ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা অব্যাহত রাখার আহ্বান মাহমুদা মিতুর


জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা অব্যাহত রাখার আহ্বান মাহমুদা মিতুর

জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে জানিয়েছেন জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. মাহমুদা মিতু।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, বিএনপি বারবার আমাদের উদ্দেশ্যে বলে- জুলাই নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না। তারা এসব বলছে অপমান করার জন্য। এগুলো বলে হাদিকে কিন্তু নিউজ ফিড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চসিক মেয়র শারদ সম্মাননায় সেরা ৫ পূজামণ্ডপের নাম ঘোষণা

তিনি আরও বলেন, জুলাই ব্যবসা ও হাদি ব্যবসা চালু রাখতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোদিবিরোধী আন্দোলনে ১৯ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। তাদের নিয়েও আপনাদের ব্যবসা করতে হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের এই এমপি বলেন, জুলাইয়ের কথা এনসিপি ছাড়া আর কে বলে? ১১ দলীয় জোট বলে। কিন্তু সরকারি দল কতক্ষণ বলে? বরং তারা দমায়ে রাখে, যাতে ওরা না বলে। এসব অপমান গায়ে মাখবেন না।

মাহমুদা মিতু দাবি করেন, জুলাইয়ের ব্যবসা করবেন। বিএনপি যদি জিয়া ব্যবসা করতে পারে, তাহলে জুলাই ব্যবসা করতে অসুবিধা কী? আপনারা যেটাকে ব্যবসা বলেন, এটা স্নেহ, মায়া, মমতা, এটি দরদ। এই দরদ আমরা বাঁচিয়ে রাখবো।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, যেই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আপনারা আজকে সরকার গঠন করেছেন, তাদের মায়েরা তো আপনাদের কথা বলে না। তারা সংস্কারের কথা বলে, সংবিধান সংস্কারের কথা বলে, পুলিশ কমিশন, গুম কমিশন গঠনের কথা বলে। আপনাদের সাথে আমাদের লড়াই শহীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লড়াই। ভালো রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার লড়াই। হাজার বেকার তরুণ ভাইয়ের হাতে চাকরি তুলে দেওয়ার লড়াই। আপনাদের সাথে আমাদের লড়াই নারীর সম্মানের লড়াই। আমরা পুলিশ সংস্কার চেয়েছি। এই পরিবর্তনগুলোই আমরা আনতে চাই। আমরা জনগণের কথা বলতে চাই।

আরও পড়ুন: প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

মাহমুদা মিতু বলেন, আপনারা একটা লাঠি দিয়ে বারি দেবেন, একটা চোখ অন্ধ করে ফেলবেন; এগুলোর ভয় করি আমরা? আপনাদের মনে হয়, এই ছেঁচড়া গুন্ডা লেলিয়ে দিয়ে, ওই জিয়া সাইবার ফোর্সের গুন্ডাগুলা লেলিয়ে দিয়ে, নোংরা নোংরা ছবি এডিট করে, নোংরা কমেন্ট করে আমাদেরকে দামিয়ে রাখবেন। আমরা এসব পরোয়া করি না।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ।

আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় নারী শক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার খালেদা আক্তার, জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক মো. মুজিব, জাতীয় ছাত্র শক্তির জেলার আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিমুল চৌধুরী প্রমুখ।

আরও পড়ুন: মাটিরাঙ্গায় ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার, ২০ লাখ টাকার লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দিল ইসলামী আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


৫ আগস্ট ঢাকায় সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দিল ইসলামী আন্দোলন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী ৫ আগস্ট ঢাকার পল্টন মোড়ে সমাবেশ ও গণমিছিল করবে। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন দলের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা নেতাদের যৌথসভা থেকে এ ঘোষণা এসেছে।

সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে একমাত্র চরমোনাই পীর সরাসরি মাঠে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দলের অস্তিত্বকে বাজি রেখে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

আসন্ন ৫ আগস্টে জুলাইয়ের অবিনশ্বর শক্তির পুনঃপ্রদর্শন করার পরিকল্পনা রয়েছে। জুলাইয়ের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন দাবিতে সেদিন ঢাকার রাজপথ জনতার স্লোগানে মুখরিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

যৌথসভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ আগস্ট বুধবার বেলা ১১টায় পল্টন মোড়ে সমাবেশ শুরু হবে এবং জোহরের নামাজের আগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

সভাটি সঞ্চালনা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মাওলানা কে এম শরীয়াতুল্লাহ। এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন দলটির নগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি জিএম রুহুল আমীন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এমএইচ মোস্তাফা, আলহাজ আব্দুল আউয়াল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়মের তোয়াক্কা না করে হলে শিক্ষার্থী তুলছে কুবি ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুবি প্রতিনিধি

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


নিয়মের তোয়াক্কা না করে হলে শিক্ষার্থী তুলছে কুবি ছাত্রদল

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবাসিক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থী তোলার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, হল প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়াই বিজয়-২৪ হলে সংগঠনটির দুই গ্রুপের অন্তত ২৪ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও হল প্রভোস্ট জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের হলে ওঠানোর আগে তাকে অবহিত করা হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়,, ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মেধা সিনিয়র-জুনিয়র, দূরত্ব ও আর্থিক অবস্থাসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম করা হয়। কিন্তু এসব নিয়ম অনুসরণ না করে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আবুল বাশার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী) নিজেদের অনুসারী শিক্ষার্থীদের হলে তোলার উদ্যোগ নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিজয়-২৪ হলের ১০১ ও ১০৮ নম্বর কক্ষে ১২ জন করে মোট ২৪ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয়েছে। তারা সবাই ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্রথম দফায় ১০৮ নম্বর কক্ষে শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করেন ছাত্রদল কর্মী তুহিব মাহমুদ, যিনি সদস্য সচিব আবুল বাশারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পরে দ্বিতীয় দফায় ১০১ নম্বর কক্ষে আরও ১২ জন শিক্ষার্থীকে থাকার ব্যবস্থা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী)।

দুই কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা হল প্রশাসনের মাধ্যমে নয়, বরং ছাত্রদলের সিনিয়র নেতাদের সহযোগিতায় হলে উঠেছেন। ১০৮ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা জানান, তুহিব মাহমুদের মাধ্যমে তারা হলে ওঠেন। অন্যদিকে ১০১ নম্বর কক্ষের শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছেন মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী)।

তবে কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, হলে ওঠার আগে তারা হলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। যদিও এ দাবি নাকচ করে তিনি বলেন, "আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।"

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রদল কর্মী তুহিব মাহমুদ বলেন, "আমার নামে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই অসহায় শিক্ষার্থীদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সমস্যায় ছিল। তাদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে প্রভোস্টের সহযোগিতায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাসিম বিল্লাহ রিফাত (পাটোয়ারী) বলেন, "এখানে আহামরি কিছু হয়নি। ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অনেক আগে ভাইভা দিয়েছে। তারা আবাসনের সমস্যার কথা জানালে বিষয়টি প্রভোস্ট স্যারকে জানাই। তিনি বলেন, ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপরে উঠলে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া সহজ হবে।"

তিনি আরও বলেন, "এরপর ১০১ নম্বর কক্ষে থাকা ১৮ ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীকে তাদের বন্ধুদের কক্ষে ডাবলিং করে থাকতে বলি। আমি কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে হলে তুলিনি। পরে পুরো বিষয়টি প্রভোস্টকে জানিয়েছি।"

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, "আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হলে উঠাইনি। যতটুকু জানি, ১০৮ নম্বর কক্ষে যে শিক্ষার্থীরা উঠেছে, তারা হল প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই উঠেছে। প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আবাসনের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে। আমি শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় করেছি।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেটির কোনো সত্যতা নেই। আমরা কাউকে অবৈধভাবে হলে তুলি না। অনেক শিক্ষার্থী পারিবারিক ও আর্থিক সংকটের কারণে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করি।"

গণরুম সংস্কৃতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "গণরুম বা গেস্টরুম সংস্কৃতি চালুর কোনো সুযোগ নেই। আমরা এ ধরনের সংস্কৃতির পক্ষে নই। বর্তমানে আবাসন সংকট রয়েছে। প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা উচিত।"

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, "মাত্রই বিষয়টি জানতে পেরেছি। হলে যে-ই উঠুক, তাকে নিয়ম মেনেই উঠতে হবে। সে আমার দলের কর্মী হোক বা অন্য কেউ, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।"

বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট মাহমুদুল হাসান খান বলেন, "দুই কক্ষে দুই গ্রুপের ২৪ জন শিক্ষার্থী উঠেছে। ১০৮ নম্বর কক্ষে বাশারের গ্রুপ এবং ১০১ নম্বর কক্ষে রিফাতের গ্রুপের শিক্ষার্থীরা উঠেছে। তারা কেউই হলে ওঠার আগে আমাকে জানায়নি। ওঠানোর পরে আমার সঙ্গে সমন্বয় করেছে। আমি তাদের কোনো তালিকা দিইনি।"

তিনি আরও বলেন, "আমি কিছুদিন পরেই হলের আবাসিকতার তালিকা প্রকাশ করতাম। জুনিয়র শিক্ষার্থীরা কথা না শোনায় কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষার্থীকে বলেছিলাম, ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপরে উঠলে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়া সহজ হবে। তবে আমাকে আগে না জানিয়েই শিক্ষার্থীদের হলে তোলা হয়েছে।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করিম বলেন, "আমি এ বিষয়ে অবগত নই। হলের প্রভোস্টও আমাকে বিষয়টি জানাননি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালাগালি ও সহিংসতার রাজনীতি আর নয়: এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


গালাগালি ও সহিংসতার রাজনীতি আর নয়: এবি পার্টির চেয়ারম্যান মঞ্জু

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, সমালোচনা করতে গিয়ে অরাজনৈতিক, অশোভন ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার যেমনি কাঙ্ক্ষিত নয়; তেমনি কারও কথার প্রতিশোধ হিসেবে হামলা, চক্ষু উৎপাটন এবং গাড়ি ভাঙচুর মোটেও কাম্য নয়। গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি; এই বিষয়গুলো থেকে সবাই মিলে সরে না আসলে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ব‍্যর্থ হয়ে যাবে।

শনিবার বিকেলে ফেনী জেলা এবি পার্টি আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দলের জেলা আহ্বায়ক মাস্টার আহসান উল্লাহর সভাপতিত্বে ও জেলা সদস্যসচিব ফজলুল হকের সঞ্চালনায় মিজান রোডের দলের জেলা কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্থানীয় শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আহত জুলাইযোদ্ধা ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর ফেনী জেলা আমির মুপ্তি আব্দুল হান্নান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রশিদ মজুমদার, জাগপা ফেনী জেলা সভাপতি মো. সাইফ উদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব শাহ ওয়ালী উল্যাহ মানিক, জাতীয় ছাত্রশক্তি ফেনী জেলা আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন শাকিলসহ অনেকে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি ফেনী যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহের হোসেন বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক মির ইকবাল, দপ্তর সম্পাদক নাজরানা হাফিজ অম্লান, সহ-দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ডলি, সদর আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্য সচিব আবু সাইদ খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের মূর্ত প্রতীক: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০৮ পি.এম


বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের মূর্ত প্রতীক: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের ‘মূর্তমান প্রতীক’ হিসেবে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী সংগ্রাম থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং অবাধ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অনস্বীকার্য।’

আজ শনিবার সন্ধ্যায় সায়েমা জেরিন রচিত ‘জুলাই আন্দোলন এবং গুলিবিদ্ধ দুই চোখ’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই সকল কথা বলেন।

রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া শত জুলুম ও নির্যাতন নীরবে সহ্য করেও তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপসহীন ছিলেন।’

রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য দূরদর্শিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পুরনো ব্যবস্থা ধ্বংসের পর নতুন ব্যবস্থা গড়ার কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। ধ্বংস পর্বে যে ধরনের শক্তি লাগে, গঠন পর্বে প্রয়োজন পড়ে সৃজনশীলতা ও রাজনৈতিক পরিপক্কতা। কেবল অর্ধেক গুণ দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়া যায় না; দেশ ও সমাজকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে নেতৃত্বের মধ্যে গঠনমূলক ও সৃজনশীল গুণাবলী থাকা আবশ্যক।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রাজপথে ফয়সালা করেই স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছি; তাই জনগণের রায়ে আজ দেশ পরিচালনায় এসেছি। তাই বিজয়ী সরকারের জায়গায় দাঁড়িয়ে আমাদের কোনো প্রতিহিংসার ভাষা নেই। আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সেবামুখী ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করা। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক যে, গণতন্ত্রের ভেতরে থেকে এখন কেউ কেউ ফ্যাসিবাদের ভাষা ব্যবহার করতে চায়, যা অভিজ্ঞতার অভাব ছাড়া আর কিছুই নয়।’

সরকারের নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি সক্রিয় ও কার্যকরী সংসদীয় ব্যবস্থা চালু রাখতে বদ্ধপরিকর, যেখানে সংসদেই বিতর্ক হবে এবং বিরোধী দল সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় আনবে। তবে সোশ্যাল মিডিয়া বা রাজপথে কৃত্রিম নাটক তৈরি করে যারা বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে। সমাজের সব অন্ধত্ব দূর না করলে ফ্যাসিবাদ বারবার আক্রমণ করবে।’

তথ্যমন্ত্রী ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মেলবন্ধন বিষয়ে বলেন, ‘আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বর্ধিত রূপই হচ্ছে চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান। দুটি সংগ্রামের লক্ষ্যই ছিল গণমানুষের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তাই কোনো মহল যাতে স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে পৃথক করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খোন্দকার মাশুকুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত বীর যোদ্ধারা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%