১১:৫৩ এম
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সাবেক বাগদত্তা মিশেল পার্কারকে হত্যার অভিযোগে ডেল স্মিথ জুনিয়রের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগপত্র প্রকাশ করেছে। ২০১১ সালে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর নিখোঁজ হন ৩৩ বছর বয়সী তিন সন্তানের মা মিশেল। প্রায় ১৫ বছর পর গত ১৪ অক্টোবর ৫৫ বছর বয়সী স্মিথকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ এবং নতুন প্রকাশিত আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৭ নভেম্বর তাদের তিন বছর বয়সী যমজ সন্তানকে বাবার কাছে পৌঁছে দিতে স্মিথের বাড়িতে গিয়েছিলেন মিশেল। সেখানে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা তদন্তকারীদের। তবে মিশেলের মরদেহ এখনো উদ্ধার হয়নি। স্মিথের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার মক্কেল নির্দোষ এবং অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তদন্তকারীদের দাবি, মিশেল নিখোঁজ হওয়ার পরদিন স্মিথের মুখ, ঠোঁট, কবজি ও কনুইয়ে আঁচড় এবং আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। নতুন করে মুঠোফোনের তথ্য বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, মিশেল স্মিথের বাড়িতে এক ঘণ্টার বেশি সময় ছিলেন। অথচ স্মিথ দাবি করেছিলেন, মিশেল সেখানে মাত্র ১০ মিনিট ছিলেন। তার ফোন থেকে বার্তা মুছে ফেলা এবং ফোনটি একটি হ্রদে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
আরও পড়ুন: বিল গেটসের ৭১তম জন্মদিনে দানের ঘোষণা, সম্পদের প্রায় সবটাই মানবকল্যাণে
মিশেল নিখোঁজ হওয়ার আগে তাদের মধ্যে সন্তানদের দেখাশোনা, সম্পর্ক ও অর্থ নিয়ে একাধিকবার বিরোধ হয়েছিল। এর কয়েক দিন আগে দুজন একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে বাগদানের আংটি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি উঠে আসে। অনুষ্ঠানে বিচারক দুজনকেই দায়ী করেন এবং মিশেলকে স্মিথকে আড়াই হাজার ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেন।
পুলিশের নথিতে আরও বলা হয়েছে, স্মিথের বিরুদ্ধে অতীতে পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ ছিল এবং ২০০১ সালে তৎকালীন স্ত্রীর ওপর সহিংসতার ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
বর্তমানে স্মিথ জামিন ছাড়াই আটক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মাত্রার হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী বলা যাবে না।
সূত্র: এবিসি নিউজ
আরও পড়ুন: ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে আফগানিস্তানে চোখের কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন