বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজেপি সাংসদ নগেন্দ্র রায়কে দেওয়া ‘বঙ্গবিভূষণ’ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অনন্ত মহারাজ, যিনি পরিচিত, সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘যুদ্ধাপরাধী ও দেশদ্রোহী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই কারনে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার তার সম্মাননা ফিরিয়ে নিয়েছে।
গত ১৯ জুলাই কোচবিহারের দিনহাটায় একটি জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় অনন্ত মহারাজ নেতাজির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘আজাদ হিন্দ ফৌজ গড়ে তোলার মতো কোনো ক্ষমতা কি নেতাজির ছিল?’ তার এই বক্তব্যে রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কলকাতা শহরের শ্যামবাজারে নেতাজির মূর্তির পাদদেশে বড় ধরনের প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। কিন্তু সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে, অনন্ত মহারাজ গত সোমবার শিলিগুড়ির ফুলবাড়ির জাবরাভিটায় একটি অনুষ্ঠানে আরো তীব্র ভাষায় নেতাজিকে আক্রমণ করেন। শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে তিনি নেতাজিকে ‘যুদ্ধাপরাধী এবং দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দেন।
অনন্ত মহারাজ এর দাবী, ভারতের স্বাধীনতায় নেতাজির কোনো অবদান নেই। দুইটির প্রকাশ্য বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। পশ্চিমবঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দলমত নির্বিশেষে এক আবেগের নাম। বিজেপির সাংসদরাও অনন্ত মহারাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।
উত্তরবঙ্গের একদল বিজেপি বিধায়ক ও মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে অনন্ত মহারাজের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান। রাজ্য বিজেপি দ্রুত এই মন্তব্য থেকে দূরত্ব বজায় রাখে এবং এটিকে অনন্ত মহারাজের ‘ব্যক্তিগত বক্তব্য’ বলে ঘোষণা করে। তবে তীব্র সমালোচনার মুখেও, অনন্ত মহারাজ নিজের বক্তব্যে অনড় থেকে বলেন, তিনি নিজে কোনো মনগড়া কথা বলেননি। বরং সরকারি আর্কাইভ এবং ঐতিহাসিক বইয়ের রেকর্ড অনুসারেই বক্তব্য রেখেছেন।
অনন্ত মহারাজের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার নেতাজিকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, এই আইন সাংসদ, বিধায়ক কিংবা সরকারি কর্মকর্তা; সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন পুলিশকে কড়া আইনি পদক্ষেপের নির্দেশ দেন, তখন অনন্ত মহারাজ কটাক্ষের সুরে পাল্টা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ভালো কথাই বলেছেন। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।’ তিনি একইসাথে দাবি করেন, সরকার যদি মনে করে এই নথিপত্রগুলো ভুল, তবে ইতিহাস বা আর্কাইভের সেই রেকর্ডগুলো বদলানোর উদ্যোগ সরকারেরই নেওয়া উচিত, কারণ তিনি শুধু নথিতে যা আছে তাই বলেছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি সাংসদের সম্মাননা ফিরিয়ে নেয়ার ঘোষণা আসে। সম্মাননা প্রত্যাহারে রাজ্য সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি এমন কিছু তথ্য ও পরিস্থিতি সামনে এসেছে যা নগেন্দ্র রায়ের এই সম্মাননা ধরে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।’ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে যে, নগেন্দ্র রায়ের কাছে বঙ্গবিভূষণ সম্মানটি থাকা এই পুরস্কারের মর্যাদা, গৌরব ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবিলম্বে নগেন্দ্র রায়কে দেওয়া বঙ্গবিভূষণ সম্মাননা প্রত্যাহার ও বাতিল ঘোষণা করছে।’
উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের সাংসদ অনন্ত মহারাজ রাজবংশী সম্প্রদায়ের একজন প্রভাবশালী নেতা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মমতা ব্যানার্জির সরকারের আমলে তাঁকে এই বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বগুড়ার নন্দীগ্রামে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত দোয়া মাহফিলটির আয়োজন করেন নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
বৃহস্পতিবার (১৩ই আগস্ট) বাদ আছর নন্দীগ্রাম কলেজ মসজিদ প্রাঙ্গনে উক্ত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম, ইয়াছিন আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি আলেকজান্ডার, সাধারণ সম্পাদক কে.এম শফিউল আলম সুমন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, এবং সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, এনামুল হক বাচ্চু।
উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুল ইসলাম মজনু, পৌর যুবদলের আহবায়ক গোলাম রব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শাহীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব আব্দুল হাকিম রিন্টু, যুগ্ম-আহবায়ক কোরবান আলী, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ বিরতির পর ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরছেন বলিউডের অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন নবাগত অভিনেত্রী কানিকা কাপুর। সম্প্রতি কানিকা একটি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রীতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই প্রীতি জিনতা ছিলেন তাঁর ‘ক্রাশ’। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কানিকা বলেন, “প্রীতি ম্যাম ছিলেন আমার শৈশবের ক্রাশ। ‘কোই... মিল গয়া’-এর মতো সিনেমা দেখে বড় হয়েছি। তাঁকে প্রথমবার সামনে দেখে শুধু তাকিয়েই ছিলাম। আমি সত্যিই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।” কানিকা আরো জানান, পর্দার বাইরেও প্রীতি ঠিক ততটাই প্রাণবন্ত, যতটা তাঁকে সিনেমায় দেখা যায়। কানিকার ভাষায়, “তিনি খুবই আন্তরিক, মজার মানুষ। সব সময় হাসিখুশি থাকেন এবং আশপাশের সবাইকে হাসিয়ে রাখেন। তাঁর ইতিবাচক শক্তি আমার খুব ভালো লাগছে।” কানিকা আরও জানান, ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এর স্ক্রিন টেস্টের একটি মুহূর্ত তিনি কখনো ভুলবেন না। একটি আবেগঘন দৃশ্যে অভিনয় শেষে পরিচালক ‘কাট’ বলার পর চারপাশে হাততালির শব্দ শুনতে পান। চোখের পানি মুছে দেখেন, প্রীতি জিনতা দাঁড়িয়ে তাঁর জন্য হাততালি দিচ্ছেন। এরপর প্রীতি তাঁকে জড়িয়ে ধরে অভিনয়ের প্রশংসা করেন। কানিকার ভাষায়, “তিনি বলেছিলেন, ‘তুমি খুব ভালো অভিনয় করেছ, তোমাকে বিশ্বাসযোগ্য লেগেছে।’ এই কথাগুলো আমি সব সময় মনে রাখব।” ছবিটিতে সানি দেওল ও করণ দেওলের সঙ্গেও কাজ করেছেন কানিকা। তিনি বলেন, পরিচালক রাজকুমার সন্তোষীর মতো বড় নির্মাতার ছবিতে সুযোগ পাওয়ায় নিজের শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একটি ধাওয়া করার দৃশ্যে বাস্তবসম্মত করতে পুরো রাত দৌড়াতে হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। আগামী ১৪ আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’। ছবিটির মাধ্যমে ২০১৮ সালের ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’-এর পর আবারও বড় পর্দায় দেখা যাবে প্রীতি জিনতাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জমি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে পবিত্র ব্যাপারী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পবিত্র ব্যাপারীর ওপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনাকালে তিনি একাই উপস্থিত ছিলেন এবং হামলাকারীদের প্রতিরোধ করার জন্য তার কাছে কোনো সহায়তা বা সক্ষমতা ছিল না, এই কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা মতিলাল মিস্ত্রি, তার বড় ছেলে উজ্জ্বল মিস্ত্রি (৩৮), ছোট ছেলে সজল মিস্ত্রি (৩০) ও উজ্জ্বল মিস্ত্রির ছেলে উৎস মিস্ত্রি (১৬)-এর নাম নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে স্বপন মিস্ত্রি ওরফে মতিলাল (৬২)-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দাবি করেছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কিংবা সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা করা হয়েছে। হামলার কারণে তিনি শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এই ধরনের হামলার ঘটনা এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়াকে সংবর্ধিত করেছে চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপি।
১৫ দিন কারাবন্দী থাকার পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপি'র অফিস কার্যালয়ে পৌঁছালে, সেখানে তাকে ফুলের মালা দিয়ে সংবর্ধনা জানায় উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সহ বিভিন্ন স্তরের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।
এসময়ে সদ্য কারামুক্ত বিএনপি নেতা আলমগীর মালতিয়া তার বক্তব্যে, তার রাজনীতির অতীত ইতিহাস এবং দলের নেতা কর্মীদের প্রতি তার ত্যাগের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি সামনের দিনগুলোতে অতীতের মতো বিএনপি'র ত্যাগী নেতাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
গেল বক্তব্যে তিনি বলেন, "৫ আগস্ট এর পরে কিছু সুবিধাবাদী লোক হুট করে এসে চরফ্যাশনে বিএনপি'র রাজনীতির পরিবেশকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে। আমি তাদেরকে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, জেল খাটিয়েছে, আমার কোন দুঃখ নাই। কিন্তু বিগত ১৭ বছর বিএনপি নেতা কর্মীদের যারা হামলা মামলা করেছে, খুন করেছে, হয়রানি করেছে, তাদেরকে যারা আশ্রয় প্রশ্রয় দিবে, আমি কিন্তু তাদেরকে ছাড়বো না।"
প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বিএনপি'র এই নেতা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড বিএনপি'র কর্মসূচি আমরা শুনতে পাচ্ছি। সুবিধাবাদীরা তাদের ভাই বন্ধু ছাত্রলীগ যুবলীগকে এই কার্যক্রমে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আপনারা বিএনপি'র নির্যাতিত নিপীড়িত কর্মীদেরকে খুঁজে খুঁজে বের করে ফ্যামিলি কার্ডের এই কার্যক্রমে নিয়োগ দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।"
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন টিপু এবং যুবদল নেতা আহসানুল্লাহ বাহার সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন। এর আগে, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা জনতা বাজার থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।
জানা গেছে, বাজারের একটি ঘর ভূমি সংক্রান্ত মামলায় হাজিরা দিতে গেলে ভোলার আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলাহাজতে পাঠায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ