০৪:৪২ পি.এম
ভারতের জয়পুরে সোমবার (১৫ জুন) এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সমর্থকরা কাঁধে চাপিয়েছিলেন তাকে।
এই সময় অভিযোগ উঠেছে, ভিড়ের মধ্য থেকে কয়েকজন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে চড় মারেন। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। দীপকে জানিয়েছেন, এই হামলা আসলে 'ভয়ের প্রকাশ'।
নিট দুর্নীতির প্রতিবাদে সোমবার জয়পুরের শহিদ স্মারকে কর্মসূচি ছিল সিজেপি’র। সেখানে শত শত সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, নিট কেলেঙ্কারিতে দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। জয়পুরের সেই কর্মসূচিতে ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন দীপকে।
আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ
তার আগে সমর্থকরা প্রতিষ্ঠাতাকে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেসময় ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন তাকে চড় মারেন।
এবং অভিযুক্তদের ধরে ফেলেন সিজেপি সমর্থকরা। তাদের পাল্টা মারধর করার অভিযোগও উঠেছে। সে সময় পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং দু’জনকে আটক করা হয়।
পরে দীপকে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, 'শারীরিক আক্রমণ ভয় এবং ভিরুতার প্রকাশ।' তিনি আরও লেখেন, 'আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সোচ্চার হব। আমি গান্ধী এবং অম্বেডকরের অনুগামী। শান্তি এবং ভালোবাসার মাধ্যমে এই লড়াই চালিয়ে যাব। পুনশ্চ, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতেই হবে।'
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের যুব সম্প্রদায়ের একাংশকে 'আরশোলা' এবং 'পরজীবী' বলে উল্লেখ করার পরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা অন্য কোনো পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্যের অধিকারকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং সকলকে আক্রমণ করেন।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না ইরানের শীর্ষ নেতা
প্রধান বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর গত ১৬ মে সিজেপি আত্মপ্রকাশ করে। 'অনলাইন স্যাটায়ার মুভমেন্ট' (ব্যাঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন) হিসেবে পথ চলা শুরু করার মাত্র কয়েক দিন পরেই নেটমাধ্যমে প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন করে সিজেপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন