০৫:১৩ এম
উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামের মাত্রা বাড়ে। ঘাম বসলে ছত্রাক, ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। ফলে র্যাশ, চুলকানি, ফুস্কুড়ির মতো নানা সমস্যা দেখা যায়। তবে শুধু ঘাম নয়, নেপথ্যে থাকতে পারে পোশাকের ভুলভ্রান্তিও। গরমে ঘাম বসে শরীরে চুলকানি বা র্যাশ হওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। তবে অনেকেই জানেন না যে, এ সমস্যার পেছনে আমাদের প্রতিদিনের পোশাকের অনেক বড় ভূমিকাও থাকতে পারে। পোশাক কীভাবে চুলকানির কারণ হয়? নাইলন, পলিয়েস্টার কিংবা সিল্কের মতো কাপড় ঘাম শুষে নিতে পারে না। ফলে ত্বকের ওপর ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের জন্ম দেয়। আর অতিরিক্ত টাইট পোশাক পরলে ত্বকে বাতাসের চলাচল করতে পারে না। এতে কাপড়ের ঘর্ষণে ত্বক ছিলে যায় এবং চুলকানি বাড়ে। একদিকে প্রচণ্ড রোদ শরীরে জ্বালা ধরায়। অন্যদিকে ঘাম জমে র্যাশ বেরোয়। গরমে যন্ত্রণার শেষ নেই। এ সমস্যার নেপথ্যে শুধু ভ্যাপসা গরম নয়, রয়েছে পোশাকেরও ভুলভ্রান্তি। মৌসুম অনুযায়ী, সঠিক পোশাক বাছাই শুধু আরাম দেয় না; বরং সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সঠিক পোশাক বাছাইয়ে ভুল কোথায়— কেতাদুরস্ত পোশাক যদি সময়োপযোগী ও মৌসুমের সঙ্গে মানানসই না হয়, তাহলে এমন সমস্যা হতেই পারে। গরমের মৌসুমে সুতির হালকা পোশাকই ভালো। সুতি ত্বকবান্ধব। এখন বাজারে অনেক ধরনের কৃত্রিম পোশাক মেলে। সব কিন্তু ত্বকবান্ধব নয়। গরমের জন্য সুতি ও লিনেন ভালো পোশাক। দ্বিতীয়ত পোশাক হওয়া দরকার হালকা। আঁটসাঁট পোশাক গায়ের ওপর চেপে থাকে বলে ঘাম বেশি হয়। চুলকানি ও র্যাশের সমস্যাও বেড়ে যায় অনেকটাই। এমন পোশাক পরুন যাতে হাওয়া খেলে। আর পোশাকের পরিচ্ছন্নতা খুব জরুরি। এ সময়ে যেহেতু ঘাম হয়। প্রতিদিনই জামা সাবান দিয়ে কেচে নেওয়া প্রয়োজন। তবে শুধু কাচলেই হবে না, রোদে বা হাওয়ায় খুব ভালো করে শুকাতেও হবে। ঘর্মাক্ত জামা না কেচে দিনের পর দিন পরলে তা থেকেও চুলকানি ও র্যাশের সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া অন্তর্বাসের পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দিতে হবে। কারণ অন্তর্বাস যেহেতু শরীরে এঁটে থাকে, তাই দিনভর ঘামে ভেজে। সেগুলো নির্দিষ্ট সময় অন্তর না কাচলে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে। আবার ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে শুকানো পোশাক পরা ঠিক নয়। কারণ রোদে বা হাওয়ায় অন্তত ২ ঘণ্টা সেই জামা মেলে রাখা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন