর্তৃপক্ষ কোনো প্রশ্ন করলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দিয়ে তারা তার জবাব দিতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিপক্ষ ভারত, ২৮ বছর পর ব্রাজিলের সামনে এত নিচের র‌্যাংকিংয়ের দল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


প্রতিপক্ষ ভারত, ২৮ বছর পর ব্রাজিলের সামনে এত নিচের র‌্যাংকিংয়ের দল

এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে কলকাতা।

আগামীকাল শনিবার (৩ অক্টোবর) কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ভারত খেলবে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এবারই প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দল।

একদিকে রয়েছে রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, অন্যদিকে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ১৩৮ নম্বরে অবস্থানরত ভারত। দুই দলের মধ্যে ব্যবধানটি অত্যন্ত বিশাল। এই ম্যাচের মাধ্যমে ২৮ বছর পর ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এত নিচের র‌্যাংকিংয়ের একটি দল।

ম্যাচের আগে গতকাল রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মার্কিনিওস, এনদ্রিকদের নিয়ে কলকাতায় ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে র‌্যাংকিংয়ের ছয়ে থাকা ব্রাজিল দলকে।

ফিফা র‌্যাংকিংয়ের হিসাব অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালের জুনে ভারতের চেয়ে দুর্বল কোনো দলের বিপক্ষে সর্বশেষ খেলেছিল ব্রাজিল। সেই বছর বিশ্বকাপের আগে প্রীতি ম্যাচে অ্যান্ডোরাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিল। তখন অ্যান্ডোরা ছিল র‌্যাংকিংয়ের ১৮৫ নম্বরে। এরপর আর এত নিচের সারির দলের মুখোমুখি হয়নি সেলেসাওরা।

২০০৫ সালে ১৩৪ নম্বরে থাকা হংকংয়ের বিরুদ্ধে ৭-১ এবং ২০১০ সালে ১০৮ নম্বরে থাকা তানজানিয়ার বিরুদ্ধে ৫-০ গোলে জয়লাভ করেছিল ব্রাজিল। তবে আগামীকালের ম্যাচটি ১৯৯৮ সালের পর র‌্যাংকিংয়ের হিসাবে সবচেয়ে নিচের অবস্থানে থাকা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ভারত ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন সৃষ্টি করতে না পারলে ব্রাজিল সহজেই জয়লাভ করবে বলে মনে হচ্ছে। তবে ঐতিহাসিক এই ম্যাচকে কেন্দ্র করে কলকাতায় আগ্রহের কোনো অভাব নেই।

কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে খেলে ঢাকায় বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে চেয়েছিল ব্রাজিল। সেক্ষেত্রে সেটি হতো র‌্যাংকিংয়ের আরো নিচের অবস্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে বাংলাদেশ ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজন করতে রাজি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%