০৬:৪৯ পি.এম
নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে আমরা মসজিদে যাত্রা করি। নামাজ আদায় করার পর মসজিদ থেকে বের হয়ে যাই। তবে নামাজ আদায় ছাড়াও মসজিদে অবস্থান করা এবং বসে থাকার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মসজিদে অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য হাদিসে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম যতক্ষণ মসজিদে সালাত ও জিকিরের কাজে লিপ্ত থাকে, আল্লাহ ততক্ষণ তার প্রতি অত্যন্ত আনন্দিত হন, যেমন প্রবাসী ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে এলে তারা তাকে পেয়ে কতটা আনন্দিত হয়। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০০)
যারা মসজিদে এসে তাহিয়্যাতুল মসজিদ দুই রাকাত সালাত আদায় শেষ করার পর ফরজ সালাতের জন্য বসে থাকেন কিংবা ফরজ সালাতের পর মসজিদে বসে থাকেন, তাদের জন্য ফেরেশতারা ক্ষমার দোয়া করতে থাকেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে এবং তার অজু ভঙ্গ না হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে যে, হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, আপনি তাকে রহম করুন। আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার সালাত তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখছে, সে সালাতরত হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৯)
আবদুর রহমান বিন আমর (রা.) বলেন, আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করি। তারপর যারা চলে যায়, তারা চলে যায় এবং যারা থেকে যায়, তারা থেকে যায়। রাসুল (সা.) এত দ্রুত এলেন যে, তার দীর্ঘ নিঃশ্বাস বের হয়ে আসতে লাগল। তিনি তার দুই হাঁটুর ওপর ভর করে বসে গেলেন এবং বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমাদের রব আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদের কাছে তোমাদের সম্পর্কে গর্ব করে বলছেন, দেখো, তারা আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে আছে, যারা একটি ফরজ আদায়ের পর পরবর্তী ফরজ আদায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০১)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন