ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

কুয়েটে শুরু দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল জব ফেয়ার ‘জবস্পেকস ২০২৬’


কুয়েটে শুরু দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল জব ফেয়ার ‘জবস্পেকস ২০২৬’

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি দিনের জন্য ন্যাশনাল জব ফেয়ার ‘জবস্পেকস ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হওয়া শুরু হয়েছে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) এই মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

কুয়েটের প্রফেশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্লাব স্পেকট্রাম এই চাকরি মেলা ১ ও ২ আগস্ট আয়োজন করেছে। স্পেকট্রাম হলো খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শিক্ষার্থীদের দ্বারা গঠিত একটি জনপ্রিয় সংগঠন যা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, ক্যারিয়ার গঠন এবং করপোরেট দুনিয়ার সঙ্গে পরিচয় করানোর লক্ষ্যে কাজ করে।

আরও পড়ুন: দাঁড়িপাল্লার বিজয়ে তৎপর জামায়াতসহ ১১ দল

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেছেন।

শিক্ষার্থীদের, নবীন স্নাতকদের এবং নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। চাকরি মেলা ২০টি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য মেলায় স্ট্যাবল চাকরি, শিক্ষানবিশের সুযোগ, পেশাগত যোগাযোগের সুযোগ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে জানার সুযোগ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি প্রত্যাশীরা জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩টি সহযোগী ক্লাব এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. মো. হাসান আলী, স্পেকট্রাম-এর মডারেটর এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শরিফুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞান ছাড়াও পেশাগত দক্ষতা, শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচিতি এবং বাস্তব কর্মপরিবেশ সম্পর্কে ধারণা অর্জনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড

এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থী এবং নবীন স্নাতকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দক্ষ এবং সম্ভাবনাময় জনবল খুঁজে পাওয়ার একটি কার্যকর প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে সহায়তা করবে।

আয়োজকরা জানালেন, ‘জবস্পেকস ২০২৬’ কেবল একটি চাকরি মেলা নয় বরং এটি শিক্ষার্থী, নবীন স্নাতক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি সেতুবন্ধন। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সম্ভাব্য নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। যা তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দুই দিনব্যাপী এই ন্যাশনাল জব ফেয়ারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নবীন স্নাতক এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আয়োজকেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আরও পড়ুন: এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, দুর্বৃত্তদের হামলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের নতুন মাস্টারপ্লানের খসড়ায় ৬০ দিনের জনমত আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


চট্টগ্রামের নতুন মাস্টারপ্লানের খসড়ায় ৬০ দিনের জনমত আহ্বান

 চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন মাস্টারপ্লানের খসড়া প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

এই খসড়া পরিকল্পনার ওপর আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ দিন জনমত, আপত্তি, সুপারিশ ও সংশোধনী প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।

আজ শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলাৎ হোসেন জানান, পূর্ববর্তী মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা, সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত নগরায়নের নানা চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে নতুন খসড়া মাস্টারপ্লান প্রণয়ন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্প পরিচালক মো. আবু মুছা আনছারী পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সিডিএ’র বোর্ড সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিডিএ জানায়, নতুন মহাপরিকল্পনায় ভূমি ব্যবহার, সড়ক যোগাযোগ, পরিবহন ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, পাহাড়, নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয় রক্ষা এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম নগরের সীমানার বাইরেও আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ডসহ আশপাশের বিস্তৃত এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এসব এলাকায় ভবিষ্যতে যে কোনো সংস্থা উন্নয়ন প্রকল্প বা ভবনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদিত মাস্টারপ্লানের নির্দেশনা অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম মহানগরের জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত চাপ কমাতে আশপাশের উপজেলাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাবও খসড়া পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সিডিএ জানায়, আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাগরিকেরা সিডিএ ভবনের চতুর্থ তলার হলরুমে গিয়ে খসড়া পরিকল্পনা, প্রস্তাবনা ও সংশ্লিষ্ট মানচিত্র পরিদর্শন করতে পারবেন। একই সঙ্গে সরাসরি সিডিএতে অথবা সিডিএ ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মতামত, আপত্তি ও সুপারিশ জমা দেওয়া যাবে।

সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, এটি সিডিএর চতুর্থ এবং ২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা। চট্টগ্রামের মানুষ কেমন নগর চান, কোথায় কী সমস্যা রয়েছে এবং ভবিষ্যতের চট্টগ্রাম কেমন হওয়া উচিত- এসব বিষয়ে নাগরিকদের মতামতের ভিত্তিতেই খসড়া পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি আরো বলেন, অতীতে নিয়ম ও পরিকল্পনার ব্যত্যয়ের কারণে কাঙ্খিত ও পরিকল্পিত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। তাই একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা অব্যাহত রাখার আহ্বান মাহমুদা মিতুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা অব্যাহত রাখার আহ্বান মাহমুদা মিতুর

জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে জানিয়েছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. মাহমুদা মিতু।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, বিএনপি বারবার আমাদের উদ্দেশ্যে বলে- জুলাই নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। তারা এসব বলছে অপমান করার জন্য। এগুলো বলে হাদিকে কিন্তু নিউজ ফিড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোদিবিরোধী আন্দোলনে ১৯ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। তাদের নিয়েও আপনাদের ব্যবসা করতে হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের এই এমপি বলেন, জুলাইয়ের কথা এনসিপি ছাড়া আর কে বলে? ১১ দলীয় জোট বলে। কিন্তু সরকারি দল কতক্ষণ বলে? বরং তারা দমায়ে রাখে, যাতে ওরা না বলে। এসব অপমান গায়ে মাখবেন না।

মাহমুদা মিতু দাবি করেন, জুলাইয়ের ব্যবসা করবেন। বিএনপি যদি জিয়া ব্যবসা করতে পারে, তাহলে জুলাই ব্যবসা করতে অসুবিধা কী? আপনারা যেটাকে ব্যবসা বলেন, এটা স্নেহ, মায়া, মমতা, এটি দরদ। এই দরদ আমরা বাঁচিয়ে রাখবো।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যেই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আপনারা আজকে সরকার গঠন করেছেন, তাদের মায়েরা তো আপনাদের কথা বলে না। তারা সংস্কারের কথা বলে, সংবিধান সংস্কারের কথা বলে, পুলিশ কমিশন, গুম কমিশন গঠনের কথা বলে। আপনাদের সাথে আমাদের লড়াই শহীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লড়াই। ভালো রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার লড়াই। হাজার বেকার তরুণ ভাইয়ের হাতে চাকরি তুলে দেওয়ার লড়াই। আপনাদের সাথে আমাদের লড়াই নারীর সম্মানের লড়াই। আমরা পুলিশ সংস্কার চেয়েছি। এই পরিবর্তনগুলোই আমরা আনতে চাই। আমরা জনগণের কথা বলতে চাই।

মাহমুদা মিতু বলেন, আপনারা একটা লাঠি দিয়ে বারি দেবেন, একটা চোখ অন্ধ করে ফেলবেন; এগুলোর ভয় করি আমরা? আপনাদের মনে হয়, এই ছেঁচড়া গুন্ডা লেলিয়ে দিয়ে, ওই জিয়া সাইবার ফোর্সের গুন্ডাগুলা লেলিয়ে দিয়ে, নোংরা নোংরা ছবি এডিট করে, নোংরা কমেন্ট করে আমাদেরকে দামিয়ে রাখবেন। আমরা এসব পরোয়া করি না।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ।

আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় নারী শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার খালেদা আক্তার, জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক মো. মুজিব, জাতীয় ছাত্র শক্তির জেলার আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিমুল চৌধুরী প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দিল ইসলামী আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


৫ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দিল ইসলামী আন্দোলন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী ৫ আগস্ট ঢাকার পল্টন মোড়ে সমাবেশ ও গণমিছিল করবে। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন দলের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা নেতাদের যৌথসভা থেকে এ ঘোষণা এসেছে।

সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে একমাত্র চরমোনাই পীর সরাসরি মাঠে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দলের অস্তিত্বকে বাজি রেখে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

আসন্ন ৫ আগস্টে জুলাইয়ের অবিনশ্বর শক্তির পুনঃপ্রদর্শন করার পরিকল্পনা রয়েছে। জুলাইয়ের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন দাবিতে সেদিন ঢাকার রাজপথ জনতার স্লোগানে মুখরিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

যৌথসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ আগস্ট বুধবার বেলা ১১টায় পল্টন মোড়ে সমাবেশ শুরু হবে এবং জোহরের নামাজের আগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মাওলানা কে এম শরীয়াতুল্লাহ। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন দলটির নগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি জিএম রুহুল আমীন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তাফা, আলহাজ আব্দুল আউয়াল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়মের তোয়াক্কা না করে হলে শিক্ষার্থী তুলছে কুবি ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুবি প্রতিনিধি

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


নিয়মের তোয়াক্কা না করে হলে শিক্ষার্থী তুলছে কুবি ছাত্রদল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থী তোলার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, হল প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই বিজয়-২৪ হলে সংগঠনটির দুই গ্রুপের অন্তত ২৪ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও হল প্রভোস্ট জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানোর আগে তাকে অবহিত করা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়,, ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মেধা সিনিয়র-জুনিয়র, দূরত্ব ও আর্থিক অবস্থাসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম করা হয়। কিন্তু এসব নিয়ম অনুসরণ না করে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী) নিজেদের অনুসারী শিক্ষার্থীদের হলে তোলার উদ্যোগ নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিজয়-২৪ হলের ১০১ ও ১০৮ নম্বর কক্ষে ১২ জন করে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয়েছে। তারা সবাই ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্রথম দফায় ১০৮ নম্বর কক্ষে শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করেন ছাত্রদল কর্মী তুহিব মাহমুদ, যিনি সদস্য সচিব আবুল বাশারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পরে দ্বিতীয় দফায় ১০১ নম্বর কক্ষে আরও ১২ জন শিক্ষার্থীকে থাকার ব্যবস্থা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী)।

দুই কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা হল প্রশাসনের মাধ্যমে নয়, বরং ছাত্রদলের সিনিয়র নেতাদের সহযোগিতায় হলে উঠেছেন। ১০৮ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, তুহিব মাহমুদের মাধ্যমে তারা হলে ওঠেন। অন্যদিকে ১০১ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী)।

তবে কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, হলে ওঠার আগে তারা হলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। যদিও এ দাবি নাকচ করে তিনি বলেন, "আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।"

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী তুহিব মাহমুদ বলেন, "আমার নামে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই অসহায় শিক্ষার্থীদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যায় ছিল। তাদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে প্রভোস্টের সহযোগিতায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী) বলেন, "এখানে আহামরি কিছু হয়নি। ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অনেক আগে ভাইভা দিয়েছে। তারা আবাসনের সমস্যার কথা জানালে বিষয়টি প্রভোস্ট স্যারকে জানাই। তিনি বলেন, ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপরে উঠলে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া সহজ হবে।"

তিনি আরও বলেন, "এরপর ১০১ নম্বর কক্ষে থাকা ১৮ ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীকে তাদের বন্ধুদের কক্ষে ডাবলিং করে থাকতে বলি। আমি কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে হলে তুলিনি। পরে পুরো বিষয়টি প্রভোস্টকে জানিয়েছি।"

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, "আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হলে উঠাইনি। যতটুকু জানি, ১০৮ নম্বর কক্ষে যে শিক্ষার্থীরা উঠেছে, তারা হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই উঠেছে। প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আবাসনের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে। আমি শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় করেছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেটির কোনো সত্যতা নেই। আমরা কাউকে অবৈধভাবে হলে তুলি না। অনেক শিক্ষার্থী পারিবারিক ও আর্থিক সংকটের কারণে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করি।"

গণরুম সংস্কৃতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "গণরুম বা গেস্টরুম সংস্কৃতি চালুর কোনো সুযোগ নেই। আমরা এ ধরনের সংস্কৃতির পক্ষে নই। বর্তমানে আবাসন সংকট রয়েছে। প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা উচিত।"

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, "মাত্রই বিষয়টি জানতে পেরেছি। হলে যে-ই উঠুক, তাকে নিয়ম মেনেই উঠতে হবে। সে আমার দলের কর্মী হোক বা অন্য কেউ, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।"

বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট মাহমুদুল হাসান খান বলেন, "দুই কক্ষে দুই গ্রুপের ২৪ জন শিক্ষার্থী উঠেছে। ১০৮ নম্বর কক্ষে বাশারের গ্রুপ এবং ১০১ নম্বর কক্ষে রিফাতের গ্রুপের শিক্ষার্থীরা উঠেছে। তারা কেউই হলে ওঠার আগে আমাকে জানায়নি। ওঠানোর পরে আমার সঙ্গে সমন্বয় করেছে। আমি তাদের কোনো তালিকা দিইনি।"

তিনি আরও বলেন, "আমি কিছুদিন পরেই হলের আবাসিকতার তালিকা প্রকাশ করতাম। জুনিয়র শিক্ষার্থীরা কথা না শোনায় কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থীকে বলেছিলাম, ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপরে উঠলে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া সহজ হবে। তবে আমাকে আগে না জানিয়েই শিক্ষার্থীদের হলে তোলা হয়েছে।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করিম বলেন, "আমি এ বিষয়ে অবগত নই। হলের প্রভোস্টও আমাকে বিষয়টি জানাননি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%