বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৫ পি.এম
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি মোট ৫২৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা খরচ করেছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৮৭ কোটি টাকা। পাঁচ রাজ্যের মোট নির্বাচনি ব্যয়ের অর্ধেকেরও বেশি বাংলার ভোটে ব্যয় হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া দলের নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতেও বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিশনে জমা দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, আসামে বিজেপির ব্যয় ৯৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা, কেরালায় ৮২ কোটি ৬৭ লাখ, তামিলনাড়ুতে ৫১ কোটি ৫৬ লাখ এবং পুদুচেরিতে ১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বাংলায় বিজেপির মোট ব্যয়ের মধ্যে ২১৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা গেছে দলের সাধারণ নির্বাচনি প্রচারে। প্রার্থীদের সঙ্গে সম্পর্কিত খাতে ব্যয় হয়েছে ৬৯ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে প্রচারের জন্য প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
বিজেপির বাংলাকে ঘিরে এই বিপুল খরচ নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাবে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। পাঁচ রাজ্যের মোট ৫২৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মধ্যে বাংলায় খরচ হয়েছে প্রায় ৫৪ শতাংশ। অন্য চার রাজ্যে মিলিয়ে দলের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৪২ কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর জমা দেওয়া ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় বিজেপির কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এসেছে। নির্বাচনি পর্বে দলের প্রাপ্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ১ হাজার ৪৯৪ কোটি টাকা। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর ব্যাংকে থাকা অর্থ এবং হাতে থাকা নগদ মিলিয়ে দলের তহবিলে ৭ হাজার ৬৮৯ কোটি ৬ লাখ টাকা ছিল বলে হিসাবপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা থাকলেও রাজনৈতিক দলের সামগ্রিক নির্বাচনি ব্যয়ের ক্ষেত্রে একই ধরনের নির্দিষ্ট সীমা নেই। নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে হয়। প্রচার, সভা, যাতায়াত, বিজ্ঞাপন এবং নির্বাচনি প্রচারসামগ্রীসহ বিভিন্ন খাতে হওয়া খরচ এই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে।
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির জন্য ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য। দলের জমা দেওয়া হিসাবেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। পাঁচ রাজ্যের ভোটে দলের মোট ব্যয়ের অর্ধেকের বেশি বাংলায় খরচ হওয়া নির্বাচনি গুরুত্বের একটি আর্থিক চিত্র তুলে ধরেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট (এনজেডসি) ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে, তবে ব্যাটিং অলরাউন্ডার রাচিন রবীন্দ্রকে দলে রাখা হয়নি।
রবীন্দ্র ডান কাঁধে চোট পেয়েছেন, যা বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ের সময় ডাইভ দিয়ে ক্যাচ নেওয়ার ফলে হয়েছে। এই ইনজুরির কারণে তিনি ছয় সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকবেন।
নিউজিল্যান্ড ২২ অক্টোবর থেকে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করবে। সিরিজ শুরুর প্রায় এক মাস আগে রবীন্দ্রকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চান না নিউজিল্যান্ডের কোচ রব ওয়াল্টার।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘রাচিনের জন্য আমরা মর্মাহত। এবারের গ্রীষ্ম মৌসুমে আমাদের জন্য বড় ভূমিকা পালন করবে সে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পুনর্বাসনে যেন তাড়াহুড়া না করা হয়।’
নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি দলে ১৪ মাস পর ফিরেছেন পেসার অ্যাডাম মিলনে। তিনি দেশের হয়ে ৫৬ ম্যাচে ৬৫ উইকেট শিকার করেছেন।
মিলনের সাথে নিউজিল্যান্ডের পেস আক্রমণে আরও ছয় পেসার রয়েছেন। তারা হলেন- লুকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসন, জ্যাকব ডাফি, জ্যাক ফোকস এবং নাথান স্মিথ।
গোড়ালির ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে উঠতে না পারায় পেসার বেন সিয়ার্সকে দলে বিবেচনা করা হয়নি।
ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে কোচ রব ওয়াল্টার বলেন, ‘নিজ মাঠে ভারতকে স্বাগত জানানো দারুণ ব্যাপার। ভারত খুব ভালো দল এবং শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে খেলতে আমরা মুখিয়ে আছি। রোমাঞ্চকর সিরিজ হবে। আমরা শুনেছি, সিরিজের বেশিরভাগ ম্যাচের টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। নিঃসন্দেহে দারুণ সব মুহূর্ত উপহার দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দলে প্রায় পূর্ণ শক্তির খেলোয়াড়রা রয়েছেন। যারা সব দিক সামাল দিতে সক্ষম। বর্তমান টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে কেমন লড়াই হয়, সেটি দেখার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর নিউজিল্যান্ড ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও খেলবে। ওয়ানডে সিরিজ ৩ নভেম্বর থেকে এবং টেস্ট সিরিজ ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।
নিউজিল্যান্ড দল : মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, মাইকেল ব্রেসওয়েল, মার্ক চ্যাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, জ্যাকব ডাফি, লুকি ফার্গুসন, জ্যাক ফোকস, ম্যাট হেনরি, বেভন জ্যাকবস, কাইল জেমিসন, এডাম মিলনে, ড্যারিল মিচেল, গ্লেন ফিলিপস, টিম সাইফার্ট, নাথান স্মিথ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে এবং কারিকুলাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন কারিকুলাম ২০২৮ সাল থেকে কার্যকর হবে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য একটি শক্তিশালী ‘বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল’ গঠন করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে তৃতীয় ঢাকা-চায়না ডে-২০২৬ উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘সম্প্রতি আমরা মালয়েশিয়ান কোয়ালিফিকেশন এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। শিক্ষা খাতে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায় তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। মোনাশ ইউনিভার্সিটি আমাদের দেশে একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে এবং আমরা এটি বাস্তবায়ন করব।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি করব। এভাবেই আমরা শিক্ষার উন্নয়ন সাধন করব এবং শিক্ষাই আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের জাতির সাফল্যের চাবিকাঠি এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের অনেক অবদান রাখছে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগে এটি আমাদের জিডিপির মাত্র ১.৩৯ শতাংশ ছিল, এখন আমরা অনেক বেশি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনি এই বাজেট ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করবেন। তাই বাজেট আমাদের জন্য কোনো সমস্যা নয়। আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে চীন বা পশ্চিমা দেশগুলোর মতো উন্নত করতে পারি এবং আমরা তা করে দেখাব—এটিই আমাদের মিশন।’
এহছানুল হক মিলন সমাজে তরুণদের পথভ্রষ্ট হতে দেখা যাচ্ছে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা রাজনীতি নয়, সমাজ পরিবর্তনের একটি কর্মসূচি চাই। এই সমাজকে পরিবর্তন করবে কে? প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত কেবল শিক্ষা খাতই তা করতে পারে। আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে এবং নেতিবাচকতার ধারা বন্ধ করতে জাতিকে সাহায্য করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউডের অভিনেত্রী তমা মির্জা বর্তমানে অভিনয়ের কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি, তিনি তার ভক্ত ও অনুরাগীদের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন বিষয় শেয়ার করেন সামাজিক মাধ্যমে। সম্প্রতি, একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি নেটিজেনদের মধ্যে ভাইরাল হয়ে পড়েছেন।
এদিকে, তমা মির্জা সম্প্রতি করপোরেট জীবনেও প্রবেশ করেছেন। একটি বেসরকারি ব্যাংকে যোগ দেওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। এর মধ্যে, তার নতুন পোস্ট ভক্ত-অনুরাগীদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অভিনেত্রী এবার সামাজিক মাধ্যমে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে তিনি একটি আবেগঘন ক্যাপশন দিয়েছেন। তার এই আবেগপ্রবণ পোস্ট ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
পোস্টে দেখা যায়, কালো রঙের ফুলেল নকশার পোশাকে স্নিগ্ধ সাজে তমা মির্জা উপস্থিত হয়েছেন। খোলা চুল, কপালে ছোট টিপ এবং মিষ্টি হাসিতে ক্যামেরার সামনে ধরা পড়েছেন তিনি। তবে তার পোস্ট করা ছবির চেয়ে বেশি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে তার ক্যাপশন। তিনি লিখেছেন— ‘বোকা আমি নাকি বোকা এ মন, হৃদয় জড়ালে আমায় কখন।’
তমা মির্জার এই আবেগঘন পোস্ট ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। ভক্ত-অনুরাগীরাও মন্তব্যে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন— ‘ভালোবাসলে মানুষ বোকাই হয়।’ অন্য একজন লিখেছেন—‘মানুষ না, মনটাই বোকা কিংবা সরল হয়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি জানিয়েছেন, দলের বিদ্রোহকারীদের বিএনপিতে আর কখনো জায়গা হবে না।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সব সময় দেশের যে কোনো দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।" তিনি আরও জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেউ যেন গৃহহীন না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই আর্থিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে এবং টেকসই বাসস্থান নির্মাণে সহায়তা করবে।
বন্যাদুর্গতরা সংকটময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী আর্থিক সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানটি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীমের সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব খন্দকার আরাফাত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, বাংলাদেশ এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর প্রধান ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, পটিয়ার এমপি এনামুল হক, ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার লোকমান আহমদ, আমিনুর রহমান চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন, বাঁশখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম জেলা জজ ও দায়রা আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ