সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ পি.এম
একদিকে মাছ ধরার আনন্দ, অন্যদিকে দেশি মাছের সংকট-এ নিয়েই অনেক খাল-বিলে পলো বাওয়া উৎসবে মাছ ধরতে ঢল নামছে মানুষের। তবে আগের মতো নেই দেশি মাছের ভাণ্ডার। এ নিয়ে মাছ শিকারে আসা মানুষের কণ্ঠে উঠে আসছে হতাশা আর উদ্বেগ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী ছড়ায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নানা বয়সী মানুষ পলোসহ নানা উপকরণ নিয়ে পানিতে নেমেছেন মাছ ধরতে। কেউ পলোর ভেতর হাত দিয়ে মাছ খুঁজছেন, কেউ আবার অন্য কোনোভাবে শিকারের চেষ্টা করছেন। ছড়াজুড়ে মাছ শিকারের দৃশ্যে সৃষ্টি হয় গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা আনন্দঘন পরিবেশ।
মাছ শিকারে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ছড়া, নালা, দোলা ও অন্যান্য জলাশয়ে দল বেঁধে পলো দিয়ে মাছ ধরার প্রচলন ছিল। তখন এসব জলাশয়ে দেশি মাছের প্রাচুর্য ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশি মাছ কমে গেছে। তাই মাছ শিকারের সেই আনন্দ এখন অনেকটা ম্লান।
মাছ শিকারিদের অভিযোগ, এক শ্রেণির মানুষ নিষিদ্ধ বা ক্ষতিকর সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ ধরছে। এসব জালে বড় মাছের পাশাপাশি ছোট মাছ এমনকি মাছের পোনাও আটকা পড়ছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে। এতে দিন দিন কমছে দেশি মাছ।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, যথাযথ উদ্যোগ ও নজরদারির মাধ্যমে শিমুলবাড়ী ছড়াসহ উপজেলার ছড়া, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে দেশি মাছের প্রাচুর্য ফিরবে। আবারো প্রাণ ফিরে পাবে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব।
উৎসবে ইসমাইল হোসেন ও রফিকুল ইসলাম মাছ শিকারে আসেন ভাঙামোড় এলাকা থেকে। তাদের ভাষ্য, মাছের সংকটের অন্যতম কারণ চায়না দুয়ারি জালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার। সূক্ষ্ম ফাঁসের এ জাল পাতা হয় পানির প্রবাহপথে। এতে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ও পোনা আটকা পড়ে। এভাবে নির্বিচারে মাছ ধরা অব্যাহত থাকলে দেশি মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়বে।
রাবাইটারী এলাকা থেকে আসা ইকবাল হোসেন ও মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘আগে আমরা দল বেঁধে পলো দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দোলা, ছড়া ও নালায় মাছ ধরতে যেতাম। মাছ ধরার মধ্যে এক ধরনের আনন্দ ও প্রতিযোগিতা ছিল, কিন্তু এখন আর আগের মতো দেশি মাছ পাওয়া যায় না। চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহারে দেশি মাছ বড় হওয়ার আগেই ধরা পড়ছে।
দুই মাছ শিকারি আরো বলেন, দেশি মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র রক্ষা, ক্ষতিকর জালের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ জরুরি।
স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের ভাস্য, ‘ফুলবাড়ী উপজেলায় বড় ছড়াগুলোর মধ্যে শিমুলবাড়ী ছড়া অন্যতম। একসময় এ ছড়ায় প্রচুর মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন আগের মতো দেশি মাছ আর মিলছে না। তবু মাছ ধরার আশায় দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে ছুটে আসে। তবে দল বেঁধে পলো দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য চোখে পড়লেও অনেকের মুখেই শোনা যায়, ‘ছড়ায় এখন মাছের বড়ই অভাব’।
প্রধান শিক্ষক বলেন, শিমুলবাড়ী ছড়ায় মাছ ধরতে আসা মানুষের ভিড় গ্রামীণ ঐতিহ্য ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনের আনন্দকে তুলে ধরে। তবে দেশি মাছ কমে যাওয়ার বিষয়টি নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে।
জলাশয়গুলোতে মাছের প্রাচুর্য ফিরিয়ে আনতে হলে মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ এবং ক্ষতিকর উপায়ে মাছ ধরা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন এই শিক্ষক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আধুনিক গবেষণাগার কিংবা উন্নত প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা ছাড়াই সীমান্তবর্তী শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষক সেন্টু চন্দ্র হাজং ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।
মাত্র ১২ কাঠা জমিতে পরীক্ষামূলক চাষের মাধ্যমে ২১ বছরের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তিনি মোট ২৫টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন। তার উদ্ভাবিত এসব ধানের প্রতি দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় কৃষকদের। পাশাপাশি দেশি ধানের বিলুপ্তপ্রায় জাত সংরক্ষণেও কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
মেঘালয়ের কোল ঘেঁষা নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের চাটকিয়া গ্রামের কৃষক পরিবারে জন্ম সেন্টু হাজংয়ের। এসএসসি পাসের পর আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও কৃষি নিয়ে নতুন কিছু করার স্বপ্ন ছাড়েননি তিনি। ২০০৫ সালে স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) কারিতাস থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর ধানের দুটি ভিন্ন জাতের মধ্যে সংকরায়ণ বা ব্রিডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে নতুন জাত তৈরির কাজ শুরু করেন।
প্রত্যন্ত গ্রামের একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসেই চলে তার গবেষণার পরিকল্পনা। নিজস্ব গবেষণাগার, আধুনিক যন্ত্রপাতি বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তা ছাড়াই সীমিত সামর্থ্য নিয়ে বছরের পর বছর কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। গবেষণার সুবিধার্থে নিজের ১২ কাঠা জমিতে ৪৪০টি পরীক্ষামূলক প্লট তৈরি করেছেন এই কৃষক।
সেন্টু হাজংয়ের উদ্ভাবিত ধানগুলোর মধ্যে ‘সেন্টু শাইল’, তিন ধরনের ‘সেন্টু পাইজাম’, তিন ধরনের ‘চিনি শাইল’ ও ‘তুলশিমালা’ উল্লেখযোগ্য। তার উদ্ভাবিত জাতগুলো সেন্টু-১ থেকে সেন্টু-২৫ পর্যন্ত নামকরণ করা হয়েছে। প্রথম সফল জাত ‘সেন্টু শাইল’ উদ্ভাবন করতে তাকে টানা সাত বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হয়। বর্তমানে আরও দুই শতাধিক জাত উদ্ভাবনের কাজ তার প্রক্রিয়াজাত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা ও জগন্নাথপুর উপজেলার মধ্যবর্তী কামারখালী নদীর ব্রিজের পূর্বপাড়ের সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সড়কটি এতটাই গর্ত ও ভাঙাচোরায় ভরে গেছে যে, সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনকি সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করতেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ব্রিজের পশ্চিমপাড় দিরাই উপজেলা এবং পূর্বপাড় জগন্নাথপুর উপজেলার আওতাধীন। দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির পূর্বপাড়ের বেহাল দশার কারণে প্রতিদিনই ভোগান্তির আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা।
স্থানীয়দের দাবি, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে সিএনজি ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে কামারখালী নদীর ব্রিজের পূর্বপাড়ের সড়কটি দ্রুত সংস্কার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীতে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) এর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী "মাল্টিমিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্ট চেকিং" বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ ২৬ অক্টোবর, রবিবার সকালে জেলা শহরের একটি মিলনায়তনে এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ফেনীর জেলা প্রশাসক মাহবুবউল করিম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি *সিদ্দিক আল মামুন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী পৌরসভার প্রশাসক, নুরুদ্দিন মোহাম্মদ শিবলী নোমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মাহবুবউল করিম বলেন, "বর্তমান সময়ে গুজব ও অপতথ্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সাংবাদিকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা করতে হবে। পিআইবির এই প্রশিক্ষণ তরুণ সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"
এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ফেনী জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার তরুণ সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করছেন।
কর্মশালাটি ২৬ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে। এতে মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট তৈরি, এআই টুলসের ব্যবহার, ভুল তথ্য যাচাইকরণ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসি-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ চত্বরের ফাঁকা জায়গায় নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংক পিএলসি কাউখালী উপশাখার সিনিয়র অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং ব্যাংকের সার্বিক আয়োজনে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার আবু কাওছার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহ ইমরান ফারুক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মিলন কুমার রায়, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা ও সৈয়দ ফাহিম। এছাড়া পূবালী ব্যাংক পিএলসি কাউখালী উপশাখার অফিসার সাদ্দাম হোসেন ও সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষা ও উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়াতে উপজেলার ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। এই কর্মসূচির আওতায় নারিকেল, আম, জাম, কাঁঠাল, আমলকী ও হরিতকিসহ প্রায় ৫ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহেনা আক্তার সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
আজকের এই উদ্যোগটি সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব থেকে আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করতে হলে বেশি করে গাছ লাগানোর বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে মহৎ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে পূবালী ব্যাংকের এই অংশগ্রহণ আমাদের কাউখালী উপজেলাকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে সবসময় সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।
কর্মসূচির সার্বিক বিষয়ে পূবালী ব্যাংক পিএলসি কাউখালী উপশাখার সিনিয়র অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন,
পূবালী ব্যাংক সবসময়ই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার প্রত্যয় থেকেই আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। কাউখালীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের এই কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের এই বৃক্ষরোপণ অভিযান সফল হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ