ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লেব্রন জেমসের অভিষেকে ১৮ মিনিটে ১০ পয়েন্টে হারের মুখোমুখি ফিলাডেলফিয়া


লেব্রন জেমসের অভিষেকে ১৮ মিনিটে ১০ পয়েন্টে হারের মুখোমুখি ফিলাডেলফিয়া

এনবিএ প্রিসিজনে ফিলাডেলফিয়া সিক্সার্স ১০৮-১১৪ ব্যবধানে ব্রুকলিন নেটসের কাছে পরাজিত হয়েছে। নতুন দলের হয়ে লেব্রন জেমস প্রথম ম্যাচে ১৮ মিনিটে ১০ পয়েন্ট, ৪ রিবাউন্ড ও ৫ অ্যাসিস্ট করেছেন।

ফিলাডেলফিয়া সিক্সার্সের অভিষেক ম্যাচে লেব্রন জেমস হারের স্বাদ গ্রহণ করলেন। এনবিএ প্রিসিজন ম্যাচে সিক্সার্স ব্রুকলিন নেটসের কাছে ১০৮-১১৪ ব্যবধানে হেরে যায়। ৪১ বছর বয়সী লেব্রন প্রথমার্ধে ১৮ মিনিট খেলেছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ১০ পয়েন্ট, ৪ রিবাউন্ড, ৫ অ্যাসিস্ট এবং ১টি স্টিল অর্জন করেন।

লেব্রন মনে করেন, নতুন সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে কিছু সময় প্রয়োজন। তাঁর মতে, কোর্টে একে অপরকে সাফল্য পেতে সহায়তা করার উপায় এবং সতীর্থদের খেলার ধরনকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর বিষয়টি এখনও খুঁজে বের করছে দল। তাই তিনি এই ম্যাচটিকে ভবিষ্যতের কাজের জন্য একটি ভালো ভিত্তি হিসেবে দেখছেন।

আরও পড়ুন: হ্যারি ব্রুকের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড, ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৪২৯ রান

লেব্রনের সঙ্গে মাঠে ছিলেন জোয়েল এমবিড, ভিজে এজকম্ব, টাইরেস ম্যাক্সি এবং জেলেন ব্রাউন। ব্রাউন ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন।

গত জুলাইয়ে লেব্রন সিক্সার্সে যোগ দেন। তিনি জানিয়েছেন, এই চুক্তি তাঁর এনবিএ ক্যারিয়ারের শেষ চুক্তি হবে। রেকর্ড ২৪তম এনবিএ মৌসুমে খেলা লেব্রন লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ স্কোরার। ক্যারিয়ারে তিনি মায়ামি হিটের হয়ে দুটি, ক্লিভল্যান্ড ক্যাভালিয়ার্স ও লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের হয়ে একটি করে এনবিএ শিরোপা জিতেছেন। লেকার্সে আট মৌসুম কাটানোর পর, লেব্রন এখন সিক্সার্সে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন, যেখানে দলটির ৪৩ বছরের শিরোপা-খরা কাটানোর লক্ষ্য রয়েছে তাঁর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেন্টাগন: সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


পেন্টাগন: সাবেক মার্কিন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার হবে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাবাহিনীর একজন সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দৃশ্য জনসাধারণের জন্য দেখা যাবে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে।

প্রতিরক্ষা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে ২০০৯ সালে ফোর্ট হুডে নিরস্ত্র ১৩ জন মার্কিন সেনাকে গুলি করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত হওয়ার পর। এই কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার (লাইভস্ট্রিম) করা হবে।

এটি ধারণা করা হচ্ছে, গত প্রায় এক শতাব্দীর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে এটিই হবে প্রথম প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের নিয়ে কাজ করা আইনজীবী জন মিলস মন্তব্য করেছেন, এই সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তটি ‘আধুনিক যুগে নজিরবিহীন’ এবং এর ‘আইনি বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে’ বলে তিনি মনে করেন।

হেগসেথ বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করব যেন মানুষ এটি দেখতে পারে এবং এটি যেন সবার জন্য উন্মুক্ত হয়। মানুষের বোঝা উচিত, এ ধরনের কাজের জন্য কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হয়।’

পেন্টাগন এই সপ্তাহের শুরুর দিকে ঘোষণা করেছিল, তারা হাসানকে মৃত্যুদণ্ড দেবে। এটি হবে ৬০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে কোনো সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা।

রক্ষণশীল টিভি চ্যানেল রিয়েল আমেরিকাস ভয়েসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হেগসেথ বলেন, হাসানের জন্য ‘সেনাদের একটি ফায়ারিং স্কোয়াড থাকবে। যেমনটা হওয়া উচিত।’

হাসান কোনো শেষ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কি না বা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ বলেন, ‘এতে কিছু যায় আসে না। ৩ ডিসেম্বর আমরা তাকে দেখব।’

পেন্টাগনের এক মুখপাত্র গত সোমবার জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সুপারিশ অনুমোদন করেছেন। সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি ট্রাম্প সমর্থন করেন কি না, তা জানতে বিবিসি হোয়াইট হাউসের কাছে প্রশ্ন রেখেছে।

গত বছর ১৭টি দেশে ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলেও মাত্র দুটি দেশে তা প্রকাশ্যে করা হয়েছিল।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানে প্রকাশ্যে ১১টি এবং আফগানিস্তানে ছয়টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা ঘটেছে।

গত মঙ্গলবার মার্কিন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি জানিয়েছেন, টেক্সাসের ফোর্ট হুডে ৩ ডিসেম্বর এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে এটিই হবে প্রথম সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর। ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা ও মার্কিন সেনাবাহিনীর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হাসান ২০০৯ সালে ফোর্ট হুডের একটি জনাকীর্ণ মেডিকেল ভবনে ১৩ জন নিরস্ত্র সেনাকে গুলি করে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

আদালতে তিনি ‘যেকোনো ভুলের’ জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ২০১৩ সালে নিজের কোর্ট মার্শালের সময় তিনি বলেছিলেন, তিনি বিশ্বাস করতেন তিনি আফগানিস্তানে মুসলিম ও তালেবানদের রক্ষা করছিলেন।

সামরিক আইন অনুযায়ী, কোনো সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া এর জন্য আপিল পর্যালোচনারও প্রয়োজন হয়, যেখানে একটি উচ্চতর আদালত সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করে এবং তা এগিয়ে নেওয়ার আইনি বৈধতা সম্পর্কে চূড়ান্ত রায় দেয়।

মিলস জানান, হাসানের আপিল প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। তিনি সম্ভবত কেন্দ্রীয় আদালতে তার দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাজার বিষয়টি পর্যালোচনার আবেদন করবেন, যার ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যেতে পারে।

তাই মিলস বলেন, মৃত্যুদণ্ডটি যদি সত্যিই কার্যকর করা হয়, তবে তিনি অবাকই হবেন।

তিনি আরও বলেন, ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং তা সরাসরি সম্প্রচারের (লাইভস্ট্রিম) উদ্যোগটি ট্রাম্প প্রশাসনের কেবলই মনোযোগ আকর্ষণের একটি প্রচেষ্টা মাত্র। এটি ঘটার সম্ভাবনা কম এবং এর মাধ্যমে ন্যায়বিচারের কোনো প্রতিফলন ঘটার প্রশ্নই আসে না।

ইয়েল ল স্কুলের ভিজিটিং লেকচারার ইউজিন আর ফিডেল বলেন, এটি ‘সত্যিই একটি দুর্ভাগ্যজনক সিদ্ধান্ত’।

তিনি বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করাটা মধ্যযুগীয় বর্বরতার শামিল। সমাজ হিসেবে আমরা সেই পর্যায় অনেক আগেই পার করে এসেছি—অন্তত আজ পর্যন্ত আমি সেটাই মনে করতাম।’

ফিডেল বলেন, হাসান যদি আইনি লড়াই চালিয়ে যান, তবে ‘সেই প্রক্রিয়া বছরের পর বছর ধরে চলবে’ এবং তা ‘হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদকালের চেয়েও অনেক দীর্ঘ হবে’।

কিছু অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তা কোনো না কোনোভাবে জনসাধারণের দেখার ব্যবস্থা রাখার নিয়ম রয়েছে। অনেক অঙ্গরাজ্যে সাংবাদিকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি অন্যদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার সুযোগও দেওয়া হয়।

তবে ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক ডেবোরা ডেনো বলেন, ‘এর আগে কখনও মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করা হয়নি।’

তিনি বলেন, সরাসরি সম্প্রচারিত মৃত্যুদণ্ড এমন এক মাত্রার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে, ‘যা সম্ভবত এই দেশে আমরা আগে কখনও দেখিনি’। দেশের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার পক্ষে—যদিও এর প্রচলন এখন কমছে। এ ক্ষেত্রে এমন যুক্তিও দেওয়া যেতে পারে যে, ‘আপনারা যদি মৃত্যুদণ্ডই চান, তবে আসুন দেখাই এই দেশে তা কীভাবে কার্যকর করা হয়’। এর ফলে মানুষ ঠিক কী ঘটছে, তা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবে।

ডেনো বলেন, লাইভস্ট্রিম আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন; যেমন এতে বয়সসীমা বা বিধিনিষেধ থাকবে কি না এবং যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এটি দেখানো হবে, তার নীতিমালার সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক হবে কি না।

লাইভস্ট্রিমটি কোথায় দেখা যাবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অধিকাংশ বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই এমন নিয়ম রয়েছে, যা স্পষ্ট বা খোলামেলা বিষয়বস্তুর লাইভস্ট্রিমিং নিষিদ্ধ বা সীমিত করে।

ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও থ্রেডসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেটা মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনো লাইভ স্ট্রিম বা সরাসরি সম্প্রচার স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করেছে। টিকটকেও অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ইলন মাস্ক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) তাদের কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু তদারকির নীতি কিছুটা শিথিল করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর দৃশ্য সংবলিত কন্টেন্ট তখনই সরিয়ে ফেলা হবে ‘যদি আমরা তাদের পরিবার বা কোনো অনুমোদিত প্রতিনিধির কাছ থেকে অনুরোধ পাই’।

ট্রাম্পের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ব্যবহারকারীদের জন্য লাইভ-স্ট্রিম ভিডিওর কোনো সুবিধা নেই।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, সেই তালিকার শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে চীন, ইরান, সৌদি আরব, ইয়েমেন ও যুক্তরাষ্ট্র।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শেষ বছর পর্যন্ত টানা ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্রে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। তবে ওই শেষ বছরেই তড়িঘড়ি করে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর পূর্বসূরি জো বাইডেনের দেওয়া স্থগিতাদেশ বাতিল করে দেন।

দেশটিতে সর্বশেষ সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ১৯৬১ সালে। সে সময় ১১ বছর বয়সী এক অস্ট্রিয়ান কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এক মার্কিন সেনাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি আইজেনহাওয়ার এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমোদন দিয়েছিলেন। এমনকি ভুক্তভোগীর পরিবার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির কাছে অপরাধীর প্রাণভিক্ষা বা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করা সত্ত্বেও এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে সর্বশেষ সামরিক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ১৯৪৫ সালের জানুয়ারি মাসে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ মাসগুলোতে এক পলাতক মার্কিন সেনাকে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর দিনাজপুরে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


উত্তর দিনাজপুরে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত

ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলায় ট্রাকের সাথে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পিকআপ ভ্যানের চালক এবং চার শ্রমিক।

নিহতদের মধ্যে মালদা জেলার কালিয়াচক থানার ভাগলপুর এলাকার হাসনাত আলি (১৫), মোহাম্মদ রমজান মমিন (২৮), মোহাম্মদ মোস্তফা আনসারী (১৮) এবং সাহেল আনসারী (১৭) অন্তর্ভুক্ত। পিকআপ ভ্যানের চালক সোহেল আক্তার (৩১) একই থানার কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটি রায়গঞ্জ থানার মাড়াইকুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঙ্কা মোড় এলাকায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মুরগি বোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকা একটি পিকআপ ভ্যানের পিছনে ধাক্কা দেয়। এই ঘটনায় চালকসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মধ্যে দুইজন নাবালক রয়েছে।

এই দুর্ঘটনার কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দূরপাল্লার গাড়িগুলিকে রায়গঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে পুরনো জাতীয় সড়কে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মৃতদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় পাঁচটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক এবং পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকব্যবস্থা শুধু চিঠি আদান-প্রদান নয়, মানববন্ধনের বৈশ্বিক অবকাঠামো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


ডাকব্যবস্থা শুধু চিঠি আদান-প্রদান নয়, মানববন্ধনের বৈশ্বিক অবকাঠামো

বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের উন্নয়ন, জরুরি পরিষেবা প্রদান এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে ডাকব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

আজ শুক্রবার, বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে তিনি একটি বিশেষ বার্তায় উল্লেখ করেন, ‘ডাকব্যবস্থা শুধু চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কোনো মাধ্যম নয়; বরং এটি মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ স্থাপন এবং জীবনের প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক অবকাঠামো।’

মহাসচিব জানান, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৬ লাখ ৬০ হাজারের বেশি ডাকঘর এবং প্রায় ৪৬ লাখ কর্মী প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ ও গতিশীল রাখতে নিয়োজিত রয়েছেন। ডাক নেটওয়ার্ক বিশ্ব অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত ভূমিকা রাখছে।

চলতি বছরের প্রতিপাদ্য—‘একটি ডাক নেটওয়ার্ক, অসীম সম্ভাবনা’—ডাক ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সেবার এক সমন্বিত একক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডিজিটাল রূপান্তরের যুগেও ডাক ব্যবস্থার প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, তরুণদের ডিজিটাল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, পরিবারের ভার্চ্যুয়াল স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিশ্ববাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা কিংবা প্রবীণদের পাশে দাঁড়ানোর মতো নানা নাগরিক সেবায় ডাকব্যবস্থা এখন সবচেয়ে বিশ্বস্ত অংশীদার।

তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির অগ্রগতির মধ্যেও ডাকসেবার প্রধান শক্তি হলো সরাসরি মানবিক উপস্থিতি। ঘরে ঘরে গিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার ঐতিহ্য সমাজ ও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বজায় রাখছে।

মহাসচিব ডাকব্যবস্থাকে বৈশ্বিক বহুপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যতম প্রাচীন ও সফল নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটময় পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই ডাক বিভাগ বার্তা, জরুরি পণ্য ও ওষুধ মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হচ্ছে।

বিশ্ব ডাক দিবসে বিশ্বব্যাপী নিয়োজিত সর্বস্তরের ডাককর্মী এবং সার্বিক সহযোগিতায় নিয়োজিত ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (ইউপিইউ) অনন্য অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বার্তা দিলেন মোজতবা খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


নতুন বার্তা দিলেন মোজতবা খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নতুন বার্তা প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা মেহেরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সপ্তাহ‘ উপলক্ষে তিনি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেছেন।

মোজতবা খামেনি তাঁর বার্তায় বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইরানের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন সংঘাত ও যুদ্ধের সময় এটি আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা হলো আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। ইরানের বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম ও পাড়ার ক্ষুদ্রতম জনবসতি পর্যন্ত; প্রতিকূল আবহাওয়া এবং পাহাড়ি ও সামুদ্রিক জলবায়ুর মধ্যে কঠিন সীমান্ত পাহারা থেকে শুরু করে সমতল ভূমি, বন-জঙ্গল ও দেশের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত—সর্বত্র নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিবেদিতপ্রাণ ও কঠোর পরিশ্রমী সদস্যদের সাহসিকতা ও বীরত্বের কারণে। এই বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও স্টাফ পর্যায় থেকে শুরু করে থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধগুলোর সময় তাদের এই প্রভাব ও ভূমিকার বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়েছে।

মোজতবা খামেনি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মুখসারির ইউনিট পর্যন্ত আঘাত হানার জন্য যে বিশেষ মনোযোগ ও মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছে, তা এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বেশি স্পষ্ট করে তুলেছে।

তিনি বলেন, সমাজের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্তম্ভগুলোর ওপর চালানো এই মরিয়া প্রচেষ্টা এবং বিদ্বেষপূর্ণ আঘাত—যার কোনো নজির ইতিহাসে নেই—তা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহসী সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%