ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিরপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযানে দুই দালালের কারাদণ্ড


মিরপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযানে দুই দালালের কারাদণ্ড

ঢাকার মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযানে তিনজন দালালকে আটক করা হয়েছে।

এই তিনজনের মধ্যে দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, এবং একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেল, মিরপুর-১৩ কার্যালয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে আদালত-৩-এর অধীনে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

অভিযান চলাকালে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-১ সার্কেলের ক্যাম্পাস থেকে তিনজন দালালকে আটক করা হয়। পরে তাদের মধ্যে মো. মিলনকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং মো. রাজীবকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর একজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধ করা এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘এই প্রতারক চক্রটি বিআরটিএতে আগত সেবাগ্রহীতাদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কাগজপত্র ও টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যেত বলে আমাদের কাছে অসংখ্য অভিযোগ ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি দূর করতে এবং বিআরটিএকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত রাখতে আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন ট্রাম্পের

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন সেনাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন পেন্টাগন প্রদান করেছে। সাবেক মার্কিন মেজর ও চিকিৎসক নিডাল মালিক হাসানকে ২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে ১৩ জন নিরস্ত্র মার্কিন সৈন্যকে হত্যা এবং ৩২ জনকে আহত করার অভিযোগে দণ্ডিত করা হয়। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

দ্য প্রিন্টের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, গত সোমবার পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ নিডাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে কার্যকর করার সুপারিশ করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সুপারিশে সম্মতি প্রদান করেছেন।

তবে, মৃত্যুদণ্ডের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ৫৬ বছর বয়সী নিডাল হাসান ১৯৪৫ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি হওয়া প্রথম ব্যক্তি হবেন। এটি ১৯৬১ সালের পর যেকোনো পদ্ধতিতে কার্যকর হওয়া প্রথম সামরিক মৃত্যুদণ্ডও হবে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল স্যোশাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সেনাবাহিনীর সচিব এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন। অবশেষে হাসানের বিচারের চূড়ান্ত দিন এসে গেছে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত হাসান ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ফোর্ট হুড ঘাঁটির একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা চালান। হামলার ফলে ১২ জন কর্মরত নিরস্ত্র সৈন্য এবং একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নিহত হন, এবং ৩২ জন আহত হন। টেক্সাসের ওই সামরিক ঘাঁটিতে লেজার-সাইটযুক্ত হ্যান্ডগান দিয়ে হামলার দায়ে ৪৫টি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের জন্য ২০১৩ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

এটি ছিল কোনো মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যুদ্ধছাড়া প্রাণঘাতী হামলা। সামরিক আইন অনুযায়ী, কোনো সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। নিডাল হাসান মার্কিন সামরিক বাহিনীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন বন্দীর মধ্যে একজন।

যুক্তরাষ্ট্রে বেশিরভাগ মৃত্যুদণ্ড রাজ্য পর্যায়ে কার্যকর হলেও বর্তমানে ২৭টি রাজ্য, সামরিক বাহিনী এবং ফেডারেল সরকারের অধীনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল রয়েছে। তবে, ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডের বিধান পুনরুজ্জীবিত করেন, যা জো বাইডেন প্রশাসনের সময়ে স্থগিত ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫ বছর পর শাহরুখ-কারিনা জুটি সিনেমা ‘কিং’-এ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


১৫ বছর পর শাহরুখ-কারিনা জুটি সিনেমা ‘কিং’-এ

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও বড় পর্দায় একসঙ্গে দেখা যেতে চলেছে বলিউডের দুই জনপ্রিয় তারকা শাহরুখ খান ও কারিনা কাপুর খানকে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কিং’-এর একটি বিশেষ গানে একসঙ্গে হাজির হবেন তারা। ২০১১ সালের ‘রা. ওয়ান’-এর পর ফের এই জুটিকে একসঙ্গে দেখার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে এরই মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

পিঙ্কভিলার এক প্রতিবেদনে ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, ‘কিং’-এ ‘ড্যাডি কুল’ শিরোনামের একটি বিশেষ গানে অংশ নেবেন শাহরুখ ও কারিনা। বড় আয়োজনের এই গানটি সিনেমার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গানটির শুটিংয়ে অংশ নেবেন কারিনা। এ জন্য প্রায় পাঁচ দিনের সময় দিয়েছেন অভিনেত্রী। গানটির শুটিংও বড় পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের। এদিকে গানটি কোনো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীর কণ্ঠে শোনা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। এমনকি এড শিরানের নামও আলোচনায় এসেছে। তবে বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

শাহরুখ ও কারিনা এর আগে ‘কাভি খুশি কাভি গম’ এবং ‘ডন’-এর মতো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। এবার ‘কিং’-এর বিশেষ গানে তাদের নতুন রূপে দেখার সুযোগ ভক্তদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে শাহরুখ খানের জন্মদিন ২ নভেম্বরকে ঘিরে ‘কিং’ সিনেমার প্রচারণা শুরুর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ওই সময় সিনেমাটির নতুন কোনো ঝলক প্রকাশ পেতে পারে। শাহরুখের পাশাপাশি সিনেমাটিতে সুহানা খান, দীপিকা পাড়ুকোন, অভিষেক বচ্চন, অনিল কাপুর, জ্যাকি শ্রফ, রানি মুখার্জি, জয়দীপ আহলাওয়াত, আরশাদ ওয়ারসি ও রাঘব জুয়ালসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের পর মর্মান্তিকভাবে হত্যার অভিযোগে আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের পর মর্মান্তিকভাবে হত্যার অভিযোগে আসামির মৃত্যুদণ্ড

রাঙামাটিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিকা হাছিনা বেগম সুমীকে (২৮) ধর্ষণ ও পরে হত্যার ঘটনায় মো. মাহিবুর কামাল (২৩) ওরফে মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। এ ছাড়া, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক। এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল ২০২২ সালের ১১ মার্চ, রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের নতুনবাজার এলাকায়।

রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) প্রতীম রায় এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম পনির, মোখতার আহম্মদ, শফিউল আলম মিয়া ও মো. মাসুম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার মদন থানার কাইটাইল গ্রামের মো. মনির উদ্দিনের ছেলে মহিবুল্লাহ কাপ্তাই নতুনবাজারের একটি ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতেন। এ সূত্রে তার পরিচয় হয় হাছিনা বেগম সুমীর সঙ্গে। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

হাছিনা কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রাইখালীবাজার ফেরিঘাট কাজীপাড়ার মৃত আব্দুর রশিদ ও আমেনা বেগমের মেয়ে। তিনি পাশের চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দোভাষীবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ঘটনার দিন হাছিনা কাপ্তাইয়ের নতুনবাজারে গেলে আর বাসায় ফেরেননি। পরে তার স্বজনরা তাকে খুঁজতে থাকেন। পরদিন ১২ মার্চ কাপ্তাই বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে আগুনে পোড়া ও বিকৃত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মা আমেনা বেগম লাশটি শনাক্ত করেন। পরে নেত্রকোনা থেকে মহিবুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের তদন্ত ও আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসে। তদন্তে জানা যায়, মহিবুল্লাহ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হাছিনার সঙ্গে নিয়মিত শারীরিক সম্পর্ক করতেন। একপর্যায়ে হাছিনা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে মহিবুল্লাহ তা প্রত্যাখ্যান করেন। অন্য এক মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে বলেও হাছিনাকে জানান তিনি।

মামলার এজাহার ও তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ মার্চ রাতে কাপ্তাই বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভেতরে হাছিনাকে নিয়ে যান মহিবুল্লাহ। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মহিবুল্লাহ ইট দিয়ে হাছিনার মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই হাছিনার মৃত্যু হয়। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত হাছিনা বেগম সুমীর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে কাপ্তাই থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে জেল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে সাত দিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রতীম রায়। অন্যদিকে, আসামিকে নির্দোষ দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা সার কারখানা আড়াই বছর পর উৎপাদনে ফিরলেও চাপের শঙ্কা রয়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


যমুনা সার কারখানা আড়াই বছর পর উৎপাদনে ফিরলেও চাপের শঙ্কা রয়ে গেছে

দীর্ঘ আড়াই বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে গ্যাস সংযোগ পাওয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া উৎপাদনে ফিরেছে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল)।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ এই সার কারখানায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। তবে উৎপাদন শুরু হলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ (প্রেশার) যদি অব্যাহত না থাকে, তবে যেকোনো সময় কারখানাটির উৎপাদন আবারও থমকে যেতে পারে।

কারখানার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) মো. ফজলুল হক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ অচলাবস্থার পর ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। সেই সময় উৎপাদন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় চাপের অভাবে প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়।

তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি গ্যাসের চাপ ৮ কেজিতে নেমে এলে বয়লার ‘ট্রিপ’ করে উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি চাপ আরও কমে ৫ দশমিক ২ কেজিতে ঠেকলে পুরো কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে মুখথুবড়ে পড়ে। ফলে কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে জেএফসিএল আবারও অনিশ্চয়তায় পড়ে।

অবশেষে গত ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানায় পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। কারিগরি প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় গ্যাস চাপ নিশ্চিত হওয়ার পর মঙ্গলবার ভোর থেকে উৎপাদনে যেতে সক্ষম হয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

দ্বিগুণ দামে গ্যাস, তবুও সংশয়

দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন জেএফসিএল জাপানি প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম শীর্ষ রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা।

জানা যায়, দীর্ঘ বন্ধের পর দ্বিগুণ দামে গ্যাস কিনে কারখানাটি উৎপাদনে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তব চিত্র ছিল ভিন্ন।

কারখানা-সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু সংযোগ থাকলেই উৎপাদন সচল রাখা সম্ভব নয়; স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪২ থেকে ৪৩ এমএমসিএফ গ্যাস এবং নির্দিষ্ট মাত্রার প্রবাহ প্রয়োজন। গ্যাসের চাপ কমে গেলে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি জটিল ও সংবেদনশীল যন্ত্রপাতির মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়।

উত্তরাঞ্চলের কৃষিতে স্বস্তি, কাটবে আমদানিনির্ভরতা।

জেএফসিএল চালু হওয়ায় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের কৃষি খাতে স্বস্তি ফিরছে। জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইলসহ উত্তরের ১৯টি জেলার সার সরবরাহে এই কারখানা প্রধান ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ বন্ধের কারণে বাজারে ইউরিয়ার কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

কারখানাটি বন্ধ থাকায় বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হচ্ছিল, যা সরকারের ওপর আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। কারখানাটি সচল হওয়ায় একদিকে যেমন আমদানি ব্যয় ও ডলার সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হবে। সার পরিবহণ, লোড-আনলোড, ডিলার নেটওয়ার্ক এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানও সচল থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%