ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মসজিদে বসে থাকার ফজিলত


মসজিদে বসে থাকার ফজিলত

নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে আমরা মসজিদে যাত্রা করি। নামাজ আদায় করার পর মসজিদ থেকে বের হয়ে যাই। তবে নামাজ আদায় ছাড়াও মসজিদে অবস্থান করা এবং বসে থাকার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মসজিদে অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য হাদিসে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, কোনো মুসলিম যতক্ষণ মসজিদে সালাত ও জিকিরের কাজে লিপ্ত থাকে, আল্লাহ ততক্ষণ তার প্রতি অত্যন্ত আনন্দিত হন, যেমন প্রবাসী ব্যক্তি তার পরিবারে ফিরে এলে তারা তাকে পেয়ে কতটা আনন্দিত হয়। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০০)

যারা মসজিদে এসে তাহিয়্যাতুল মসজিদ দুই রাকাত সালাত আদায় শেষ করার পর ফরজ সালাতের জন্য বসে থাকেন কিংবা ফরজ সালাতের পর মসজিদে বসে থাকেন, তাদের জন্য ফেরেশতারা ক্ষমার দোয়া করতে থাকেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যতক্ষণ তার সালাতের স্থানে থাকে এবং তার অজু ভঙ্গ না হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করে যে, হে আল্লাহ, আপনি তাকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ, আপনি তাকে রহম করুন। আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার সালাত তাকে বাড়ি ফিরে যাওয়া থেকে বিরত রাখছে, সে সালাতরত হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৯)

আবদুর রহমান বিন আমর (রা.) বলেন, আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে মাগরিবের সালাত আদায় করি। তারপর যারা চলে যায়, তারা চলে যায় এবং যারা থেকে যায়, তারা থেকে যায়। রাসুল (সা.) এত দ্রুত এলেন যে, তার দীর্ঘ নিঃশ্বাস বের হয়ে আসতে লাগল। তিনি তার দুই হাঁটুর ওপর ভর করে বসে গেলেন এবং বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো। তোমাদের রব আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং ফেরেশতাদের কাছে তোমাদের সম্পর্কে গর্ব করে বলছেন, দেখো, তারা আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে আছে, যারা একটি ফরজ আদায়ের পর পরবর্তী ফরজ আদায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮০১)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিনহাজুল আলম। সাইপ্রাস যাওয়ার আগে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এটি হচ্ছে। আজ (বুধবার) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং এ তথ্য জানায়। প্রেস উইং আরো জানায়, লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ করে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউএনএফআইসিওয়াইপি)-এর ২৩তম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর সুনাম ও গৌরবের বিষয়ে আলোচনা হয়। মিনহাজুল আলম বাংলাদেশের ইতিহাসে অষ্টম সেনা কর্মকর্তা, যিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। এর আগে বিভিন্ন সময়ে সাতজন বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তা আটটি বিভিন্ন দেশে এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। ১৯৯৩ সালে মোজাম্বিকে দায়িত্ব পালন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনিসুর রহমান। পরের বছর ওই দেশে একই দায়িত্ব নেন মেজর জেনারেল মোহাম্মদ (অব.) আবদুস সালাম। এছাড়াও মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহি আকবর সুদানে, লে. জেনারেল (অব.) আবু তায়েব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায়, মেজর জেনারেল আবদুল হাফিজ আইভরি কোস্ট ও পশ্চিম সাহারায় এবং মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সাইপ্রাসে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসান পশ্চিম সাহারায় এই দায়িত্বে আছেন। বর্তমানে জাতিসংঘের ১০টি শান্তিরক্ষা মিশনে একজন বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ১০ জন সামরিক কর্মকর্তা ফোর্স কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছেন। পশ্চিম সাহারাতে দায়িত্বরত মেজর জেনারেল মো. ফখরুল আহসানের পাশাপাশি লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম সাইপ্রাসে যোগ দিলে ফোর্স কমান্ডার পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তার সংখ্যা হবে দু’জন। এটি অত্যন্ত গৌরব ও সম্মানের, যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের নতুন এই দায়িত্ব সেই গৌরবময় ধারাবাহিকতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। উল্লেখ্য, সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী জাতিসংঘের দীর্ঘসময় ধরে পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর একটি। এটি ১৯৬৪ সালে গ্রিক সাইপ্রিয়ট ও তুর্কি সাইপ্রিয়ট সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রধান দায়িত্ব হলো জাতিসংঘের বাফার জোন (গ্রিন লাইন নামে পরিচিত) বজায় রাখা এবং কার্যত বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি রেখাগুলোর তত্ত্বাবধান করা। এই মিশনের জন্য ১ হাজার ৯০ জন সদস্য অনুমোদিত রয়েছেন। পর্যন্ত মিশনের জনবল ছিল ৭২৭ জন সামরিক সদস্য, ৬০ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ১৪৮ জন বেসামরিক কর্মী। জাতিসংঘের এই মিশনে অংশগ্রহণকারী ১৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চিলি, ইকুয়েডর, ঘানা, হাঙ্গেরি, ভারত, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, প্যারাগুয়ে, রাশিয়ান ফেডারেশন, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং যুক্তরাজ্য। মিনহাজুল আলম ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি থেকে পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন এবং অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সের জন্য ‘সোর্ড অব অনার’ পুরস্কারে ভূষিত হন। তিনি ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন’ এ নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা সম্পর্কিত একটি ব্রিগেডের নেতৃত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। চাকরিজীবনে সেন্ট্রাল আফ্রিকায় জাতিসংঘ বাহিনীর সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সেনা কর্মকর্তা ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজের চিফ ইন্সট্রাক্টর ও কমান্ড্যান্ট হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি। মিনহাজুল আলম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ের ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। জাতিসংঘের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নিযুক্তির আগে মিনহাজুল আলম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জিওসি ছিলেন। তিনি কক্সবাজার এলাকার দশম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা ওবায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া দেশের ১৭ কোটি মানুষের বিজয়।

আজ বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের বিজয়। কারণ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অঙ্গন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি অবস্থান অর্জন করেছে।’

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন এই ঐতিহাসিক অর্জন।

তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়েও বাংলাদেশ জাতিসংঘে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিল। তিনি সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই নীতিকে আরও এগিয়ে নিয়েছেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্বের পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের যোগ্যতা, দক্ষতা, সক্ষমতা এবং জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতাই এই বিজয় নিশ্চিত করেছে।

তিনি সফল তিন মাসব্যাপী প্রচারণায় যুক্ত সবার প্রতি, বিশেষ করে বিদেশে বাংলাদেশের ৮১টি মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত গোপন ব্যালটে সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয় বিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস. কাকুরিসকে পরাজিত করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন খলিলুর রহমান।

প্রদত্ত ১৯০ ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট এবং কাকুরিস ৯১ ভোট পান।

খলিলুর রহমান ভবিষ্যতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন কি না—এশুধু প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর।

তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই বিষয়টি নির্ধারিত হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য খলিলুর রহমানকে উল্লেখযোগ্য সময় নিউইয়র্কে থাকতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, যদি খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন, তাহলে তাকে নিউইয়র্কে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে হবে।

এক বছর নিউইয়র্কে অবস্থান এবং একজন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী নেতৃত্বে আমরা এই বিজয় অর্জন করেছি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কীভাবে পরিচালিত হবে, সে সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।’

তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেই আমি সন্তুষ্ট।’

এই নির্বাচনের মাধ্যমে চার দশক পর আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে ফিরল বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বাংলাদেশি আহত, হাইকমিশনের শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বাংলাদেশি আহত, হাইকমিশনের শোক প্রকাশ

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালব্য নগরের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। এই তথ্যটি দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন নিশ্চিত করেছে।

বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এই ঘটনার জন্য গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে। হাইকমিশন জানায়, এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে। তাদের মধ্যে তিনজন দিল্লির সাকেত এলাকার ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অপর দুইজন সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এক্সে হাইকমিশনের ওই বার্তায় জানানো হয়েছে যে, আহত বাংলাদেশিদের চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সকলের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়েছে। হাইকমিশন আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে উদ্ধার ও জরুরি সেবাকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেছেন।

এর আগে, বুধবার সকালে দিল্লির মালব্য নগরের পাঁচতলা ‘ফ্লোরিশ স্টে’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের সময় হোটেলটির বেজমেন্টে অবস্থিত একটি রেস্টুরেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে এই আগুন দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশের ‘মিকাসা ইন’ নামের আরেকটি হোটেলেও আগুন পৌঁছে যায়।

এ ঘটনার ফলে অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন। আগুন লাগার সময় অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রাণ বাঁচানোর জন্য অনেকেই ভবন থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন, ফলে কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, হোটেলটিতে অনুমোদিত সংখ্যার চেয়ে বেশি কক্ষ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ভবনে মাত্র একটি প্রবেশ ও নির্গমন পথ থাকায় উদ্ধারকাজে বাঁধা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া অগ্নিনিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে দেখা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি।

এক কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতচালিত চুলা চালু করার সময় আগুনের শিখা দেখা যায় এবং সেখান থেকেই আগুন দ্রুত প্রসারিত হয়।

এই ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি নিহতদের পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও শোক প্রকাশ করেন এবং দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তার ব্যাপারে আশ্বাস দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গবেষণার ফলাফল মানুষের জীবনমানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


গবেষণার ফলাফল মানুষের জীবনমানে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় চায় যে, এ মন্ত্রণালয় থেকে গবেষণার কাজে অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকগণ এমন কিছু কাজ করুক, যার ফলাফল মানুষকে স্পর্শ করে এবং মানুষের জীবনমানে ইতিবাচকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

আজ বুধবার ঢাকায় বিসিএসআরআই ক্যাম্পাসে অবস্থিত বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস্ (বিআরআইসিএম) মিলনায়তনে ‘বিশেষ গবেষণা অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্প ফলাফল ও প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সচিব এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, এখানে ১৮ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে। এখানে গবেষণার যথেষ্ট সুযোগ আছে। গবেষণার বিষয় নির্ধারণ করতে হবে সামাজিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনা করে এবং গবেষণা সেক্টর স্পেসিফিক হতে হবে। তিনি আরও বলেন, গবেষণায় এমন কিছু কাজ হোক, যার ফলাফল মানুষের কাছে পোঁছাতে পারি; গবেষণা যেন দৃশ্যমান হয়।

মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা চাই গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন পরবর্তী ধাপে বাজারজাত করতে পারি। গবেষণার সাথে বাজারের একটা সংযোগ তৈরি করাটা এক্ষেত্রে জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিআরআইসিআম-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি-এর মহাপরিচালক ড. মো. সগির আহমেদ, বিসিএসআইআর-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ, আইসিডিডিআরবি-এর নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ।

সেমিনারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় হতে বিশেষ গবেষণায় অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকগণের মধ্য হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ও গবেষক ড. মো. আব্দুল করিম, বুয়েটের অধ্যাপক ও গবেষক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাসিথ, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক প্রফেসর ড. মো. ফারুক হাসান প্রমুখ তাঁদের সেমিনার পেপার/গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

সেমিনারে বিশেষ গবেষণা ক্ষেত্রে অনুদানপ্রাপ্ত বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকগণ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকগণ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%