০৩:১৫ পি.এম
বাহির থেকে সাধারণ ওয়েল্ডিং মেশিনের মতো মনে হলেও, যন্ত্রটির আড়ালে বিভিন্ন প্রজাতির বিদেশি বন্যপ্রাণী লুকানো ছিল। সাপ ও কচ্ছপসহ মোট ১১৪টি প্রাণী চীন থেকে বাংলাদেশে কার্টনে করে আনা হয়েছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ) অভিযান পরিচালনা করে এসব প্রাণী জব্দ করে। অভিযানে একজনকে আটক করা হয়েছে, যিনি এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উদ্ধারকৃত এসব বন্যপ্রাণী পাওয়া যায়। জব্দকৃত প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি অ্যালবিনো টেক্সাস র্যাট স্নেক, কিং স্নেক, চাইনিজ ফায়ার-বেলিড নিউট, রেড-ইয়ারড স্লাইডার কচ্ছপসহ অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী। উদ্ধারকৃত প্রাণীগুলো বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁওয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের কার্যালয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
অভিযানে সহযোগিতা প্রদান করেন কাস্টমস, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং এভিসেকের প্রতিনিধিরা।
বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার চক্র দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী আনার চেষ্টা করছে। এসব পথে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা গেলে বন্যপ্রাণী পাচার এবং অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে কার্যকর অগ্রগতি সম্ভব হবে।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক কালের কণ্ঠকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিদেশি বন্যপ্রাণীর অবৈধ চালানটি জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন