বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:২৮ পি.এম
ডোমার-ডিমলায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য যাতায়াত সহজ করার লক্ষ্যে বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজীকরণ এবং তাদের পড়াশোনায় আরো উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে বাইসাইকেল বিতরণ করেন।
শিক্ষার্থীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেওয়ার উদ্যোগে তাদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসাহ। নতুন বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ছাপ যেন নতুন স্বপ্নের আলো ছড়িয়ে দিয়েছে।
এ সময় এমপি অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তাদের শিক্ষার পথে যাতায়াত সহজ করা এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ও মেধার বিকাশের মধ্য দিয়েই একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে।"
বাইসাইকেল পেয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, তারা অনেক দূর থেকে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বাইসাইকেল পাওয়ায় এখন যাতায়াত আরও সহজ হবে। এটি সময় ও কষ্ট দুটোই কমাবে এবং পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
অভিভাবকরাও এ উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে এমন সহযোগিতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের হাতে পরিচিত বাইসাইকেলটি কেবল যাতায়াতের বাহন নয়, এটি তাদের স্বপ্ন, শিক্ষা ও ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি প্রতীক।
নতুন প্রজন্মের মুখের এই হাসি আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের আসল শক্তি। শিক্ষার্থীদের এই পথচলা হোক নিরাপদ, সুন্দর ও সফল—এমন প্রত্যাশা সকলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কাচারী পয়রাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন অরণ্য-এর উদ্যোগে ‘সবুজ উৎসব-২০২৬’ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়, যেখানে ফিতা কেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।
উদ্বোধনের পাশাপাশি, কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ৫০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। এর পাশাপাশি, বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে চার শতাধিক ফলজ ও ভেষজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক পরিবেশ রক্ষা ক্যাম্পেইন, বৃক্ষ প্রদর্শনী ও বিশেষ অতিথিদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষক ও অতিথিরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণের কাজে অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, বরং এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, মাটি সংরক্ষণ ও বায়ুমণ্ডলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বৃক্ষ রোপণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আজিজুল ইসলাম মন্ডল উল্লেখ করেন, “একটি গাছ কেটে ফেললে তার পরিবর্তে অন্তত তিনটি গাছ রোপণ করতে হবে। তবেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা সম্ভব হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার সুযোগ থাকবে।”
গাছ পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে। তারা জানান, বিদ্যালয়ে এমন কর্মসূচির মাধ্যমে গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের সচেতনতা বাড়ছে। পাশাপাশি নিজেদের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করার প্রতি আগ্রহও তৈরি হচ্ছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শ্রী নিখিল চন্দ্র বর্মন, একজন একাডেমিক সুপারভাইজার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ তরিকুল ইসলাম, প্রভাষক, মধ্য কুমোরপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মুহাম্মদ আব্দুল কাদের, অরণ্যের উপদেষ্টা জনাব মোঃ নুর আমিন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুস ছোবহান জুয়েল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আবু জোবায়েদ সাগর এবং সভাপতিত্ব করেন জনাব নুর মোহাম্মদ আল আমিন, অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি। আয়োজকেরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে আয়োজিত এ কর্মসূচি এলাকায় পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুরে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ রাখার মামলায় মো. আলী হাসান মুন্না (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সাথে তাকে দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও গুণতে হবে। এটি না দেয়ায় তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মশিউর রহমান খান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলী হাসান মুন্না রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানার আলমনগর কলোনির বাসিন্দা। তিনি মরহুম এখলাক হাজীর পুত্র।
আদালত সূত্রে জানানো হয়, কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর-৬৩, তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০২০ এবং জিআর নম্বর-৭২৩/২০ (কোতয়ালী) মামলাটি পরবর্তীতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১০৩/২৫ হিসেবে বিচারাধীন ছিল। মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় আলী হাসান মুন্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
এ মামলার অভিযোগে বলা হয়, কালোবাজারির মাধ্যমে টিসিবির পণ্য মজুদ করার অপরাধে আলী হাসান মুন্নার কাছ থেকে ৪০০ কেজি চিনি, ৫৪ লিটার সয়াবিন তেল এবং ২৮৮ কেজি পেঁয়াজ উদ্ধার করা হয়। এর বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের আইনজীবী মো. আব্দুল হাদী বেলালের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সিদ্ধান্ত নেয় যে, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
এরপর আদালত আলী হাসান মুন্নাকে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারার অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করে এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে অনাদায়ে তাকে আরও চার মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরলে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এই বিশেষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকালে বিরল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যৌথ আয়োজনে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবুল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল হক হীরা, সাধারণ সম্পাদক নুজ্জামাল হোসেন সোনাহার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের (আহবায়ক) ভারপ্রাপ্ত আসাদুল ইসলাম, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিনুর ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে শহিদ মিনার চত্বরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেদের দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মোট ভোটের চেয়ে ১১টি ভোট বেশি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি মোট ২৫৫ ভোট পেয়েছেন। বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২০৮ জন মির্জা ফখরুলকে ভোট দিয়েছেন। দলটির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৬ জন। এ হিসাবে বিএনপির নিজস্ব ভোট পড়েছে ২৪৪টি। এর বাইরে জোটসঙ্গীদের কাছ থেকে মির্জা ফখরুল পেয়েছেন তিনটি ভোট। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পেয়েছেন সাতটি ভোট। এছাড়া ‘হাতপাখা’ প্রতীকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্যও তাকে ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ বিএনপির নিজস্ব ২৪৪ ভোটের সঙ্গে জোটসঙ্গীদের তিন, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের সাত এবং হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচিত একজনের এক ভোট যোগ হয়ে মির্জা ফখরুলের মোট ভোট দাঁড়িয়েছে ২৫৫টিতে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ