ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলার ইতিহাসে এক সাহসী বীর সেনাপতি জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী


বাংলার ইতিহাসে এক সাহসী বীর সেনাপতি জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানী

বাংলার ইতিহাসে কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম, সাহস ও নেতৃত্বের মাধ্যমে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকেন। জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী তাঁদেরই একজন—বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি।

১৯৭১ সালে যখন বাঙালি জাতি স্বাধীনতার জন্য জীবন-মরণ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে, এম.এজি. ওসমানী মুক্তিবাহিনীর সামরিক নেতৃত্বের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর নেতৃত্বে একটি সুসংগঠিত সামরিক কাঠামো গড়ে ওঠে। ১১টি সেক্টর, সেক্টর কমান্ডার, নিয়মিত বাহিনী এবং বিভিন্ন বিশেষ বাহিনীর সমন্বয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়।

তিনি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ ও সাহসী সামরিক কর্মকর্তা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘ সামরিক জীবনের অভিজ্ঞতা তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে কাজে লাগান। মুক্তিযুদ্ধের কঠিন সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করে যুদ্ধ পরিচালনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশের বিজয়ের মধ্য দিয়ে তাঁর নেতৃত্বের সেই ঐতিহাসিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটে। স্বাধীনতার পরও তিনি দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বক্স অফিসে ‘দৃশ্যম ৩’ ঝড়

মোহনলাল নয়, অজয়কেই এগিয়ে রাখছেন মালয়ালম দর্শকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


মোহনলাল নয়, অজয়কেই এগিয়ে রাখছেন মালয়ালম দর্শকরা

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে তাণ্ডব চালাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘দৃশ্যম ৩’, যেখানে অভিনয় করেছেন অজয় দেবগন। গত শুক্রবার (০২ অক্টোবর) ছবিটি মুক্তির পর ভারতীয় প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। শুধু হিন্দিভাষী দর্শক নয়, বরং এই হিন্দি সংস্করণটি দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন মালয়ালি দর্শকরাও।

অনেকে মনে করছেন, অজয় দেবগনের হিন্দি সংস্করণটি মূল মালয়ালম সংস্করণের তুলনায় গল্প ও নির্মাণের দিক থেকে অনেক বেশি জমজমাট। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় এক মালয়ালম কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ‘দৃশ্যম ৩’ নিয়ে রিভিউ ভিডিওটি আলোচনায় এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মালয়ালি দর্শকরা হিন্দি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতি খুব একটা অনুরাগী ছিলেন না। তবে ‘দৃশ্যম ৩’-এর নির্মাণ ও ইতি টানার ধরণ তাদের ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।

ভিডিওতে তিনি বলেন, “হিন্দি ছবির টিম এত চমৎকারভাবে দৃশ্যমের সমাপ্তি টেনেছে যা সত্যি প্রশংসনীয়। আমি আগে হিন্দি সিক্যুয়েলগুলো দেখিনি এবং কিছুটা অবহেলার চোখেই দেখতাম। কিন্তু ৩ নম্বর পর্বটি দেখার পর আমি হাততালি দিতে বাধ্য হয়েছি। মূল মালয়ালম সংস্করণের পরিচালক জিতু জোসেফের কোনো সাহায্য ছাড়াই হিন্দি নির্মাতারা সম্পূর্ণ নতুন করে এর চমৎকার চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন।”

অনলাইনে ওই ভিডিওর কমেন্ট বক্সেও মালয়ালি দর্শকদের কাছ থেকে একই ধরণের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। সেখানে অনেক দর্শক মন্তব্য করেছেন যে, মোহনলালের নিজস্ব ‘দৃশ্যম ৩’ সংস্করণের চেয়ে অজয়ের ছবিটি তাদের কাছে শতগুণ ভালো লেগেছে। একজন লিখেছেন, “মালয়ালম সংস্করণটিকে নাটকের মতো মনে হচ্ছিল, সে জায়গায় হিন্দি ছবিটির নির্মাণ দারুণ।”

তবে মোহনলালের ভক্তরাও চুপ থাকেননি; তাদের দাবি, গল্পের টুইস্ট যাই হোক না কেন, অভিনয়ে মোহনলালকে ছাড়িয়ে যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, বলিউডের ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম দুটি অংশ মালয়ালম ছবির সরাসরি রিমেক হলেও এই তৃতীয় পর্বটি একেবারেই ব্যতিক্রম।

হিন্দি সংস্করণগুলোর পরিচালক অভিষেক পাঠক ও অভিনেতা অজয় দেবগন মূল গল্প থেকে বেরিয়ে নিজস্ব ও সম্পূর্ণ নতুন একটি চিত্রনাট্য দিয়ে ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজি শেষ করার পরিকল্পনা করেন। বিষয়টি নিয়ে তারা আগেই মূল অভিনেতা মোহনলালের সম্মতিও নিয়েছিলেন।

এদিকে মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ইতিহাস গড়েছে অজয়ের ‘দৃশ্যম ৩’। ট্রেড অ্যানালিস্টদের মতে, ভারতে প্রথম দিনেই প্রায় ৬৬.৭৫ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে সিনেমাটি এবং বিশ্বব্যাপী এর সংগ্রহ ছাড়িয়েছে ৯৫ কোটি রুপির ঘর। আর এর মাধ্যমেই অজয় দেবগনের দীর্ঘ অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় ওপেনিংয়ের রেকর্ড গড়ে ‘দৃশ্যম ৩’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫৫০ বছরের পুরোনো ‘হোলে সি আর্চ’ ধসে পড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


৫৫০ বছরের পুরোনো ‘হোলে সি আর্চ’ ধসে পড়েছে

প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে প্রায় ৫৫০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকা হাওয়াইয়ের বিখ্যাত প্রাকৃতিক খিলান ‘হোলে সি আর্চ’ অবশেষে ধসে পড়েছে। এই প্রাকৃতিক স্থাপনা, যা আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে তৈরি হয়ে প্রায় ৯০ ফুট উঁচু ছিল, সমুদ্রের ঢেউ এবং দীর্ঘদিনের ক্ষয়ের কারণে ভেঙে সাগরে বিলীন হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিস জানিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খিলানটি অক্ষত ছিল। তবে ২৭ সেপ্টেম্বর রাতের মধ্যে সেটি ধসে পড়ে।

হাওয়াই দ্বীপের হাওয়াই ভলকানোস ন্যাশনাল পার্কের চেইন অব ক্রেটার্স রোডের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় স্থান ছিল। বহু বছর ধরে দর্শনার্থীরা এখানে ভিড় করতেন, এবং খিলানটির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা ছিল তাদের অন্যতম আকর্ষণ।

ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর ট্রপিক্যাল স্টর্ম নোলোর প্রভাবে পার্কের বিভিন্ন এলাকা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পার্কের বেশিরভাগ অংশ খুলে দেওয়া হয়। তখনই জানা যায়, দীর্ঘদিনের পরিচিত হোলে সি আর্চ আর নেই। তবে এটি ঠিক কখন ধসে পড়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

প্রায় ৫৫০ বছর আগে আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে তৈরি পাথরের স্তরে প্রাকৃতিক ক্ষয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খিলানটির সৃষ্টি হয়েছিল। নরম ও শক্ত পাথরের অংশ সমানভাবে ক্ষয় না হওয়ায় সমুদ্রের ঢেউ ধীরে ধীরে পাথর কেটে খিলানের আকৃতি তৈরি করে। ভূতত্ত্বে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘ডিফারেনশিয়াল ইরোশন’। বছরের পর বছর ঢেউ, বাতাস ও আবহাওয়ার প্রভাবে কাঠামোটি দুর্বল হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট অংশটুকুও ভেঙে সমুদ্রে পড়ে যায়।

খিলানটির ভেঙে পড়ার আশঙ্কা বহু বছর ধরেই ছিল। ২০১৮ সালে কিলাউয়া আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত ও সংশ্লিষ্ট ভূমিকম্পের ফলে আশপাশের পাথুরে এলাকায় ফাটল সৃষ্টি হয় এবং উপকূলের অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নতুন করে ফাটল ও অস্থিতিশীলতা দেখা দিলে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পুরোনো পর্যবেক্ষণ এলাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই বছরের মার্চে খিলান থেকে দূরে একটি নিরাপদ পর্যবেক্ষণ এলাকা তৈরি করা হয়।

২০২০ সালের পর ট্রপিক্যাল স্টর্ম ডার্বির সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে খিলানটির নিচের অংশ থেকে বড় একটি পাথরের খণ্ড ভেঙে পড়ে। তখনই কাঠামোটির দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ২০২১ সালে ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসও সতর্ক করেছিল, প্রাকৃতিক ক্ষয়ের কারণে একদিন খিলানটি ধসে পড়তে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নিল।

‘হোলে সি আর্চ’ নামটির পেছনেও রয়েছে স্থানীয় প্রকৃতির ইতিহাস। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ‘হোলে’ স্থানীয় একটি উদ্ভিদের নাম, যার বৈজ্ঞানিক পরিচয় ওক্রোসিয়া। সেই উদ্ভিদের নাম থেকেই খিলানটির নামকরণ করা হয়েছিল। অন্যদিকে, সমুদ্রের ঢেউয়ে লাভার পাথর ক্ষয় হয়ে খিলানের মতো আকৃতি তৈরি হওয়ায় এর নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ‘সি আর্চ’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রের খিলান দেখতে শক্ত ও স্থায়ী মনে হলেও এগুলো প্রকৃতপক্ষে ক্ষয়শীল ভূপ্রাকৃতিক কাঠামো। সময়ের সঙ্গে খিলান ভেঙে পাথরের স্তূপ বা বিচ্ছিন্ন সমুদ্র-স্তম্ভ তৈরি হতে পারে। একই উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক ক্ষয়প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নতুন খিলানও সৃষ্টি হতে পারে।

হোলে সি আর্চ ধসে পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই জায়গাটির পুরোনো ছবি ও স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের কাছে পরিচিত এই প্রাকৃতিক দৃশ্য এখন ইতিহাসের অংশ। প্রায় সাড়ে পাঁচ শতাব্দী ধরে প্রকৃতির নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকা খিলানটির পতন আবারও মনে করিয়ে দিল প্রকৃতির সৌন্দর্য চিরস্থায়ী নয়; অবিরাম ক্ষয়ের কাছে একসময় হার মানতে হয় পাথরের তৈরি বিস্ময়কেও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেল ও ডিজেলের দাম এত বাড়ছে কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


তেল ও ডিজেলের দাম এত বাড়ছে কেন?

বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহের অভাবের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৭ভুক্ত দেশগুলো।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন (৩ দশমিক ৭৯ লিটার) ডিজেলের গড় দাম ৬ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে। এক মাস আগে এই দাম ছিল ৫ দশমিক ৬১ ডলার।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) তেল শিল্প ও বাজারবিষয়ক বিভাগের সাবেক প্রধান নিল অ্যাটকিনসনের মতে, বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে।

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে ডিজেল সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর আগে ইউরোপ সৌদি আরব ও কুয়েত থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল আমদানি করত।

দ্বিতীয়ত, রাশিয়া বর্তমানে ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটির ডিজেল রপ্তানি কমে গেছে বলে জানান অ্যাটকিনসন।

তৃতীয়ত, চীনও ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহের ঘাটতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, সরবরাহ কমলেও ডিজেলের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য কাটার মৌসুম চলমান থাকায় এই চাহিদা কিছুদিন বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছেন অ্যাটকিনসন।

সরবরাহের অভাব এবং চাহিদার উচ্চতা এই চাপই বর্তমানে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

এই সংবর্ধনা শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান, বিজিবিএমএস, সিপিএমএস, এনডিইউ, পিএসসি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম, এমফিল, শ্রীউন্নতি, এইচএসসি।

অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাঁদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমের দুইজন এবং ইংরেজি ভার্সনের দুইজন কৃতী শিক্ষার্থী তাঁদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, "ভালো ফলাফল শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শিক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়।" অর্জিত সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা, সততা, পরিশ্রম ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান।

কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "জিপিএ-৫ অর্জন একটি মাইলফলক। তবে জীবনের প্রকৃত সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ।"

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা, নৃত্যসহ বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। বিশেষ আকর্ষণ ছিল লালনগীতি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসব পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আনন্দিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%