০২:২৮ পি.এম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি আবারও হামলা চালায়, তাহলে সংঘাতের শেষ কিভাবে এবং কখন হবে, তা তেহরানই নির্ধারণ করবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খামেনি এই কথা বলেন। খবরটি এসেছে আনাদোলু’র মাধ্যমে।
মোজতবা খামেনি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘শত্রুরা যদি আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তাহলে সেগুলোর সমাপ্তির সময় ও শর্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইরানি জনগণই নির্ধারণ করবে।’
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই বিবৃতি দেন।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রতীক গাধা ও হাতির ইতিহাস
এ সময় তিনি সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দেন যে, সম্ভাব্য যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব’ দিতে হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সব সম্পদ ও স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতের আওতায় আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন মোজতবা খামেনি।
এর আগে শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ অঞ্চলে আবার কোনো সামরিক অভিযান চালান, তাহলে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলার জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালায়।
আরও পড়ুন: কৃষ্ণসাগর এখন বিশ্বের সর্বাধিক বিপজ্জনক নৌপথ, রাশিয়ার হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ ও নাবিকের প্রাণহানি
পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর, আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন