রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
০৩:১৬ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে ২০২৬ সালের দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিবর্তে শিক্ষকদের একটি অংশ ব্যক্তিগত কোচিংয়ের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা।
এ বছর উপজেলার ১২টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ১৩০ জন। পাশের হার ৪৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, উপজেলার বেতকা মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৬ জন। সপ্তগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১২ জনের মধ্যে পাস করেছে ২ জন। পঞ্চগ্রাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৩ জন। ওই মাদ্রাসায় পাশের হার মাত্র ১৪ শতাংশ।
এ ছাড়া শাপলেজা জয়তুনিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪ জন। বিজয়নগর আলিম মাদ্রাসা থেকে ১০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৬ জন। কাউখালী কেন্দ্রীয় ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৮ জন।
অন্যদিকে, উপজেলার এসএসসি পরীক্ষায় ৬১০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৪৩৯ জন। ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১৪৫ জন অংশগ্রহণ করে পাস করেছে মাত্র ৭২ জন।
সার্বিক ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলাফল বিপর্যয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।
একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদানের চেয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত কোচিং সেন্টারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পাঠদান না হওয়ায় তারা কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। এতে কোচিংয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ কোনোভাবে পাস করলেও অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে পারছে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক বলেন, “শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে পড়ানো। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চেয়ে কোচিংয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে অভিভাবকদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীরাও প্রকৃত শিক্ষার পরিবর্তে কোচিংনির্ভর হয়ে পড়ছে। ফলাফলের এই চিত্র তারই প্রতিফলন।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান বলেন, “ফলাফল বিশ্লেষণ করে যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। শিক্ষার্থীদের কোথায় দুর্বলতা রয়েছে এবং শিক্ষকদের পাঠদানের ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও কাউন্সেলিং করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার বিষয়ে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল উন্নত করতে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল ভালো না হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে কাউন্সেলিং করা হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের গুরুত্ব বাড়াতে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। এজন্য বিভিন্ন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষা কার্যক্রমে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে, যাতে আগামীতে ফলাফলের উন্নতি ঘটে।
অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নয়, সারা বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষকদের উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়নের বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দপ্তর কার্যকর নজরদারি করবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিংনির্ভরতা কমিয়ে শ্রেণিকক্ষেই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পাঠদান নিশ্চিত করা হলে আগামীতে কাউখালীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল ঘুরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বহনকারী হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ করেছে। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চের মাঠে হেলিকপ্টারটি জরুরি অবতরণ করে।
হেলিকপ্টারটি পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি হেলিপ্যাডে অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু সেখানে নামার আগেই যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে, তাই ঝুঁকি না নিয়ে কোলাঘাটে হেলিকপ্টারটি নিরাপদে নামানো হয়। পরে সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
মঙ্গলবার শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদিন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে কেশপুরের মোহবনিতে ক্ষুদিরামের জন্মভিটে ও বাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেই কর্মসূচিতে অংশ নিতে কলকাতা থেকে হেলিকপ্টার নিয়ে রওনা হয়েছিল তিনি।
তবে আচমকা কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ করায় প্রশাসনিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়। ঘটনাটি ঘিরে রাজ্যবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীন খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটি প্রতিষ্ঠানই যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত।
এ উপজেলার শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দুটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং পাঁচটি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। গতকাল সোমবার প্রকাশিত ফলাফল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয়, চান্দুয়া-সমসকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, নেংগুড়াহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, পাড়দিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, শ্যামকুড় যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নেহালপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং ইত্যা স্লুইসগেট দাখিল মাদ্রাসা।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন ছাত্রী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল এবং সেই শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিল নেংগুড়াহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসায়, যেখানে ১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল এবং তাঁদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
এছাড়া চান্দুয়া-সমসকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ৩জন, পাড়দিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও ইত্যা স্লুইস গেট দাখিল মাদ্রাসা থেকে চারজন করে এবং শ্যামকুড় যমযমিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও নেহালপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ছয়জন করে পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান জানিয়েছেন যে, তাদের স্কুল থেকে এবার নিয়মিত কোনো এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল না। তিনি বলেন, নবম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছিল, কিন্তু গত বছর সে পরীক্ষা দেয়নি। এবার পরীক্ষা দিয়ে গণিতে ফেল করেছে।
তিনি আরো বলেন, এর আগে যিনি প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি গণিত পড়াতেন। তিনি চলে যাওয়ার পর গত ৮/৯ মাস ধরে স্কুলে গণিতের শিক্ষকের অভাব থাকছে।
চান্দুয়া-সমসকাটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুজিত বালা বলেন, বছরের বেশিরভাগ সময় স্কুলের মাঠ এমনকি শ্রেণিকক্ষে পানি জমে থাকে। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে আসতে চায় না। স্কুলটিতে ১৪ জন শিক্ষক এবং ছয়জন কর্মচারী রয়েছেন। এবার এ স্কুল থেকে তিনজন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
মণিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুজাফফার হোসেন বলেন, সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইত্যা, পাড়দিয়া এবং নেহালপুর মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত নয়। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেরানীগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ৭শ’ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন তারানগর ইউনিয়নের সিরাজনগর মধ্যপাড়া এলাকায় জাকির হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ঢাকা জেলা দক্ষিণ গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইরের আব্দুল আওয়াল ঝন্টু (৪৫), একই এলাকার মো. সেলিম ভান্ডারী (৪২), মো. এজাজ (৪০), নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকার মো. আমির হোসেন রনি (৪০), এবং কুড়িগ্রামের মো. মান্নান (৪২)।
ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই প্রদীপ চন্দ্র দাস ও এসআই মো. তানভীর হোসেন ভূঁইয়াসহ ডিবির একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের ফলস্বরূপ ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এবং তাদের কাছ থেকে ৭শ’ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে কেরানীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় বেচাকেনা করে আসছিল।
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশের এ ধরনের অভিযান মাদকের বিরুদ্ধে অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুলাউড়ায়, মৌলভীবাজার জেলা, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্যোক্তা তৈরির উদ্দেশ্যে ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভা মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে উপজেলা পরিষদের হলরুমে ব্র্যাকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় বিশ্বাস।
সভাটির সঞ্চালনায় ছিলেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক ইলিমেন্ট হাজং। অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া থানার ওসি শেখ জহিরুল ইসলাম মুন্না, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অনিতা দেবী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সৌমিত্র কর্মকার, ব্র্যাকের ডেপুটি ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা ব্যবস্থাপক আসমা উল হুসনা এবং সহযোগী অফিসার আবুল কালাম আজাদ।
এই সভায় সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধি, ব্র্যাকের কর্মকর্তাগণ, প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ