ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

৯ বছরের শিশু ওরিন সাফাত প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার দিলেন নিজ হাতে লেখা কোরআন শরীফ


৯ বছরের শিশু ওরিন সাফাত প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার দিলেন নিজ হাতে লেখা কোরআন শরীফ

৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে নিজ হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে। খুলনার একটি অনুষ্ঠানে শিশুটির এই বিশেষ উপহার উপস্থিত সকলের প্রশংসা অর্জন করে।

উপহার প্রদানকারী শিক্ষার্থীর নাম ওরিন সাফাত খান। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, খুলনার ছাত্র।

খুলনায় আয়োজিত সমাবেশ ও অনুষ্ঠান চলাকালে ওরিন সাফাত খান মঞ্চে এসে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পূর্ণ লিখিত পবিত্র কোরআন শরীফটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্নেহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই উপহার গ্রহণ করেন এবং শিশুটিকে দোয়া ও আশীর্বাদ করেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন

একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শিশুদের আঁকা বিশেষ চিত্রকর্মও হস্তান্তর করা হয়। নায়লা তাসলিম জামান নামের আরেক শিক্ষার্থী তার আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও আন্তরিক উপহারে অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ পি.এম


ছবি দিয়ে রাজনৈতিক চরিত্রহননের চেষ্টা! দীর্ঘ ত্যাগের পরও অপপ্রচারের অভিযোগ বিএনপি নেতা রিপন বল্লভের

দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বরিশালের বিএনপি নেতা আলবার্ট রিপন বল্লভ। ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তোলা কিছু বিচ্ছিন্ন ছবি ব্যবহার করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

আলবার্ট রিপন বল্লভের অভিযোগ, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন সময়ের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ছবি প্রচার করে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। অথচ কোনো অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা কিংবা সামাজিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ছবি তোলাকে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বা আদর্শিক অবস্থানের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তবসম্মত নয়।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির আদর্শ ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে বরিশাল মহানগর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কোতোয়ালি থানার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

এ ছাড়া হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বরিশাল মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে সংগঠনটির মহানগর সহসভাপতির দায়িত্ব পান। বর্তমানে তিনি হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ফ্রন্ট বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।

পাশাপাশি বিএনপিপন্থী বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবং শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক হিসেবেও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আলবার্ট রিপন বল্লভ বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তৎকালীন সিটি মেয়রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ছবি তোলা হয়েছিল। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিল সামাজিক সৌজন্য ও আমন্ত্রণের অংশ। কিন্তু সেই ছবিগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমি ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। আমার রাজনৈতিক পরিচয় ও আদর্শ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বিএনপির প্রতি আমার ভালোবাসা ও আস্থা ছিল, আছে এবং আজীবন থাকবে।”

রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য ও সমালোচনা গণতান্ত্রিক চর্চার স্বাভাবিক অংশ। তবে বিচ্ছিন্ন ছবি বা সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়কে রাজনৈতিক অবস্থানের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে প্রচার করা হলে তা বিভ্রান্তি তৈরির পাশাপাশি ব্যক্তিগত মর্যাদার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে না।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আলবার্ট রিপন বল্লভের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা বিচ্ছিন্ন ছবি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি না করে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকার ভিত্তিতেই তাঁর মূল্যায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কপ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


কপ৩১ সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, বাংলাদেশ কপ৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অনুদানভিত্তিক কার্যকর সহায়তা চাইবে।

আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন কপ৩১ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু কপ৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, প্রধান অগ্রাধিকার এবং প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।

এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশ কপ৩১ সম্মেলনে পর্যাপ্ত অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে। বিশেষ করে অভিযোজন ও জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ঋণের বোঝা না বাড়িয়ে অনুদান বৃদ্ধি এবং জলবায়ু তহবিলের আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানানো হবে।

তিনি জানান, তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন। এর ফলে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের স্বার্থ, বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, লবণাক্ততা, খরা ও তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন, জীবিকা ও উন্নয়নকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বাংলাদেশ এ সম্মেলনে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

অভিযোজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক অভিযোজন লক্ষ্যের আওতায় বাস্তব অগ্রগতি অর্জনে অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা চাইবে। উপকূল, হাওর, চর ও খরাপ্রবণ এলাকার মানুষের পানি, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও জীবিকার নিরাপত্তা, আগাম সতর্কীকরণ এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলার বিষয়ে তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতি তহবিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য দ্রুত ও সহজে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন প্রাপ্তির ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বাস্তুচ্যুতি, জীবিকা হারানো ও অন্যান্য অ-অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় নতুন ও অতিরিক্ত সহায়তা প্রয়োজন।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানভিত্তিক ও দ্রুত নির্গমন হ্রাসের ওপর জোর দেন পরিবেশমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিতে হবে এবং প্রধান নির্গমনকারী দেশগুলোকে দায়িত্ব ও সক্ষমতা অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর শর্তসাপেক্ষ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাও নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প, পরিবহন ও জ্বালানি খাতে পরিবেশবান্ধব রূপান্তরের জন্য সহায়তা চাইবে। এ ক্ষেত্রে রূপান্তরের ব্যয় ও সুফলের ন্যায্য বণ্টন, শ্রমিকের অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী ও তরুণদের শোভন কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, পরিচ্ছন্ন শিল্প ও পরিবহন এবং জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার বাংলাদেশের অগ্রাধিকারে থাকবে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, বাংলাদেশ বন, ম্যানগ্রোভ, জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রকৃতিনির্ভর সমাধান এবং নারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন জলবায়ু উদ্যোগে অর্থায়ন বাড়ানোর পক্ষে কাজ করবে।

তিনি আরও জানান, জলবায়ু পদক্ষেপের কারণে উন্নয়নশীল দেশের রপ্তানি, কর্মসংস্থান ও প্রতিযোগিতার সক্ষমতার ওপর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সহযোগিতাও চাওয়া হবে।

সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মতামত এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোট, জি-৭৭ এবং সমমনা জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল জাতীয় স্বার্থে কাজ করবে।

তিনি বলেন, কপ৩১ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা হলো- অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন সহায়তায় সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি, যা জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা করে মানুষের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় কাজে আসবে।

তিনি জানান, সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশ সরকার ১০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি প্যাভিলিয়ন স্থাপন করছে। সেখানে বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি, অভিযোজন অভিজ্ঞতা, এনডিসি ৩.০, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা, জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষয়ক্ষতি, কার্বন বাজার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং স্থানীয় জনগণের উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।

তিনি আরও জানান, প্যাভিলিয়নটি অভিজ্ঞতা বিনিময়, নীতি সংলাপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরিতে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া জুট প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের গভীর ও সম্মানজনক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: মাহদী আমিন

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও মজবুত।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই সম্পর্ক কেবল মানুষে-মানুষে যোগাযোগের ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা উন্নয়ন অংশীদারিত্বের এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এবং আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘পাওয়ারিং বাংলাদেশ’স নেক্সট গ্রোথ চ্যাপ্টার: আ পাথওয়ে টু এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্যাবিলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন আরও বলেন, শিক্ষা, পর্যটন এবং মানুষে-মানুষে নিবিড় যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় হয়ে উঠেছে। তিনি জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দুই দেশের মধ্যে একটি মজবুত সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন, যা দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক জীবনধারাকে সংযুক্ত করেছে।

বর্তমানে ৫০টিরও বেশি মার্কিন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগ করেছে, তিনি উল্লেখ করেন। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রেখে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও কৃষিপণ্যের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে কাজ করছে। একইভাবে মার্কিন পণ্য আমদানিতেও চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বাইরে, জ্বালানি খাতেও শেভরন ও এক্সিলারেট এনার্জির মতো মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে সফল অংশীদারিত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আরও ব্যাপক পরিসরে গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানের পরিকল্পনা করছে, যা মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন বিনিয়োগের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের রূপকল্প অনুযায়ী অর্থনৈতিক সুফল তৃণমূলের প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার্স কার্ডের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে মাস্টারকার্ড বা ভিসার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব। এ ছাড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আন্তরিক ও গভীর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত নতুন সরকার আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিস শু শিয়াং।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাশরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে জিই ভার্নোভার এশিয়া অঞ্চলের জিএম সারতাজ ভূঁইয়া, এক্সিলারেট এনার্জির কান্ট্রি ম্যানেজার মো. হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, বিএসআরএম গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আমীর আলি হোসেন এবং বুয়েটের প্রকৌশল অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন।

সেমিনার শেষে উপদেষ্টা মাহদী আমিন '৩০তম ইউএস ট্রেড শো ২০২৬'-এর বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ কোটি মিসরীয় থাকতে কেন ভারতীয়কে বিয়ে করলেন আল-সায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


৮ কোটি মিসরীয় থাকতে কেন ভারতীয়কে বিয়ে করলেন আল-সায়েদ

আব্দুল আল-সায়েদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় রচনা করেছেন। তিনি হলেন প্রথম মুসলমান সিনেটর, যিনি মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়টি নির্বাচনকালে প্রতিপক্ষদের জন্য একটি বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা দিয়ে আল-সায়েদকে হারানোর চেষ্টা করেন। সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয়েছিল। ট্রাম্প তাঁকে ‘জিহাদী’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এমনকি নির্বাচনের দুদিন আগে ডেমোক্র্যাট হ্যালি স্টিভেন্স দল বদলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সের পক্ষ নিয়েছিলেন। এত কিছুর পরও আল-সায়েদের বিশাল জয় ঠেকানো সম্ভব হয়নি। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সের চেয়ে ৩ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে মিশিগান থেকে সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন।

আল-সায়েদ তাঁর বিশাল জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্তটি উদ্‌যাপন করেন তাঁর স্ত্রী ডাক্তার সারাহ জুকা কুর সঙ্গে। এই দম্পতি অভিবাসী পরিবারের সন্তান। আল-সায়েদের শিকড় মিসরে, আর তাঁর স্ত্রী সারাহর শিকড় ভারতে। আল-সায়েদের জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি তাঁর বিয়ে নিয়ে পরিবারের একটি মজার মন্তব্য স্মরণ করেছেন। এটির মাধ্যমে তাঁর জীবনের প্রায় দুই দশকের পুরোনো ভারতীয় সংযোগের একটি ঝলক ফুটে উঠেছে।

আল-সায়েদ বলেন, যখন তিনি ডা. সারাহকে বিয়ে করেন, তখন মিসর থেকে তাঁর এক চাচা এসে তাঁকে বলেছিলেন, ‘৮ কোটি মিসরীয় থাকতে তুমি কি না এক ভারতীয় নারীকে বিয়ে করলে?’ আল-সায়েদ মজা করে উত্তর দেন, “আমি উত্তর দিয়েছিলাম ‘আমু (আরবিতে চাচা), ওনাদের জনসংখ্যা ১০০ কোটি। তাই পরিসংখ্যানের দিক থেকে দেখতে গেলে এর সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি ছিল’।”

এই ক্লিপটি চলতি বছরের আগস্টে ইউটিউবে আপলোড করা ‘মিট দ্য রিয়েল আব্দুল আল-সায়েদ’ পডকাস্টের একটি অংশ। আলোচনাটি মূলত তাঁর পরিবার, শৈশব এবং বেড়ে ওঠার ওপর কেন্দ্র করে ছিল।

আল-সায়েদ এবং ডা. সারাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে পড়ার সময় বাগ্‌দান করেন এবং ২০০৬ সালের মে মাসে বিয়ে করেন। তাঁদের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে, এমিলি এবং সেরিন। আল-সায়েদ তাঁর স্ত্রীর ভারতীয় পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথাও প্রকাশ করেছেন। আগের একটি সাক্ষাৎকারে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন যে, প্রায় দুই দশকের বৈবাহিক জীবনের পর তিনি হয়তো ‘যতটা না আরব, তারচেয়ে বেশি ভারতীয়’ হয়ে গেছেন।

সারাহও তাঁদের সম্পর্কের একটি ঝলক তুলে ধরেছেন তাঁর রসবোধের মাধ্যমে। একটি নির্বাচনি সমাবেশে তিনি কৌতুক করে ঘোষণা করেছিলেন, ‘আমি ছাড়া অন্য কেউ তাঁকে কী করতে হবে তা বলার সাহস পায় না!’

সারাহ একটি ভারতীয়-আমেরিকান পরিবারের সন্তান, যারা কর্ণাটকের উপকূলীয় শহর ভাটকল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সারাহর দাদা জুকা কু শামসুদ্দিন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বি ডি জত্তির অধীনে অর্থ উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁকে ভাটকল অঞ্চলের প্রথম আইনজীবী হিসেবেও গণ্য করা হতো। সারাহর বাবা ডা. তায়েব জুকা কু একজন কিডনি বিশেষজ্ঞ, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করেছিলেন।

আব্দুল আল-সায়েদের বাবা মোহামেদ আল-সায়েদ এবং তাঁর সৎমা দুজনেই মিসরের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৭০-এর দশকে তারা উচ্চশিক্ষা ও প্রকৌশল পেশার সূত্রে মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তাঁর পরিবারের একটি বড় অংশ এখনো মিসরে বসবাস করে, যাদের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%