শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪২ পি.এম
উগান্ডার রাজা ওয়ো নাইম্বারের মরদেহ শুক্রবার দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্ষমতাসীন রাজা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ক্যান্সারের কারণে গত ২৭ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে
, রাজা ওয়ো নাইম্বা কাবাম্বা ইগুরু রুকিদি চতুর্থ উগান্ডার পশ্চিমাঞ্চলের রুয়েনজোরি পর্বতমালার নিকটে অবস্থিত তোরো রাজ্যের রাজা ছিলেন। তিনি ১৯৯৫ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।
এভাবে তিনি বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ক্ষমতাসীন রাজা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন।
মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৩৪ বছর। উগান্ডা একটি সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হয়। দেশের নির্বাহী ক্ষমতা একজন নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানের হাতে থাকে।
তবে ঔপনিবেশিক শাসনের পূর্বে দেশটিতে বিদ্যমান বেশ কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী রাজতন্ত্র এখনো টিকে রয়েছে। যদিও এসব রাজপরিবারের রাজনৈতিক ক্ষমতা নেই, তবুও তাদের সংস্কৃতি ও সমাজে যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
শৈশবে রাজা ওয়ো নাইম্বার সিংহাসনে বসার একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, মাত্র তিন বছরের একটি শিশু রাজকীয় পোশাক ও মুকুট পরে সিংহাসনে বসে খেলনা নিয়ে খেলছে। এত অল্প বয়সে রাজপরিবারের দায়িত্ব গ্রহণের কারণে তিনি উগান্ডার মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন।
বিশেষ একটি বিমানে করে তার মরদেহ উগান্ডার এনতেবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনি সহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি মরদেহ গ্রহণ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজা ওয়ো নাইম্বারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সম্পন্ন হবে।
রাজা ওয়ো নাইম্বারের মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে তোরো রাজ্যে। তাঁর নির্বাচনী এলাকার আইন প্রণেতা জেনিফার মুজুঙ্গু বলেন, ‘আমরা সত্যিই বিশ্বাস করতে পারছি না যে মহামান্য আর আমাদের মাঝে নেই। মনে হচ্ছে, আমরা এখনো স্বপ্নের মধ্যে আছি। আমি চাই, এটি যেন সত্যিই একটি স্বপ্ন হয়।’
এনতেবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট ইয়োওয়েরি মুসেভেনি দেশ ও তোরো রাজ্যের পতাকায় মোড়ানো রাজার কফিনের কাছে যান। তিনি কফিনের ওপর একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানান। পরে কফিনটি একটি সামরিক হেলিকপ্টারে করে তোরো রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় ও রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতায় শোক পালন করা হবে।
রাজপরিবারের সদস্য ডেভিস মুগেনি বিমানবন্দরে রাজার মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য একটি বেদনাদায়ক মুহূর্ত। এমন একজন মানুষ, যিনি হাসিমুখে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন এবং যার সামনে তখনও পুরো জীবন পড়ে ছিল।’
রাজা ওয়ো নাইম্বা এইচআইভি ও এইডসের বিরুদ্ধে সচেতনতা ও লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের একজন দূত হিসেবেও কাজ করেছেন। তার মৃত্যুতে জাতিসংঘও শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে। তোরো রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ক্যালভিন আর্মস্ট্রং রোমিরে আকিকি গত সপ্তাহে জানান, অবিবাহিত রাজা ওয়ো নাইম্বা একজন উত্তরাধিকারী রেখে গেছেন। ফলে তোরো রাজ্যের রাজতন্ত্রের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের কালামাঝি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ ক্যাম্পে এলাকার অসহায়, নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার চার শতাধিক রোগী চিকিৎসাসেবা নেন।
ক্যাম্পে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়। গাইনি, প্রসূতি ও মেডিসিন বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নাঈমা আক্তার নয়ন এবং মেডিসিন, চর্ম ও যৌনরোগ বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞ ডা. রাশেদুল ইসলাম (রিফাত)সহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেন।
আয়োজকেরা জানান, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই নিয়মিত এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম শনিবার কালামাঝি এলাকায় এ বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হচ্ছে।
ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রত্যন্ত এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসক দেখানোর সুযোগ পাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি বেশ উপকারী। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র পাওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজক নাজমুল হক বলেন, ‘‘গ্রামবাসীর সহযোগিতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসের প্রথম শনিবার নিয়মিতভাবে ক্যাম্প পরিচালনার চেষ্টা করছি। এবারের ক্যাম্পে প্রায় চার শতাধিক মানুষ চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন।’’
আয়োজকেরা জানান, ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ করেই মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) ডাক পেয়েছেন। বাংলাদেশি অলরাউন্ডার গায়ানা অ্যামাজনের হয়ে সিপিএলে অংশগ্রহণ করবেন।মিরাজ এর আগে সিপিএলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে ২০১৭ সালে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স তাকে নিলামে কিনলেও, ম্যাচ খেলার সুযোগ তার হয়নি। এবার হয়তো সেই অপেক্ষার অবসান ঘটবে।সিপিএলে অংশগ্রহণের জন্য মিরাজ বিমানে চড়েছেন। যাওয়ার আগে তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করে জানান, নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি সিপিএলে যাচ্ছেন। ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার লিখেছেন, ‘একটি নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য সিপিএলের পথে। গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে ক্যারিবিয়ান সফর শুরু করতে আমি প্রস্তুত।’এখন পর্যন্ত মিরাজ দেশের বাইরে লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন।শ্রীলঙ্কার সর্বশেষ ফ্র্যাঞ্চাইজি আসরে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো না হলেও, তিনি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য। গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে ৪ ম্যাচ খেলে তার রান ছিল ৪৪, তবে কোনো উইকেট তিনি নিতে পারেননি।মিরাজ এর আগে আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য হয়েছেন। পাকিস্তান সুপার লিগের দল লাহোর কালান্দার্সের হয়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। দুর্নীতিবাজদের কারণে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সঙ্গে সপ্তম দফা হবে, বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব আমরা বরদাস্ত করব না।’
ঢাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করবেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমাদের কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।
দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত হচ্ছে। গ্যাস নেই, পানি নেই, ইলেকট্রিসিটি নেই। কিন্তু গ্যাসের বিল যথারীতি আসছে। বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল আসছে। পানির জন্য কথা বলার সুযোগ নেই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা জানিয়ে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার জানাচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’
তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল বা ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য রাস্তায় নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।
জামায়াতের আমির বলেন, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তার জন্য বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। তাকে ছেড়ে দিন। ভালোভাবে ছেড়ে দিন।
তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়; কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, সেই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বেলপুকুর থানায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর আব্দুল করিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ২নং পলাতক আসামি মো. মাহাতাব আলী (৪২) কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শুক্রবার রাতে ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া মাহাতাব আলী রাজশাহী মহানগরীর বেলপুকুর থানাধীন ভড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত জয়েন উদ্দিনের পুত্র। আজ শনিবার র্যাব-৫ এর মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য বাসস’কে জানানো হয়।
র্যাব জানায়, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আসামিদের সাথে ভুক্তভোগীর বিরোধ চলছিল। গত ১১ আগস্ট দুপুরে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভড়ুয়াপাড়া গ্রামের একটি রাস্তায় ভিকটিমদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। প্রধান আসামি জিল্লুর রহমানের নির্দেশে মো. মাহাতাব আলী তার হাতে থাকা রামদা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের পিঠে গুরুতর আঘাত করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে অপর ভিকটিম আব্দুল করিমকে পেটে ধারালো ছুরি ও হাসুয়া দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার নাড়ীভুঁড়ি বের হয়ে আসে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেলে আব্দুল করিম মারা যান।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় নিহতের ভাই মো. কালাম বাদী হয়ে বেলপুকুর থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মগোপনে ছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৫, রাজশাহী এবং র্যাব-১০, ঢাকার একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত পৌনে আটটার দিকে ফরিদপুর কোতয়ালী থানাধীন তুলাগ্রাম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি মাহাতাব আলীকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা এবং গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে বেড়ানোর কথা স্বীকার করেছেন। তাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ