বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৩ এম
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনার কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন করেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তিনি বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের পড়াশোনা, উপস্থিতি ও বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান।
ডেপুটি স্পিকারকে কাছে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা তাঁর কাছ থেকে অটোগ্রাফ নেয় এবং প্রিয় অতিথির কাছ থেকে অটোগ্রাফ পেয়ে তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীরা তাঁর সামনে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে। পরিদর্শনের সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন ডেপুটি স্পিকার।
এ সময় তিনি নিজস্ব অর্থায়নে বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক পাখা চালানোর ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বড় আকারের সোলার প্যানেল দেওয়ার ঘোষণা দেন। তাঁর এই ঘোষণায় উপস্থিত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা করতালি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এন. এম. আবদুল্লাহ আল-মামুন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামসুজ্জামান আসিফ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম, কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সোহেল রানা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাত জাহান এবং কলমাকান্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম শাহজাহান কবীর ও প্রেসক্লাব সভাপতি শেখ শামীমসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলা পরিষদ হলরুমে আইন শৃঙ্খলা কমিটির একটি মিটিং ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এবং সভাপতিত্ব করেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা।
সভায় বক্তব্য রাখেন কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ, অফিসার ইনচার্জ এটিএম মাহমুদুল হক, মেলান্দহ বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল কবির, মেলান্দহ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও ইত্তেফাক সংবাদদাতা শাহ জামাল, সাংবাদিক আজম খান এবং উপজেলা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি-এনটিভির প্রতিনিধি সাকিব আল হাসান নাহিদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছে ৫১ জন বঞ্চিত নিয়োগ প্রত্যাশী, যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকরী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দ্বিতীয় তলায় তারা অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন।
নিয়োগ বঞ্চিতরা জানান, জামালপুর জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৩৬ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। প্রথম ধাপে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৮৪ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর ১ জন করে মোট ৮৫ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। কিন্তু আইনগত কোনো জটিলতা না থাকা সত্ত্বেও বাকী ৫১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগ বঞ্চিত রয়েছেন। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অজানা কারণে তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হচ্ছে না। তারা জানিয়েছেন, আজকের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করা না হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অবস্থান নিয়ে আমরণ অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার শরিফপাড়া গ্রামের নিয়োগ বঞ্চিত শামীম ইয়াসমীন সুমি বলেন, "আমার বাসায় কোনো কর্মক্ষম কেউ নেই। আমার বাবা বয়স্ক মানুষ, উনার ইনকাম নাই। আমার ছোট ভাইটাও বেকার। আমার ছোট বোন মেডিকেলে পড়ে। আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে। আমার মা আমার বাচ্চাকে সামলায়, আমি লেখাপড়া করি। আমার একটা চাকরি হবে, সংসারে আমার ভার নিতে হবে। কিন্তু আমরা বঞ্চিত হয়েছি। কেন বঞ্চিত হয়েছি তাও জানা নাই। আমাকে যদি এখন নিয়োগপত্র না দেয় তাহলে আমার মরা ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। কারণ আমি কোথায় যাব? আমার বয়স শেষ। আমার ছোট বাচ্চাটাকে রেখে এই যে দৌড়াদৌড়ি করতেছি চার-পাঁচটা দিন থেকে। আমার বাচ্চাটাও সব সময় মা মা করে অসুস্থ হয়ে গেছে।"
মাদারগঞ্জ উপজেলার কোয়ালিকান্দি গ্রামের মুনতাজিল বিল্লাহ জানান, "আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স-মাষ্টার্স শেষ করে পড়াশোনা করে প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ হই। দীর্ঘ আট মাস যাবত আমাদের আটকে রেখেছে। জামালপুর জেলায় ১৩৬ জনের মধ্যে মাত্র ৫১ জন নিয়োগপত্র হাতে পায়নি। এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানতে পারিনি। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত আমরা এই স্থান ত্যাগ করব।"
জামালপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের সোহেল আলম বলেন, "১৩৬ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরে ৮৪ জনকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। আমাদের ৫২ জনকে প্রদান করা হয় না। বলা হয়, দ্বিতীয় ধাপে আমাদেরকে প্রদান করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে গতকাল বিকালে একজনকে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। বাকি ৫১ জনকে বাদ রাখা হয়। আমাদের কেন বাদ রাখা হয়েছে এখনও তার সুস্পষ্ট কারণ জানি না। ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কোনো জটিলতা এবং কাগজপত্রে কোনো সমস্যা ছাড়া সাধারণত কোনো প্রার্থীকে বাদ রাখা হয় না। কিন্তু আমাদের সেসব জটিলতা না থাকার পরও বাদ রাখা হয়েছে। আজকে আমরা অনশনে বসেছি। আমরা এর একটা সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে চাই এবং নিয়োগপত্র হাতে চাই। নিয়োগপত্র ব্যতীত আমরা এখান থেকে কেউ বের হবো না। রাত হোক এবং যতক্ষণ পর্যন্ত লাগে আমরা অনশনে বসেই থাকব।"
তবে, বঞ্চিতরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অবস্থান করায় অফিসের কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এ সময় অফিসে ছিলেন না।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, "আমি ঢাকায় আছি। তাদের জন্যই কাজ করছি। তবে কার কোন ধারায় কি সমস্যা হয়েছে তা আমি এখনো জানিনা। আমি এখন বিমান মন্ত্রীর সাথে দেখা করতে এসেছি। একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে। আশা করি ভালো কিছু হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর জেলার ইসলামপুরে মুখশিমলা দালাল বাড়ী মোড়ে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ফলে পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের দালাল বাড়ি মোড় মার্কেটে আঃ সালামের মুদির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে এবং আঃ সালাম ও জাহাঙ্গীর আলমের মুদির দোকান, রাজিব মিয়ার ওষুধের দোকান, বিকাশের দোকান, নয়া মিয়ার চা ও মনোহারী দোকান এবং ইসমাইল হোসেনের পান সুপারী দোকান—এই পাঁচটি দোকান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়।
প্রতিটি দোকানে যথেষ্ট পরিমাণ মালামাল ছিল এবং বিকাশের দোকানে নগদ টাকা পুড়ে যাওয়ার কারণে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা হয়েছে। ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে ৮ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি এবং ২০ লাখ টাকার মতো মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্কাউটসের উদ্যোগে, শেরপুর জেলার রোভারের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কাউটিং বিষয়ক ৪৪৮তম ওরিয়েন্টেশন কোর্স। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তুলশীমালা ট্রেনিং কাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।
তিনি ওই সময় বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্কাউটিং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ৪৪৮তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্সের কোর্স লিডার, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহ মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইফুল ইসলাম কমলসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ এবং শেরপুর স্কাউটসের লিডার-সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ