ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে যাত্রীভর্তি বাস উল্টে গেল, বহু হতাহত


রংপুরের মহাসড়কে বৃষ্টির মধ্যে যাত্রীভর্তি বাস উল্টে গেল, বহু হতাহত

রংপুরের তারাগঞ্জে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাস বড় ধরনের দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে। বাসটি সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের ইকরচালী বাজার এলাকায় ব্র্যাক কার্যালয়ের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর ডোমার থেকে রংপুরগামী বাসটি ইকরচালী বাজার এলাকায় পৌঁছানোর পর সড়কের ডিভাইডারে ধাক্কা লাগে। এর ফলে বাসটি উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

আরও পড়ুন: দেশের সেবায় প্রকৌশলী হতে চায় কালকিনির মেধাবী শিক্ষার্থী সূর্য

পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১ জন নিহত হয়েছেন। তবে তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব এবং এ বিষয়ে করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে।

এই কর্মশালাটি গতকাল সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সক্ষমতা কীভাবে প্রথাগত রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন ও নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে রাসায়নিক দুর্ঘটনা সৃষ্টির কারণ হতে পারে, সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণার্থীদের সম্যক ধারণা প্রদান করা এবং এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা।

তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানি, ব্যবহার ও ক্রয়-বিক্রয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসোসিয়েশন থেকে মোট ৩৩ জন এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রাসায়নিক দ্রব্যের নিরাপদ ও যথাযথ ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সদস্য সচিব কমডোর এম. কিবরিয়া হক উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বৈত-ব্যবহারজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনএসিডব্লিউসির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের সব বই ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৫ পি.এম


প্রাথমিকের সব বই ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই সরবরাহ সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মান ও স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সতর্ক করেছেন যে, আগামী বছর থেকে পুরোনো মেশিন ব্যবহার করে মুদ্রণকাজ চালালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আর কোনো কাজ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মাতুয়াইলে ‘বর্ণমালা প্রেস’ ও ‘গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট’ পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি মুদ্রণপ্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের গুণগত মান এবং বইয়ের ছাপার মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান পুরোপুরি বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা। কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলে তা দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই বিবেচনায় নেওয়া উচিত। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত তুলে বইয়ের মানের সঙ্গে কোনোভাবেই আপস করা যাবে না। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য দায়িত্ব দিয়েছে, তা শতভাগ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আবশ্যিক কর্তব্য।’

বইয়ের ছাপার মান যাচাই করতে গিয়ে তিনি কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অ্যালাইনমেন্টের অসঙ্গতি দেখতে পান। এ ধরনের ত্রুটি যাতে অন্যান্য বইয়ে না ছড়িয়ে পড়ে, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের কড়া সতর্কবার্তা দেন। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের সামগ্রিক মান নিয়ন্ত্রণ ও মাঠপর্যায়ের তদারকি আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পাঠ্যবইয়ের মান নিশ্চিত করতে কেবল কাজ শেষ করলেই হবে না; প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে মুদ্রিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। তাই এ ক্ষেত্রে যেকোনো অবহেলা বা নিম্নমানের কাজ কোনো অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না।

তিনি সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শতভাগ বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আধুনিক ও উন্নত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রতিনিধি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগলী রঙ্গারচরা নদীতে নাব্যতা সংকট,খননের দাবীতে শ্রমিক ও ব্যবসায়িদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


বাগলী রঙ্গারচরা নদীতে নাব্যতা সংকট,খননের দাবীতে শ্রমিক ও ব্যবসায়িদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
 
 
 
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী বাগলী শুল্ক স্টেশনের একমাত্র রঙ্গারচরা নদীতে নাব্যতা সংকটে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে আশপাশের কয়েকটি উপজেলার হাজারো শ্রমিক খুবই কষ্টে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানববেতর জীবন যাপন করছেন। দ্রুত খননের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে শ্রমিক ও ব্যবসায়িরা।
 
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে আনলোড সমবায় সমিতির আয়োজনে বাগলী শুল্ক স্টেশন এলসি পয়েন্টে মানববন্ধন কমসূচী পালিত হয়েছে।
 
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,
বাগলী রঙ্গারচড়া শুল্ক স্টেশনের বিকল্প সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় নদী পথেই তাদের বাণিজ্যিক যাতায়াত ব‍্যবস্থাই একমাত্র ভরসা। বছরের বর্ষা মওসুমের প্রায় তিন মাস কোনো রকমে শ্রমিকরা বালু-পাথর ও কয়লা নিয়ে নদীতে চলাচল করতে পারে। শুকনা মওসুমে বাকি নয় মাস কর্মসংস্থান না থাকায় কর্মহীন জীবন যাপন করতে হচ্ছে লাখো শ্রমিক ও এলসি ব্যবসায়িদের।
 
তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাগলী রঙ্গারচরা হতে পাটনাই নদী পযর্ন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার নদী জরুরি ভিত্তিতে খননের দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
 
একাধিক ব‍্যবসায়ী জানান, বাগলী শুল্ক স্টেশন থেকে পণ্য পাঠাতে না পেরে শত কোটি টাকার লোকসানের মুখে তারা। প্রায় দেড় যুগ ধরে শুষ্ক মৌসুমে পাটলাই নদীতে নৌ-জট দেখা দিলেও এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাটলাই নদীর নৌ-জট নিরসনের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পাটলাই এবং রঙ্গারচরা নদীতে পরিকল্পিত গভীর খননের দাবি জানান নৌ-শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি ভারত থেকে ঢলের পানির সাথে ভেসে আসা রাবিস রঙ্গারচরা নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়িদের নিজ অর্থায়নে খননের উদ্যোগ নিলে বিজিবি সদস্যরা তাতে বাঁধা প্রদান করে। যে কারণে দীর্ঘদিন ধরেই নাব্যতা সংকটে রয়েছে রঙ্গারচরা নদী। উপজেলার বড়চড়া, বাগলী, চারাগাঁও শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত চুনাপাথর, কয়লা উপজেলার রঙ্গারচর-পাটলাই নদী দিয়ে ভৈরব, নারায়ণগঞ্জ,নরসিংদি,ঢাকা,চট্টগ্রাম, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় নদী পথে এসব পণ্য পরিবহন সহজ উপায় হিসাবে নৌ-পথ ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা। বর্ষায় স্বাভাবিক থাকলেও শুকনায় একদিকে যেমন নদীর পানি কমে যায়, অন্যদিকে ভারতের পাহাড় থেকে নেমে আসা পলিতে বছর বছর ভরাট হয় নদীর তলদেশ। এতে নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হয়। এই কারণে নৌ-জট সৃষ্টি হওয়ায় বিপাকে পড়ে কয়লা ও চুনাপাথর বোঝাই নৌকা ও বাল্কহেড। নৌ-জটের কারণে দিনের পর দিন আটকে থাকায় লোকসানের মুখে পড়েন নৌ-শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
 
বাগলী শুল্ক স্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন বলেন, বাগলী রঙ্গারচর নদীর তলদেশ একেবারে ভরাট হয়ে গেছে। নদীটি খনন করলে সরকার প্রতিবছর হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে এবং শ্রমিকদের সারা বছরের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
 
বাগলী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান জানান,রঙ্গাছড়া হতে পাটলাই নদী পযর্ন্ত প্রায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার খনন করলে আমাদের শ্রমিকরা সারা বছর কাজ করতে পারবে এবং পাটলাই নৌজটের সমস্যার স্থায়ী নিরসন হবে।
 
বাগলী সমিতির কোষাদক্ষ ব্যবসায়ী হাজী মোঃ আব্দুল আলীম বলেন,পণ্য পরিবহনে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় উপজেলার তিনটি শুল্ক স্টেশন বড়চড়া, চারাগাঁও,বাগলী দিয়ে আমদানিকৃত কয়লা, চুনাপাথর রঙ্গারচর নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে লোকসানের মুখে পাটলাই নদী দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। গত এক দশক সময় ধরে পাটলাই নদীতে নৌজট সমস্যায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতি বছর এই শুল্ক স্টেশন হতে সরকারকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব দিলেও নৌজট নিরসনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। গভীরভাবে নদী খননের দাবি জানানো হলেও উপেক্ষিত থাকছে দাবিটি।
 
বাগলী শুল্ক স্টেশনের সভাপতি মো.কামাল হোসেন বলেন,পাটলাই নৌজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে রঙ্গারচরা-পাটলাই নদী খনন। ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় নদী খনন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আমরা একাধিকবার দাবি জানিয়েছি। আশা করবো ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে নদী খননে সরকার খুব দ্রুত উদ্যোগ নেবেন।
 
তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ সমিতির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ খসরুল আলম বলেন,বাগলী রঙ্গারচরা নদী নাব্যতা সংকটের কারণে বছরের প্রায় ৪/৫ মাস শ্রমিকরা নদীতে কাজ করতে পারে। বাকি ৬/৭ মাস কর্মসংস্থান না থাকায় শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে মানব বেতর জীবন যাপন করছে। রঙ্গারচরা হতে পাটলাই নদী পযর্ন্ত মাত্র ৭ কিঃমি নদী দ্রুত খননের জন্য সুনামগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে। সরকারও হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে। শ্রমিক ও ব্যবসায়িদের দীর্ঘদিনের দাবী বাস্তবায়ন করতে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
 
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত মো.এমদাদুল হক বলেন, এ খনন কাজের দায়িত্ব বিআইডব্লিউটিএর। তারপরও আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
 
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তাপস শীল বলেন,কিছুদিন আগে আমি বড়ছড়া,চারাগাও ও বাগলী শুল্ক স্টেশনে সরেজমিন গিয়েছিলাম। রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা। বাগলী রঙ্গারচরা নদীর নাব্যতা সংকটের স্থায়ী সমাধান হলো
ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে গভীর ভাবে খনন করা গেলে শ্রমিকদের সারা বছরের কর্মসংস্থান হবে।
 
এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বাগলী আমদানিকারক সমিতির সহ সভাপতি হামিদুল ইসলাম,সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিবনুর সিদ্দিকী,আনলোড শ্রমিক সমিতির সভাপতি তাহের আলী, শ্রমিক নেতা চান মিয়া,ব্যবসায়ি আনোয়ার হোসেন,আশ্রব আলী,করিম মিয়া,ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধন করলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধন করলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই বই পড়া, নিয়মিত খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। 

তিনি বলেছেন, আগামী দিনের মেধাবী, দক্ষ ও সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এসব চর্চার কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী নগরীর কালেক্টরেট মাঠে নয় দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষাব্যবস্থার মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, একসময় পরীক্ষার খাতায় না লিখলেও শতকরা ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থীকে পাস করানো হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার এমন দুরবস্থার কারণে বর্তমানে অনেক তরুণের প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি থাকলেও প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, যথাযথ শিক্ষা ও দক্ষতার অভাব দেশে বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বেকারত্ব ও হতাশাকে কাজে লাগিয়ে দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে জাতীয় বাজেটের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ এবং তাঁদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ রেজাউল আলম সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও রাজশাহীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উদ্বোধনী আলোচনা শেষে মেলা প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, রাজশাহী কালেক্টরেট মাঠে শুরু হওয়া বিভাগীয় বইমেলা চলবে আগামী ৬ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বইপ্রেমী ও সব বয়সী দর্শনার্থী মেলায় অংশ নিতে পারবেন।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%