শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৪ পি.এম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ওঠানামা এবং আমদানি ও প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হয়।
তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মহাখালীতে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সয়াবিন তেল সম্পূর্ণরূপে আমদানিনির্ভর পণ্য। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে এর দামে পরিবর্তন হলে দেশের বাজারেও তা সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমদানি করা তেলের দাম নির্ধারণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দিষ্ট হিসাব পদ্ধতি বা ফর্মুলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজ ভাড়া, খালাস ব্যয়, বিমা, রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াকরণ খরচ এবং পরিবহনকালীন অপচয় (ওয়েস্টেজ) যুক্ত করে দেশে ভোজ্যতেলের চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক ইনডেক্স অনুসরণ করলেই সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা এই হিসাব মিলিয়ে দেখতে পারেন।
এফওবি মূল্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পণ্য জাহাজে তুলে দেওয়া পর্যন্ত বিক্রেতার যে ব্যয় হয়, সেটিই এফওবি মূল্য। এরপরের ব্যয়গুলো আমদানিকারক বা ক্রেতাকে বহন করতে হয়।
তিনি জানান, বুধবার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ভোজ্যতেলের দাম আরো বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তাদের স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের ব্যবসা মূলত বেসরকারি খাতনির্ভর। আমদানিকারকরা দীর্ঘদিন লোকসানে থাকলে বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হতে পারে। তাই বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং উদ্যোক্তারা যেন লোকসানের কারণে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য না হন, সে জন্য দাম নির্ধারণে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কালকিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরের পাশে এবং ডাসার উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আগামী শুক্রবার পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চলবে। তারেক রহমান একজন পরিবেশবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশ রক্ষায় তিনি সব সময় গুরুত্ব দেন এবং বনায়নের কর্মসূচি নিয়েছেন। আমরাও তারেক রহমানের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাদারীপুর-৩ আসনে ব্যাপকভাবে বনায়ন করব।’
কর্মসূচিতে কালকিনির নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সীসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, কর্মসূচিতে কালকিনির নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাসকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা চত্বরের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বক্তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যিনি কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্প কারাখানা পরিদর্শন করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি রেশম কারাখানায় উপস্থিত হন।
এই পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এছাড়াও, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো.
মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জিয়া মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী বিভাগীয় টিম লিডার আব্দুল মতিন, রাজশাহী মহানগর জিয়া মঞ্চের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন সরকার, শাহমখদুম থানা বিএনপির সদস্য সচিব নাসিম খান, মতিহার থানা বিএনপির সদস্য সচিব আল মামুন বাবু এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কেন্দ্রীয় আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দির থেকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে একটি রঙিন শোভাযাত্রা বের হয়।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আনন্দময়ী কালীবাড়ি মন্দিরে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি এবং জেলা বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
শোভাযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ধর্মীয় সাজসজ্জা ও বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এই সময় পুরো শহরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেনের সাবেক সেনা সদস্য সেরহি লাজারেঙ্কো ভাগ্যকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। যখনই তিনি নিজের অঞ্চল জাকারপট্টিয়াকে ‘শান্ত’ বলে উল্লেখ করেন, তখন তিনি প্রথাগতভাবে তিনবার থুতু ফেলেন—এটি যেন কোনো দুর্ভাগ্য বা রুশ হামলা সেখানে আঘাত হানতে না পারে।
এটি জানানো হয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে।
কার্পাথিয়ান পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত ইউক্রেনের পশ্চিমতম অঞ্চল জাকারপট্টিয়া। স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও রোমানিয়ার মাঝখানে অবস্থিত এই অঞ্চলটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে বড় ধরনের হামলা থেকে তুলনামূলকভাবে রক্ষা পেয়েছে।
দেশটির পূর্বাঞ্চলে তীব্র লড়াই চলছে। একই সময়ে রুশ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন এবং হাজার হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
জাকারপট্টিয়ার বাসিন্দারাও যুদ্ধের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত নন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সেখানে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। সম্মুখযুদ্ধে স্থানীয় অনেক পরিচিতজনকেও তারা হারিয়েছেন। তবে বিমান হামলার সাইরেন ও বিস্ফোরণের শব্দ ছাড়া রাত কাটাতে পারাকে তারা বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন।
লাঠিতে ভর দিয়ে বেরেহোভ শহরের কেন্দ্র দিয়ে হাঁটার সময় লাজারেঙ্কো এএফপিকে বলেন, “সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, এখানে সবকিছু শান্ত।”
যুদ্ধের আগে বেরেহোভে প্রায় ২৩ হাজার মানুষের বসবাস ছিল। হাঙ্গেরির সীমান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরের এই শহরটি কিয়েভ থেকে সড়কপথে প্রায় ১১ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। শহরের রাস্তায় স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় কথা বলা মানুষেরও দেখা যায়। তারা বাজার করছেন, প্রয়োজনীয় কাজ সারছেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
৫৪ বছর বয়সী লাজারেঙ্কো বেরেহোভের স্থানীয় বাসিন্দা। রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পরপরই তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন।
যুদ্ধের অন্যতম রক্তক্ষয়ী লড়াই বাখমুতের যুদ্ধে গুরুতর আহত হয়ে তিনি নিজ শহরে ফিরে আসেন। বর্তমানে তার শহরটি বোমা হামলা ও রুশ দখল থেকে পালিয়ে আসা বহু ইউক্রেনীয়কে আশ্রয় দিচ্ছে।
তিনি বলেন, “কখনো কখনো শহরে গেলে নিজের এলাকার মানুষই যেন আর তেমন চোখে পড়ে না—এত বেশি মানুষ এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছে।” তবে নতুন আসা মানুষদের সঙ্গে স্থানীয়দের সম্পর্ক ভালো বলেও জানান তিনি।
বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে রয়েছেন লিউবভ কিরেইয়েভা। ২০২২ সালে তিনি পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চল থেকে জাকারপট্টিয়ায় চলে আসেন।
তিনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, সেটি ধাতব পণ্য উৎপাদনকারী একটি বড় কোম্পানি। যুদ্ধের কারণে প্রতিষ্ঠানটি বেরেহোভে স্থানান্তরিত হয়। সেখানে একটি পরিত্যক্ত কারখানা সংস্কার করে আবার উৎপাদন শুরু করা হয়েছে।
কিরেইয়েভা এএফপিকে বলেন, “এখানে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই যুদ্ধের উপস্থিতি খুব কম অনুভব হয়।”
রাশিয়ার বিমান হামলায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও জাকারপট্টিয়ায় তা খুবই কম। সেখানে যুদ্ধকালীন কারফিউও নেই।
৪১ বছর বয়সী কিরেইয়েভা বলেন, “বিমান হামলার সতর্কসংকেত আমরা প্রায় শুনতেই পাই না।” এমনকি ইউক্রেনের কিছু অঞ্চলে এখনো কারফিউ রয়েছে—এ কথাটিও তিনি প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন বলে জানান।
মৃদু আবহাওয়া এবং পাহাড়জুড়ে বিস্তৃত আঙুরের বাগানের জন্য পরিচিত জাকারপট্টিয়া এখন কিরেইয়েভার কাছে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের তিনি বন্ধুত্বপূর্ণ, ভালো ও আন্তরিক বলে প্রশংসা করেন।
‘এটা হতাশাজনক’
বেরেহোভ অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী তেতিয়ানা দুব বলেন, বর্তমানে এটি এমন একটি জায়গা “যেখানে মানুষ কিছুটা স্বস্তি খুঁজে পেতে পারে।”
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশের মানুষ এখানে নিরাপদে আসতে পারেন এবং মানসিক শান্তির পাশাপাশি আবেগগত ও মানসিক স্বস্তিও পেতে পারেন।”
তেতিয়ানা যখন এ কথা বলছিলেন, তখন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নিহত সেনাদের স্বজনেরা যুদ্ধে নিহত বেরেহোভের বাসিন্দাদের স্মরণে একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
নিহত সেনাদের স্মরণে নির্মিত একটি স্মৃতিস্তম্ভের পাশে ইউক্রেনের নীল-হলুদ পতাকা প্রদর্শন করা হয়। পাশে একটি ফুলদানিতে রাখা হয় সূর্যমুখীর তোড়া। সূর্যমুখী ইউক্রেনের জাতীয় ফুল এবং আশার প্রতীক।
অনুষ্ঠানে বাখমুতের যুদ্ধে নিহত ওই অঞ্চলের এক বাসিন্দার স্মরণে একটি স্মারকফলক স্থাপন করা হয়। তাঁর মরদেহ কখনো বাড়িতে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।
পুরোহিতেরা নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করার সময় বাতাসে ধূপের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। নিহতদের আত্মার জন্য তারা প্রার্থনা করেন, “হে প্রভু, আমাদের রক্ষাকারীদের প্রতি দয়া করুন।” গ্রীষ্মের শেষভাগের প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে প্রায় ১০০ জন বাসিন্দা শহরের প্রধান চত্বরে জড়ো হন।
তখন সেখানে তাৎক্ষণিক কোনো হামলার আশঙ্কা ছিল না, যার কারণে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটতে হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধের প্রভাব শহরটির মানুষের জীবন থেকে পুরোপুরি মুছে যায়নি।
তেতিয়ানা দুব বলেন, “শারীরিকভাবে যুদ্ধ এখানে নেই, কিন্তু মানসিকভাবে এটি হতাশাজনক। কারণ সামনে কীভাবে এগোব, এরপর কী হবে এবং এই যুদ্ধ আর কতদিন চলবে—তা বোঝা কঠিন।”
তবে তিনি বলেন, “আমি দেখছি, আমাদের মানুষ লড়াই করে টিকে আছে এবং হাল ছেড়ে দেয়নি। আর সে কারণেই আমরা বিশ্বাস করি, শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভালো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ