ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, গ্রেপ্তার ১


বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, গ্রেপ্তার ১

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় একজন ব্যক্তিকে গাঁজা গাছ রোপণ ও পরিচর্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম শুক্কুর আলী এবং তার বয়স ৪০ বছর। তার বাড়ি থেকে ৯টি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্কুর আলী কেন্দুয়া উপজেলার বাসিন্দা। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, বুধবার (২৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দুয়া থানার চিরাং ইউনিয়নের গোপালাশ্রম গ্রামে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বাড়ির পূর্ব পাশের আঙিনায় থেকে প্রায় ৭ ফুট উচ্চতার ৯টি গাঁজা গাছ, ৪০ গ্রাম গাঁজা এবং ২১ হাজার ১ শত ৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত গাঁজা গাছগুলোর আনুমানিক ওজন প্রায় ১৫ কেজি।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানিয়েছেন যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শুক্কুর আলী স্বীকার করেছেন যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গাঁজা গাছ চাষ করে স্থানীয় এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছিলেন। তিনি বলেন যে, জব্দকৃত গাঁজা গাছগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যেই তিনি চাষ করেছিলেন। তাকে গ্রেপ্তার করার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় কেন্দ্রীয় থানায় মামলা রুজু করে দুপুরের দিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নড়াইলে ঊষার আলো সূর্যসংঘের সম্মেলন ও কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং টাস্কফোর্সের সভাপতি মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে।

আজ ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নবগঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে কার্যক্রমটি সম্পন্ন হয়।

অভিযানকালে জিগাতলা এলাকার বিভিন্ন বসতবাড়ির ছাদ, বেইজমেন্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে।

এ সময় ২টি নির্মাণাধীন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায়, দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৭০ ধারার অনুযায়ী ভবনের প্রত্যেক মালিককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ডেঙ্গুর লার্ভা থাকায় লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত বিশেষ সতর্কতামূলক লিফলেট ভবনের প্রবেশপথে সেঁটে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানকালে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় ডেঙ্গুর লার্ভা সৃষ্টির উপযোগী পরিবেশ ও ময়লা জমে থাকার জন্য বাসিন্দাদের এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

এছাড়া যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে পথচারী এবং ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়।

অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।’

তিনি আরও জানান, আমরা চাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক।

টাস্কফোর্সের সভাপতি উল্লেখ করেন যে, জাতীয় কমিটির অধীনে এই টাস্কফোর্সের অভিযান রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে।

এ সময় তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে আরও কার্যকরী ভূমিকা রাখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।

পরে তিনি যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালী খাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি খাল ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহানে ফেরদৌস বিনতে রহমান ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জনাব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৯ শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৯ শিশুর

দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯ শিশুর, যা গত ২৪ ঘণ্টায় ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে পুরো ৯৪৫ শিশু।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু ঘটে। কিন্তু, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি।

২০১৫ সালের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত, সারা দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬০৫ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৩ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গে এই সময়ে মোট ৬৯৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ শিশু এবং হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এ সময়ে ৮৬০ নতুন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এবং হাসপাতাল থেকে ৯০৬ শিশু ছাড়া পেয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত, মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬ হাজার ৬৫৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ রোগী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় আগাম প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় আগাম প্রস্তুতি জোরদারের আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘হাওর বেসিন ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলভিত্তিক পারিবারিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ (হাউজহোল্ড ইকোনমি অ্যানালাইসিস-এইচইএ) প্রতিবেদন’ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু হাওর ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা সুরক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদারের ওপর মহৎ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের পুনরাবৃত্তি ও তীব্রতা বাড়ছে। তাই আমাদের শুধু দুর্যোগের পর প্রতিক্রিয়া জানানো নয়, বরং আগাম প্রস্তুতি, পূর্বাভাসভিত্তিক কার্যক্রম এবং জীবিকার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতে হবে।

এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা।

এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ), এফএও, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, মানবিক সংগঠন, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিবেদন কেবল একটি গবেষণা দলিল নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণভিত্তিক তথ্যভান্ডার, যা ঝুঁকি ও বিপদাপন্নতা বোঝা, আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে।

মন্ত্রী হাওর অঞ্চলের জনগণের কথা জানিয়ে বলেন, তারা প্রতিবছর আকস্মিক বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে, যা কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভূমিধস, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো বহুমাত্রিক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলের প্রায় ৫৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

ভূমিমন্ত্রী জানান, দরিদ্র ও অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রধান আয়ের উৎস দিনমজুরি। তাদের খাদ্যের বড় অংশই বাজার থেকে কিনে সংগ্রহ করতে হয়। ফলে দুর্যোগের সময় এ শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নারীর অর্থনৈতিক অবদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, হাওর ও পার্বত্য উভয় অঞ্চলে অতি দরিদ্র পরিবারের মোট আয়ের প্রায় ৮ দশমিক ৬ থেকে ৯ দশমিক ২ শতাংশ আসে নারীদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে।

কিন্তু দুর্যোগের কারণে এসব আয় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা প্রায়ই বোরো ধান কাটার মৌসুমে আঘাত হানে। এতে কৃষকদের বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফসল মুহূর্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একইভাবে পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস ও অতিবৃষ্টি কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করার পাশাপাশি বাজার ও সেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করে দেয়।

ভূমিমন্ত্রী জানান, সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ‘সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে।

এই খসড়া আইন অনুযায়ী জলমহাল দখল, ভরাট, দূষণ, প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং জলজ সম্পদ বিনষ্টের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের নদী, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড় ও অন্যান্য সরকারি জলমহাল শুধুমাত্র প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এগুলো পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

এ সম্পদ রক্ষায় সরকার যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ‘জাল যার, জলা তার’ নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

ভূমি খাতে ডিজিটাল সেবার প্রসার সম্পর্কেও তিনি বলেন, ভূমি জরিপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা হচ্ছে।

ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সরাসরি প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছানোর জন্য অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হবে। এছাড়া খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগণকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে, সহনশীলতা গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার এবং কমিউনিটির মধ্যে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ভূমিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হাওর বেসিন ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের পারিবারিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ (এইচইএ) প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণ, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের পুনর্গঠনে এক হাজার কোটি ইউরোর চুক্তির আশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


ইউক্রেনের পুনর্গঠনে এক হাজার কোটি ইউরোর চুক্তির আশা

ইউক্রেন আগামী দুই দিনের মধ্যে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি ইউরোরও বেশি মূল্যের ১৬০টিরও বেশি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছে, এই তথ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডের গদানস্ক শহরে অনুষ্ঠিত একটি বড় পুনর্গঠন সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

স্ভিরিদেনকো এই সম্মেলনের সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ১৬০টিরও বেশি সমঝোতা ও বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা উল্লিখিত করেছেন, যার মোট মূল্য ১০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি হতে পারে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম কিস্তি হিসেবে ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউরো ছাড়ের ঘোষণা দেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী স্ভিরিদেনকো আরও জানান, এই অর্থ ইউক্রেনের পুনর্গঠন কার্যক্রম, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনরুদ্ধার এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে ইউক্রেন এবং তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

গদানস্কের এই সম্মেলনকে সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%