বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৫৫ পি.এম
চলমান ফুটবল বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে শীর্ষে উঠেছেন আর্জেন্টিনার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
গতরাতে আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মত ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। এই ম্যাচে গোল করতে না পারলেও, আর্জেন্টিনার দুই গোলে মেসির এ্যাসিস্ট ছিল। যার ফলে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে টপকিয়ে শীর্ষে এসে যান মেসি।
বিশ্বকাপের এই আসরে মেসি ও এমবাপ্পে উভয়েই সমান ৮টি করে গোল করেছেন এবং তাই তারা যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে। গোলসংখ্যা সমান হলে, গোল্ডেন বুটের জন্য এ্যাসিস্ট সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়।
এখন পর্যন্ত এমবাপ্পে ৩টি এ্যাসিস্ট করেছেন, কিন্তু মেসি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুইটি এস্যিস্টসহ মোট ৪টি এ্যাসিস্ট করেছেন। যা এমবাপ্পের চেয়ে ১টি বেশি। ফলে গোল্ডেন বুট জয়ের দৌঁড়ে মেসি এখন সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
নরওয়ের আর্লিং হালান্ড ৭ গোল করলেও তার কোন এ্যাসিস্ট নেই। এবং ৬টি করে গোল করে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেন। এদের দু'জনই ১টি করে এ্যাসিস্ট করেছেন।
ফ্রান্সের ওসমানে ডেম্বেলে ও স্পেনের মিকেল ওয়ারজাবাল সমান ৫ গোল করেছেন। তবে ডেম্বেলে ২টি ও ওয়ারজাবাল ১টি এ্যাসিস্ট করেছেন।
গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ের তালিকায় থাকা সাতজনের মধ্যে ছয়জনের এখনো বিশ্বকাপে একটি করে ম্যাচ আছে। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে নরওয়ে বিদায় নেওয়ায় হালান্ডের আর ম্যাচ খেলার সুযোগ নেই।
অন্যদিকে বাকি ছয়জনের বিশ্বকাপে এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে।
আগামী শনিবার বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে খেলা হবে। সেখানে ফ্রান্সের হয়ে এমবাপ্পে ও ডেম্বেলে এবং ইংল্যান্ডের হয়ে বেলিংহাম ও কেন মাঠে নামবেন। ঐ ম্যাচে তারা গোল ও এ্যাসিস্ট বাড়ানোর সুযোগ পাবেন।
এছাড়া আগামী রোববার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এখানে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি ও স্পেনের হয়ে খেলবেন ওয়ারজাবাল। ফাইনালে গোল ও এ্যাসিস্ট বাড়িয়ে গোল্ডেন বুট জয়ের জন্য এটি মেসি ও ওয়ারজাবালের জন্য একটি বড় সুযোগ হতে পারে।
গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ের তালিকা :
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) : ৮ গোল ও ৪ এ্যাসিস্ট
কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) : ৮ গোল ও ৩ এ্যাসিস্ট
আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে) : ৭ গোল
জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) : ৬ গোল ও ১ এ্যাসিস্ট
হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড) : ৬ গোল ও ১ এ্যাসিস্ট
ওসমানে ডেম্বেলে (ফ্রান্স) : ৫ গোল ও ২ এ্যাসিস্ট
মিকেল ওয়ারজাবাল (স্পেন) : ৫ গোল ও ১ এ্যাসিস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল উন্মাদনায় যখন শোবিজ জগতের প্রচুর তারকা মেতে উঠেছেন, তখন এক ব্যতিক্রমী মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি মনে করেন যে, ফুটবল দলের জয় এবং পরাজয়ের ওপর বিয়ের মতো জীবনের বড় কোনো সিদ্ধান্ত নির্ভর করা অপ্রাসঙ্গিক এবং সম্পর্কহীন বিষয়।
তানজিন তিশা ছোটবেলা থেকে পারিবারিক কারণে আর্জেন্টিনা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক। তবে, প্রিয় দলের জয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিয়েকে তিনি একেবারেই মেলাতে নারাজ। তানজিনের মতে, ফুটবল দলের জয়-পরাজয়ের ওপর তার বিয়ের মতো জীবনের হতাশা এবং আনন্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
জানা যায়, প্রিয় দল চ্যাম্পিয়ন হবার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শোবিজ জগতের অনেকেই চমকপ্রদ ঘোষণা দিচ্ছেন। এমতাবস্থায় অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এবারের বিশ্বকাপে যদি আর্জেন্টিনা জয়লাভ করে, তাহলে কি তিনি বিয়ে করবেন?
এমন প্রশ্নের উত্তরে বিস্ময় প্রকাশ করে তিশা পাল্টা প্রশ্ন করেন, আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক?
এরপর তিনি আরো বলেন, আমি অজস্রবার ঘোষণা করেছি যে আমার বাবা আর্জেন্টিনা সমর্থক ছিলেন, তাই আমিও আর্জেন্টিনার সমর্থন করছি। তবে খেয়াল করে দেখবেন, আর্জেন্টিনা দলের জার্সি পরে আমি ফেসবুকে কোনো ছবি প্রকাশ করিনি। প্রিয় দলের জয়ের সঙ্গে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কোনো সম্পর্ক নেই। এর পাশাপাশি তানজিন তিশা বলেন, আমার বিয়ের বিষয়টি প্রিয় দলের জয়-পরাজয়ের ওপর নির্ভর করে না।
এদিকে, সদ্যই আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। এ উপলক্ষে চিত্রনায়িকা পরীমণি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবারো বিয়ে করার ঘোষণা দিয়ে লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আরেকটা বিয়ে করব।’ এ থেকেই প্রিয় দলের বিজয়ের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি নিয়ে বিতর্কিত আলোচনা চলছে নেটদুনিয়ায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রথম ম্যাচ হেরে সফরকারী বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে। সিরিজে টিকে থাকার জন্য টাইগারদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুরের মুখোমুখি হবে।
বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে।
ফেভারিট হিসেবে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করে, একমাত্র টেস্ট ইনিংসে ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে। এরপর, টাইগাররা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হারায়।
জিম্বাবুয়ে সফরে সিরিজ জয়ের শেষ সুযোগ হিসেবে এরকম কোনো কিছু ছিল না, তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট ছিল বাংলাদেশ দলের সামনে। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হেরে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিও হারলে এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারের লজ্জার সম্মুখীন হবে, যা জিম্বাবুয়ে মাটিতে বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে বাংলাদেশ আগের ম্যাচে ব্যর্থতাকে ভুলে গিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের টার্গেট স্পর্শ করার জন্য ৫ উইকেটে ১৩০ রান তুলে বাংলাদেশ জয়ের লড়াইয়ে ছিল। এরপর মাত্র ১৪ বল ও ৮ রান ব্যবধানে পরপর ৫ উইকেট পতনের মাধ্যমে টাইগাররা পরাজয় বরণ করে।
চার বছরের বিরতির পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ৩৮ বলে ৫৪ রানের একটি ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ইয়াসির আলি। ইয়াসিরের আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ দলটি ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলটির হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন মাহেদি হাসান।
এর আগে বল হাতে নাহিদ রানা আলো ছড়িয়েছেন। তিনি ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন। কিন্তু এরপরেও ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোच মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, ‘আমরা প্রতি ম্যাচই জয়লাভের জন্য খেলতে নামি। কিন্তু আমাদের ব্যাটারদের নির্দিষ্ট কিছু বোলারের বিরুদ্ধে আরও কৌশলগত উন্নতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি। কিন্তু ভুল করার পরেও আমরা তা থেকে কিছু শিখছি না। আমাদের situasi সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
দলে একটি পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ সিরিজে সমতা ফেরানোর মিশনে। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একাদশে সুযোগ পেতে পারেন।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া একাদশ নিয়েই মাঠে নেমে থাকতে পারে জিম্বাবুয়ে। যদি তারা জয় পায়, তবে এক ম্যাচ পুরনো হয়ে টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জিতে যেতে সক্ষম থাকতে পারে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে কেবল একবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল, ২০২২ সালে ঘরের মাঠে হওয়া তিন ম্যাচের সিরিজটি তারা ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পাল্লা ভারী। বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলে ১৭টিতে জয়লাভ করেছে, অপরদিকে ৯টিতে পরাজিত হয়েছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ দল : তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, সাইফুদ্দিন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
জিম্বাবুয়ে দল : সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাদান্ডে, টিনোতেন্ডা মাপোসা, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিয়ন মায়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিয়ামহুরি, মিল্টন শুম্বা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এই কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
এছাড়াও তিনি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই), রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।
জহির উদ্দিন স্বপন এই সময় বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জের কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই।
তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এ সময় সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি বলে উল্লেখ করে, এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বের যেসব স্থানে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজারের সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খুলে গেছে। ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যান্য সম্ভাব্য স্থানে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে।
আজ সিলেটের ইসকন মন্দিরে রথযাত্রা উৎসব উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দুবাইয়ের শ্রমবাজার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে শ্রমবাজার নিয়ে ভুল তথ্য আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ চলছে, এবং সপ্তাহখানেকের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী জানান, চা শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে হার থাকার ব্যবস্থা, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাসেবা এবং সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও তিনি কাজ করে যাবেন।
সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় প্রতিজন চা শ্রমিক তাদের প্রাপ্য উৎসব ভাতা পেয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করাই এই সরকারের অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ