ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুদকের মামলায় সাবেক ফার্মাস ব্যাংক পরিচালক সিদ্দিকী নাজমুল আলম


দুদকের মামলায় সাবেক ফার্মাস ব্যাংক পরিচালক সিদ্দিকী নাজমুল আলম

ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : সাবেক ফার্মাস ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) এর পরিচালক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সম্পদ বিবরণীতে অসংগতিপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন।

আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বাসসকে এই তথ্য জানান।

গতকাল রোববার, দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বৃষ্টির সম্ভাবনা, রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে

দুদকের উপ-পরিচালক (অনুসন্ধান ও তদন্ত-১) মো. খায়রুল হক স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিশন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার দাখিল করা প্রতিবেদন ও অন্যান্য রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিসে বাড়ি কিনছেন ইসরায়েলিরা, ফিলিস্তিনপন্থিদের মধ্যে ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


গ্রিসে বাড়ি কিনছেন ইসরায়েলিরা, ফিলিস্তিনপন্থিদের মধ্যে ক্ষোভ
গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। একের পর এক ফ্ল্যাট কিনে সেগুলো স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসনে রূপান্তর করা হচ্ছে।
 
এতে বাড়িভাড়া বাড়ছে, আর দীর্ঘদিনের বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এভাবে তাদের পরিচিত পাড়া ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। ৬৯ বছর বয়সী স্থপতি টোনিয়া ক্যাটেরিনি ১৯৮৬ সাল থেকে এক্সারখিয়ায় বসবাস করছেন।

তিনি মনে করেন, সম্পত্তি কেনাবেচার কারণে এলাকাটি দ্রুত বদলে যাচ্ছে।

 
কয়েক মাস ধরে ক্যাটেরিনি ও তার প্রতিবেশীরা সরকারি নথি দেখে বিদেশিদের কেনা বাড়ির একটি ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করছেন।

মানচিত্রে দেখা যায়, এলাকার অনেক বাড়িই বিদেশিরা কিনেছেন।ক্যাটেরিনি ও তার দলের দাবি, এসব সম্পত্তিতে বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ ইসরায়েলি।

 
তাদের হিসাব অনুযায়ী, এলাকায় নতুন তৈরি হওয়া কম্পানি পরিচালিত হোটেল ও ভাড়ার আবাসনের অর্ধেকেরও বেশি ইসরায়েলিদের মালিকানাধীন।

এক্সারখিয়া দীর্ঘদিন ধরে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রতিবাদ আন্দোলনের জন্য পরিচিত। এলাকার অনেক বাড়ির বারান্দায় ফিলিস্তিনি পতাকা ঝুলতে দেখা যায়। দেয়ালেও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে নানা স্লোগান লেখা রয়েছে। এ কারণে সেখানে ইসরায়েলি বিনিয়োগকারীদের সম্পত্তি কেনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

 

ক্যাটেরিনি জানান, তার নিজের রাস্তার দুটি ভবন ইসরায়েলি বিনিয়োগকারীরা কিনেছেন। তার ফ্ল্যাটের নিচের তলাটিও একটি কম্পানির মালিকানাধীন। সকালে পর্যটকদের স্যুটকেস টেনে নিয়ে যাওয়ার শব্দে প্রায়ই তার ঘুম ভেঙে যায়। এলাকার একটি ভবনের দেয়ালে লেখা রয়েছে, এয়ারবিএনবি আমাদের গৃহহীন করছে’ এবং ‘জায়নবাদীদের স্বাগত জানানো হয় না’।

অনেক ভবনে এখন বাসিন্দাদের নামের বদলে শুধু নম্বর দেখা যায়। দরজায় লাগানো বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে পর্যটকেরা চাবি সংগ্রহ করে ভেতরে প্রবেশ করেন। আন্দোলনকারীরা এসব যন্ত্র ও ভবনের দেয়ালে লাল রং ছিটিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার ব্যবসা বাড়তে থাকায় বাড়িভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে এলাকায় বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে এলাকার পুরোনো পরিচয়।

গ্রিসের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশটির আবাসন খাতে বিদেশি অনাবাসীদের বিনিয়োগ রেকর্ড ২৭৫ কোটি ইউরোতে পৌঁছায়। এথেন্সে বিদেশি বাড়ির মালিকদের জাতীয়তা নিয়ে সরকারি পরিসংখ্যান না থাকলেও একটি বার্ষিক সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজধানীর আশপাশের অ্যাটিকা অঞ্চলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে ইসরায়েলিরা ছিলেন সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী। এরপর ছিলেন তুরস্ক ও লেবাননের ক্রেতারা।

এক্সারখিয়া দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ১৯৭৩ সালে কাছের এথেন্স পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। পরের বছর ওই সরকারের পতন ঘটে।

২০০৮ সালে এই এলাকায় পুলিশের গুলিতে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আলেকজান্দ্রোস গ্রিগোরোপোলোস নিহত হন। তার মৃত্যুর পর গ্রিসজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে দেশটির ঋণসংকটের কারণে জনঅসন্তোষ আরো বাড়ে।

এই বিক্ষোভ ও অসন্তোষের ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালে বামপন্থী সিরিজা পার্টি ক্ষমতায় আসতে সহায়তা পায়। বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগ, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উচ্ছেদের আশঙ্কায় এক্সারখিয়ার পুরোনো বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের দাবি, আবাসন ব্যবসার প্রসার যেন সাধারণ মানুষের বসবাসের অধিকার কেড়ে না নেয়।

ভাড়াটিয়ারা উচ্ছেদ, ফাঁকা হচ্ছে আবাসিক ভবন

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ ও বাড়িভাড়া বৃদ্ধির কারণে বদলে যাচ্ছে আবাসনের চিত্র। একের পর এক ভবন কিনে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে দীর্ঘদিনের বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোনো দোকান ও ক্যাফেও। এলাকাটিতে গত ২৪ বছর ধরে বসবাস করছেন ৪৬ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষিকা ক্রিসুলা পাপাজর্জিও। একসময় এক্সারখিয়াকে তিনি পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যের এলাকা হিসেবে চিনতেন।

পাপাজর্জিও বলেন, প্রথম দিকে বাড়ির মালিকেরা তাদের অতিরিক্ত ঘর ভাড়া দিতেন। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির পর পরিস্থিতি বদলে যায়। বিভিন্ন কম্পানি পুরো আবাসিক ভবন কিনতে শুরু করে। তিনি বলেন, ‘এক রাতের মধ্যেই ভাড়াটিয়ারা উচ্ছেদ হলেন, আর আবাসিক ভবনগুলো ফাঁকা হয়ে গেল।’এরপর এলাকার শান্ত রাস্তাগুলোতে একের পর এক বার ও ক্যাফে গড়ে ওঠে। ফুটপাতজুড়ে বসানো হয় টেবিল-চেয়ার।

বাড়িভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন অভিবাসী ও স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো। তাদের অনেকেই ভবনের বেসমেন্ট ও নিচতলায় থাকতেন। বাড়িভাড়া বাড়ার কারণে তাদের অনেককে এলাকা ছেড়ে যেতে হয়। বাসিন্দা কমে যাওয়ায় স্থানীয় স্কুলগুলোও শিক্ষার্থী হারায়। বন্ধ হয়ে যায় পুরোনো বইয়ের দোকান, ঐতিহ্যবাহী ক্যাফে ও মুদি দোকান।

দীর্ঘদিন ধরে এক্সারখিয়ার বাসিন্দারা বিভিন্ন ভবনে আশ্রয়হীন শরণার্থীদের থাকতে দিয়েছেন। পাপাজর্জিও জানান, এসব ভবনের কয়েকটি মূল্যবান জমিতে অবস্থিত হওয়ায় পুলিশ সেগুলো খালি করে দেয়। পরে ভবনগুলো বিক্রি করা হয়।

তিনি বলেন, ‘এসব ভবনের প্রায় অর্ধেকই দখল করা ছিল। এখন আমাদের কাছে মাত্র একটি ভবন অবশিষ্ট রয়েছে।’ বর্তমানে ওই ভবনটি রঙিন কাপড়ে ঢাকা। এর মাধ্যমে সেখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিবেশীরা ওই পরিবারের শিশুদের স্কুলে যাওয়ার ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন। এক্সারখিয়ার বাসিন্দাদের আশঙ্কা, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার ব্যবসা বাড়তে থাকলে এলাকার পুরোনো বাসিন্দা, সামাজিক বন্ধন ও ঐতিহ্য আরো হারিয়ে যাবে।

মেট্রো নির্মাণ ও পর্যটনের চাপে বদলে যাচ্ছে এক্সারখিয়া

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় মেট্রো স্টেশন নির্মাণ ও পর্যটকের সংখ্যা বাড়ায় পরিবর্তন আসছে। তবে নতুন মেট্রো স্টেশন নির্মাণ নিয়ে স্থানীয়দের একাংশের আপত্তি রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এর ফলে এলাকাটি ধীরে ধীরে পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হবে এবং পুরোনো বাসিন্দারা আরও সমস্যায় পড়বেন।

২০২২ সাল থেকে এক্সারখিয়া স্কয়ারে মেট্রো স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে। এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিক্ষোভের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। স্কুলশিক্ষিকা ক্রিসুলা পাপাজর্জিওর ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে এখন প্রতিদিন দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন থাকে। পাপাজর্জিও মনে করেন, এথেন্সের কেন্দ্রকে পুরোপুরি পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এসব পরিবর্তন ঘটছে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা টোনিয়া ক্যাটেরিনির দাবি, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এলাকায় সম্পত্তি কেনা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইসরায়েলিরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় রয়েছেন। এক্সারখিয়া স্কয়ারের কাছে একটি বড় ফিলিস্তিনি পতাকা ঝুলছে। পর্যটকদের কেউ কেউ পতাকার সাদা অংশে ফিলিস্তিনবিরোধী বার্তা লিখে দেন। পরে আন্দোলনকারীরা সেই অংশ আবার সাদা রং করে দেন।

ক্যাটেরিনির মতে, অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী ইসরায়েলের তুলনায় গ্রিসকে অর্থ বিনিয়োগের জন্য বেশি নিরাপদ মনে করেন। তিনি আরো বলেন, গ্রিসের সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখছে। গত আগস্টে গ্রিস ইসরায়েলের সঙ্গে ৩৫০ কোটি ডলারের একটি ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি করে। এদিকে মেট্রো নির্মাণ, পর্যটন ও বিদেশি বিনিয়োগের কারণে এক্সারখিয়ার পুরোনো পরিবেশ কতটা বদলে যাবে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ বাড়ছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে এক্সারখিয়া কেন আকর্ষণীয়?

এথেন্সের আবাসন ব্যবসায়ী ভেগেলিস লাজারিডিসের মতে, এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। তিনি বলেন, একসময় এক্সারখিয়া ছিল একটি জরাজীর্ণ এলাকা। তাই সেখানে তুলনামূলক কম দামে সম্পত্তি কিনে উন্নয়ন করার সুযোগ ছিল। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের কাছে এলাকাটি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

এলাকাটি এথেন্সের কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত। সেখানে মেট্রো স্টেশন রয়েছে এবং আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বহু বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। এসব কারণে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার আবাসনের ব্যবসারও সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাক্রোপলিসের কাছে অবস্থিত প্লাকা এলাকার তুলনায় এক্সারখিয়ায় ভবন নির্মাণের ওপর বিধিনিষেধ কম। এটিও বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করেছে বলে জানান লাজারিডিস।

তিনি বলেন, প্রথমে অল্প কয়েকজন ক্রেতা এই এলাকায় সম্পত্তি কেনেন। পরে তাঁদের বিনিয়োগ দেখে অন্যরাও এখানে সম্পত্তি কিনতে আগ্রহী হন।

বিদেশি ক্রেতাদের জন্য বাড়ি কেনা ব্যয়বহুল করতে চায় গ্রিস

গ্রিসে বাড়ির দাম ও ভাড়ার চাপ কমাতে বিদেশি ক্রেতাদের ওপর কর বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। এর ফলে দেশটিতে সম্পত্তি কেনা ইসরায়েলিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের নাগরিকদের জন্য আরও ব্যয়বহুল হতে পারে।

গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিস ঘোষণা করেছেন, আগামী জুলাই থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের নাগরিকদের বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে হস্তান্তর কর ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে। ইসরায়েলের সংবাদপত্র জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে গ্রিসে আবাসন কেনার প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমতে পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুলনামূলক কম দামে সম্পত্তি কেনা ও ভালো মুনাফার আশায় অনেক ইসরায়েলি বিনিয়োগকারী গ্রিসে বাড়ি কিনেছেন।

তবে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠনগুলো কর বাড়ানোর এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। ব্যবসায়ী ভেগেলিস লাজারিডিসের মতে, প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত কার্যকর না-ও হতে পারে কিংবা এর বাস্তবায়ন পিছিয়ে যেতে পারে। এখনো এটি আইনে পরিণত হয়নি। গ্রিসের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, নতুন কর চালু হওয়ার আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কিছু ক্রেতা বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে পারেন বলে আশা করছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা।

নতুন নিয়মেও দুশ্চিন্তা কাটছে না বাসিন্দাদের

গ্রিসের এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকার বাসিন্দারা এখনো বাড়িভাড়া বৃদ্ধি ও উচ্ছেদের আশঙ্কায় রয়েছেন। তাদের মতে, স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িক হতে পারে। বেশি অর্থ থাকলে বিনিয়োগকারীরা নতুন নিয়মের মধ্যেও সম্পত্তি কেনার বিকল্প পথ খুঁজে নিতে পারেন।

বাসিন্দারা মনে করেন, নতুন নিয়ম চালু হলেও যেসব ভবন ইতোমধ্যে পর্যটকদের স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলোর পরিস্থিতি সহজে বদলাবে না। তবে স্কুলশিক্ষিকা ক্রিসুলা পাপাজর্জিও নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। তার বাড়িওয়ালির পরিবার কয়েক প্রজন্ম ধরে এই এলাকায় বসবাস করছে। এলাকার প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি বাড়িভাড়া বাড়াতে চান না।

পাপাজর্জিওর ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িওয়ালি ভাড়া না বাড়ানোকে একধরনের প্রতিবাদ হিসেবে দেখেন। হাস্যরস করে পাপাজর্জিও বলেন, বাড়িওয়ালির হিসাবরক্ষক তাকে বলেছেন, ভাড়া না বাড়িয়ে তিনি যেন এলাকার আবাসনবাজারের স্বাভাবিক নিয়মই ভেঙে দিচ্ছেন।

এয়ারবিএনবির সংখ্যা কমেছে

গ্রিসের এথেন্সের এক্সারখিয়া এলাকায় বিদেশি বিনিয়োগ ও স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার চাপ কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, সরকারি নতুন নিয়ম এবং তরুণ গ্রিকদের বাড়ি কেনার আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে এই পরিবর্তন এসেছে। তবে আবাসন সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

ইউক্রেনের নাগরিক ইরিনা রোনদিয়াক এক্সারখিয়ার কাছে একটি আবাসন এজেন্সি পরিচালনা করেন। তিনি জানান, প্রায় ১০ বছর আগে ইসরায়েলি ক্রেতারা গ্রিসে সম্পত্তি কিনতে শুরু করলে তাঁর বিদেশি গ্রাহকদের প্রায় ৬০ শতাংশই ছিলেন ইসরায়েলি। তাঁদের অনেকেই অফিস ভবন কিনে হোটেলে রূপান্তর করতেন।

রোনদিয়াকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সাল পর্যন্ত তাঁর কাছে বিক্রি হওয়া সম্পত্তির প্রায় ৭০ শতাংশ কিনেছিলেন বিদেশিরা। কিন্তু চলতি বছর এই হার কমে প্রায় ৩০ শতাংশে নেমেছে। তিনি বলেন, ‘স্পিতি মু’ বা ‘আমার বাড়ি’ নামের সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত আবাসন প্রকল্পের কারণে তরুণ গ্রিকরা আবার বাড়ি কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। তাঁর মতে, নতুন সরকারি নিয়মও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।

গ্রিসের সংবাদমাধ্যম ‘তো ভিমা’র তথ্য অনুযায়ী, এক্সারখিয়াসহ মধ্য এথেন্সে নতুন স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রয়েছে। সেপ্টেম্বরে এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ ছাড়া, গ্রিসের ‘গোল্ডেন ভিসা’ প্রকল্পের আওতায় কেনা সম্পত্তি এখন শুধু দীর্ঘমেয়াদে ভাড়া দেওয়া যাবে। তবে খালি অফিস ভবনকে আবাসিক ফ্ল্যাটে রূপান্তরের ক্ষেত্রে ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো বিনিয়োগের একটি বিশেষ সুযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তুলনামূলক কম বিনিয়োগে বসবাসের অনুমতি পাওয়া যায়।

রোনদিয়াক বলেন, ‘আগে গ্রিসে বসবাসকারী মানুষ শহরের কেন্দ্রে বাড়ি খুঁজে পেতেন না। সবকিছুই এয়ারবিএনবির জন্য ব্যবহার করা হতো। এখন সেই সংখ্যা অনেক কমেছে।’ তার মতে, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। তিনি আরো জানান, এথেন্সের দক্ষিণাঞ্চলের শহরতলিতেও প্রতি বর্গমিটারে বাড়িভাড়া ১০ থেকে ১৫ ইউরো পর্যন্ত বেড়েছে। 

অন্যদিকে, কিছু ফ্ল্যাট খালি পড়ে রয়েছে। কারণ, বাড়ির মালিকদের অনেকে মনে করেন, ভাড়া থেকে পাওয়া আয়ের তুলনায় করের খরচ বেশি। সব মিলিয়ে, নতুন নিয়মে স্বল্পমেয়াদি ভাড়ার চাপ কিছুটা কমলেও গ্রিসের আবাসন সংকট এখনো রয়ে গেছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, সবাই নাগরিক’ : আহমেদ সোহেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, সবাই নাগরিক’ : আহমেদ সোহেল

‘সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই। প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে পালনের অধিকার রয়েছে।’—এ কথা বলেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (এমপি) পিরোজপুরের কাউখালীতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১২টায় কাউখালী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ২৫টি দুর্গাপূজামণ্ডপের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আহমেদ সোহেল মঞ্জুর উল্লেখ করেন, ‘বর্তমান সরকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং সবাই নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও মাঠে থেকে সহযোগিতা করছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য—প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে ও নিরাপত্তার সঙ্গে পালন করতে পারেন।’ অনুষ্ঠানে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সঞ্চালনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবীর, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, সিনিয়র সহসভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাফিউল আজম দুলাল, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত তালুকদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে মৃত্যু সাড়ে তিনশ ছাড়িয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


ডেঙ্গুতে মৃত্যু সাড়ে তিনশ ছাড়িয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে তিন শ ছাড়িয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত ডেঙ্গুসংক্রান্ত বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় দুজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে প্রত্যেকেই নারী। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৫১ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫১ জনের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর ঐতিহাসিক হবে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর ঐতিহাসিক হবে: ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু মন্তব্য করেছেন যে, আগামীকাল দুর্গাপূজা চলাকালীন রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরটি ঐতিহাসিক হতে যাচ্ছে।

আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এই কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর রাজশাহীবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য আনন্দের মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে, কারণ তিনি পূজার সময় রাজশাহীতে আসছেন। এটি নিঃসন্দেহে প্রধানমন্ত্রীর একটি ঐতিহাসিক সফর হতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এর আগে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে কোথাও পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে যাননি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যিনি পূজার সময় রাজশাহীতে আসছেন। এরপর তাঁর রংপুর ও চট্টগ্রামে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই মাদরাসা মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ভাষণ দিয়েছেন। তারেক রহমানও এখানে ভাষণ দিয়েছেন, তবে তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। সেক্ষেত্রে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি রাজশাহীতে তাঁর প্রথম সফর।

মন্ত্রী আরও জানান, রাজশাহীতে সমাবেশ সবসময় বিপুল সমারোহে অনুষ্ঠিত হয়, এবারেরও তার ব্যতিক্রম হবে না। ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এক নজর দেখার জন্য রাজশাহীর মানুষ অপেক্ষা করছে।

প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে রাজশাহীবাসী প্রস্তুত জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁর আগমন উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। রাজশাহী বিএনপি তাঁকে স্বাগত জানাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। আশা করছি, সুস্থ ও সফলভাবে এই জনসভা শেষ হবে। এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

উল্লেখ্য, রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান দুটি অংশে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তিনি রাজশাহী ধর্মসভায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং মাদরাসা মাঠে জনসভা ও ইক্ষু চাষিদের প্রণোদনা দেবেন।

এর আগে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির জনসভা স্থল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপত্তায় কোনো ত্রুটি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইউনিফর্মের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%