বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৩৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হামলার মুখেও ইরানের পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর সমপর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পারমাণবিক প্রধান মোহাম্মদ এসলামী।
বুধবার মোহাম্মদ এসলামী বলেন, ‘আজকে ইরানের পারমাণবিক শিল্প এই খাতের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, তেহরানের শত্রুরা দেশটিকে দুর্বল করার লক্ষ্যে অভিযোগ তোলে যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ নয়। তারা নিজেরাও তা ভালোভাবেই জানে এবং তাদের কর্মকাণ্ডেও তা প্রমাণিত হয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অগ্রগতিকে অগ্রগতিকে থামিয়ে দেওয়া।
ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেবল পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনসহ বেসামরিক কাজের জন্য নিবেদিত।
ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, তেহরান যাতে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্যই তিনি ইসরায়েলের সাথে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে এই লড়াই শুরু করেছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্তে বলা হয়েছিল ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো পরিকল্পনা করছিল না; অথচ বর্তমানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, এই যুদ্ধের কারণে ইরান হয়তো এখন পারমাণবিক বোমা অর্জনের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়তে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ সংসদে জামালপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন জানতে চান, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরওয়ারী হিসাব কী।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শর্টগানের লাইসেন্স ৭ হাজার ৩০৮টি, পিস্তলের ৫ হাজার ৩৪৭টি, রিভলবারের ৫৯৪টি, রাইফেলের ৯৪৮টি এবং অন্যান্য ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫ হাজার ৪৪৪টি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বছরওয়ারী হিসাব দেশের ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় সময় লাগায় বর্তমানে প্রশ্নটির আংশিক উত্তর দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামে রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় দেলোয়ার হোসেন (৪৬) নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে নগরীর খুলশী থানাধীন পলিটেকনিক মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলোয়ার হোসেন ফেনী জেলার দাগনভূঞার উপজেলার জয় নারায়ণপুর এলাকার নুর নবীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে নগরীর পলিটেকনিক মোড় এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন দেলোয়ার হোসেন। এ সময় দ্রুতগামীর একটি প্রাইভেটকার তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসসকে বলেন, ভোরে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ ও ভালো রাখতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বেকার নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১০টি সেলাই মেশিন এবং অসহায় ও ছিন্নমূল চার শতাধিক পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, লবণ, চিনি, হলুদ ও মরিচের গুঁড়াসহ বিভিন্ন শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের হাতে প্রায় ১০০টি ফুটবল তুলে দেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, মেধাবী ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা ও খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে ওঠে।
প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয়ের প্রবণতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম জোরদার এবং খেলার মাঠগুলো সচল রাখতে হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই একজন শিক্ষার্থী পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে না। তাকে নৈতিকতা, শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের শিক্ষায়ও গড়ে তুলতে হবে। খেলাধুলা এসব গুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে ত্রাণমন্ত্রী বলেন, নারীদের শুধু সহায়তা দিলেই হবে না, তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। একটি পরিবারের একজন নারী আয় করতে পারলে ওই পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সন্তানদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বড়বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা লিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনিতা দাস, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ২৭ আগস্ট ২০২৬ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা চুক্তি’ সম্প্রসারিত হলে অন্য কোনো দেশ বা সম্প্রদায়ের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।
একই সঙ্গে তিনি এটিকে বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায়ের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা এবং মুসলিম দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ এ চুক্তিতে যোগ দিলে দেশের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো সম্পর্কে জানতে চান রুমিন ফারহানা।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে বাংলাদেশের চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে নেই। কারণ বিষয়টি মূলত চুক্তিতে বর্তমানে যুক্ত দেশগুলোর আগ্রহ ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, ‘তারা যদি বাংলাদেশকে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়, তাহলে অবশ্যই আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।’
ড. খলিলুর আরও বলেন, বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর আগে চুক্তিতে যোগদানের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা সময়ের আগেই হয়ে যাবে। তবে এটি সব বিষয়ই সরকার বিবেচনায় রাখবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট ২০২৬ ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশের দৃষ্টিতে তিন দেশের এই উদ্যোগ ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।
তবে বাংলাদেশের এ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বর্তমান সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর ওপর।
চুক্তিটি সম্প্রসারিত হলে এটির উদ্দেশ্য মুসলিম দেশগুলোর পারস্পরিক আত্মরক্ষার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থায় অন্যদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ