বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:০০ পি.এম
প্রথম ম্যাচ হেরে সফরকারী বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে। সিরিজে টিকে থাকার জন্য টাইগারদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুরের মুখোমুখি হবে।
বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে।
ফেভারিট হিসেবে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করে, একমাত্র টেস্ট ইনিংসে ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে। এরপর, টাইগাররা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হারায়।
জিম্বাবুয়ে সফরে সিরিজ জয়ের শেষ সুযোগ হিসেবে এরকম কোনো কিছু ছিল না, তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট ছিল বাংলাদেশ দলের সামনে। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হেরে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিও হারলে এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারের লজ্জার সম্মুখীন হবে, যা জিম্বাবুয়ে মাটিতে বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে বাংলাদেশ আগের ম্যাচে ব্যর্থতাকে ভুলে গিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের টার্গেট স্পর্শ করার জন্য ৫ উইকেটে ১৩০ রান তুলে বাংলাদেশ জয়ের লড়াইয়ে ছিল। এরপর মাত্র ১৪ বল ও ৮ রান ব্যবধানে পরপর ৫ উইকেট পতনের মাধ্যমে টাইগাররা পরাজয় বরণ করে।
চার বছরের বিরতির পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ৩৮ বলে ৫৪ রানের একটি ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ইয়াসির আলি। ইয়াসিরের আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ দলটি ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলটির হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন মাহেদি হাসান।
এর আগে বল হাতে নাহিদ রানা আলো ছড়িয়েছেন। তিনি ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন। কিন্তু এরপরেও ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোच মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, ‘আমরা প্রতি ম্যাচই জয়লাভের জন্য খেলতে নামি। কিন্তু আমাদের ব্যাটারদের নির্দিষ্ট কিছু বোলারের বিরুদ্ধে আরও কৌশলগত উন্নতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি। কিন্তু ভুল করার পরেও আমরা তা থেকে কিছু শিখছি না। আমাদের situasi সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
দলে একটি পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ সিরিজে সমতা ফেরানোর মিশনে। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একাদশে সুযোগ পেতে পারেন।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া একাদশ নিয়েই মাঠে নেমে থাকতে পারে জিম্বাবুয়ে। যদি তারা জয় পায়, তবে এক ম্যাচ পুরনো হয়ে টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জিতে যেতে সক্ষম থাকতে পারে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে কেবল একবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল, ২০২২ সালে ঘরের মাঠে হওয়া তিন ম্যাচের সিরিজটি তারা ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পাল্লা ভারী। বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলে ১৭টিতে জয়লাভ করেছে, অপরদিকে ৯টিতে পরাজিত হয়েছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ দল : তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, সাইফুদ্দিন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
জিম্বাবুয়ে দল : সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাদান্ডে, টিনোতেন্ডা মাপোসা, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিয়ন মায়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিয়ামহুরি, মিল্টন শুম্বা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক বেতন-ভাতা এবং চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এই কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
এছাড়াও তিনি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম শিল্পের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই), রাজধানীর একটি মিডিয়া গ্রুপের প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘সাংবাদিকদের আর্থিক অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পেশাদার সাংবাদিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং অপসাংবাদিকতার সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রকৃত ও মেধাবী সাংবাদিকদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সম্মানজনক বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা অপরিহার্য। এটি নিশ্চিত করা গেলেই সাংবাদিকরা নিরাপদ কর্মপরিবেশে স্বাধীনভাবে মেধা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের মালিকদের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে এমন নীতিগত সহায়তা দিতে হবে, যাতে গণমাধ্যম শিল্পে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকে।
জহির উদ্দিন স্বপন এই সময় বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জের কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই।
তিনি বলেন, প্রচলিত গণমাধ্যম বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্বাধীন কনটেন্ট নির্মাতাদের উত্থানের ফলে বিজ্ঞাপনের বড় একটি অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তাই মূলধারার গণমাধ্যমকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এ সময় সরকারি বিজ্ঞাপনের বিষয়ে দর্শক ও পাঠক সংখ্যাই গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড নিরূপণের মূল ভিত্তি বলে উল্লেখ করে, এ বিষয়টি নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, নিউজ ২৪ এর বার্তা প্রধান শরিফুল ইসলাম খান, বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম এর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ কে এম মনজুরুল ইসলাম মনজু এবং কালের কণ্ঠের যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বের যেসব স্থানে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজারের সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য সরকারের সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার খুলে গেছে। ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যান্য সম্ভাব্য স্থানে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে।
আজ সিলেটের ইসকন মন্দিরে রথযাত্রা উৎসব উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দুবাইয়ের শ্রমবাজার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, দুবাইয়ে শ্রমবাজার নিয়ে ভুল তথ্য আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ চলছে, এবং সপ্তাহখানেকের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আরিফুল হক চৌধুরী জানান, চা শ্রমিকদের জন্য মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে হার থাকার ব্যবস্থা, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসাসেবা এবং সন্তানদের লেখাপড়ার সুযোগ নিশ্চিত করা, এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও তিনি কাজ করে যাবেন।
সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় প্রতিজন চা শ্রমিক তাদের প্রাপ্য উৎসব ভাতা পেয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের প্রতি দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করাই এই সরকারের অঙ্গীকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং এই আদেশের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিলের নেতারা। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তাঁরা এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সংবিধানে সরাসরি গণ-অভ্যুত্থানের কোনো বিধান না থাকলেও ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। যখন নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার পরিবর্তনের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, তখন জনগণ গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটায়। এই গণ-অভ্যুত্থান থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের ম্যান্ডেট লাভ করেছে। তিনি আরো বলেন, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের আলোকে সুপ্রিম কোর্টের উপদেষ্টা মুলক এখতিয়ার থাকলেও, সরকার বৈধ না অবৈধ, সে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা আদালতের নেই। জনগণ যখন কোনো সরকার গঠন করে, সেটিই হয় ওই সরকারের বৈধতা মূল ভিত্তি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের আইনি ভিত্তি নিয়ে শিশির মনির বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশই ছিল সেই নির্বাচনের একমাত্র আইনি ভিত্তি। এই সনদের মাধ্যমেই রাষ্ট্র সংস্কারের একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশই জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায় প্রকাশের একমাত্র আইনগত মাধ্যম। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের আইনি দলিল ও বর্তমানে কার্যকর আইন। এই আইন মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপুসহ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হারের জন্য দলের ব্যাটারদের একই ভুলের সমালোচনা করেছেন।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ইউনিট ম্যাচের পরিস্থিতি ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে জিম্বাবুয়ে ম্যাচটিতে দাপট দেখাতে সক্ষম হয়। সালাউদ্দিন জানিয়েছেন যে, ভুল থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যাটাররা রয়েছে ব্যর্থতার বৃত্তে।
গতকাল, বুলাওয়েতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য মাঠে নামি। তবে নির্দিষ্ট কিছু বোলারদের বিপক্ষে আমাদের ব্যাটারদের আরও কৌশলগত উন্নতির প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করে যাচ্ছি। কিন্তু ভুল করার পরেও আমরা শিখছি না। আমাদের পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
বাংলাদেশ দল প্রায় এক মাসের সফরে জিম্বাবুয়েতে অবস্থান করছে। তবে সেখানকার পরিবেশে মানিয়ে নিতে না পারায় সালাউদ্দিন প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে ২০ থেকে ২৫ দিন ধরে আছি। এখানকার পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। যদি আমরা বলি, আমরা মানিয়ে নিতে পারিনি, তাহলে সেটা ভালো লক্ষণ নয়। ব্যাটারদের যত দ্রুত সম্ভব এই পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়া উচিত।’
এবারের সফরে জিম্বাবুয়ের দুই পেসার রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ব্যাটাররা হিমশিম খাচ্ছে। টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও হৃদয়-ইমনরা নিজেদের অসহায়ত্ব প্রদর্শন করেছে। প্রথম ম্যাচে ৪টি করে উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের জয়ে বড় অবদানের জন্য দায়ী হয়েছেন এনগারাভা ও মুজারাবানি।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ থেকেই আমরা এনগারাভা ও মুজারাবানিকে ভালোভাবে সামলাতে পারছি না। তারা পুরো সফরের মধ্যে পার্থক্য গড়েছে। এই দুই পেসারকে কিভাবে দেখা হবে, সে ব্যাপারে আমাদের আরও ভালো পরিকল্পনা করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের এই দুই বোলার যথেষ্ট লম্বা। তারা যেকোন উইকেট থেকে অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করতে পারে। পরের ম্যাচের আগে আমাদের মূল চিন্তা হওয়া উচিত, এই দুজন পেসারকে কিভাবে সামলানো যায়।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ