ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী


সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসাথে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

আজ শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সাথে চার ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ বিষয়টি জানান।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচদিনের ছুটিতে বাড়ির দিকে ছুটছে মানুষ

তিনি জানান, মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু জায়গায় সমস্যা রয়েছে। তবে আমরা যদি একসাথে কাজ করি, তাহলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির বর্তমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই স্বীকার করছি যে, অনেক সমস্যা আছে। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েক দফা বৈঠক করেছি। প্রথমে আপনাদের সাথে বসেছি, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। সেক্টরভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।’

আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন, সেগুলোর একাংশের সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন কিছু সমস্যার কথা উঠে এসেছে, সেগুলো নিয়েও সরকার কাজ করবে।

আরও পড়ুন: পদ্মায় মা ইলিশ শিকারের অভিযোগে ৩ জেলের কারাদণ্ড

তিনি জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।

তাঁর কথায়, ‘আমরা যত বেশি বসতে পারব, তত বেশি আপনাদের সমস্যা জানতে এবং সমাধান করতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে খোলামেলা আলোচনা হলে কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়। এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উদ্যোক্তাগণ সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় জানানো হয়, আগের বৈঠকে আলোচিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বাকি সাতটি বিষয় এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সময় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখাও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়। সরকার রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেয়।

আরও পড়ুন: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী: সুবিধাবাদী গোষ্ঠী রাজনৈতিক স্বার্থে বিভক্তির চেষ্টা করছে

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিল্প গোষ্ঠীর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি-ইসরায়েলের ভিন্ন বার্তায় অস্বস্তি, পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাম্পের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


সৌদি-ইসরায়েলের ভিন্ন বার্তায় অস্বস্তি, পরিস্থিতি সামলাতে ট্রাম্পের চেষ্টা

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভিন্ন ধরণের বার্তা প্রদান করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ, সৌদি আরব এবং ইসরায়েল। একদিকে সৌদি আরব যুদ্ধের পরিস্থিতি শমন করা এবং সংঘাত কমানোর আহ্বান জানাচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে চাপ বৃদ্ধি ও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ চালু করার বিষয়টি আলোচনার জন্য টেবিলে তুলে ধরেছে।

গত বুধবার সকালে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হোয়াইট হাউসে আকস্মিকভাবে সফর করেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বার্তা নিয়ে আসেন তিনি।

সূত্র বলছে, বৈঠকে সৌদি আরবের বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ টানাহিঁচড়া বন্ধ করে দ্রুতই উত্তেজনা কমানোর মাধ্যমে শেষ হওয়া উচিত। যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হলে এর ফলে প্রাণহানির পাশাপাশি পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বড় ঝুঁকিতে পড়বে।

এর একদিন আগে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওভাল অফিসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, নেতানিয়াহু ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে ইরানের ওপর আরো চাপ প্রয়োগ এবং প্রয়োজন হলে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ ফের শুরুর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা হয়।

দুই বৈঠক পূর্বনির্ধারিতভাবে একই সময়ে না হলেও, ট্রাম্পের সামনে উঠে আসা জটিল কূটনৈতিক বাস্তবতাকে উন্মুক্ত করে দেয়।

যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার থাকলেও, সংঘাত এখন আরও বিস্তৃত হয়ে উঠছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সকল দেশ এতে কোনও না কোনওভাবে জড়িয়ে পড়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা এখন অত্যন্ত ক্ষীণ।

যদিও ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধ বন্ধে চুক্তির জন্য ‘অনুরোধ করছে’। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের অভ্যন্তরে শঙ্কা রয়েছে যে, তেহরান বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কৌশলগত চাপ হিসেবে ব্যবহার করছে এবং মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নীতি থেকে সরে আসার কোন তোলে।

সূত্রের দাবি, ইরানের অনমনীয় অবস্থান ট্রাম্পকে ব্যক্তিগতভাবে বিরক্ত করেছে। তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং মিত্র দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গেও উত্তপ্ত আলাপ করেছেন।

স্থানীয় সময় শুক্রবার, ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্প মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য সংকট সমাধানে নতুন কৌশল নির্ধারণের জন্যেই এই বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে।

যুদ্ধ শেষ করার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা শুধু জিততে চাই। তারা দুর্বল হবে, হয়তো কিছুটা শক্তিশালী হবে, তারপর আবার দুর্বল হবে এবং শেষ পর্যন্ত থেমে যাবে।’

এদিকে ইরানের হুমকির কারণে ট্রাম্পের সফরসূচিও পরিবর্তন করতে হয়েছে। চলতি মাসে তুরস্ক সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় নিরাপত্তার কারণে তার ব্যবহৃত ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজ পরিবর্তন করা হয়।

অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের অনেক নেতা উদ্বিগ্ন যে, ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাবনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক এক সিএনএন জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ২৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক।

চলমান সংকটের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর চাপের মুখে রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বর্তমান পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে একটি স্বল্পমেয়াদি সমঝোতার চেষ্টা চলছে, যাতে প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব হয়।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের জন্য এক থেকে দুই সপ্তাহ ব্যাপী বিমান হামলার পরিকল্পনা ট্রাম্পের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সতর্ক করে বলেছেন, ‘শুধু বিমান হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।’

এদিকে রিপাবলিকান নেতা জ্বালানির দাম বৃদ্ধির রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন সিএনএনকে বলেন, ‘এ বিষয়ে সমাধানে ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।’

হোয়াইট হাউসের দাবি, ইরান সমঝোতা ভঙ্গ করেছে এবং মার্কিন সেনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে। অর্থবহ আলোচনায় না আসা পর্যন্ত তেহরানকে এর মূল্য দিতে হবে।

অন্যদিকে কাতার, পাকিস্তানসহ মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনা চালানোর চেষ্টা করলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এখন মূল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যেটা সংঘাত দীর্ঘায়িত করতে পারে। তবে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এখনো কূটনৈতিক সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেলের সম্পত্তি নতুন করে আর লিজ দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


রেলের সম্পত্তি নতুন করে আর লিজ দেওয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী

রেলের সম্পত্তি নতুন করে আর লিজ দেওয়া হবে না, জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শনিবার চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেওয়া হবে না। যেসব লিজ বর্তমানে রয়েছে, সেগুলোকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যেসময় আইনি বাধা থাকবে না, তখন লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনর্গঠন করা হবে। রেলের অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

চট্টগ্রামে রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেসব স্থাপনাগুলো ভাড়া দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি একটি বক্তব্য দেন। বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহি রয়েছে। তাই যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ জানান, বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। কিন্তু এরপরও যদি কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কমে আসবে। এছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সবুক্তগীনসহ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অক্টোবরের মধ্যেই যোগ দেবেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক: মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


অক্টোবরের মধ্যেই যোগ দেবেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষক: মন্ত্রণালয়

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের যোগদান আগামী অক্টোবর মাসে শুরু হতে চলেছে। শনিবার (১ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগ বিষয়ক একটি জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, ‘প্রাথমিকের জন্য সুপারিশ করা ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের যোগদানের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে কাজে লাগানো হচ্ছে। তবে তদন্ত এবং প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে যে, আগামী ২৯শে অক্টোবরে তাদের যোগদান হবে।’

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক ২৯ অক্টোবর যোগদান করলে, তাদের পদায়নের পর পেশাগত প্রশিক্ষণ পরিচালিত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মধ্যস্থতা বিরোধ নিষ্পত্তির একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি, যা বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও মানসিক ভোগান্তি কমিয়ে প্রদান করতে পারে দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচার। কার্যকর মধ্যস্থতার মাধ্যমে দেশের আদালতে বিচারাধীন প্রায় ৪৫ লাখ মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টেন্টালে ‘ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধির লক্ষ্যে মধ্যস্থতা এবং দেওয়ানি মামলা পরিচালনা পদ্ধতির উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘আইন পেশাজীবীদের জন্য মৌলিক মধ্যস্থতা প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ সম্পর্কে আলোচনা করেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো দেশের দরিদ্র, প্রান্তিক, সুবিধাবঞ্চিত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার মানুষের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সরকার এই সমস্ত মানুষের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আইনগত জ্ঞানই নয়, মানবিকতা, প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং আস্থাভিত্তিক সমাধান তৈরির সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী অংশগ্রহণকারীদের জাপানের একটি সুপরিচিত গ্রন্থ ‘জাস্টিস উইথ এ স্মাইল’ পড়ার জন্য আহ্বান জানান এবং নিশ্চিত করেন যে, এ ধরনের সাহিত্য মধ্যস্থতাকারীদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, অনেক সময় একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে বিরোধের পক্ষগুলোর আইনজীবীরা সমঝোতায় যেতে অনাগ্রহী থাকেন। তবে বাস্তবতা এই যে, দেশে ও বিদেশে অসংখ্য সফল মধ্যস্থতা ও সালিশের পেছনে আইনজীবীদেরদেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে আইন পেশায় আলোচনা ভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে উঠছে, যা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, মধ্যস্থতা উভয়পক্ষের জন্যই লাভজনক একটি পদ্ধতি। অন্যদিকে, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় বছরের পর বছর সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করা হয়, ফলে মানুষ মানসিক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়। তাই হত্যা বা অন্যান্য গুরুতর আমলযোগ্য অপরাধ ছাড়া অধিকাংশ বিরোধ আলোচনা মাধ্যমে নিষ্পত্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

মো. আসাদুজ্জামান জানান, এ প্রকল্পের আওতায় সর্বোত্তম কর্মদক্ষতা প্রদর্শনকারী একজন নারী ও একজন পুরুষ মধ্যস্থতাকারীকে জাপানে উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। এই উদ্যোগ মধ্যস্থতাকারীদের আরও দক্ষ, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জাপান সরকার, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং জাপানের কেইও ইউনিভার্সিটি ল স্কুলের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট আইনজীবী মিস মাসাকো মিয়াতাকেসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি ঢাকা-নারিতা রুটে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

এ প্রকল্প আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. খাদেমউল কায়েসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি মিস জুনকো তাকাহাশি, জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের (আইসিডি) উপমহাপরিচালক মি. কাজুনোরি নোসে এবং বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মনজুরুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এবং জেলা জজ আদালতে কর্মরত আইনজীবীসহ মোট ৪০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে মধ্যস্থতা পদ্ধতির মৌলিক ধারণা, কার্যকর যোগাযোগ কৌশল, সমঝোতা পরিচালনার দক্ষতা, ব্যবহারিক অনুশীলন এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণের মূল প্রশিক্ষক ছিলেন জাপানের খ্যাতনামা কেইও ইউনিভার্সিটি ল স্কুলের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট আইনজীবী মিস মাসাকো মিয়াতাকে। তিনি মধ্যস্থতা বিষয়ে জাপানের অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চা এবং ব্যবহারিক কৌশল তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাইকার যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে মধ্যস্থতা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং বিচারপ্রার্থীদের জন্য সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%