মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
০৮:২০ পি.এম
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় গভঃ রেজিষ্টার্ড হোমিও চিকিৎসক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ ও নলতা হোমিওপ্যাথিক প্যারা মেডিকেল কলেজের যৌথ উদ্যোগে ৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০টায় ইডা সংস্থার কনফরেন্স রুমে পল্লী চিকিৎসক প্রশিক্ষণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত প্রশিক্ষণ সেমিনারে ডাঃ মাহমুদুল হাসান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর অধ্যক্ষ ডাঃ এম.এ জাফর সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, সংস্থার সহ-সভাপতি ডাঃ ইয়াছির আরাফাত, সেক্রেটারী ডাঃ ইমরান হোসেন, নির্বাহী সদস্য ডাঃ শিরিন সুলতানা, মাওঃ আব্দুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বাবু স্বপন কুমার, সদর উপজেলা সেক্রেটারী আশরাফুল ইসলাম, ডাঃ হাবিবুর রহমান, কলারোয়া সভাপতি ডাঃ আবুল বাসার, সেক্রেটারী ডাঃ ইছাহাক, ডাঃ হাফিজা খাতুন, ডাঃ হাফিজুল ইসলাম, ডাঃ অসীম ব্যানার্জী, ডাঃ রাহাতুল্লাহ ডাঃ ওমর ফারুক, ডাঃ বিউটি রাজ, ডাঃ সাদিয়া সুলতানা। সেমিনারে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ১৪২ জন শিক্ষার্থী মানব দেহের ক্ষতস্থানের সেলাই, ব্যান্ডেজ, মাইনার অপারেশন, প্লাস্টার ও ইনজেকশন, সেলাইন পুশিং শিক্ষা, ব্লাড প্রেসার নির্ণয়, ডায়াবেটিস নির্ণয় পদ্ধতি শিক্ষাসহ বহু যন্ত্রপাতির হাতে-কলমে শিক্ষা গ্রহন করেন। সেমিনারে ২০ জন চিকিৎসকদের নিয়ে একটি সিনিয়র হোমিওপ্যাথ সিকিৎসা কনসালটেন্ট বোর্ড গঠন করা হয় এবং জুনিয়র কনসালটেন্ট বোর্ডের আবেদন পত্র বিলি করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ ডাঃ এম.এ জাফর সিদ্দিক বলেন, হোমিওপ্যাথের উন্নয়নের সকল হোমিও কলেজগুলি সরকারীকরণ, জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের একের চার অংশ হোমিও কল্যাণের উন্নয়নে ব্যয়, সকল হোমিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সার্জারী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, ডি.এইচ.এম.এস রেজিষ্ট্রেশন সনদ নবায়ন প্রথা বাতিলসহ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, সারাদেশে হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৪৯ জন বলে জানা গেছে।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৮৮ জন। এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭০২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬১ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৩৫৫ জন।
এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৭৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু লালকে (৪০) গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৮ রাউন্ড গুলি তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নরসিংদী মডেল থানায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিকুর রহমান উল্লেখ করেন, আব্দুল্লাহ ওরফে বাবু হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবু লাল হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। তাকে গ্রেফতারের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও নরসিংদী মডেল থানা পুলিশের যৌথভাবে নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিনি জানান, অভিযানের অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, সদর থানা এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তল্লাশি চালায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবু লালকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারের পর আবু লালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনই দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে নরসিংদী মডেল থানাধীন খাটেহারা এলাকার তার নিজ বাড়ির রান্নাঘরের টিনের চালার নিচে প্লাস্টিকের সিলিংয়ের ওপর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার-৪ আসনের এমপি শাহজাহান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, হাসপাতাল পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক চিন্তাভাবনার পরিবর্তে সেবার মানসিকতা গ্রহণ করা উচিত।
তিনি উল্লেখ করেন, হাসপাতালকে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা চলবে না, বরং এটি মানবসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হতে হবে। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য যেন স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়, সেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং এলাকায় আল নূর স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসপাতালের উদ্যোগে উদ্বোধন উপলক্ষে দিনব্যাপী প্রায় ১ হাজার ৫০০ গরিব ও অসহায় রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া, সব ধরনের পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, উখিয়ার মানুষের জন্য মানসম্মত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয় পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হলে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূর-দূরান্তে যেতে হবে না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আল নূর স্পেশালাইজড হাসপাতাল মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে একটি মানবিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠবে।
হাসপাতালের প্রধান উপদেষ্টা বাদশা মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেছান উল্লাহ সিকদার।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। কুতুপালং এলাকায় নতুন এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে, চিকিৎসার মান, রোগীদের নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও সেবার আন্তরিকতা নিশ্চিত করতে হবে। হাসপাতাল পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি সরকারি স্বাস্থ্যবিধি ও নিয়মনীতি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
হাসপাতালের চেয়ারম্যান সিরাজ কবির বলেন, মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবার একটি সুন্দর ও সেবাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই তাঁদের লক্ষ্য। সবার সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে এ পথচলা শুরু করতে চান তাঁরা।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল আবছার বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই আল নূর স্পেশালাইজড হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছে। উখিয়াসহ আশপাশের এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ চিকিৎসক, আন্তরিক সেবাপ্রদান ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। মানুষের আস্থা অর্জন করে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেবা করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন, উখিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, সাংবাদিক, স্থানীয় সুধীজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ড. আবদুল আল-সাইয়েদ। মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত এই রাজনীতিকের দায়িত্ব গ্রহণের আগে তার কাজ, ক্ষমতা ও বেতন নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সিনেটের সদস্য হিসেবে তিনি কী কী দায়িত্ব পালন করবেন, জাতীয় নীতিনির্ধারণে তার ভূমিকা কতটা এবং এ পদে থেকে বছরে কত অর্থ বেতন পাবেন—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
সিনেটরের বেতন কত?
যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, দেশটির একজন সাধারণ সিনেটরের বার্ষিক বেতন ১ লাখ ৭৪ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী এর পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ১৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে প্রতি মাসে তার বেতন দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা। তবে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার পরিবর্তিত হলে বেতনের বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাবও কমবেশি হবে।
সিনেটরের দায়িত্ব ও ক্ষমতা কতটুকু?
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আইনসভা কংগ্রেসের দুটি কক্ষের একটি হলো সিনেট। এটি উচ্চকক্ষ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে মোট ১০০ জন সদস্য এই কক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন।
সিনেটর হিসেবে আল-সাইয়েদের দায়িত্ব শুধু আইন প্রণয়নের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা বা ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের বাজেট, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নিয়োগ, পররাষ্ট্রনীতি এবং প্রেসিডেন্টের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা থাকবে।
আইন ও বাজেট প্রণয়ন: জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিল নিয়ে আলোচনা, সংশোধনী প্রস্তাব এবং চূড়ান্ত ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন আল-সাইয়েদ। স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধের মূল্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক খাতের আইন প্রণয়নে তার ভোট গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সাধারণ আইন পাসের ক্ষেত্রে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হয়। সাধারণত ১০০ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৫১ জনের ভোট বিল পাসের জন্য যথেষ্ট।
গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ অনুমোদন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বিচারিক পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থী মনোনয়ন দেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ কার্যকর করতে সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন। এ ধরনের প্রায় ১ হাজার ৩০০ গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত ব্যক্তিদের যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের পর অনুমোদন দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন আল-সাইয়েদ।
আন্তর্জাতিক চুক্তি ও যুদ্ধনীতি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্য দেশের আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের ক্ষেত্রেও সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কোনো চুক্তি অনুমোদনে সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন, অর্থাৎ অন্তত ৬৭টি ভোট লাগবে। পাশাপাশি বৈদেশিক সহায়তা, সামরিক ব্যয় ও যুদ্ধসংক্রান্ত নীতির ওপর নজরদারির দায়িত্বও পালন করবেন সিনেটররা।
অভিশংসন বা ইমপিচমেন্টের বিচার: মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিংবা শীর্ষ ফেডারেল কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসনের অভিযোগ আনা হলে তার বিচার অনুষ্ঠিত হয় সিনেটে। এ ক্ষেত্রে সিনেট বিচারিক কক্ষ হিসেবে কাজ করে। বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিষয়ে রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে ভোট দিতে পারবেন আল-সাইয়েদ।
নতুন হলেও ভোটের মূল্য সমান
সিনেটে দায়িত্ব ও প্রভাবের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এবং কমিটিতে নেতৃত্বের অগ্রাধিকার নির্ধারিত হয়। তবে আইন প্রণয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভোটের ক্ষেত্রে সব সিনেটরের ক্ষমতা সমান। অর্থাৎ দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা কোনো জ্যেষ্ঠ সিনেটরের ভোটের মূল্য যতটুকু, নবনির্বাচিত আল-সাইয়েদের ভোটের মূল্যও ঠিক ততটুকু।
ফলে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিলের ভোটাভুটিতে তার একটি ভোটও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে দুই দলের মধ্যে ভোটের ব্যবধান কম থাকলে তার অবস্থান জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, বিবিসি
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ