বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ পি.এম
ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় মোহাম্মদ রাব্বি (২৭) নামের এক যুবককে নিহত করেছে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন দিয়েছে এলাকার বিক্ষুব্ধ মানুষেরা।
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এর আগে, একই দিন বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে, দুর্বৃত্তরা রাব্বিকে তার দোকানের ভেতরে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
স্থানীয় পুলিশ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাব্বির বাড়ি ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় অবস্থিত। তিনি মাসকান্দার অবস্থানরত ময়মনসিংহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে একটি কম্পিউটার-ফটোকপির দোকান পরিচালনা করতেন। আজ বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নিজের দোকানের ভেতরে দুর্বৃত্তরা রামদা দিয়ে কুপিয়ে রাব্বিকে হত্যা করে।
রাব্বির স্বজনাদের দাবি অনুযায়ী, পূর্ববিরোধের কারণে একই এলাকার ফজলুল হক, সাব্বির ও লিটনসহ অন্যরা রাব্বির হত্যা ঘটনার সাথে জড়িত। এদিকে, এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাসকান্দা এলাকার অভিযুক্তদের বাড়ি-ঘরে আগুন দেয় রাব্বির পক্ষের ক্ষুব্ধ লোকজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের চাহিদা ও দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে, সরকার এবার এই চাল রপ্তানিতে কঠোর শর্ত আরোপ করেছে। সম্প্রতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতীকী ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের চাহিদা ও দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যার ফলস্বরূপ এবার এই চাল রপ্তানিতে কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আগে থেকে অনুমোদন দেওয়া রপ্তানি কোটা পুনর্বিবেচনা করে তা কিছুটা কমানো বা সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, রপ্তানির অনুমতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রকৃতপক্ষে কত পরিমাণ সুগন্ধি চাল বিদেশে রপ্তানি করেছে তা জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়েছে।
প্রকাশিত চিঠিতে বলা হয়েছে, সুগন্ধি চালের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে, আগে দেওয়া রপ্তানি অনুমোদনের পরিমাণ হ্রাস বা সমন্বয় করা অপরিহার্য। এজন্য অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রকৃত রপ্তানির পরিমাণের বিস্তারিত তথ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায় জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষভাবে, যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমতি পাওয়ার পরও নির্ধারিত পরিমাণ সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারেনি অথবা আংশিক রপ্তানি করেছে, তাদের অব্যবহৃত কোটা পুনর্বিবেচনার আওতায় আসতে পারে।
গত ২ আগস্ট, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সুগন্ধি চালের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকের সময় চালের উৎপাদন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, বাজার পরিস্থিতি ও রপ্তানির প্রকৃত চিত্র পর্যালোচনা করা হয়েছিল।
সভায় জানানো হয়, অনুমতি পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী চাল রপ্তানি করতে পারেনি। কিছু প্রতিষ্ঠান আংশিক রপ্তানিও করেছে। যার ফলে, অনুমোদিত কোটা ও প্রকৃত রপ্তানির মধ্যে একটি বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এই কারণেই প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রকৃত রপ্তানির হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
আগেই, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রথম দফায় গত ১৩ মে ২১১টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৬৭টিসহ মোট ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪৫ হাজার ২৭০ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
বৈঠকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানা গেছে, দেশের শীর্ষ ১০টি বড় মিল মালিকদের কাছে বিপুল পরিমাণ সুগন্ধি চাল মজুদ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, তারা বাজারে প্রয়োজন অনুযায়ী চাল না ছেড়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধি ঘটাচ্ছে।
এসব বিষয় পর্যালোচনার পর, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রবণতা ঠেকাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোর তদারকির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে সহযোগিতায় বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তীতে, রপ্তানির অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো যারা নির্ধারিত পরিমাণ সুগন্ধি চাল বিদেশে রপ্তানি করতে পারেনি, তাদের অব্যবহৃত কোটা বরাবর রাখার যৌক্তিকতাও পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে প্রকৃত রপ্তানির তথ্য বলা হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করার পর অনুমোদিত রপ্তানি কোটা কমানো বা সমন্বয়ের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজেপি সাংসদ নগেন্দ্র রায়কে দেওয়া ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অনন্ত মহারাজ, যিনি পরিচিত, সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘যুদ্ধাপরাধী ও দেশদ্রোহী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই কারনে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার তার সম্মাননা ফিরিয়ে নিয়েছে।
গত ১৯ জুলাই কোচবিহারের দিনহাটায় একটি জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় অনন্ত মহারাজ নেতাজির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়ে তোলার মতো কোনো ক্ষমতা কি নেতাজির ছিল?’ তার এই বক্তব্যে রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কলকাতা শহরের শ্যামবাজারে নেতাজির মূর্তির পাদদেশে বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। কিন্তু সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে, অনন্ত মহারাজ গত সোমবার শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির জাবরাভিটায় একটি অনুষ্ঠানে আরো তীব্র ভাষায় নেতাজিকে আক্রমণ করেন। শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে তিনি নেতাজিকে ‘যুদ্ধাপরাধী এবং দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দেন।
অনন্ত মহারাজ এর দাবী, ভারতের স্বাধীনতায় নেতাজির কোনো অবদান নেই। দুইটির প্রকাশ্য বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। পশ্চিমবঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দলমত নির্বিশেষে এক আবেগের নাম। বিজেপির সাংসদরাও অনন্ত মহারাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।
উত্তরবঙ্গের একদল বিজেপি বিধায়ক ও মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে অনন্ত মহারাজের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান। রাজ্য বিজেপি দ্রুত এই মন্তব্য থেকে দূরত্ব বজায় রাখে এবং এটিকে অনন্ত মহারাজের ‘ব্যক্তিগত বক্তব্য’ বলে ঘোষণা করে। তবে তীব্র সমালোচনার মুখেও, অনন্ত মহারাজ নিজের বক্তব্যে অনড় থেকে বলেন, তিনি নিজে কোনো মনগড়া কথা বলেননি। বরং সরকারি আর্কাইভ এবং ঐতিহাসিক বইয়ের রেকর্ড অনুসারেই বক্তব্য রেখেছেন।
অনন্ত মহারাজের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার নেতাজিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, এই আইন সাংসদ, বিধায়ক কিংবা সরকারি কর্মকর্তা; সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন পুলিশকে কড়া আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দেন, তখন অনন্ত মহারাজ কটাক্ষের সুরে পাল্টা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ভালো কথাই বলেছেন। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।’ তিনি একইসাথে দাবি করেন, সরকার যদি মনে করে এই নথিপত্রগুলো ভুল, তবে ইতিহাস বা আর্কাইভের সেই রেকর্ডগুলো বদলানোর উদ্যোগ সরকারেরই নেওয়া উচিত, কারণ তিনি শুধু নথিতে যা আছে তাই বলেছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি সাংসদের সম্মাননা ফিরিয়ে নেয়ার ঘোষণা আসে। সম্মাননা প্রত্যাহারে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি এমন কিছু তথ্য ও পরিস্থিতি সামনে এসেছে যা নগেন্দ্র রায়ের এই সম্মাননা ধরে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে যে, নগেন্দ্র রায়ের কাছে বঙ্গবিভূষণ সম্মানটি থাকা এই পুরস্কারের মর্যাদা, গৌরব ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবিলম্বে নগেন্দ্র রায়কে দেওয়া বঙ্গবিভূষণ সম্মাননা প্রত্যাহার ও বাতিল ঘোষণা করছে।’
উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের সাংসদ অনন্ত মহারাজ রাজবংশী সম্প্রদায়ের একজন প্রভাবশালী নেতা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মমতা ব্যানার্জির সরকারের আমলে তাঁকে এই বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বগুড়ার নন্দীগ্রামে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত দোয়া মাহফিলটির আয়োজন করেন নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (১৩ই আগস্ট) বাদ আছর নন্দীগ্রাম কলেজ মসজিদ প্রাঙ্গনে উক্ত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম, ইয়াছিন আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আলেকজান্ডার, সাধারণ সম্পাদক কে.এম শফিউল আলম সুমন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, এবং সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, এনামুল হক বাচ্চু।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুল ইসলাম মজনু, পৌর যুবদলের আহবায়ক গোলাম রব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শাহীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আব্দুল হাকিম রিন্টু, যুগ্ম-আহবায়ক কোরবান আলী, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ বিরতির পর ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউডের অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন নবাগত অভিনেত্রী কানিকা কাপুর। সম্প্রতি কানিকা একটি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রীতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই প্রীতি জিনতা ছিলেন তাঁর ‘ক্রাশ’। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানিকা বলেন, “প্রীতি ম্যাম ছিলেন আমার শৈশবের ক্রাশ। ‘কোই... মিল গয়া’-এর মতো সিনেমা দেখে বড় হয়েছি। তাঁকে প্রথমবার সামনে দেখে শুধু তাকিয়েই ছিলাম। আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।” কানিকা আরো জানান, পর্দার বাইরেও প্রীতি ঠিক ততটাই প্রাণবন্ত, যতটা তাঁকে সিনেমায় দেখা যায়। কানিকার ভাষায়, “তিনি খুবই আন্তরিক, মজার মানুষ। সব সময় হাসিখুশি থাকেন এবং আশপাশের সবাইকে হাসিয়ে রাখেন। তাঁর ইতিবাচক শক্তি আমার খুব ভালো লাগছে।” কানিকা আরও জানান, ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর স্ক্রিন টেস্টের একটি মুহূর্ত তিনি কখনো ভুলবেন না। একটি আবেগঘন দৃশ্যে অভিনয় শেষে পরিচালক ‘কাট’ বলার পর চারপাশে হাততালির শব্দ শুনতে পান। চোখের পানি মুছে দেখেন, প্রীতি জিনতা দাঁড়িয়ে তাঁর জন্য হাততালি দিচ্ছেন। এরপর প্রীতি তাঁকে জড়িয়ে ধরে অভিনয়ের প্রশংসা করেন। কানিকার ভাষায়, “তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি খুব ভালো অভিনয় করেছ, তোমাকে বিশ্বাসযোগ্য লেগেছে।’ এই কথাগুলো আমি সব সময় মনে রাখব।” ছবিটিতে সানি দেওল ও করণ দেওলের সঙ্গেও কাজ করেছেন কানিকা। তিনি বলেন, পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর মতো বড় নির্মাতার ছবিতে সুযোগ পাওয়ায় নিজের শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একটি ধাওয়া করার দৃশ্যে বাস্তবসম্মত করতে পুরো রাত দৌড়াতে হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’। ছবিটির মাধ্যমে ২০১৮ সালের ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’-এর পর আবারও বড় পর্দায় দেখা যাবে প্রীতি জিনতাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ