সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৬ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ‘কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্কের (সিজেডইএন) রিজিওনাল ক্লাস্টার মিটিং’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২৩ নম্বর কক্ষে এই কর্মশালাভিত্তিক সভার আয়োজন করা হয়।
ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমি এবং সিজেন বাংলাদেশের সহায়তায় এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়িত হয়। এতে রাবি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের গবেষণার অ্যাবস্ট্রাক্ট এবং রিসার্চ কনসেপ্ট নোট তৈরিতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যেই এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৭ ও ২৮ নভেম্বর ঢাকার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) অনুষ্ঠেয় ১১তম সিজেন নেটওয়ার্কিং কনফারেন্সে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের প্রস্তুতি হিসেবে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল। তিনি সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, শর্ট-ফর্ম ভিডিওর ব্যবহার ও ভুল তথ্যের মতো বিষয়গুলোকে সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) উপ-উপাচার্য ও সিজেন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. জুড ডব্লিউ আর জেনিলো। তিনি বলেন, ২০১৮ সালে রাবিতে ‘রাজশাহী ডিক্লারেশন’-এর মধ্য দিয়ে সিজেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময় ও যৌথ গবেষণা বাড়ানোই এ নেটওয়ার্কের লক্ষ্য।
সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিহুর রহমান ও সহযোগী অধ্যাপক মামুন আব্দুল কাইয়ুম। তারা অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখার কাঠামো, শব্দ সীমা ও গবেষণার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। পরে শিক্ষার্থীদের ২৫০ শব্দের অ্যাবস্ট্রাক্ট লেখার অনুশীলন করানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক আমেনা খাতুন। বিকেল ৩টায় মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৮৩তম আসরে অংশগ্রহণের সময় ইতালিতে হামলার শিকার হওয়ার পর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন তার সিনেমার টিমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, হামলার পর ভেনিসে অবস্থানরত সিনেমার টিমের সদস্যরা তাকে একপ্রকার বর্জন করেন। এমনকি উৎসবের অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে নিষেধ করা হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বাঁধন এসব অভিযোগ করেন।
রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালির মেস্ত্রে শহরে গেলে বাঁধনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। তার দাবি, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের হাতে তিনি হামলার শিকার হন। ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
দেশে ফিরে বাঁধন বলেন, "আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন করেছে। ফেস্টিভ্যালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সঙ্গে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি পরবর্তীতে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।"
তবে এই কঠিন সময়ে সিনেমার সহকর্মীদের মধ্যে সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা তাকে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান অভিনেত্রী।
হামলার পর ইতালি ও বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথাও জানান বাঁধন। তিনি বলেন, "ঘটনার রাতেই সরকারি দপ্তর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের অ্যাম্বাসেডরও তাকে ব্যাপক সহযোগিতা করেছেন।"
বাঁধনের ভাষ্য, "ইতালি সরকারের কালচারাল মিনিস্টার, আন্ডার সেক্রেটারি এবং পুলিশ বিভাগ তাকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক তাকে লিডোতেই থাকার ব্যবস্থা করে দেন।"
দেশবাসী ও সর্বস্তরের মানুষের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাঁধন বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন।" রাজনৈতিক মতাদর্শের পার্থক্য ভুলে দেশ ও প্রবাসের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন তিনি কখনো ভুলবেন না বলেও জানান।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মেস্ত্রে শহরে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পরে গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে মামলা করেন অভিনেত্রী। বিষয়টি জাতীয় সংসদেও আলোচিত হয়। সেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঘটনাটিকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবে অভিহিত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারের এই উদ্যোগ মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত আইন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) অমিত শাহ মন্তব্য করেন যে, কিছু রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হয়েছে। তিনি আশাবাদী যে ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট শাসিত ২১টি রাজ্যে এই আইন কার্যকর হবে।
ভারতে ফৌজদারি আইন সকলের জন্য অভিন্ন হলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ এবং উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়গুলো দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিজস্ব আইন ও রীতিনীতির আওতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। এসব ব্যক্তিগত আইনকে এক আইনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে বিজেপি সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
এখন পর্যন্ত ভারতের অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি কার্যকর করা হয়েছে। তবে এই আইন নিয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তাদের ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত আইন পালনের অধিকারকে সীমিত করতে পারে।
অন্যদিকে ইউসিসির সমর্থকরা দাবি করছেন, এই আইন বহুবিবাহের সুযোগ বন্ধ করবে, নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্পত্তির অধিকারে সমতা নিশ্চিত করবে এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারীদের আইনি সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে, ভারতে প্রায় ২২ কোটি মুসলিম বাস করছেন। জনসংখ্যার দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। তাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের উদ্যোগ দেশের সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সখীপুর থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে, যাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রবিবার রাতে উপজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার অভিযোগে মামলার অজ্ঞাত আসামি হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘নিয়মিত অভিযানে বৈষম্যবিরোধী মামলার অজ্ঞাতপরিচয় নামের তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর এখলাস হায়দার সরোয়ার, পৌর আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মজনু এবং যুবলীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক।
রবিবার রাতে উপজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে রবিবার বিকেলে সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দাড়িয়াপুর এলাকায় একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের ভিডিও সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রাতের অভিযানে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি হঠাৎ করে ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। পর্দায় নিজেকে আগের তুলনায় কিছুটা বেশি ‘বাল্কি’ মনে হচ্ছিল তাঁর। তাই তিনি ওজন কমানোর মিশন শুরু করেন।
নিয়মিত ব্যায়াম ও কঠোর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে দুই মাসের মধ্যে ছয় কেজি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে তিনি এখানেই থামতে চান না এবং লক্ষ্য আরো চার কেজি কমানো।
একসময় দীঘি নিজেকে ‘ভেতো বাঙালি’ বলে পরিচয় দিতেন। ভাত ছাড়া যেন চলতেই পারতেন না। কিন্তু বর্তমানে তাঁর খাদ্য তালিকা থেকে প্রায় ভাত বাদ পড়ে গেছে। সপ্তাহে মাত্র এক দিন ভাত খান তিনি। পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চাও করছেন।
নিজের ওজন কমানোর বিষয়ে দীঘি বলেন, ‘গত দুই মাসে ছয় কেজি ওজন কমিয়েছি। ইচ্ছা আছে আরো চার কেজি কমানোর। জীবন থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়েছি। আমি ছিলাম একেবারে ভেতো বাঙালি। কিন্তু দুই মাস ধরে ভাত জীবন থেকে নাই হয়ে গেছে বলতে পারেন। এখন সপ্তাহে একটা দিন ভাত খাই।’
ভাতের পরিবর্তে বর্তমানে তাঁর খাদ্যতালিকায় সিদ্ধ ডিম, সিদ্ধ সবজি ও তেলছাড়া রান্না করা চিকেন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দীঘির কথায়, ‘আমার জীবনটা এখন তেলছাড়া, সবজিময়। সিদ্ধ ডিম খাই, সিদ্ধ ভেজিটেবল খাই। ওভেনে রান্না করা তেলছাড়া সিদ্ধ চিকেন খাই।’
দীঘির ওজন কমানোর মিশন দুই মাস ধরে চলমান। আপাতত ডিসেম্বর পর্যন্ত এই রুটিন বজায় রাখতে চান তিনি। তবে তাঁর পূর্ববর্তী ওজন কিংবা ছয় কেজি কমানোর পর বর্তমান ওজন জানাতে চান না।
দীঘি বলেন, ‘ফ্যাট ছাড়া যা আছে, সব খাচ্ছি। মাঝে আমি ভালো ওয়েট গেইন করেছিলাম। কত ছিল, তা বলতে চাই না। ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে স্ক্রিনে আমাকে এখনকার চেয়ে আরেকটু বাল্কি লাগত। তাই নিজের কাছে অন্য রকম লাগছিল।’
তবে শুধু নিজের ভালো লাগার জন্য নয়, কাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও নিজেকে ফিট করছেন দীঘি। সামনে নতুন একটি কাজের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কাজের জন্য আরো ঝরঝরে ও ফিট লুকে নিজেকে উপস্থাপন করতে চান তিনি।
দীঘির বিশ্বাস, ফিট থাকলে পর্দায় নিজেকেও ভালো লাগে। আর পর্দায় নিজেকে ভালো লাগলে কাজের প্রস্তাবও বাড়ে।
এদিকে সম্প্রতি নতুন লুকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছেন দীঘি। ছবি দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো বেড়াতে গেছেন অভিনেত্রী।
তবে জানা গেছে, তিনি অবকাশযাপনের জন্য নয়, শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পাওয়া দীঘি পরবর্তী সময়ে নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। মেহেদি হাসান হৃদয় পরিচালিত তাঁর অভিনীত ‘বিদায়’ এখন মুক্তির অপেক্ষায়। এ ছাড়া সুমন ধর পরিচালিত একটি ওয়েব ফিল্মের শুটিংও শেষ করেছেন তিনি। এতে দীঘির বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ