মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০২ পি.এম
মানিকগঞ্জ, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্ত্রী প্রতিটি পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন এবং স্থানীয় সমস্যা ও দাবি-দাওয়া সমাধানের আশ্বাস দেন।
আজ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে, মন্ত্রী পূজার আয়োজন ও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘুরে দেখেন এবং এতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
আফরোজা খানম বলেন, ‘আজ আপনাদের কারণেই আমি এখানে দাঁড়িয়ে আছি। আপনারা পাশে ছিলেন বলেই আমি এই অবস্থানে এসেছি। আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, যেন সবার কল্যাণে কাজ করতে পারি।’
তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও সবাই একই এলাকার বাসিন্দা ও এ দেশের নাগরিক। তাই পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্য বজায় রেখে সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসময় দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আফরোজা খানম দেশের কল্যাণ ও উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
পরিদর্শন করা পূজামণ্ডপগুলোর মধ্যে রয়েছে- নবগ্রাম কালীবাড়ি পূজামণ্ডপ, লোকনাথ কুঠির শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির, উকিয়ারা দয়াল রাজবংশীর বাড়ি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, কৈট্টা অগ্রগামী তরুণ সংঘ সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মাঝিপাড়া পলাশ স্মৃতি দুর্গা মন্দির, দশ আনী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, মিতরা শ্রী শ্রী হরিকালী মন্দির, এগারোশ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির, বাজার লক্ষ্মীমণ্ডপ, পূর্ব দাশড়া কালীখোলা দুর্গা মন্দির ও শিববাড়ী দুর্গা মন্দির।
পরিদর্শনকালে পূজামণ্ডপগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী, পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। উপস্থিত সবাই পারস্পরিক সম্প্রীতি, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।
এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মহানগর শাখার ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ সংগঠনের ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
আহ্বায়ক পদে আল আমিনকে নিযুক্ত করা হয়েছে, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রিয়াজুল করিম এবং সদস্য সচিব হিসেবে মেরাজ উদ্দিন শ্রাবন কাজ করবেন। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ সামিউল ইসলাম, আলামিন মিয়া, সৈয়দ আবু জাফর নিহাল ও মোঃ আহাদ আকন্দ নিরব। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে মোঃ রাফিউল হক হামিন নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কাজী আফতাব উদ্দিন সাজ্জাদ, মোঃ শামীম মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মনিরুল ইসলাম, মোঃ মোখতার উজ জামান সুমন, মোঃ নাহিদ হাসান, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ আসিফ ইকবাল, জাহাঙ্গীর, ক্রাইজিন আলম সজীব, পাভেল আহমেদ, আরিফ হোসেন এবং মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।
কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীতে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, কাজী রানা, শাহ শিব্বির আহম্মেদ ভুলু, ফারজানা রহমান হুসনা, অ্যাডভোকেট এম এ হান্নান খান, কায়কোবাদ মামুন, শামীম আজাদ, এ কে এম মাহাবুবুল আলম এবং এনামুল হক আকন্দ লিটন অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এছাড়া, গোবিন্দ রায়কে কমিটির সমন্বয়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯ অক্টোবর, সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মিরাজের যৌথ অনুমোদনের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামীকাল বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষার অন্যতম বৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চশিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের ২০ অক্টোবর ৩৭ নম্বর আইন পাসের পর পরদিন গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর চাপ কমানো এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কলেজশিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুরু থেকেই দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক পরিবারের তরুণ-তরুণীদের উচ্চশিক্ষার আওতায় আনতে প্রতিষ্ঠানটির অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা এক লাখেরও বেশি। দেশের উচ্চশিক্ষার প্রায় ৭০ শতাংশ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়। এছাড়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, প্রযুক্তি ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন।
পরিবর্তনশীল বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে শিক্ষাক্রমের আধুনিকীকরণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণের পরিধি বৃদ্ধি, সেশনজট নিরসন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস ও নগর কার্যালয়ের প্রধান ফটক এবং বিভিন্ন ভবনে ব্যানার স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের উচ্চশিক্ষার বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ও অর্জন স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, গবেষণার প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়ে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফাহাত খন্দকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ নিজস্ব সংবাদদাতা, মোঃসানি
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:০৩ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের খন্দকার বাড়িতে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক বিশাল জনসভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলসকাঠী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে কলসকাঠী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। জনসমাগমে সন্তোষ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান কলসকাঠী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ফাহাত খন্দকারের প্রতি নিজের সমর্থন ও আস্থা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি ফাহাত খন্দকারকে ইউনিয়নের একজন যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ফাহাত খন্দকার তাঁর বক্তব্যে কলসকাঠী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সার্বিক অগ্রগতিতে তিনি সব সময় জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যেতে চান। এ জন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান দক্ষিণ সাদিস খন্দকার বাড়ি থেকে মুইনখালি বাজার পর্যন্ত ফাহাত খন্দকারের ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিতব্য একটি রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি খন্দকার আব্দুল গফুর কারিমিয়া কওমি মাদ্রাসারও উদ্বোধন করেন।
স্থানীয়দের মতে, এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্প্রসারণে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান মিঞা নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আরও অংশগ্রহণ করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাবিবুর রহমান।
এ সময় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ || ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ