নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:০০ পি.এম
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৮ নং সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম মনির।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সেহাঙ্গল বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে সমর্থকদের নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মো. জহিরুল ইসলাম মনির ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। তিনি সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কাউখালী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেছারাবাদ উপজেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি এর আগে সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) ছিলেন।
প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মো. জহিরুল ইসলাম মনির বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছি। অতীতেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী নির্বাচনে সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাই। নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে কাজ করব। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।”
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলো বিবেচনা করে ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করতে চান। তবে নির্বাচনে কে কতটা জনসমর্থন পাবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
উল্লেখ্য, সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের নির্বাচনী অবস্থান জানান দিলেন মো. জহিরুল ইসলাম মনির। তবে নির্বাচনে তাঁর দলীয় মনোনয়ন এবং অন্যান্য একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে মৌখিক গুঞ্জন থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি ইউপি নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে কেহ প্রার্থিতা ঘোষণা করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সবজিবাহী পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া সবুজ পাহাড় এলাকায়।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার আবুল কালামের ছেলে আবদুল্লাহ (২৭) এবং অন্যজন চকরিয়া উপজেলার রামপুরা এলাকার মো. দুলালের ছেলে মো. ইয়াছিন (৩০)।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, পিকআপটি চকরিয়া থেকে টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের উদ্দেশ্যে সবজি নিয়ে যাচ্ছিল। এসময় চট্টগ্রামগামী শ্যামলী এন আর পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে পিকআপে থাকা আবদুল্লাহ ও ইয়াছিন গুরুতর আহত হন। তবে নিহতদের মধ্যে কে চালক এবং কে সহকারী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম মিয়া বলেন, ‘বেপরোয়া গতিতে চলা যাত্রীবাহী বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়ে তাদের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করে থানায় নেয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনার সময় পুলিশের দাঁড়িয়ে থাকা রেকারের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় সেলিম হাওলাদার নামে এক আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ভোরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের তাঁতিবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সেলিম হাওলাদার সদর উপজেলার বাগেরপাড় এলাকার মৃত নাজিম উদ্দীন হাওলাদারের পুত্র ছিলেন। তিনি শহরের ‘হোটেল মেট্রো’ নামক একটি আবাসিক হোটেলের মালিক ছিলেন।
পুলিশ এবং নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ভোরে সেলিম নিজ মালিকানাধীন প্রাইভেটকার চালিয়ে ভূরঘাটা থেকে মাদারীপুর শহরের দিকে ফিরছিলেন। তাঁতিবাড়ি এলাকায় পৌঁছানোর পর তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে পূর্বের একটি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত গাড়ি উদ্ধারে নিয়োজিত পুলিশের রেকারের পেছনে প্রাইভেটকারটি সজোরে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষে সেলিম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ওসি মারুফ রহমান জানান, সকালে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার পর কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা লাশ নিয়ে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের স্ত্রী এমিনি এরদোয়ান উজবেকিস্তানের সমরকন্দে অবস্থিত ইমাম বুখারির মাজার জিয়ারত করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার শিশুদের কল্যাণবিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য সমরকন্দে অবস্থানকালে ইমাম বুখারি স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে যান। সেখানে তিনি মাজার জিয়ারত করেন এবং দোয়া করেন।
এরপর এমিনি এরদোয়ান কমপ্লেক্সের জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো দেখার সুযোগ পান এবং ইমাম বুখারির জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লাভ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে এমিনি এরদোয়ান উল্লেখ করেন যে, সমরকন্দের ইমাম বুখারি স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে তাঁদের একটি আধ্যাত্মিক যাত্রার অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে। তিনি বলেন, "হাদিসশাস্ত্রে জীবন উৎসর্গ করা এই মহান মনীষীর স্মৃতি ধারণ করে রাখা স্থানটির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে তাঁদের।"
ইমাম বুখারিকে স্মরণ করে এমিনি এরদোয়ান আরো বলেন, ইসলামী সভ্যতায় অনন্য অবদান রাখা এই মনীষী শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানবজাতিকে পথ দেখিয়ে আসছেন। তিনি ইমাম বুখারির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মির্জিয়োয়েভের স্ত্রী জিরোয়াত মির্জিয়োয়েভা, লেবাননের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী নিমেত আউন, কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্টের স্ত্রী আইগুল জাপারোভা, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে আয়েশা হারুন এবং নুন এডুকেশন অ্যান্ড কালচার ফাউন্ডেশনের বোর্ড চেয়ারওম্যান এসরা আলবায়রাক।
এমিনি এরদোয়ান সমরকন্দে ‘শিশুদের কল্যাণে বিনিয়োগ: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টেকসই ও ন্যায়সংগত উন্নয়নের পথ’ শীর্ষক বিশ্ব সম্মেলনে অংশ নিতে গিয়েছেন।
তথ্যসূত্র: টিআরটি ও আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিরোধী দলকে লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সংসদে ফিরে এসে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার কমিটিতে বিরোধী দলকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিরোধী দলের কম-বেশি যাই হোক সংসদে মূল্যায়ন রয়েছে। তাই লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সংসদে ফিরে এসে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে অবাধে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তবে বাকস্বাধীনতার পাশাপাশি বাকশালীনতাও বজায় রাখতে হবে।’
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বেহেশতের টিকিটের কথা বলে জামায়াত ভোট নিয়েছে। নির্বাচনের আগে পূজামণ্ডপে গিয়ে ঢাকের তালে নেচেছে। কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের আর পূজামণ্ডপে দেখা যায়নি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ