০৬:১৮ পি.এম
ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সরকার ইতোমধ্যে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছে এবং এই কমিটি বিষয়টিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। একই সময়ে, তিনি অনলাইন ভিত্তিক জনসচেতনতামূলক প্রচারণার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্টের (আইইউপিএইচপিএসপি) একটি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগ দ্বারা পরিচালিত ‘আইইউপিএইচপিএসপি’ প্রকল্পটি একটি জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন প্রকল্প। এটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এবং এর মূল লক্ষ্য হলো শহরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা এবং ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা।
আরও পড়ুন: ওয়েল্ডিং মেশিনের আড়ালে দেশে আনা ১১৪ বিদেশি বন্যপ্রাণী, আটক ১
এ প্রকল্পটি বিশেষভাবে নগর এলাকায় প্রতিরোধমূলক জনস্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ এবং ডেঙ্গু সহ বিভিন্ন রোগ মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে বলে কর্মশালায় বক্তারা জানান।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু এবং অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ইতোমধ্যেই একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমি আশা করি, এই প্রকল্প এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরও মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। তাছাড়া, অনলাইন প্রচারণাকে আরও বাড়াতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিরোধমূলক আচরণ গড়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে অনেক গুরুত্ব দেন উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ‘তিনি একটি পরিচ্ছন্ন শহর এবং সুস্থ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান। তার নেতৃত্বে আমরা সম্মিলিতভাবে সেই লক্ষ্য অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে এগিয়ে যাব।’
আরও পড়ুন: শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ্ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন