বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এমন সতর্কবার্তার পর, যে আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনের আগে ইসরাইলের শত্রুরা হামলা চালাতে পারে, বুধবার ভোরে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ অভিযোগ করেছেন যে নেতানিয়াহু জনগণের মধ্যে ভয় ছড়াচ্ছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জনমত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, ক্ষমতা ধরে রাখার প্রতিযোগিতায় থাকা নেতানিয়াহু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান, হামাস ও হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং পশ্চিম তীরভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকেও সতর্ক করে আসছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে কোনো পক্ষ হামলা চালালে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।
ইসরাইল গাজা ও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি, তুরস্ক, সিরিয়া ও কাতারের নেতাদের বিরুদ্ধেও নেতানিয়াহুর বক্তব্য সাম্প্রতিক সময়ে আরও কঠোর হয়েছে।
মঙ্গলবার একটি সামরিক ঘাঁটিতে যুদ্ধবিমানের সামনে দাঁড়িয়ে তৈরি করা ভিডিওতে নেতানিয়াহু সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর, পার্লামেন্টের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ জরুরি নিরাপত্তা বৈঠকের দাবি জানান।
নেতানিয়াহুর সঙ্গে গভীর রাতে বৈঠকের পর লাপিদ বলেন, তিনি নিশ্চিত যে নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ‘জনগণকে আতঙ্কিত করার কোনো কারণ নেই।’
তিনি অভিযোগ করেন যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগে দেওয়া সতর্কবার্তাগুলো নেতানিয়াহু উপেক্ষা করেছিলেন। ওই হামলা ছিল ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। এর জবাবে ইসরাইল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।
লাপিদ বলেন, ‘৭ অক্টোবরের আগে নেতানিয়াহু প্রতিটি সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিলেন। আর এখন নির্বাচনের মাত্র ২৮ দিন আগে তিনি হঠাৎ জনগণের মধ্যে ভয় ছড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।’
তিনি জানান, নিরাপত্তা বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তার গোপনীয়তা তিনি রক্ষা করবেন। তবে তার ভাষায়, ‘নিরাপত্তা হুমকি অবশ্যই পেশাদার ও দায়িত্বশীলভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
লাপিদ আরও বলেন, ‘ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি নির্বাচনী প্রচারের ভিডিও তৈরির জায়গা নয়।’
মধ্যপন্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী লাপিদ এবারের নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার একজন। সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটও নেতানিয়াহুর অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন।
লাপিদের অনুরোধের পরপরই নেতানিয়াহু সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাকে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে দপ্তরটি বলেছে, ‘গোয়েন্দা তথ্যসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ফ্রন্টে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতাগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।’
মঙ্গলবারের ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যে নির্বাচনের আগে আমাদের শত্রুরা হামলা চালানোর চেষ্টা করবে।’
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি আপনাদের একটি বার্তা দিচ্ছি: আমাদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াবেন না—এখনও নয়, কখনোই নয়। আমাদের দীর্ঘ হাত যেকোনো জায়গায়, যেকোনো সময় আপনাদের কাছে পৌঁছে যাবে।’
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নেতানিয়াহু ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর জবাবে ইরান কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
এপ্রিলের পর থেকে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি হামলা হয়নি। তবে ইরানের ধর্মীয় সরকার ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য এলাকায় নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
বিদেশে থাকা হামাস নেতাদের হুমকি
এদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ গাজার বাইরে অবস্থানরত হামাস নেতাদেরও হুমকি দিয়েছেন। এর আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, রাতের অভিযানে গাজার উত্তরাঞ্চলে হামাসের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
এক ভিডিও বিবৃতিতে কাটজ বলেন, ‘বিদেশে থাকা হামাস নেতারাও আমাদের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছেন। ৭ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এসব ঘৃণ্য হত্যাকারীদের কেউই যেন শান্তিতে নিজের বিছানায় মারা যেতে না পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একবার তারা একটি ভুলের কারণে রক্ষা পেয়েছিল—কিন্তু পরেরবার সেই সুযোগ থাকবে না। তাদেরও নরকের গভীরে পাঠানো হবে।’
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠকে ইসরাইলি বিমান হামলার দিকে ইঙ্গিত করে কাটজ এই মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওই হামলায় কাতারের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং হামাসের পাঁচ সদস্য নিহত হন। তবে সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের কেউ নিহত হননি।
হামলাটি ট্রাম্প প্রশাসনকে ক্ষুব্ধ করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাতারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। পরে ওয়াশিংটনের উদ্যোগে গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নিশ্চিত করা হয়, যার ফলে ইসরাইলি হামলা কমেছে, তবে পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং টিমের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মান উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় রাজশাহীতে আজ পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান।
ড. মো. লুৎফর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশ আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।" পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেন তিনি। পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের রাজশাহীর পরিচালক (উপসচিব) নিলুফা ইয়াছমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সবুর আলী, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপ পরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন, সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিতে পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবিতে নিউগিনি প্রপার্টিজের ব্রাউনফিস স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় ডিবি পুলিশ অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে রমনা থানার সেগুনবাগিচার একটি বাসা থেকে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় আসামির তালিকায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর নাম ৪ নম্বরে রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বয়স ৬৬ বছর। তার পিতা মো. আবুল ফয়েজ চৌধুরী এবং মাতা হাসমত আরা বেগম। তিনি ঢাকার খিলগাঁওয়ের মালিবাগ বাজার রোডের ২য় গলিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। বর্তমানে মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসায় তার অবস্থান।
এর আগে, রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার ইসিবি চত্বর এলাকায় নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেফতার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ওই মামলার আসামী হিসেবে মহিউদ্দিন চৌধুরীও ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ পঞ্চগড়ে রেজাউল করিম রেজা (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের তুলারডাঙ্গা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত রেজা ঠাকুরগাঁও জেলার ভেলাজান এলাকার মোস্তফা কামালের পুত্র। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বসবাস করতেন এবং সেখানে তার স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে থাকতেন। একই সঙ্গে পঞ্চগড় সদর থানার সামনে তিনি কম্পিউটার কম্পোজের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে রাস্তার পাশে মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ও সিআইডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
রেজার স্ত্রী কোহিনুর বেগম বলেন, "প্রতিদিন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বাড়ি আসত রেজা। গতকালও খেয়ে এসে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে শুরু করলে আমার সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাত ১২টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর সকালে শুনতে পাই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। আমরা গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করি। কিভাবে সে মারা গেছে আমরা জানি না।"
রেজার বাবা মোস্তফা কামাল বলেন, "আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি তদন্ত করে এর বিচার চাই।"
পঞ্চগড় পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের জন্য পুলিশ কাজ করছে। তার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা একটি চিরকুটও পেয়েছি। মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের পাশাপাশি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মানিক ওরফে নয়ন, যিনি ‘মেন্টাল মানিক’ নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কুতুবপুর ইউনিয়নের সাইনবোর্ড শান্তিধারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত মানিককে বেশ কিছুদিন ধরে খুঁজছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মানিক ফতুল্লা এলাকার একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এর আগে জমি দখলকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে গুলি ও মহড়া দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৫০০ পিস ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা মালামাল থানার জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খালেদুজ্জামান কালের কণ্ঠকে জানান, তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি অস্ত্র মামলা, একটি ইয়াবা মামলা এবং অপরটি মারামারি সংক্রান্ত মামলা। তাকে ৫০০ পিসের বেশি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হবে। বাকি মামলাগুলোতে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার দেখাবেন।
ফতুল্লা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. মাহবুব আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, যে মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হবে। তবে তার অন্য মামলাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না তিনি। তবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় তার একাধিক মামলা রয়েছে বলেও শোনা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ