ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ আর নেই, সাংবাদিক মহলে শোক


বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ আর নেই, সাংবাদিক মহলে শোক

দৈনিক বণিক বার্তা পত্রিকার বরিশাল ব্যুরোপ্রধান এবং বরিশাল প্রেসক্লাবের সম্মানিত সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ আমাদের মাঝে আর নেই। বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনে তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

সাংবাদিক এম. মিরাজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তালাশ বিডির বরিশালের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলাম।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, "এম. মিরাজ ছিলেন বরিশালের সাংবাদিক সমাজের একজন পরিচিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।"

মাছুদুর রহমান আসলাম বলেন, "এম. মিরাজ ভাইয়ের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর সঙ্গে সাংবাদিকতার পেশাগত সম্পর্কের পাশাপাশি ছিল আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তাঁর চলে যাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।"

তিনি আরও বলেন, "সাংবাদিক এম. মিরাজের মৃত্যুতে তাঁর সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজনদের মধ্যে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তা অত্যন্ত বেদনাদायक। একজন সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে তিনি সহকর্মীদের মাঝে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।"

তালাশ বিডির বরিশাল প্রধান মাছুদুর রহমান আসলাম মরহুম এম. মিরাজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, "আল্লাহ পাক মরহুম এম. মিরাজকে ক্ষমা করে দিন, তাঁর কবরকে নূরে ভরিয়ে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করার পরিকল্পনা করছে ইসরাইল: মানবাধিকার সংস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করার পরিকল্পনা করছে ইসরাইল: মানবাধিকার সংস্থা

ইসরাইল বিতর্কিত ই১ বসতি প্রকল্পের মাধ্যমে অধিকৃত পশ্চিম তীরকে দ্বিখণ্ডিত করার পরিকল্পনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন বিমকম।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই এলাকায় বসবাসরত প্রায় ৩ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হতে পারে। পশ্চিম জেরুজালেম থেকে আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমকমের গবেষণা বিভাগের প্রধান মিখাল ব্রাইয়ার বলেন, গত বছর ইসরাইলের ই১ বসতি স্থাপন পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেছিলেন তারা।

ব্রাইয়ার জানিয়েছেন, ‘আবেদনগুলো ই১ এলাকার ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল। সেখানে প্রায় ৩ হাজার মানুষ বসবাস করেন। আমাদের আশঙ্কা, তাদের সবাইকে জোরপূর্বক ওই এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হবে এবং ওই এলাকাটি পুরোপুরি ইহুদিদের ভূখণ্ডে পরিণত হবে।’

তিনি বলেছেন, ইসরাইলের পরিকল্পনায় প্রায় ২ হাজার দুনাম জমির কথা বলা হলেও এর আওতাভুক্ত এলাকা আরও অনেক বড়। বিশেষভাবে ওই এলাকার চারপাশে যে বিচ্ছিন্নতা প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, সেটি অনেক বিস্তৃত অঞ্চলকে ঘিরে ফেলবে।

ব্রাইয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, ই১ এলাকায় প্রস্তাবিত বিচ্ছিন্নতা প্রাচীরই মূল কারণ, যার ফলে এই বসতি পরিকল্পনাকে পশ্চিম তীরকে ‘দুই ভাগে বিভক্ত’ করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এর ফলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের চলাচল ও যোগাযোগের সুযোগ খুবই সীমিত হয়ে পড়বে।

ব্রাইয়ার আরও যোগ করেছেন, ‘এটি মূলত পশ্চিম তীরের উত্তর অংশ ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের যোগাযোগের সুযোগ খুব কমিয়ে দেবে।’

১৯৬৭ সালে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে ইসরাইল এ পর্যন্ত প্রায় ১৬০টি বসতি গড়ে তুলেছে, যেখানে অন্তত ৭ লাখ ইহুদি বসবাস করছেন।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তীব্র আপত্তির পরও ইসরাইলি সরকার পশ্চিম তীরে একের পর এক বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। ই১ এর মধ্যে এটি সর্বশেষ ও সর্ববৃহৎ প্রকল্প।

গত বুধবার ইসরাইলের গৃহায়ন মন্ত্রণালয় ১ হাজার ২৩৪টি আবাসন ইউনিটের দরপত্র প্রকাশ করেছে। এটি মূলত গত আগস্টে ইসরাইলি সরকার অনুমোদিত ৩,৪০১টি আবাসন ইউনিটেরই অংশ। প্রকল্পটির আওতায় পূর্ব জেরুজালেম ও ইসরাইলি বসতি মালে আদুমিমের মধ্যবর্তী প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার এলাকা পড়েছে।

পরিকল্পনাটি প্রকাশের সময় কট্টর ডানপন্থি ও বসতি স্থাপনকারীদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ বলেছিলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণা ‘মুছে ফেলা হচ্ছে’।

এই নতুন অবৈধ বসতি নির্মাণের ইসরাইলি পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও নরওয়ে বলেছে, পশ্চিম তীরে ‘ই-১’ বসতি প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য ইসরাইলের দরপত্র আহ্বান ‘অগ্রহণযোগ্য’। তাদের মতে, এটি ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক সংযোগ’ লঙ্ঘন করবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই প্রকল্পে অংশ নেয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘আইনি ও সুনামগত পরিণতি’ হতে পারে। একই সঙ্গে ইসরাইলকে অবিলম্বে এসব পরিকল্পনা প্রত্যাহার এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এসব পদক্ষেপ শুধু আমাদের শান্তি থেকে আরও দূরে সরিয়ে নেবে না, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরাইলের অবস্থানকে আরও দুর্বল করবে।’

মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও ইসরাইলের এই পরিকল্পনার ‘সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান’ জানিয়েছে। অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতি স্থায়ী করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ‘এসব লঙ্ঘন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ’ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, এই পরিকল্পনা ‘একটি সংযুক্ত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

পৃথক বিবৃতিতে ইসরাইলের এই পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরের নতুন অবৈধ ইসরাইলি বসতি স্থাপনের খবর, যার মধ্যে নতুন দরপত্র আহ্বানও রয়েছে, জাতিসংঘের মহাসচিবকে ‘গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের রাজৈরে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলাবাজির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাওন বল মাদারীপুর

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


মাদারীপুরের রাজৈরে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলাবাজির অভিযোগ

মাদারীপুরের রাজৈরের জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা দ্বন্দ্ব নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। দুইভাই, ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা এবং অভিযোগ দিয়ে হয়রানীর বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এ বিষয়টি প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন তারা।শনিবার দুপুরে রাজৈরের টেকেরহাট আবাসিক এলাকার একটি ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

রাজৈর উপজেলা খালিয়া গ্রামের মৃত সমশের খানের ছেলে কাজেল খান ওয়রিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে ভাই-বোন ও মায়ের কাছ থেকে ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ৮টি সাব-কবলা মূলে মোট ৬৬.৮৪ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু বর্তমানে কাজেল জোরপূর্বক এই জমির বাইরে অতিরিক্ত জমি দাবি করছেন। ২০১৯ সালে কাজেল তার দুইভাই তাজেল ও ফজেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এরপর থেকে তাজেল ও ফজেলকে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ ওঠে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে তাজেল ও ফজেল যখন তাদের নিজস্ব জায়গায় একটি নিটশেট ঘর নির্মাণ শুরু করেন, তখন কাজেল পুলিশ দিয়ে তাদের বাধা দেন। ফলে ভুক্তভোগীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। তারা সরকারের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

ভুক্তভোগী ফজেল খান বলেন, ‘কাজেল যতটুকু জমি পাবে, তার থেকে বেশি ভোগ করতে চায়। আমি এটা কোনভাবেই মেনে নেব না। আমরা আইনী সহায়তা চাই।’

আরেক ভুক্তভোগী তাজেল খান বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে এই বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার বসা হয়েছিল। মীমাংসার কথা বলা হলে মামলা তুলে নেয়ার কথা হয়েছিল, কিন্তু আবার শুনি মামলা চলমান। আমরা কয়েক বছর ধরে হয়রানীর শিকার হচ্ছি। আমরা এর বিচার চাই।’

অভিযুক্ত কাজেল খান বলেন, ‘আমি ৬৬.৮৪ শতাংশ জমির মালিক, কিন্তু আমার আপন দুইভাই জোরপূর্বক আমাকে জমির মালিকানা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। তারা বাধাগ্রস্থ করছে। আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি। মামলা চলমান। নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরও তারা জোরপূর্বক আমার জায়গায় ঘর তুলছে। আমি ন্যায় বিচার দাবি করছি।’

মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দুইপক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। থানায় আসলে কাগজপত্র দেখে দ্রুত একটি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিশালে নজরুল সিটির উন্নয়ন কর্মকান্ডের সম্ভাব্যতা যাচায়ে নজরুল স্মৃতি স্থান পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


ত্রিশালে নজরুল সিটির উন্নয়ন কর্মকান্ডের সম্ভাব্যতা যাচায়ে নজরুল স্মৃতি স্থান পরিদর্শন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাল্যকালীন স্মৃতিতে ভরা ময়মনসিংহের ত্রিশালে নজরুল সিটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ত্রিশালের নজরুল স্মৃতি স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে এমপি ডাঃ মাহবুবুর রহমান লিটন এবং সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী স্মৃতি স্থান পরিদর্শন করেন।

এ সময় নবাগত ইউএনও হাসনাত জাহান খান, সহকারী কমিশনার ভূমি মাহবুবুর রহমান এবং ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মুনসুর আহমেদ এদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

কবির বাল্য স্মৃতি বিজড়িত ত্রিশাল উপজেলার কাজীর শিমলা রফিজ উল্লাহ দারোগা বাড়ীর পাশে অবস্থিত নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র, ত্রিশাল নামাপাড়ায় কবির জায়গীর বাড়ীর পাশে নজরুল যাদু ঘর, এবং কবির বাল্যবিদ্যাপিঠ (সাবেক দরিরামপুর হাই স্কুল) বর্তমান সরকারি নজরুল একাডেমীর স্মৃতিময় স্থানগুলো পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেকোনো হামলার জবাব আগের চেয়ে আরও কঠোর হবে: ইরানের সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


যেকোনো হামলার জবাব আগের চেয়ে আরও কঠোর হবে: ইরানের সেনাবাহিনী

সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান বর্তমানে তার সামরিক নীতিতে 'প্রতিরক্ষামূলক' অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে 'আক্রমণাত্মক' অবস্থানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে আল জাজিরা দ্বারা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ শনিবার (২২ আগস্ট) আকরামিনিয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অতীতে ইরানের সামরিক নীতি ছিল প্রতিরক্ষামূলক। কিন্তু সাম্প্রতিক দুই দফা যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় এই নীতিতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে এবং এটি আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেন যে, এর অর্থ হল না যে শত্রুর ওপর হামলা চালানো হবে আগে থেকে। তিনি বলেন, 'এর অর্থ শত্রুর বিরুদ্ধে আগাম অভিযান চালানো নয়। আমরা যেকোনো আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক জবাব দেব এবং সেই জবাব আগ্রাসনের চেয়েও বড় পরিসরে হবে।'

ইরানি সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্র আরও জানান, আগের সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ব্যবস্থাগুলো এখন মেরামত করা হয়েছে এবং নতুন কিছু সামরিক ব্যবস্থা বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'শত্রু যদি আবার কোনো ভুল হিসাব করে, তাহলে আগের চেয়েও ভয়াবহ জবাব দিতে পারি, তা নিশ্চিত করতে আমরা অবিরত কাজ করছি।'

আকরামিনিয়া সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় যে পরিবর্তন আনা হয়েছে, তার লক্ষ্য হলো যেকোনো হামলার জবাব দেওয়ার প্রক্রিয়ার গতি বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, 'আমরা যুদ্ধবিরতি ও নীরবতার অবস্থায় প্রবেশ করার পর থেকে একটি মুহূর্তও নষ্ট না করার চেষ্টা করছি। কারণ আমরা শত্রুর ওপর মোটেও আস্থা রাখি না।'

হরমুজ প্রণালি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, যুদ্ধের পর নিজেদের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য এগিয়ে নিতে এই কৌশলগত জলপথ 'নির্ণায়ক ভূরাজনৈতিক প্রভাব' অর্জন করেছে। এ ছাড়া সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কমে আসার একটি ইঙ্গিত হিসেবেও তিনি উল্লেখ করেন আকরামিনিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%