ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শৈশবের মানসিক ট্রমা ও দারিদ্র্যে কোষের অকাল বার্ধক্য, বলছে গবেষণা


শৈশবের মানসিক ট্রমা ও দারিদ্র্যে কোষের অকাল বার্ধক্য, বলছে গবেষণা

 

শৈশবে যারা চরম দারিদ্র্য, অবহেলা অথবা কোনো বড় মানসিক আঘাতের মধ্য দিয়ে যান, তাদের কোষের শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে এক ধরনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সাময়িকভাবে এই পরিস্থিতির মাধ্যমে শরীর লড়াই করার জন্য বাড়তি শক্তি পাওয়ার সুযোগ থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি কোষকে দ্রুত বুড়িয়ে ফেলে এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগব্যাধীর ঝুঁকি বাড়ায়।

আমেরিকার বিখ্যাত জার্নাল ‘বায়োলজিক্যাল সাইকিয়াট্রি’-তে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে অদ্ভুত স্থাপত্যের পর্যটনস্থল, নাগরদোলায় চড়ার সুযোগ নেই

গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবের প্রতিকূলতা মানুষের কোষের শক্তির উৎস বা ‘মাইটোকন্ড্রিয়া’-র ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। যখন এই ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা বড় হয়ে কোনো মানসিক বা শারীরিক চাপের মুখোমুখি হন, তখন তাদের মাইটোকন্ড্রিয়া সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় শ্বাসপ্রশ্বাসের ক্ষমতা প্রদর্শন করে এবং দ্রুত শক্তি উৎপাদন করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় কোষের এই অতি-সক্রিয় অবস্থাকে বলা হচ্ছে ‘হাইপারমেটাবলিজম’।

গবেষকদের মতে, তীব্র সংকটের মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে শরীরকে টিকিয়ে রাখতে বা মানিয়ে নিতে যে বাড়তি শক্তি আসে, তা সহায়ক। কিন্তু সমস্যা হলো, শৈশবের ট্রমার কারণে শরীরের এই মেকানিজম স্থায়ী রূপ নেয়। এর ফলে, কোনো চাপ বা বিপদ না থাকলেও কোষগুলো এমনভাবে কাজ করতে থাকে যেন তারা এখনও কোনো বড় বিপদের মুখোমুখি।

যুক্তরাজ্যের ইউসিএলএ-এর মনোবিজ্ঞানী এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক জেনিফার সামনার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাইটোকন্ড্রিয়া যদি বিশ্রামের সময়েও অবিরাম চাপের মধ্যে কাজ করতে থাকে, তবে তা খুব দ্রুত কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এর ফলে কোষের ভেতরের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং এক সময় সামগ্রিক কার্যক্রম একদম কমে যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।’

গবেষণার প্রথম লেখক শাইলো ক্লিভল্যান্ড জানান, এই প্রথম কোনো গবেষণায় বৈচিত্র্যময় প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের ওপর শৈশবের দুই ধরনের নেতিবাচক প্রভাব—‘হুমকি’ এবং ‘বঞ্চনা’-কে আলাদা করে কোষের ওপর তাদের প্রভাব দেখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: উৎসবে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে

হুমকি (যেমন- সহিংসতা বা মানসিক ট্রমা): এটি কোষের তাৎক্ষণিক শক্তি উৎপাদন কমানোর মাধ্যমে কাজ করে, কিন্তু ভবিষ্যতে আসতে পারে এমন যেকোনো মানসিক বা শারীরিক চাপ মোকাবিলার জন্য কোষকে সবসময় যুদ্ধংদেহী অবস্থায় প্রস্তুত রাখে।

বঞ্চনা (যেমন- অবহেলা বা চরম দারিদ্র্য): এটি কোষের ভেতর অত্যন্ত অদক্ষ ও ত্রুটিপূর্ণ উপায়ে শক্তি উৎপাদন বাড়ায়, যা মূলত কোষের অভ্যন্তরীণ বিকলতার অন্যতম লক্ষণ।

গবেষकों মতে, শৈশবের দারিদ্র্য ও ট্রমা কীভাবে পরবর্তী জীবনে একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, তার জীববৈজ্ঞানিক রহস্য উন্মোচনে এই গবেষণা এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

শৈশবের এই নেতিবাচক অভিজ্ঞতাগুলো কোষের স্তরে কীভাবে প্রভাব ফেলছে তা আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হলে, বয়সজনিত জটিল রোগগুলো শরীরে বাসা বাঁধার আগেই উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষকে সুস্থ রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন: দাঁড়িয়ে কাজ করলে হাঁটু ও কোমরে ব্যথার ঝুঁকি

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আদলে পরীমনির ফুটবলপ্রেম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ এম


আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আদলে পরীমনির ফুটবলপ্রেম

চলছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আসর। বিশ্বজুড়েই ফুটবলের চমৎকার আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। সবাই এখন ফুটবল নিয়ে মাতোয়ারা। বিনোদন জগতের তারকারাও সাংস্কৃতিক এই উদ্যোগে পিছিয়ে নেই। তারা তাদের প্রিয় দলের উল্লাসে মেতে উঠেছেন। আসলে, প্রিয় খেলোয়াড়ের জন্য ভালোবাসা প্রকাশ করতে কেউই পিছপা হননি। ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির কথাও ঠিক তাই।

অভিনেত্রীর একটি ভিন্নধর্মী পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তার ভক্তদের মধ্যে অনেকেই মজার মন্তব্য করেছেন। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের সমর্থকরা পরীমনির উদযাপনের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কিছু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল সমর্থক তার এই আর্জেন্টিনা প্রেম দেখে উজ্বল মন্তব্যও করেছেন।

পরীমনি বরাবরের মতোই লিওনেল মেসির সমর্থক এবং আর্জেন্টিনার ঘনিষ্ট ভক্ত। সামাজিক মাধ্যমে তার নতুন পোস্টগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে, তিনি কিভাবে তার প্রিয় দলের প্রতি উন্মাদনা প্রকাশ করছেন। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচের জয়ে উচ্ছসিত হয়ে ছিলেন তিনি। এই কারণে ছেলেকে আর্জেন্টিনার জার্সিতে সাজিয়ে কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন এবং সেসময় লিখেছেন— 'আমার ছোট্ট মেসি, মাশাআল্লাহ।'

বিশ্বকাপের ওই সময় কিছুদিন পর, তিনি আবার আর্জেন্টিনা ও বিশ্বকাপ নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও পোস্ট করেন। যেখানে তিনি ভিন্ন আবহে দেখা দেন। ভিডিওটিতে দেখা যায়, পরীমনি আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা রঙের জার্সি পরে আছেন। সামনে ‘মেসি ১০’ এবং পেছনে ‘PORI’ লেখা। এবং ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ডে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের নাম নিয়ে একটি ট্র্যাক বাজছিল। সেই ভিডিওতে পরীমনি ফুটবলারের মাঠের চেনা উদযাপন বা সিগনেচার পোজটি হুবহু অনুকরণ করতে দেখা গেছে। উভয় দল মাতোয়ারাদের মাঝে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের বিখ্যাত নাচ, মোলিনার উল্লাস, রোমেরো ও সেনেসির যে স্বাক্ষর ভঙ্গি দেখা যায়, সেগুলোও পরীমনি কপি করেছেন। আর ওই ভিডিওতে আসল ফুটবলারের খেলার মাঠের ক্লিপের সাথে পরীমনির অনুকরণ দর্শকদের নজর কেড়েছে।

এ ছাড়াও ম্যাক অ্যালিস্টার, পারেদেস, ফেরন্যান্ডেজ, আল্ভারেজ, গঞ্জালেজদের বিশেষ পোজগুলোও পরীমনি অনুকরণ করতে দেখা যায়। এরপর জার্সি গায়ে, হাতে রঙিন জরি গায়ে মেখে নিজের এক গ্ল্যামারাস উপস্থিতিতে ধরা দেন পরীমনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুম কম হলে বাড়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি, বেশি ঝুঁকিতে যাঁরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ এম


ঘুম কম হলে বাড়ে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি, বেশি ঝুঁকিতে যাঁরা

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যদি তীব্র ক্লান্তি এবং অতিরিক্ত ক্ষুধা অনুভব করেন, তবে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এমন অবস্থায় অবহেলা না করে আপনার ঘুমের মান সম্পর্কে দ্রুত নজর দেওয়া উচিত। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুমের অভাব সরাসরি শরীরে 'ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স' তৈরি করে, যা পরবর্তীতে ডায়াবেটিসের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ঘুমের মান ও ইনসুলিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী এন্ডোক্রাইন-এর প্রকাশিত একটি গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ঘুমের মানের ওপর আমাদের শরীরের ইনসুলিন কার্যকারিতা সরাসরি নির্ভরশীল। যখন ঘুমের চক্র ব্যাহত হয়, তখন শরীরের বিপাকক্রিয়া এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে এবং সকালবেলায় ঘুম থেকে ওঠার পর অসহ্য ক্ষুধা ও ক্লান্তি অনুভূত হয়।

অন্য একটি চিকিৎসা সাময়িকী কিউরিয়াস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা চার দিন গভীর ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। রাতের বেলা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল না থাকার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যদি এই চক্র ক্রমাগত চলতে থাকে, তবে শরীর প্রথমে প্রি-ডায়াবেটিক স্তরে পৌঁছায় এবং একসময় টাইপ-২ ডায়াবেটিসে রূপ নিতে পারে।

পালমনোলজিস্ট চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ‘মাত্র কয়েক দিনের অনিদ্রা শরীরের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে বিপর্যস্ত করে বিপাকজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।’

জার্নাল অব এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড স্পোর্টস-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানসম্মত ঘুম গ্লুকোজ বিপাক প্রক্রিয়া সচল রাখে। কিন্তু গভীর ঘুমের অভাব হলে ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোনের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে খালি পেটে রক্তে শর্করার পরিমাণ হঠাৎ বাড়ে।

সঙ্গে, ঘুমের ঘাটতি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ‘ঘেরলিন’ ও ‘লেপটিন’-এর কার্যকারিতা নষ্ট করে। ঘেরলিন হরমোনের বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীর তখন চিনি, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের প্রতি দুর্বল আকর্ষণ তৈরি করে।

গবেষকদের মতে, অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে যারা নিয়মিত ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশেষ করে:

১. শিফট ডিউটি বা রাতে কাজ করা কর্মী

২. যাদের ঘুমানোর নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি নেই

৩. অতিরিক্ত মানসিক চাপের মধ্যে থাকা ব্যক্তি

৪. যাদের পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস রয়েছে

জীবনযাত্রায় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এনে ঘুমের এই ক্ষতি এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। চিকিৎসকদের মতে:

১. নির্দিষ্ট সময়: প্রতিদিন রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।

২. রুটিন মেনে চলা: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন।

৩. দেরিতে খাবার না খাওয়া: রাতে ঘুমানোর ঠিক আগমুহূর্তে ভারী খাবার বা স্ন্যাক্স খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. স্ক্রিন টাইম কমানো: ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ বা টিভির স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।

৫. মানসিক চাপ কমানো: নিয়মিত মেডিটেশন বা ব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক চাপ মুক্ত থাকুন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ক্ষুধার মতো প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে অবহেলা করা উচিত নয়। বিপাকজনিত দীর্ঘমেয়াদী রোগ বা ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে দিনের জীবনে ঘুমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমে স্বস্তি পেতে খেতে পারেন মৌসুমি ফলের রঙিন সালাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ এম


গরমে স্বস্তি পেতে খেতে পারেন মৌসুমি ফলের রঙিন সালাদ

আষাঢ়ের ঝড়বৃষ্টির মধ্যে শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে মৌসুমি ফলের রঙিন সালাদ একটি চমৎকার এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। এই সময় বাজারে প্রচুর পরিমাণে পানি ও পুষ্টিময় রসালো ফল পাওয়া যাচ্ছে, যা আপনার শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সক্ষম এবং দ্রুত এনার্জি ফিরিয়ে আনে। নানা রকমের রসালো ও সুস্বাদু মৌসুমি ফল যেমন— আম, লিচু, আনারস অথবা পেঁপে— প্রতিটি ফলই কেবলমাত্র স্বাদে নয়, স্থায়ী পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ।

একাধিক ফল একত্রে মিশিয়ে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ একটি ফলের সালাদ তৈরি করতে পারেন, যা আপনার শরীরকে ঠান্ডা, সতেজ ও চাঙা রাখতে সাহায্য করবে। এটি অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে বিকালের হালকা নাশতায়, সব ক্ষেত্রেই দারুণ একটি পছন্দের পানীয় হয়ে উঠতে পারে। নিচে গরমে স্বস্তি পেওয়া একটি সহজ এবং দ্রুত ফলের সালাদ তৈরির রেসিপি দেওয়া হলো—

চলুন জেনে নেওয়া যাক, মৌসুমি ফলের সালাদ।

উপকরণ:

পাকা আম ১ কাপ (কিউব করে কাটা)। আনারস ১ কাপ (ছোট টুকরো)। পেঁপে আধা কাপ (কিউব করে কাটা)। লিচু ৮-১০টি (বিচি ফেলে অর্ধেক করা)। ডালিমের দানা এক কাপ। কলা দুটি (কিউব করে কাটা)। লেবুর রস ১ টেবিল চামচ। মধু ১ টেবিল চামচ। বিট লবণ আধা চা চামচ। পুদিনাপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ। এবং আইসক্রিম।

প্রণালি:

একটি বৃহৎ বাটিতে সব ফল একসাথে নিয়ে হালকাভাবে মিক্স করুন। তারপর আলাদা একটি পাত্রে লেবুর রস, মধু ও বিট লবণ একত্রে মেশান। মিশ্রণটি ফলের ওপর ঢেলে আলতো করে মিশিয়ে নেওয়ার পর, ওপরে ডালিমের দানা ও পুদিনাপাতা ছড়িয়ে দিন। পরিবেশনের আগে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন।

এই সালাদে চাইলে আঙুর, জাম, মাল্টা অথবা কিউইও যোগ করা যেতে পারে। আরও আকর্ষণীয় স্বাদের জন্য সামান্য ভাজা চিয়া সিড অথবা কুচি করা বাদাম ছিটিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। সঙ্গে পছন্দমতো আইসক্রিম যোগ করুন।

এই সালাদটি গরমের দিনে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে ভূমিকা রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে অনন্য এক সেঞ্চুরির কীর্তি নেদারল্যান্ডসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ এম


বিশ্বকাপে অনন্য এক সেঞ্চুরির কীর্তি নেদারল্যান্ডসের

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি বলতে সবার প্রথমে ক্রিকেটের কথা সাধারণত মনে আসে। ২২ গজে ব্যাটসম্যানদের সেঞ্চুরির উদযাপন দেখতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি।

তবে, এই শব্দটির অন্য একটি ব্যবহারও রয়েছে।

আজ নেদারল্যান্ডসের গোলের ক্ষেত্রেও সেঞ্চুরির ব্যবহার করা হচ্ছে। হিউস্টনে আজ সুইডেনকে গোলের বন্যায় তলিয়ে দিয়েছে ডাচরা। তারা ৫-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছে এবং এর মাধ্যমে একটি অসাধারণ কীর্তির সৃষ্টি করেছে।

বিশ্বকাপে গোলের সেঞ্চুরি হয়েছে এমন দলের তালিকায় নাম যুক্ত হয়েছে নেদারল্যান্ডসের। তারা অষ্টম দল হিসেবে ১০০ গোলের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বর্তমানে তাদের গোলসংখ্যা হলো ১০৩।

গোলের তালিকায় সবার শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।

এখন পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে সকল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা সেলেসাওদের গোলের সংখ্যা ২৪১। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বাদে, আর শুধু জার্মানি ২০০ গোলের ঘর অতিক্রম করেছে। ৪ বারের চ্যাম্পিয়নদের গোলসংখ্যা ২৩৯।

জার্মানির সামনে এখন সুযোগ রয়েছে সেলেসাওদের পেছনে ফেলবোর। প্রতিবেদনটি লেখার সময় তারা আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নেমেছে টরন্টো স্টেডিয়ামে।

ব্রাজিল ও জার্মানির পর আসছে আর্জেন্টিনা (১৫৫), ফ্রান্স (১৩৭), ইতালি (১২৮), স্পেন (১০৮) এবং ইংল্যান্ড (১০৪)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%