সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৬ পি.এম
কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্যক্তিগতভাবে অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার নামের পাশে রয়েছে দলের জন্য সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার বিশ্বকাপও।
তবে ব্যালন ডি’অর নিয়ে তার মধ্যে একটি আক্ষেপ রয়ে গেছে।
এখনো পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রেস্টিজিয়াস পুরস্কার ব্যালন ডি’অর এমবাপ্পের হাতে আসেনি। তবে রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার মনে করেন, এবার সেই অপেক্ষা শেষ হতে পারে। তিনি জানান, দারুণ কিছু করেছেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম দিন রিয়াল মাদ্রিদ ইন্টার মিলানের বিরুদ্ধে খেলবে। সংবাদ সম্মেলনে ব্যালন ডি’অর নিয়ে তার ভাবনা তুলে ধরেন তিনি। ২৭ বছর বয়সী ফরাসি স্ট্রাইকার বলেন, ‘হ্যাঁ, ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য নিশ্চিতভাবেই বছরটা আমার হতে পারে।
তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি সাংবাদিকদের হাতে। বিশ্বের সেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে খেলার ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই পুরস্কারের সঙ্গে আপনার নাম যুক্ত হয়ে যায়।
রিয়ালের হয়ে গত মৌসুমে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেছেন এমবাপ্পে। কিন্তু লস ব্ল্যাংকোসদের হয়ে কোনো ট্রফি জিততে পারেননি তিনি। অন্যদিকে, ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি।
তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি ছিলেন অসাধারণ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের মালিক এমবাপ্পে। ২০২৬ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ গোল করে গোল্ডেন বুটও জিতেছেন তিনি। এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সের কথা স্মরণ করে সাবেক পিএসজির ফরোয়ার্ড বলেন, ‘ব্যালন ডি’অর ঘিরে আমাকে নিয়ে অনেকেই আলোচনা করছেন। অবশ্যই, বিশ্বফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে আমি ইতিহাস তৈরি করেছি। সেই হিসেবে এবার হয়তো দারুণ একটা সুযোগ আছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটদাতারা তাদের পছন্দমতোই ভোট দেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গভীর রাতের নীরবতার মধ্যে ঘটে গেল একটি অদ্ভুত ঘটনা।শ্রীমঙ্গল-ভানুগাছ প্রধান সড়কটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের জানকিছড়া স্টিল ব্রিজ এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন বিভাগের নিরাপত্তা ও টহল থাকার কথা থাকলেও, সেই সড়কের পাশ থেকে ভোরের আলো ফোটার আগেই একটি বিশাল মৃত সেগুনগাছ অদৃশ্য হয়ে যায়। গাছটি কেটে নিয়ে যাওয়ার এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে—সংরক্ষিত বনের এত নিকট থেকে এত বড় একটি গাছ কাটা পড়ার সময় পাহারাদারদের দৃষ্টি এড়ালো কেন?
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে জানকিছড়া স্টিল ব্রিজ এলাকায়।
স্থানীয়দের মতে, গাছটির উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট। বাজারে এর মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা হতে পারে। তবে গাছটির সঠিক মূল্যায়ন বন বিভাগের পরিমাপ ও যাচাইয়ের পরই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাতের বেলায় বন বিভাগের কিছু বন প্রহরী এবং স্থানীয় বন টহল দলের (সিপিজি) সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করায় চোরচক্র এই সুযোগটি গ্রহণ করেছে।
যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের আগে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পর স্থানীয়দের বর্ণনায় উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভানুগাছ বাজারের এক পথচারী জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি হলুদ রঙের ত্রিপলঢাকা ট্রাক দ্রুত গতিতে উপজেলা চৌমুহনার দিকে চলে যেতে দেখেছেন। ট্রাকের ওপর লাল গেঞ্জি পরা একজন ব্যক্তি বসেছিলেন। ট্রাকটির সামনে দুটি মোটরসাইকেলে কয়েকজনকে পাহারা দিতে দেখা যায় বলেও তিনি জানান।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে জানকিছড়া ক্যাম্পের ফটকে বন প্রহরী বাবুল এবং সিপিজি সদস্য বিজয় বাউরি দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রধান ফটকে বিট কর্মকর্তা একটি টহল পুলিশের দল নিয়ে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অবস্থান করছিলেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে—একদিকে ক্যাম্পে পাহারা, অন্যদিকে পুলিশের টহল; এর মাঝেও কীভাবে সড়কের পাশের বিশাল গাছটি কেটে নিরাপদে পরিবহন করা হলো?
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক বলেন, ‘মৃত সেগুনগাছ চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তিনি। চুরি হওয়া কাঠ উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে। বন বিভাগের কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ও দাপ্তরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভারপ্রাপ্ত সহকারী বন সংরক্ষক মীর্জা মেহেদী সারোয়ার জানান, ‘ঘটনাটি জানার পর তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গাছ চুরি বা পাচারের সঙ্গে কোনো স্টাফ বা কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কিংবা অপরাধীদের শনাক্ত করা গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের পরই বিস্তারিত জানা যাবে।’
লাউয়াছড়া জীববৈচিত্র্য রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক জলি পাল মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় উদ্যান থেকে মাঝে মাঝে গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনা শোনা যায়। এভাবে গাছ কমতে থাকলে বনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী হুমকির মুখে পড়বে। পাহারা থাকার পরও কীভাবে বড় গাছ চুরি হচ্ছে, তা খুঁজে বের করা দরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অভিযান চালিয়ে ২৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল)। একই সঙ্গে ১৫২ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ গ্যাস সংযোগ নেওয়ার দায়ে তিন ব্যক্তিকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার এলহামপাড়া ও ভাদুঘর এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজিডিসিএল কুমিল্লা কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অভিযানে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এরিয়া বিতরণ কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বিজিডিসিএল সূত্র জানায়, এলহামপাড়া ও ভাদুঘর এলাকায় এলাকায় ২৬টি অবৈধ গ্যাস সংযোগের রাইজার উচ্ছেদ ও নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় ৯টি গ্যাস রেগুলেটর উদ্ধার করা হয়। এছাড়া প্রায় ১৫২ মিটার অবৈধ গ্যাস নেটওয়ার্ক নিষ্ক্রিয় করা হয়।
অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নেওয়ার কারণে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৩ জনকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির লক্ষণদীয়া বিলে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের লক্ষণদীয়া যুবসমাজের উদ্যোগে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
কয়েক বছর পর এলাকায় নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হওয়ার স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে ঢল নামে বালিয়াকান্দি উপজেলা ও রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কয়েক হাজার দর্শনার্থীর।
প্রতিযোগিতার আয়োজক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জমারত শেখের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে নৌকাবাইচের উদ্বোধন করেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া।
এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে বালিয়াকান্দি উপজেলার বিভিন্ন এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল। প্রতিযোগিতায় সুসজ্জিত ছয়টি নৌকা অংশগ্রহণ করে। বাদ্য বাজিয়ে জারি-সারি, লোকগীতির তালে তালে মাঝি-মাল্লারা সজোরা বইঠা চালিয়ে শেষ প্রান্তে এগিয়ে আসেন বিশেষ স্থান পাওয়ার প্রত্যাশায়।
প্রতিযোগিতায় বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়-হিজলি গ্রাম থেকে আসা ‘বাংলার দুলদুল’ প্রথম স্থান, জামালপুর ইউনিয়নের ‘আব্দুল মান্নানের নৌকা’ দ্বিতীয় স্থান ও ‘রাসেল ফকিরের নৌকা’ তৃতীয় স্থান অধিকার করে। প্রথম স্থান অধিকারী নৌকার মাঝিদের ফ্রিজ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করা নৌকাকে টেলিভিশন পুরস্কার প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। এখানে এসে সত্যি আমার খুব ভালো লেগেছে। বিলের মধ্যে এত দর্শনার্থী নৌকাবাইচ দেখতে আসছে, যা সত্যিই অনন্য। জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষায় জেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
> রাজনীতি
> এবি পার্টি
‘গুমের তদন্ত অভিযুক্ত বাহিনীর হাতে নয়, স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের অধীনে দিতে হবে’
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে। দলটি মনে করে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় গুম, নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নাগরিকের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তাহীনতার স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত আইনগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।
ইতিহাসেরবই পড়ুন
দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
এবি পার্টির নেতারা উল্লেখ করেন, গুমের অভিযোগের তদন্ত এমন কোনো বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখা উচিত নয়, যাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে অতীতে গুমের অভিযোগ উঠেছে। গুমের তদন্তে কোনো বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নির্ভরতা দূর করে সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত তদন্ত ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
ক্যালেন্ডারঅ্যাপ বাছুন
তারা আরও বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও প্রকৃত অর্থে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কমিশনকে নিজস্ব তদন্ত ক্ষমতা, পর্যাপ্ত জনবল, স্বাধীন বাজেট এবং অবাধ পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে। সম্ভাব্য গোপন আটককেন্দ্রসহ দেশের সব হেফাজতস্থলে পূর্বানুমতি ছাড়া পরিদর্শনের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
নেতারা উল্লেখ করেন, গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শুধু সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের নয়, বরং নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী, সহযোগী এবং কমান্ড দায়ে জড়িত ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসনের অধিকার আইনে সুস্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল সম্পর্কে এবি পার্টির নেতারা বলেন, বাবা-মা বা কোনো দাতার জীবদ্দশায় সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করলেও তাদের ব্যবহার ও ভোগের অধিকার সংরক্ষণের উদ্দেশ্য মানবিক। তবে এই আইনের বিষয়ে মুসলিম আইন বা শরিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিছু আছে কি না, তা বিবেচনার জন্য ওলামায়ে কেরামের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।
তারা সতর্ক করে বলেন, মালিকানা ও ভোগাধিকার পৃথক হয়ে গেলে ভবিষ্যতে সম্পত্তি বিক্রি, বন্ধক, ভাড়া দেওয়া, রক্ষণাবেক্ষণ, কর প্রদান এবং উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন বিরোধ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আইনটি বাস্তবায়নের আগে এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট বিধান থাকা জরুরি। দান, হেবা, উত্তরাধিকার এবং সম্পত্তি হস্তান্তরসংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সঙ্গে নতুন বিধানের সামঞ্জস্য স্পষ্ট করার পাশাপাশি বাবা-মায়ের সম্পত্তি ও আবাসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তারা।
মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী, কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্র হবে জনতার এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আইনের প্রধান উদ্দেশ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ