বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:০৯ এম
কয়রা উপজেলা জাতীয়তাবাদী তরুন দলের উদ্যোগে দলের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কয়রা উপজেলা তরুন দলের আহবায়ক মোঃ আবুল হাসান গাজী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক নুরুল আমিন বাবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এমএ হাসান এবং কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম মাওলা বকস।
এছাড়া, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা তরুন দলের সভাপতি এমএম আজিজুল হাকিম। বিশেষ বক্তা ছিলেন জেলা তরুন দলের সাধারন সম্পাদক মামুন গাজী। উপজেলা তরুনদলের সদস্য সচিব আলমগীর হােসেনের সঞ্চালনায় এই আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা নাজমুল হুদা, এফএম মহরম হােসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহতাসিম বিল্লাহ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, কয়রা উপজেলা কৃষকদলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মোঃ ইব্রাহিম সানা, কয়রা উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আছির উদ্দিন, যুবদল নেতা আনায়ার সাদাত কাজল এবং উপজেলা তরুন দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিএম তারেক আরাবী, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান বকুল, রুপসা উপজেলা তরুনদলের সভাপতি খালিদ হোসেন লস্কর প্রমুখ।
আলোচনা শেষে, জেলা সভাপতি এমএম আজিজুল হাকিম মহারাজপুর ইউনিয়ন তরুন দলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করেন, যেখানে আব্দুল্যাহ সরদারকে আহবায়ক এবং মোঃ আবু মুছা গাজীকে সদস্য সচিব করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্গম পাহাড়ি এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি কাজে দক্ষতা ও স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষিছড়ি জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং লক্ষীছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় দুই সপ্তাহব্যাপী কৃষি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার সকালে দুল্লাতলী ইউনিয়ন এবং আশপাশের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ২০ জন প্রান্তিক কৃষকের অংশগ্রহণে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন দুল্লাতলী আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার মেজর নাহিয়ান ইমতিয়াজ। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মন এবং দুল্লাতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ত্রিলন চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণে পাহাড়ি এলাকার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও টেকসই কৃষি পদ্ধতি, ফসল উৎপাদন এবং কৃষি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে তাদের মাঝে সনদপত্র, সার, বীজ ও বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হবে। দুর্গম পাহাড়ে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা প্রান্তিক কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে এ উদ্যোগ তাদের কৃষি উৎপাদন ও স্বাবলম্বিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বল আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়ছীড় জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ১ নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের ৭ং ওয়ার্ডের অন্তর্গত দুটি বিদ্যালয়ে, শুকনাছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শুকনাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। শুকনাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে পূর্বে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ছিল না। এই সমস্যা সমাধানের জন্য লক্ষ্মীছড়ি জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় এবং ইন্দ্রসিংপাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে উক্ত বিদ্যালয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়।
এছাড়া, শুকনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ইন্দ্রসিংপাড়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার লেঃ ওয়াসির মন্তব্য করেন, “আমাদের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার প্রতি আরো বেশি উৎসাহি করে তুলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ এই কার্যক্রমের ফলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জনহিতকর কার্যক্রম সাধারণ জনগণের কল্যাণে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার বাজারগুলোতে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। কৃষকরা এবার মণপ্রতি প্রায় এক হাজার টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন এবং পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পাট জাগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পানির সংকট দেখা দেয়নি।
বাজার পরিদর্শন করে জানা গেছে, গত বছরের শুরুতে নতুন পাট ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হলেও, এবারের শুরুতে কৃষকরা তা ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। বর্তমানে দাম বেড়ে ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে কৃষকরা গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম পাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শার্শায় এবার পাটের ফলন সন্তোষজনক হয়েছে। গত বছর যেখানে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল, তা বেড়ে এবার ৫ হাজার ৫০৩ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে আবাদ বেড়েছে ৫০৩ হেক্টর। গত বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টির অভাবে কৃষকদের পাট জাগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিল, তবে এবার এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়নি।
এদিকে, ফলন ও দাম ভালো হলেও উৎপাদন খরচ কিছুটা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। তাঁদের মতে, বিশেষ করে শ্রমিকদের মজুরি এবার বেশি দিতে হয়েছে। গত বছর ৪০০ টাকা মজুরিতে শ্রমিক পাওয়া গেলেও, এবার পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজে শ্রমিকপ্রতি বেশি মজুরি দিতে হচ্ছে। ফলে, গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কৃষক আব্দুল আলিম মন্তব্য করেছেন, "এবার পাটের ফলন খুব ভালো হয়েছে। পাশাপাশি দামও ভালো পাচ্ছি। গত বছরের তুলনায় নতুন পাট বিক্রি করে মণে ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা দাম বেশি পাচ্ছি।"
পাট ব্যবসায়ী বাবলুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পাট কিনে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, খুলনা ও বগুড়াসহ বিভিন্ন মোকামে সরবরাহ করেন।
শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার শাহা বলেছেন, "শার্শা উপজেলায় এবার কৃষকরা পাট চাষে লাভজনক অবস্থানে রয়েছেন। অনুকূল আবহাওয়া, ভালো ফলন এবং সন্তোষজনক দামের কারণে তারা খুশি। সরকারের দেওয়া প্রণোদনা, বিনামূল্যে উন্নত মানের বীজ বিতরণ এবং কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শের ফলেই কৃষকেরা এই সুফল পাচ্ছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৌলতপুর সীমান্তে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর ধারাবাহিক কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে বিজিবি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে, যার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা।
সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ কাজিপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা শেওড়াতলা মাঠে একটি চৌকস বিজিবি টহল দল অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৬ বোতল মদ, ৭৫০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৩,০০০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য (এগারো লক্ষ চৌত্রিশ হাজার) টাকা।
অন্যদিকে, ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চরচিলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ডিগ্রিরচর নামক স্থানে বিজিবির একটি চৌকস টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১৬ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, ৪ বোতল স্কাফ, ১,৫০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট এবং ৫০০ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য (ছয় লক্ষ আট হাজার) টাকা।
এই দুটি পৃথক অভিযানে মোট (সতেরো লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার) টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্তে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, মাদক ও চোরাচালানমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা এবং দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় বিজিবির এ ধরনের অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ