বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১৪ পি.এম
যুক্তরাজ্যের ওল্ডহাম মেট্রোপলিটন বরা কাউন্সিলের ৪ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর, ওল্ডহাম-বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী এবং ওল্ডহাম সেন্টার মসজিদের অন্যতম ফাউন্ডার আব্দুল মালিক উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত প্রত্যেক প্রবাসী চায় তাঁর জন্মভূমি বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাক। তিনি আরও বলেন, "এজন্য প্রবাসীরা নিজ গ্রামের উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে আসছেন এবং ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান।" এই প্রক্রিয়ায় সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সার্বিক সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের করপাড়া গ্রামে করপাড়া ডেভলাপমেন্ট কাউন্সিলের উদ্যোগে ১২০টি সোলার লাইট ও ২৫ হাজার স্কয়ার ফিট পাকা রাস্তার নির্মাণ কাজের উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
করপাড়া গ্রামের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠিত করপাড়া ডেভলাপমেন্ট কাউন্সিল, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের উদ্যোগে গঠিত হয়েছে। সংগঠনটি গ্রামের বিভিন্ন সড়কে প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ১২০টি অত্যাধুনিক সোলার লাইট এবং গ্রামের ভিতরের ৩টি সড়কে প্রায় ২৫ হাজার স্কয়ার ফিটের পাকা রাস্তা নির্মাণের মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা।
অনুষ্ঠানে প্রবীণ মুরব্বী আলহাজ্ব আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা আবুল খয়ের আলী, ফরিদ মিয়া, মোহাম্মদ আলী ফারহান, হযরত ওমর-ফারুক (রা.) একাডেমির প্রধান শিক্ষক মরতুজ আলী এবং বিশ^নাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়ের।
করপাড়া ডেভলাপমেন্ট কাউন্সিলের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য মাসুক মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফিজ নাজমুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন আশিকুর রহমান। এছাড়া যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন আব্দুল গণি, আজমন্দর আলী, হাজী মছদ্দর আলী, সিরাজুল হক, কয়ছর উদ্দিন, ফখর উদ্দিন, ফজর উদ্দিন সাগর, বদরুল আমিন, আব্দুল জব্বার, ফয়জুল হক, আশিক মিয়া, লিলু মিয়া, শামীম মিয়া, খালিক মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন করপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল ওয়াকে এবং কাউন্সিলর আব্দুল মালিকের সৌজন্যে নৈশভোজ সম্পন্ন হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতলব উত্তরে ১৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে মতলব যুব উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থা।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের মাঝে এই শিক্ষা উপকরণ বিতরণের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এই উপলক্ষে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সকাল থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঘুরে শিক্ষার্থীদের হাতে কলম, খাতা ও স্কেল তুলে দেন। প্রথম দিন বাড়িভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য কালিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পূর্ব ষাটনল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছেও শিক্ষা উপকরণ পৌঁছে দেওয়া হবে।
পূর্ব ষাটনল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার, সামিয়া আক্তার, আয়ান ও মিরাজ জানায়, ‘আমাদের হাতে খাতা ও কলম তুলে দেওয়ায় আমরা অনেক খুশি। এসব শিক্ষা উপকরণ আমাদের পড়ালেখায় কাজে লাগবে। মতলব যুব উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার এমন উদ্যোগে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি। আমরা ভালোভাবে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে মানুষের মতো মানুষ হতে চাই। এজন্য সংগঠনের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’
মতলব যুব উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি আনিছুর রহমান খান জামান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করা এবং শিক্ষার পরিবেশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার লক্ষ্যেই আমাদের এই উদ্যোগ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব যুব উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিয়ান আহম্মেদ সুজন মিয়াজি, সহসভাপতি রতন ঢালী, দপ্তর সম্পাদক সিহাব সিকদার, কোষাধ্যক্ষ সজিব আহমেদ সরকার, প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ সোহাগ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জি. আল সায়াদী প্রমুখ।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ক্লিনিকে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রসবকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মংচিংনু মারমার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে ঈদগাঁও ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন পুরাতন ছাগল বাজার এলাকায় মো. মনজুর আলমের ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত 'রুরাল মেডিকেল প্র্যাকটিশনার ক্লিনিক'-এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ক্লিনিকটিতে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে সেখানে থাকা গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রসবকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
অভিযানে ঈদগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং তাঁর টিম সহযোগিতা করেন। জব্দ করা সরঞ্জামগুলো ঈদগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অভিযানে ঈদগাঁও থানা পুলিশ, আনসার সদস্য এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অননুমোদিত চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৯ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে নিজ হাতে লেখা পবিত্র কোরআন শরীফ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে। খুলনার একটি অনুষ্ঠানে শিশুটির এই বিশেষ উপহার উপস্থিত সকলের প্রশংসা অর্জন করে।
উপহার প্রদানকারী শিক্ষার্থীর নাম ওরিন সাফাত খান। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, খুলনার ছাত্র।
খুলনায় আয়োজিত সমাবেশ ও অনুষ্ঠান চলাকালে ওরিন সাফাত খান মঞ্চে এসে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পূর্ণ লিখিত পবিত্র কোরআন শরীফটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত স্নেহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই উপহার গ্রহণ করেন এবং শিশুটিকে দোয়া ও আশীর্বাদ করেন।
একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে শিশুদের আঁকা বিশেষ চিত্রকর্মও হস্তান্তর করা হয়। নায়লা তাসলিম জামান নামের আরেক শিক্ষার্থী তার আঁকা ছবি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও আন্তরিক উপহারে অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিকল্পিত অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বরিশালের বিএনপি নেতা আলবার্ট রিপন বল্লভ। ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তোলা কিছু বিচ্ছিন্ন ছবি ব্যবহার করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
আলবার্ট রিপন বল্লভের অভিযোগ, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন সময়ের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ছবি প্রচার করে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। অথচ কোনো অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা কিংবা সামাজিক সৌজন্যের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ছবি তোলাকে রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা বা আদর্শিক অবস্থানের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তবসম্মত নয়।
তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির আদর্শ ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে বরিশাল মহানগর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) কোতোয়ালি থানার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
এ ছাড়া হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বরিশাল মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে সংগঠনটির মহানগর সহসভাপতির দায়িত্ব পান। বর্তমানে তিনি হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ফ্রন্ট বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।
পাশাপাশি বিএনপিপন্থী বাংলাদেশ খ্রিস্টান ফোরামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবং শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক হিসেবেও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে আলবার্ট রিপন বল্লভ বলেন, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তৎকালীন সিটি মেয়রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ছবি তোলা হয়েছিল। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিল সামাজিক সৌজন্য ও আমন্ত্রণের অংশ। কিন্তু সেই ছবিগুলোকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমি ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। আমার রাজনৈতিক পরিচয় ও আদর্শ নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বিএনপির প্রতি আমার ভালোবাসা ও আস্থা ছিল, আছে এবং আজীবন থাকবে।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য ও সমালোচনা গণতান্ত্রিক চর্চার স্বাভাবিক অংশ। তবে বিচ্ছিন্ন ছবি বা সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়কে রাজনৈতিক অবস্থানের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে প্রচার করা হলে তা বিভ্রান্তি তৈরির পাশাপাশি ব্যক্তিগত মর্যাদার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে না।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আলবার্ট রিপন বল্লভের প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত আক্রমণ কিংবা বিচ্ছিন্ন ছবি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি না করে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকার ভিত্তিতেই তাঁর মূল্যায়ন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ