০৮:১৩ পি.এম
দেশে বিভিন্ন মামলা জটিলতার জন্য হাজার হাজার শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন।
তিনি বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া একটি বিবৃতিতে এই তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী জানান, ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ছাড়াও আরো ২ হাজার ৬০০ এবং ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও মামলার কারণে ঝুলে রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম সপ্তাহ থেকেই এসব মামলার জটিলতা নিরসন করতে আদালতপাড়ায় গিয়ে চেষ্টা করেছেন তিনি। কিন্তু এখনও আপিল বিভাগে মামলাগুলো কার্যতালিকায় আসছে না। ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কক্ষে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র শিক্ষক নিয়োগ নয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ এবং কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগও মামলার কারণে আটকে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরি-কাম-নাইটগার্ড নিয়োগ কার্যক্রমও একই কারণে স্থগিত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বর্তমানে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সারা বাংলাদেশে এমন অনেক শিক্ষক আছেন, যারা প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেও পদোন্নতি পাচ্ছেন না। মামলার জটিলতার কারণে এই বিষয়গুলো সমাধান করা যাচ্ছে না।
মন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তবে বিচারাধীন মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করা কঠিন হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন