বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৩১৭২টি মামলা করেছেন ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন ও এসব মামলা করেন।
ডিএমপির তথ্যমতে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে140টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে 10টি বাস, 1টি ট্রাক, 8টি কাভার্ডভ্যান, 13টি সিএনজি ও 56টি মোটরসাইকেল রয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে 180টি মামলা হয়েছে, সেখানে 10টি বাস, 12টি ট্রাক, 6টি কাভার্ডভ্যান, 28টি সিএনজি ও 103টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তাছাড়া, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে মোট 319টি মামলা, যার মধ্যে 40টি বাস, 16টি কাভার্ডভ্যান, 65টি সিএনজি ও 144টি মোটরসাইকেল আছে।
ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে মোট 714টি মামলা হয়েছে। সেখানে 102টি বাস, 75টি ট্রাক, 67টি কাভার্ডভ্যান, 112টি সিএনজি ও 183টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে 25৬টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে 23টি বাস, 3টি ট্রাক, 17টি কাভার্ডভ্যান, 43টি সিএনজি ও 103টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
এছাড়া, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে 946টি মামলা হয়েছে, সেখানে 124টি বাস, 40টি ট্রাক, 80টি কাভার্ডভ্যান, 78টি সিএনজি ও 450টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত।
ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে 401টি মামলা হয়েছে যার মধ্যে 80টি বাস, 21টি ট্রাক, 21টি কাভার্ডভ্যান, 66টি সিএনজি ও 106টি মোটরসাইকেল রয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে 216টি মামলা হয়েছে যেখানে 12টি বাস, 5টি ট্রাক, 12টি কাভার্ডভ্যান, 25টি সিএনজি ও 79টি মোটরসাইকেল আছে।
অভিযান চলাকালে মোট 715টি গাড়ি ডাম্পিং ও 186টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে, পুলিশ এ কথা জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১ হাজার ৬০ কোটি ৯৯ লাখ ৭৫ হাজার ১১২ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে। এই বাজেট রাজস্ব খাত সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে অতিরিক্ত কর আরোপ না করে প্রস্তুত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট ঘোষণা করেন নাসিকের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বাজেট নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গঠনের পর এটি নাসিকের ১৫তম বাজেট।
নাসিকের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা, নিজস্ব রাজস্ব আয়, উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং নগরবাসীর প্রত্যাশাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের ওপর নতুন আর্থিক চাপ সৃষ্টি না করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করতে হবে। বাজেটে নতুন নতুন রাজস্ব আয়ের উৎস সৃষ্টি করে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই বাজেটে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রসার, ক্রীড়া উন্নয়ন, ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, যানজট নিরসন, সড়কবাতির উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর নাগরিক সেবা সম্প্রসারণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নুর কুতুবুল আলমের সভাপতিত্বে এসময় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজিব ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু।
প্রসঙ্গত, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নাসিকের বাজেট ছিল ৭৭৫ কোটি ৩৩ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নাসিকের বাজেট ছিল ৫৪৪ কোটি ২৯ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ টাকা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নাসিকের বাজেট ছিল ৬৯৫ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ৫৮৮ কোটি টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৬৮৮ কোটি ২৩ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৬ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই পরবর্তী দেশ গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজ পরিবর্তনের আশা জাগাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৈষম্যহীন এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছেন এবং আচরণগত সংস্কৃতির পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন।
আজ ডিএফপি অডিটোরিয়ামে জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ক্লিন সিটি গড়ার লক্ষ্যে নিজে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে বলেছেন। সিটি করপোরেশনকে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি তরুণদের মধ্যে পরিবর্তনের আশা জাগিয়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছেন।
মন্ত্রীর মতে, মন-মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে না পারলে দেশের উন্নতি সম্ভব নয়।
এ সময় কিছুটা দুঃখ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে গত ৫ মাসে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি। কেবল প্রধানমন্ত্রী সমাজ ও দেশ গড়ার পরিবর্তন ধারণ করে চলেছেন।
তিনি আরও বলেন, কিছু মানুষ যারা পূর্বে ঘুষ খেতেন, দুর্নীতি করতেন এবং সুযোগের ব্যবহার করতেন, তারা এখন ফ্যাসিস্ট থেকে ভোল পাল্টিয়ে জুলাইয়ের পরিবর্তনে সুবিধা নিচ্ছেন। এই বিষয়গুলো দুঃখজনক। প্রধানমন্ত্রী এসব সংস্কৃতি বদলের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মির্জা ফখরুল বলেছেন, ১৯৪৭ সাল থেকে এই দেশে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে প্রাণ দিতে হয়েছে। ক্ষুদিরাম বসু ও প্রীতিলতা সহ অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, কিন্তু মানসিক কাক্সিক্ষত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হতে পারেনি।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের পর আবার ২০২৪ এসে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট শাসকদের বিতাড়িত করা হয়েছে।
জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নে ভোগবাদী আচরণের পরিবর্তনের প্রয়োজনের কথাও বলেছেন মন্ত্রী।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বহু সভা-সমাবেশ করেছি। সবসময় বলি, দেশ বদলাবে যারা, সেই তরুণরা কোথায়? সেই তারুণ্য কোথায়?
তিনি বলেন, ২৪-এ এসে তরুণরা আন্দোলনে নেমেছে। নিজের জীবন দিয়ে এই দেশ থেকে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করেছে। এদিকে আবার আগের সমাজে ফিরে গেলে হাজারো প্রাণের বলিদান হয়ে যাবে বৃথা। জীবন দিয়েছেন যে সকল ব্যক্তি, তাদের ত্যাগের মূল্য দিতে হবে।
মন্ত্রী মনে করেন, সেই ত্যের চেতনা ধারণ করা একান্ত প্রয়োজন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সময় সেনাবাহিনী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, "আপনাদের কমান্ডারের নির্দেশই সব।" তিনি বলেন যে স্বাধীনতার ডাক মানতে হবে। এরপর বেগম জিয়াকে বন্দী হয়ে থাকতে হয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর গুরুতর অসুস্থ সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও বার্তায় প্রতিশোধহীন এবং প্রতিহিংসাহীন দেশ গড়ার আহ্বান জানান।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও পিএসসি’র সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জুলাই শহীদ দিবস সম্পর্কিত প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাজারীবাগ ও শেরেবাংলা নগর থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। এই বিশেষ অভিযান ডিএমপি’র হাজারীবাগ ও শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বুধবার পরিচালনা করে।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হাজারীবাগ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মো. রমজান (২৫), নয়ন সরকার, মো. সুরুজ (২১), মো. সাইফ জাহান ওরফে সুবিন (২৫), বকুল ঋষি (৩২), মো. টুটুল (২৬), মো. সোহেল (৩৬), রাব্বি (২৬), মো. জাহিদ (৪০), অমিত বাড়ৈ (২৮), মো. বাবুল (৫২), মাসুদ রানা (৪০), মো. আল-আমিন (২৪), মো. ইকবাল হোসেন (২৫) এবং মো. আঙ্গুর (২৫) নামের অপরাধীরা রয়েছেন।
অন্যদিকে, শেরেবাংলা নগর থানার এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১০ জন গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন মো. ইয়াসিন (২১), মো. ফয়সাল হোসেন (৪০), অর্জুন সরকার (২৩), মো. সোহেল রানা (১৯), মো. লিটন মিয়া (৩৫), মো. হুমায়ুন বাসার ওরফে রাকিব (৩২), মো. আমির হোসেন (৩৭), বাচ্চু শেখ (৪০), মো. জুয়েল (১৮) এবং মুজাহিদ (২৩)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অপরাধী রয়েছে। তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মুগদা থানা এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার তারা এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. নাজমুল (২৩), রাসেল (২৫), মর্জিনা বেগম, মো.ওবাইদুল ইসলাম (৩২), মো. মোস্তফা কামাল (৩৪), সবিজ হোসেন প্রধান, নেকমত আলী যিনি টেম্পু ওরফে বাটন (৩৫), মো. যুব যিনি নিজুর ডান হাত (২১), মো. শেখ ফরিদ (২৭), মো. আব্দুল কাদের (৫১) ও মো. ০রায়হান (২০)।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধী। পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ