শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১২ এম
মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে দাদন নিয়ে গত মৌসুমে মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির উদ্দেশ্যে দুবলার চরে গিয়েছিলেন রুহুল গাজী ও আমজাদ। উভয়ের বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালী গ্রামে অবস্থিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তারা পর্যাপ্ত মাছ পাননি। ফলে বিপুল পরিমাণ টাকার লোকসান গুনতে হয়েছে তাদের। দাদনের টাকা শোধ করার সক্ষমতা তাদের হয়নি। সেই বোঝা মাথায় নিয়েই এবার নতুন করে দাদন নিয়ে সাগরে রওনা হচ্ছেন তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মোংলা নদীর ফেরিঘাটে রুহুল ও আমজাদকে দেখা যায়। তারা সাগরে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন, অন্যান্য জেলেদের সঙ্গে। আজ শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সুন্দরবনের দুবলার চরের শুঁটকি মৌসুম। এই মৌসুম চলবে আগামী বছরের মার্চের শেষ পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মোংলার উপকূলীয় নদনদীতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত রুহুল-আমজাদের মতো কয়েক হাজার জেলে জড়ো হয়েছেন। গতকাল রাতে তাদের মধ্যে কেউ কেউ যাত্রা শুরু করেছেন। অনেকের আজ শুক্রবার ভোরে সাগরে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। জাল, বরফ, খাবার, জ্বালানি ও মাছ ধরার অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে ট্রলার প্রস্তুত করতে তাদের সকলকেই মহাজনের কাছে হাত পাততে হয়েছে।
আমজাদদের নৌবহরে মোংলার সোনাইলতলা গ্রামের জেলে রামকৃষ্ণ (৪৮) রয়েছেন। তিনি জানান, বাপ-দাদার পেশা মাছ ধরা ও শুঁটকি তৈরির সঙ্গে তিনি ছোটবেলা থেকেই যুক্ত। গত মৌসুমের শেষ দিকে বনদস্যুদের ব্যাপক উৎপাতের কারণে তারা মাছ ধরা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। এবারের মৌসুম শুরুর আগেই বন ও সাগরে দস্যুদের তৎপরতার খবর শুনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবুও জীবিকার তাগিদে দস্যু-আতঙ্ক নিয়েই সাগরে যেতে হচ্ছে তাদের সকলকে।
পাঁচ মাসের মৌসুমে জেলেদের ভরসা সাগরের মাছ। মাছ ধরা পড়লেও দস্যুদের চাঁদা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি পুষিয়ে ঋণ পরিশোধের চিন্তায় রয়েছেন তারা। সাগরে মাছ না পাওয়ার অনিশ্চয়তা এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকির মতো বহুমুখী সংকট মাথায় নিয়েই হাজারো জেলে দুবলার চরে শুঁটকি উৎপাদনে যাচ্ছেন।
মোংলার চিলা গ্রামের জগদীশ মণ্ডল (৩৮) ২০ জন জেলের পাঁচটি নৌকার বহর নিয়ে সাগরে যাচ্ছেন। তাদের দলের কেউ কেউ মহাজনের কাছ থেকে পাঁচ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু সাগরে দস্যুর হানা নিয়ে তারাও চিন্তিত। মাছ আহরণ করতে গিয়ে যদি তারা দস্যুদের কবলে পড়েন, তাহলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও বড় ঝুঁকিতে পড়তে হবে তাদের।
জেলে বরাম সরদার (৪২) জানান, গত মৌসুমে সাগরে তেমন মাছ পাননি। দস্যুদের উৎপাত ও ভারতীয় জেলেদের উপস্থিতির কারণে গভীর সমুদ্রে যেতে পারেননি। এবারের মৌসুমেও পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
খুলনার দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী গ্রামের জেলে সিদিব বালা (৩০) জানান, গত মৌসুমে কয়েক দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাগরে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যায়নি। এবারে দুর্যোগ না হলে ভালো মাছ পাওয়ার আশা করছেন তিনি।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, মৌসুম ঘিরে এবার দুবলার চরের আলোরকোল, অফিসকেল্লা, নারকেলবাড়িয়া ও শেলার চরে প্রায় ১০ হাজার জেলে ও মহাজনের সমাগম হতে পারে। তাদের থাকার জন্য ৯০০টি অস্থায়ী ঘর, মাছ বেচাকেনার জন্য ১০০টি ডিপো এবং মুদি, তেল, ওষুধ, সেলুন ও খাবারের দোকানসহ বিভিন্ন পণ্যের ১০০টি দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুঁটকি উৎপাদন, মাছ আহরণ, পরিবহন ও বেচাকেনাসহ সংশ্লিষ্ট কাজে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৌসুমে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়।
দুবলার চর ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, দস্যুদের তৎপরতায় শুঁটকি ব্যবসা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত মৌসুমে ব্যবসায়ীদের দস্যু বাহিনীগুলোকে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হয়েছে।
এদিকে জেলেদের নিরাপত্তায় বন বিভাগ সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছে। গভীর সমুদ্রে একা না যাওয়া, রাতে ১৫ থেকে ২০টি নৌকা একসঙ্গে অবস্থান করা ও সুন্দরবনের গহিনে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে বনরক্ষী মোতায়েনের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও কোস্টগার্ড বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। এসআরবি ৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে ছয়টি বনদস্যু বাহিনীর ৭৪ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। দুবলার চরে এসআরবির অস্থায়ী ক্যাম্প রয়েছে।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, আসন্ন শুঁটকি আহরণ মৌসুমে মৎস্যজীবীদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিতে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে।
গত শুঁটকি মৌসুমে বন বিভাগের রাজস্ব আয় হয়েছিল সাড়ে সাত কোটি টাকা। এ তথ্য জানিয়ে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, এবার তাদের আট কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দস্যুদের কারণে জেলে ও মহাজনদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আদায়েও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্টগার্ডকে রাতের টহল জোরদারে তারা অনুরোধ করেছেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, জেলেদের চিকিৎসার কথা বিবেচনা করেই এবার প্রথমবারের মতো ফ্রেন্ডশিপের ভাসমান হাসপাতালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাঁচ মাস ধরে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হবে। সুন্দরবনে দস্যুতা নির্মূলে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে দুটি অভিযান চলছে। এ কারণে দস্যুতা আগের তুলনায় অনেকাংশে কমেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোচ কার্লো আনচেলত্তি ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। আগামী নভেম্বরে জাপান ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার স্থান পাননি। বাদ পড়া খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন অ্যালিসন বেকার, এদেরসন, মার্কিনিওস, ক্যাসেমিরো, এদের মিলিতাও এবং লুকাস পাকেতা।
অন্যদিকে, নতুন ঘোষিত দলে পাঁচজন নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন আন্দ্রে লুইজ, মারলন গোমেস, জনাথন জেসুস, অ্যালিসন সান্তানা ও অ্যালান। নতুন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এবারের দল ঘোষণায় আলোচনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
নতুনদের মধ্যে মারলন গোমেস ও অ্যালিসন সান্তানার বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ব্রাজিলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। মারলন অলিম্পিক দলে খেলেছেন, আর অ্যালিসন ছিলেন অনূর্ধ্ব-২০ দলে। বর্তমানে দুজনই ইউক্রেনের ক্লাব শাখতার দোনেৎস্কে খেলে। এছাড়া, আন্দ্রে লুইজ করিন্থিয়াসে, জনাথন জেসুস ক্রুজেইরোতে এবং অ্যালান ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলছেন।
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির পরেও ব্রাজিলের দলে রয়েছে বেশ কিছু পরিচিত নাম। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা, এস্তেভাও, এন্দরিক, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস এবং ব্রুনো গিমারায়েস দলে রয়েছেন। আনচেলত্তি একটি তারুণ্যনির্ভর দল গঠন করেছেন, যেখানে অধিকাংশ খেলোয়াড়ের আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম।
ব্রাজিল আগামী ১৪ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে জাপানের বিরুদ্ধে খেলবে। এরপর ১৭ নভেম্বর একই ভেন্যুতে স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
নতুন ফুটবলারদের পরীক্ষা করা এবং দলের বেঞ্চের শক্তি যাচাই করাই হতে পারে আনচেলত্তির এই দুই ম্যাচের অন্যতম লক্ষ্য।
ব্রাজিলের ২৬ সদস্যের দল
গোলরক্ষক: বেন্তো, লুকাস পেরি ও মরিস্কো।
ডিফেন্ডার: আর্থুর দিয়াস, কার্লোস অগাস্তো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, জাইর কুনহা, জনাথন জেসুস, ভেন্ডারসন, ভিতর রেইস ও ওয়েসলে।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে লুইজ, আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারায়েস, দানিলো সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল বনটেম্পো, জোয়াও গোমেস ও মারলন গোমেস।
ফরোয়ার্ড: অ্যালিসন সান্তানা, অ্যালান, এন্দরিক, এস্তেভাও, রাফিনহা, রায়ান ও ভিনিসিউস জুনিয়র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম হবে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা। এই নতুন মূল্য গতকাল সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং আজ শুক্রবারও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।
নতুনভাবে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সাথে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ৩৪১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেসবুক লাইভে সরকারের সমালোচনা করার কারণে গ্রেফতার হওয়া ময়মনসিংহের ভালুকার নারী উদ্যোক্তা হনুফা আক্তার সাথী (৩০) জামিন লাভ করেছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুনানি শেষে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদুল ইসলামের আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পাওয়ার পর সাথী নিজেকে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। বুধবার জামিনে মুক্ত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তিনি তার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন।
এ সময় সাথী বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিএনপির লোকজন তাকে কোনো হুমকি-ধমকি দেয়নি। তবে তার দোকানের কর্মচারীরা আসেনি।’
ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল এ বিষয়ে মন্তব্য করে জানান, ‘সাথী বিএনপির কোনো আন্দোলন সংগ্রামে ছিল না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতকে কোনোভাবেই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে (ফরেভার ওয়ার) রূপ নিতে দেবেন না—এমন তথ্য জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সামরিক অভিযানের লক্ষ্য অর্জিত হলে ট্রাম্প প্রশাসন অন্যান্য অগ্রাধিকারগুলোতে মনোযোগ নিবদ্ধ করবে।
ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাসে ফক্স নিউজের আয়োজিত একটি টাউন হল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ভ্যান্স এ মন্তব্য করেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষিতে তিনি প্রশাসনের সামরিক অভিযানের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে রিপাবলিকান পার্টির এক ভোটার প্রশ্ন করেন, ব্যয়বহুল বিদেশি যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ার প্রতিশ্রুতি কি ট্রাম্প প্রশাসন রক্ষা করতে পেরেছে?
ভ্যান্সের জবাব ছিল, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রয়োজনীয় সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে মানুষের হতাশা বুঝতে পারেন। তিনি ইরাক যুদ্ধে নিজের সামরিক দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেন।
ভ্যান্স বলেন, গত সাত মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধের ইতিহাস ৪৭ বছরের। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাতকে কখনোই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে পরিণত হতে দেবেন না।
ভ্যান্স আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করার মানে এই নয় যে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিরোধিতা করতে হবে। তিনি বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জন করবেন এবং এরপর প্রশাসন অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক কাজে মনোযোগ দেবে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ