ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নোয়াখালীতে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ কারবারি গ্রেপ্তার


নোয়াখালীতে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ কারবারি গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা থেকে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ মো. মামুন (৪২) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ।

বুধবার (১ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। এর আগে, মঙ্গলবার রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ছাতারপায়া এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মামুন একই এলাকার মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের মামুনের বাড়ির পাশে অভিযান চালায় পুলিশ।

আরও পড়ুন: জামায়াতের বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, খাদে পড়ে আহত ৩০ নেতাকর্মী

অভিযানে মামুনকে গ্রেপ্তার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসত ঘরের সামনে বালির স্তূপের ভেতর লুকিয়ে রাখা ৫৮ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ জব্দ করা হয়।

আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন আরও বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীর ভয়াল থাবায় নির্ঘুম নদীপারের জনপদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


নদীর ভয়াল থাবায় নির্ঘুম নদীপারের জনপদ

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের ফকিরপাড়ায়, এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে অন্তত ১০টি পরিবারের বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। সোমবার তোলা। কালের কণ্ঠের খবর অনুযায়ী, দশানী, জিঞ্জিরাম ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নদীভাঙন। গত এক সপ্তাহের প্রবল ভাঙনে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বেশ কিছু পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। একটি ভাঙন আতঙ্কের কারণে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। তাদের দাবি, ত্রাণ নয়, ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে দশানী নদী, ব্রহ্মপুত্র নদ ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বেড়েছে। এতে প্রবল স্রোত বইছে, এবং স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাঙন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এলাকার মধ্যে রয়েছে, মেরুরচর ইউনিয়নের শেখেরচর, মাইছেনির চর, ভাটি কলকিহারা, ফকিরপাড়া, খেওয়ারচর, জাগিরপাড়া, ঘুঘরাকান্দি, বেতমারী, নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের কুশলনগর, সাজিমারা, সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইড়মারী, কুতুবেরচর। এসব এলাকায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন যে, ইতোমধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতভিটা। গাছপালা ও ফসলি জমি নদীর মাঝে চলে গেছে। প্রতিনিয়ত নদীপারের মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছেন। তারা আতঙ্কের কারণে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এবং খোলা জায়গায় নিরাপত্তাহীনতায় আবাসিত রয়েছেন। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা এবং এখনো সরকারি কিংবা বেসরকারি পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে ত্রাণ নয়, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চাচ্ছেন তারা। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কলকিহারা গ্রামের জিনেত আলী, শাহ কামাল, হোসেন মণ্ডল জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছরে সাতবার নদীভাঙনের কবলে পড়েছেন তারা। বসতবাড়ি, ফসলি জমি এখন নদীর পানির নিচে। এবারের ভাঙনে ঘরবাড়ি টেনেটুনে তোলার স্থানও নেই। তাদের অনেকেই খোলা জায়গায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। নদীভাঙন নিয়ে কথা হয় উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের বিল্লাল, কালাম, মজমত, শরফত আলী, জাগিপাড়া গ্রামের আবদুল কুদ্দুস, শেখেরচর গ্রামের আতিকুর রহমান ও কুশলনগর গ্রামের মীর কাসেমের সঙ্গে। তারা জানান, পানি কমার সময়েও নদী ভাঙে, এবং বাড়ার সময়েও ভাঙন চলে। এ পর্যন্ত তারা তিন-চারবার নদীভাঙনের শিকার হয়েছেন। এবারো আবার ভাঙনের কবলে পড়েছেন। তারা জানাচ্ছেন, ত্রাণের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হবে না, তাদের দরকার নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান। স্থানীয় মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ‘নদী ভাঙলে মানুষ যে কতটা অসহায় হয়ে পড়ে, তা নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘পাঁচ-সাতবার করে অনেকের বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। জায়গা-জমি সব নদীতে। তাদের ছেলে-মেয়ে এখন খোলা জায়গায় বসবাস করছেন। এলাকার জনগণ ভাঙনের স্থায়ী সমাধান চায়।’ মেরুরচর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, ‘নদীভাঙনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মেরুরচর ইউনিয়নের মানুষ। বর্তমানে নদীতে পানি বাড়ছে, ফলে ভাঙন বেড়ে যাচ্ছে। দ্রুত ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ শুরু করবে বলে জানতে পেরেছি। পাশাপাশি, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। বরাদ্দ অনুযায়ী তাদের সহায়তা করা হবে।’ নিলাক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান জানিয়েছেন, ‘সাজিমারা ও কুশলনগর এলাকায় বেশ কিছু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীতে চলে গেছে ফসলি জমি ও গাছপালা। এলাকাবাসী স্থায়ী সমাধান চায়।’ বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে। নদীভাঙনের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা ব্যবস্থা নেবেন।’ জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান খানের ভাষ্য, ‘বাঙালপাড়া ও ঘুঘরাকান্দি এলাকায় ভাঙন রোধে কাজ চলমান। ভাঙনকবলিত এলাকার তালিকা রয়েছে, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়পুরহাটে ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্য প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


জয়পুরহাটে ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্য প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন

 জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পাটাবুকা, খাসবাগুড়ী ও বনখুর মৌজায় রাস্তা নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্য প্রদানের দাবিতে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১২টায় জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন জমির মালিক মুরাদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম পাপ্পু, গোফফার হোসেন, শুভ হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী এবং ফছির উদ্দীন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, পাঁচবিবি উপজেলার পাটাবুকা, খাসবাগুড়ী ও বনখুর মৌজায় রাস্তা নির্মাণে কৃষকদের জমি সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু অধিগ্রহণের জন্য নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের মূল্য প্রকৃত বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ কারণে তারা তাদের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই তারা প্রকৃত বাজারমূল্যের ভিত্তিতে জমির ন্যায্যমূল্যের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দরজার সামনে কাফনের কাপড়, চিরকুটে হুমকি: ‘সময় থাকতে ভালো হয়ে যা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


দরজার সামনে কাফনের কাপড়, চিরকুটে হুমকি: ‘সময় থাকতে ভালো হয়ে যা’

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় একটি পরিবারের দরজার সামনে কাফনের কাপড় এবং একটি চিরকুট রেখে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির দ্বারা রেখে দেওয়া হুমকিমূলক চিরকুটে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ওই পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

বুধবার (১ জুলাই) পিপরুল ইউনিয়নের বাঁশভাগ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুরের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরের সময় আব্দুল গফুরের বাড়ির সামনে কাফনের কাপড় সদৃশ কাপড় এবং একটি চিরকুট রাখা হয়। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে কে বা কারা গেটের দরজার সামনে একটি কাফনের কাপড় রেখে যায়, এবং এর সঙ্গে একটি চিরকুট সংযুক্ত করা হয়। ঘটনাটি সকালে নজরে আসার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

চিরকুটে লেখা ছিল, ‘সময় থাকতে ভালো হয়ে যা। পরে আর নাও সময় পেতে পারিস। আল্লাহ ছাড়া বাঁচাবার মতো কেউ নাই। অবস্থা খারাপ হওয়ার আগে ভালো হয়ে যা। আল্লাহ তোকে হেদায়েত দিক। মানুষের ওপর নির্ভরশীলতা বাদ দিয়ে আল্লাহ ভীরু হো।’

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা, আ. গফুর ও আ. বারিকসহ অন্যরা জানান, হঠাৎ এমন অপ্রত্যাশিত ও ভয়ঙ্কর হুমকির কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ধরনের ঘটনায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। কে বা কারা এ কাজটি করেছে, তা তারা বোঝার চেষ্টা করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

নলডাঙ্গার ওসি নূরে আলম বলেন, ‘বিষয়টি দেখা হচ্ছে। পুলিশ পাঠানো হচ্ছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


ফেনীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান শুরু

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বিস্তার ঠেকাতে ফেনী পৌর এলাকায় মাসব্যাপী বিশেষ মশক নিধন অভিযান শুরু করেছে পৌরসভা।

আজ বুধবার সকালে ফেনী পৌর প্রাঙ্গণে ফগার মেশিন দিয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগ ফেনীর উপ-পরিচালক ও ফেনী পৌর প্রশাসক মো. দিদারুল আলম।

এ সময় পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাকির উদ্দিন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কৃষ্ণপদ সাহা ও সেনেটারি ইন্সপেক্টর কৃষ্ণ ময় বনিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনকালে প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, সারাদেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে। ফেনী পৌর এলাকায় যেন ডেঙ্গুর প্রকোপ কোনোভাবেই বাড়তে না পারে, সেজন্য আজ থেকে এ ওষুধ ছিটানোর বিশেষ কার্যক্রম শুরু হলো। তবে শুধু ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এজন্য পৌরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু মশার উৎস নিধনে মাসব্যাপী এই ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানো হবে। পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে দুইদিন করে এই কার্যক্রম চলবে।

ফেনী পৌরসভার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কৃষ্ণপদ সাহা অভিযানের কারিগরি দিক তুলে ধরে বাসসকে জানান, এবারের অভিযানে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক ফগার মেশিন ব্যবহার করছে, যার ফলে খুব কম সময়ে অনেক বেশি এলাকায় মশার ওষুধ ছিটানো সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি সংকীর্ণ গলির ভেতরে ওষুধ ছড়ানোর জন্য হাতে বহনযোগ্য ফগার মেশিনও ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, প্রতিদিন একজন দক্ষ সুপারভাইজারের নেতৃত্বে ৬ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী সরাসরি এই নিধন অভিযানে অংশ নেবেন। প্রতিদিনের কার্যক্রমে ৩০ লিটার মশক নিধন ওষুধ, ৫০ লিটার ডিজেল এবং ১৫ লিটার অকটেন ব্যবহার করা হবে। পৌরসভাকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে এই চিরুনি অভিযান নিয়মতান্ত্রিকভাবে মাসজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%