০১:৫২ পি.এম
অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় হেবরন শহর থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা টানা ১০ দিনের অবরোধ ও ধ্বংসযজ্ঞের পর ঘটেছে। সোমবার গভর্নর খালেদ দুদিন জানান, ইসরাইলি সেনা চলে যাওয়ার পর ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী সংশ্লিষ্ট এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছে।
গভর্নর উল্লেখ করেছেন, যেসব পরিবারকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল, তারা এখন সেখানে ফিরে যেতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, "বাসিন্দারা যাতে নিরাপদে বাড়িঘরে ফিরতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।"
গত ২৩ অক্টোবর, দুই ফিলিস্তিনির চালানো বন্দুক হামলায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত এবং তিনজন আহত হওয়ার পর ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হেবরন শহরে অবরোধ আরোপ করে। পরে ওই হামলাকারীদের হত্যা করে ইসরাইলি বাহিনী।
আরও পড়ুন: নবনির্বাচিত সেনেটর এল-সায়েদ মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত চান
১০ দিনের সামরিক অভিযানে হেবরন শহর ও আশপাশের গ্রামগুলোতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ইসরাইলি সেনারা কয়েকটি এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর দখল করে সেগুলোকে সামরিক চৌকিতে পরিণত করে।
এ সময় জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি, বাড়িঘর, অন্যান্য স্থাপনা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দেয় দখলদার বাহিনী।
হেবরন গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৩ হাজার ৩০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অথবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিশেষ করে আল-জালদা ও আইন দেইর বাহা এলাকায় এর প্রভাব পড়েছে। এছাড়া ১৫টি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গভর্নরেট আরও জানিয়েছে, ইসরাইলি অভিযানের কারণে স্থানীয় অর্থনীতি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষাকার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ককরোচ পার্টির নতুন বিক্ষোভের ডাক ৭ নভেম্বর কোচিতে
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন