বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ পি.এম
ইবিতে প্রায় সাত বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে কোটি টাকার প্রিন্টিং প্রেসের মেশিন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ছাপার কাজগুলি বাইরের ছাপাখানায় করাতে হচ্ছে। এতে প্রতিবছর অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং গোপনীয় নথির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই অবস্থায়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধ থাকলেও সেখানে কর্মরত তিন কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারী নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন প্রিন্টিং মেশিন ও কাগজ কাটার মেশিন কেনার প্রকল্প বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিসের সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, টেবুলেশন শিট, পরীক্ষার খাতা, শিক্ষার্থীদের টাকা জমার রসিদ, সনদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, ডায়েরি, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, পরিবহন দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক শাখার ছাপার কাজ এই প্রিন্টিং প্রেসের আওতায় পড়ে। কিন্তু মেশিন অচল থাকায় এসব কাজ এখন বাইরের ছাপাখানার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকার বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রায় ৭০ লাখ টাকা মূল্যের একটি প্রিন্টিং মেশিন দেয়। কিন্তু ২০০৫ সালের বন্যায় প্রিন্টিং প্রেসে পানি ঢুকে মেশিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। পরে দীর্ঘদিন ব্যবহৃত না হওয়া এবং বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়ে, মেশিনটি ব্যাহত হয়ে পড়ে। এরপর থেকে নতুন মেশিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
বর্তমান প্রিন্টিং প্রেসের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মফিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন মেশিন কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, "বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মেশিনের মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাপার কাজ বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে। এতে বছরে প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।"
অন্যদিকে, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. নওয়াব আলী জানান, প্রথমে ৫৪ লাখ টাকার বাজেট থাকলেও তিন দফা দরপত্র আহ্বান করেও মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। পরে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে অর্থ সমন্বয় করে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার নতুন বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেন, "প্রস্তাবটি ইউজিসির সুপারিশ পেয়েছে এবং বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। অনুমোদন পেলেই নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের একটি অনলাইন সভা হয়েছে। তারা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে।"
এদিকে প্রেস প্রশাসকের মতে, পুরোনো মেশিনটি মেরামত করলে তা আবারও ব্যবহার উপযোগী করা সম্ভব। অন্যদিকে প্রকৌশল দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নতুন মেশিন কেনা হলে পুরোনোটি মেরামত করে উভয় মেশিন চালু রাখা যাবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপার কাজের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র হচ্ছে। গত চার দিনের টানা সময়কাল ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ কখনোই ছাড়বে না বলে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর বেলায়াতি বলেছেন, "বিশ্বের কোনো শক্তিই হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তেহরানের মালিকানা কেড়ে নিতে পারবে না।"
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, "হরমুজ প্রণালি ইরানেরই অংশ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সাহসী ও বিচক্ষণ নির্দেশে এই প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ৪০ দিনের যুদ্ধে এটি একটি মূল্যবান অর্জন।"
গত কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। ওয়াশিংটনের দাবি হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান যাতে আর হুমকি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হচ্ছে। এর পূর্বে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের বিকল্প রুট ব্যবহার করা কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা মার্কিন স্থাপনাও রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম যুলফাগারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, "ট্রাম্প যদি তার হুমকি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তাহলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেবে, যাতে সেগুলোর আর কোনো চিহ্নই না থাকে।"
তিনি আরও বলেন, "ইরান হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না। কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা আমেরিকাকে, একটি বিদেশি ও আঞ্চলিক বাইরের দেশ হিসেবে, হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের চূড়ান্ত রেড লাইন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঐতিহাসিক ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে ঢাকার রায়েরবাজার জুলাই শহীদ গণকবরে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্যও প্রার্থনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন।
এদিন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহসী শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আত্মত্যাগের যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা পরবর্তী সময়ে গণঅভ্যুত্থানের অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়।
তাঁর আত্মদান শুধু একটি আন্দোলনের নয়, বরং ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
এ সময় ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, জুলাই শহীদ দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
তিনি বলেন, এই দিনে আমরা শুধু শহীদদের স্মরণ করি না, বরং তাঁদের আদর্শ ও আত্মত্যাগ থেকে নতুন করে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করি।
জেলা প্রশাসক বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের বীর শহীদরা একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘শহীদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যেতে পারে না। তাঁদের রক্তের ঋণ পরিশোধের একমাত্র উপায় হলো আইনের শাসন, সুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করা। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের ত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক চেতনার শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকা জেলা প্রশাসন সবসময় শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতib্ধ। শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হলে আমাদের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা শহীদদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এরপর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও পর্যায়ক্রমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সব শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
একই সঙ্গে দেশের অব্যাহত শান্তি, উন্নয়ন, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠিতে পালিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ দিবস’। নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা শহীদদের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মামুন আল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আক্কাস সিকদার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা লেলিন বালাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা, জুলাই যোদ্ধা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
বক্তারা সভায় বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর দেশে ফেরার পথে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরণের বাধা সৃষ্টি করবে না। তবে তার নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন কূটনীতিক।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ আমেরিকা বিষয়ক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী লুইস মেন্দেজ বুধবার কংগ্রেসের এক শুনানিতে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র দপ্তরের নীতি স্পষ্ট। মারিয়া কোরিনার দেশে ফেরার পথে আমরা কোনো বাধা সৃষ্টি করব না।’
ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থার মাধ্যমে এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে। গত ডিসেম্বরে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণের জন্য ভেনেজুয়েলা ছাড়েন মাচাদো। এরপর থেকে তিনি দেশে ফেরেননি।
মেন্দেজ উল্লেখ করেন, ‘তবে আমার মনে হয়, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের আরও কিছু কাজ করতে হবে। যাতে তিনি ফিরে এলে তাকে গ্রেফতার করা না হয়।’ ২৪ জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের পর মাচাদো একাধিকবার কারাকাসে ফেরার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভেনেজুয়েলার কূটনৈতিক চাপের কারণে তিনি তা করতে পারেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজকে মাচাদোর দেশে ফেরার অনুমতি দিতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে মেন্দেজ বলেন, ‘হ্যাঁ। আমরা অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়েছি।’
চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে ডেলসি রড্রিগেজ ক্ষমতায় রয়েছেন। এবং দুজনই ক্ষমতাসীন দলের নেতা। মঙ্গলবার তিনি ঘোষণা দেন, তার সরকার আগামী মাস থেকে বিরোধী দলের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ