মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৯ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র জুন মাসের চুক্তিতে ফিরে এলে ইরানও ‘তাৎক্ষণিকভাবে’ পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ তথ্য ইরানের প্রেসিডেন্টের অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলছি, যুক্তরাষ্ট্র যদি উল্লিখিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসে, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানও তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেবে।’ বার্তা সংস্থা এএফপি কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক থেকে এই খবরটি জানায়।
যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে ওই সমঝোতা স্মারকটি তৈরি করা হয়েছিল। এটি কয়েক মাস ধরে চলমান তেহরান ও ওয়াশিংটনের সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্য করা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। পরবর্তীতে চুক্তিটি ভেস্তে যায়। উভয় পক্ষই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের জন্য পরস্পরকে দায়ী করে।
পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিরোধের একটি প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে হরমুজ প্রণালী। এক মাসের বেশি সময় ধরে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতির পর সোমবার দুই দেশ আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু করে।
তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ রেখেছে। তবে তারা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রও যদি একই পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তাহলে চুক্তির আওতায় তারা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাবে।
সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই তাদের প্রতিশ্রুতিতে এবং তাদের প্রেসিডেন্ট যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন, তাতে ফিরে আসতে হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘সেক্ষেত্রে সবকিছু আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আজ জেলা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বৈরি আবহাওয়া সত্ত্বেও হাজারো নেতা কর্মী উৎসবমুখর পরিবেশে এই অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয় আজ মঙ্গলবার ভোর ৬ টায় বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
এরপর বেলা ১১ টায় একটি আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যা জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভায় সমাপ্ত হয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতের সঞ্চালনায় এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।
এসময় জেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এলিজা জামান, সাবেক সদস্য সচিব গাজী অহিদুজ্জামান লাভলু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মারুফ হাসান, সদস্য সচিব এমদাদুল হক মাসুদ, ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীনসহ জেলা বিএনপি'র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রংপুর জেলার আটটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের উদ্দেশ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে মোট ৭৬টি সার ডিলার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।
গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর নির্দেশনা অনুযায়ী এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে পাঁচ জন, কাউনিয়ার ছয়টি ইউনিয়নে ছয় জন, গংগাচড়ার নয়টি ইউনিয়নে নয় জন, মিঠাপুকুরের ১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন, পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়নে ১৫ জন, পীরগাছার নয়টি ইউনিয়নে নয় জন, বদরগঞ্জের ১০টি ইউনিয়নে ১০ জন এবং তারাগঞ্জের পাঁচটি ইউনিয়নে পাঁচ জন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।
আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা উপজেলার বাসিন্দা হতে হবে। এজন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করতে হবে।
ডিলার হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে নিজ মালিকানায় অথবা ভাড়ায় ন্যূনতম ২৫ টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকা বাধ্যতামূলক।
এছাড়া আবেদনকারীর কাছে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স এবং টিআইএন থাকতে হবে।
আবেদনকারীর বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। তদুপরি, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং চলাচলে সক্ষম হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু অযোগ্যতার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সার ডিলারশিপ বাতিল হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নতুন করে আবেদন করতে পারবেন না।
একইভাবে, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তিও নির্ধারিত শর্ত পূরণ ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না। তবে সাজা ভোগের দুই বছর পর আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আবেদনকারীদের ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর পরিশিষ্ট-১-এ বর্ণিত নির্ধারিত নমুনা ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিপরীতে নীতিমালায় বর্ণিত সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল করার পাশাপাশি কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় সময়ে সার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলার রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা প্রদর্শন করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনে কেন্দ্রটি প্রায় ৬৪ কোটি ৩৬ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি উল্লিখিত সময়ে গড়ে এক হাজার ৭৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করেছে, যা বর্তমান চাহিদার নিরিখে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
এর আগে জুন মাসে কেন্দ্রটি ৮২ কোটি ৭৩ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল, যা গড়ে ১ হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য। মূলত উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখার এ ধারা জাতীয় গ্রিডের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরাসরি সহায়তা করছে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অপারেশনাল কার্যক্রমের গভীর পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করাই বর্তমানে কেন্দ্রটির মূল চ্যালেঞ্জ।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-ব্যবস্থাপক খাঁন নোমান শিবলী বাসসকে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যেখানে পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে, তবে রামপালের এ ধারাবাহিক উৎপাদন সেই আস্থার জায়গাটি পুনর্গঠন করছে।
বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি কেন্দ্রটি একইভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং শিল্পাঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতগুলোতে বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। রুট ডাইনামিক্স এবং জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন সংশ্লিষ্টদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত যাতে কোনোভাবেই উৎপাদন ব্যাহত না হয়।
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জনবল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বর্তমানে একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
কেন্দ্রটির মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বাসসকে জানিয়েছেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মূলত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের দক্ষ হাতে পরিচালিত হচ্ছে। আগে ভারতীয় প্রকৌশলীরা যে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, তা এখন দেশীয় প্রকৌশলীরা আত্মস্থ করেছেন এবং তারা দক্ষতার সাথে কেন্দ্রটির অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী আশ্বস্ত করেছেন যে, জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখা হবে এবং পরিবেশগত মানদণ্ড বজায় রেখে আগামী দিনেও কেন্দ্রটি তার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে।
তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রটির নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, যাতে জাতীয় গ্রিডে কোনো যান্ত্রিক বা লজিস্টিক বিঘ্ন না ঘটে।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এ সফল পরিচালনা কেবল বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট নিরসনেই সহায়ক নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় বার্তা। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সক্ষমতা ও দেশীয় প্রকৌশলীদের দক্ষতা প্রমাণ করে যে, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব হলে বড় ধরনের জাতীয় সংকটেও সমাধান বের করা সম্ভব।
আগামী দিনগুলোতে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে এ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রাখা এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া আরও আধুনিকায়ন করা জরুরি। যদি রামপাল একইভাবে জাতীয় গ্রিডে শক্তির জোগান দিয়ে যায়, তবে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখা সহজতর হবে, যা সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কেনিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম দুই দিন অচল করে দেওয়া ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন দেশটির বিমান চলাচল খাতের কর্মীরা। মঙ্গলবার দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার ও সোমবার কর্মীরা ধীরগতিতে কাজ করার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করায় রাজধানী নাইরোবিসহ পূর্ব আফ্রিকার দেশটির অন্যান্য বিমানবন্দরে কয়েক হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। নাইরোবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
নতুন যৌথ দরকষাকষি চুক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবী কর্মী ব্যবহারের অবসানের দাবিতে বিমান চলাচল খাতের ইউনিয়নগুলোর ধারাবাহিক ধর্মঘট ও কার্যক্রম বন্ধের হুমকির মধ্যে এটি ছিল সর্বশেষ ধর্মঘট।
কেনিয়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যৌথ দরকষাকষি চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। শিল্প বিরোধের কর্মসূচি থেকে উদ্ভূত কারণে কর্মীদের ‘হয়রানি না করার’ বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে।
নাইরোবির জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (জেকেআইএ) একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক কেন্দ্র। কেনিয়ার পর্যটন ব্যবসার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ