ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের


আঞ্চলিক সংহতি জোরদারে ‘সার্ক’ পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর বাংলাদেশ-ভুটানের

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য যৌথ সুফল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক সংহতিকে আরও এগিয়ে নিতে ‘সার্ক’ (এসএএআরসি)-কে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ও ভুটান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব পেমা লেকতুপ দর্জি আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রী নিহত মুফতি নাসরুল্লাহর পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন

শামা ওবায়েদ আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির কথা স্মরণ করে বলেন, তিনিই দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠার ধারণাটি উত্থাপন করেছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে, বৃহত্তর সংহতি গড়ে তুলতে এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জন্য সম্মিলিত সুফল পৌঁছে দিতে আঞ্চলিক এই জোটকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর উভয় পক্ষ জোর দেয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কুড়িগ্রামে ভুটানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই দুটি বিশেষ অঞ্চল চালু হলে তা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে পারস্পরিক অর্থবহ অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে প্রাণ গেল বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের

শামা ওবায়েদ বলেন, এসব উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে যোগাযোগ (কানেক্টিভিটি) জোরদার করতে অবদান রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে আজ সকালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’ (এফসিও)-এ যোগ দিতে ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব তিন দিনের সফরে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


চট্টগ্রামের নতুন খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে সিডিএ-এফপিসির মতবিনিময়

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি) মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মতবিনিময় সভাটি মঙ্গলবার বিকেলবেলা সিডিএর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়, যা চলমান জনমত গ্রহণ কার্যক্রমের অংশ। এই সভায় সিডিএর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন, সার্বক্ষণিক সদস্য মো. জামিলুর রহমান, এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনছারী।

পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের (এফপিসি)-এর পক্ষ থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থপতি জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, মুহাম্মদ সিকান্দার খান, মো. জাফর আলম, এস এম শহীদ, এবিএমএ বাসেত এবং তসলিমা মুনা।

সভায় মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মহাপরিকল্পনার ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। পরে, পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধিরা খসড়া মহापরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা তাদের মতামত, পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন। চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবভিত্তিক, কার্যকর এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে চূড়ান্ত করা হয়, সে বিষয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অভিজ্ঞতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত মতামত যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ৯০ হাজার গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’: প্রিন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


দেশের ৯০ হাজার গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়া হবে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’: প্রিন্স

ময়মনসিংহ, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহ স্যাটেলাইট স্টেশনের তত্ত্বাবধানে সদর উপজেলার চকনজুর গ্রামকে ইতোমধ্যে ‘প্রযুক্তি গ্রাম’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি গ্রামে কৃষকদের মধ্যে সার, বীজ, কীটনাশকসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণ যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমেছে এবং আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে প্রযুক্তি গ্রামের কৃষকদের মধ্যে ধান চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধান গবেষণা প্রকল্পের এমন সাফল্যের খবরে সরেজমিনে সদর উপজেলার চকনজুর প্রযুক্তি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। পরিদর্শনকালে প্রিন্স প্রযুক্তি গ্রামের কৃষিজমিতে রোপণ করা বিভিন্ন জাতের ধানের উৎপাদন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। তিনি ধানের ফলন, জাতভিত্তিক বৈশিষ্ট্য এবং কৃষকদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন। এ সময় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ময়মনসিংহ স্যাটেলাইট স্টেশনের প্রযুক্তি গ্রামের সার্বিক কার্যক্রম অবহিতকরণ, কৃষক ও কৃষাণিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন তিনি। পরে ‘একটি শিশু, একটি গাছ’ কর্মসূচির আওতায় গ্রামের শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা গাছ এবং কৃষকদের মাঝে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। এ সময় সৈয়দ প্রিন্স ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, প্রযুক্তি গ্রাম অতি অল্প সময়ে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অচিরেই দেশের ৯০ হাজার গ্রামে প্রযুক্তি গ্রাম ছড়িয়ে পড়বে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফলন বাড়ানো এবং কৃষিকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। এছাড়া প্রযুক্তি গ্রামের উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি উন্নত জাত, প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণের সুবিধা পাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে প্রিন্স মন্তব্য করেন, এর সুফল আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। এ সময় কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রিন্স বলেন, তারেক রহমান কৃষি ও কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। শুধু বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ করলেই উন্নয়ন হবে না, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থ সামাজিক উন্নয়নই প্রকৃত উন্নয়ন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট স্যাটেলাইট স্টেশন ময়মনসিংহের উপকেন্দ্রের পরিচালক ও প্রধান ড. আফছানা আনছারীর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কৃষক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের শেষে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা গাছ এবং কৃষকদের মাঝে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করেন। তিনি অনুষ্ঠানে নিম গাছের চারা রোপণও করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিংড়ায় আগুনে পুড়ে ভ্যানচালকের ঘর, খাদ্যসহায়তা দিলেন ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


সিংড়ায় আগুনে পুড়ে ভ্যানচালকের ঘর, খাদ্যসহায়তা দিলেন ইউএনও

নাটোরের সিংড়ায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে শুকুর আলী নামের একটি অসহায় ভ্যানচালকের দুটি টিনশেড ঘর পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে শেরকোল ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। এতে মুহূর্তের মধ্যেই ওই ভ্যানচালকের সমিতি থেকে উত্তোলনকৃত নগদ এক লাখ বিশ হাজার টাকাসহ ঘরের সকল আসবাবপত্র পুড়ে সম্পূর্ণরূপে ছাই হয়ে যায়।

এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান সিংড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত ও শেরকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন। উক্ত সময় তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে তাৎক্ষণিক শুকনো খাবার বিতরণ করেন ইউএনও এবং পরবর্তীতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহায়তার আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে অল্প সময়ের জন্য ভ্যানচালক শুকুর আলীর টিনশেড বাড়িতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘরের সকল আসবাবপত্র ও সমিতি থেকে উত্তোলনকৃত নগদ অর্থ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহায়তা প্রদান করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলিশ নিয়ে এল সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


ইলিশ নিয়ে এল সুখবর

 

চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগে যে এক কেজি ওজনের ইলিশের বিক্রয় মূল্য ছিল ৩ হাজার ২০০ টাকা, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, ভরা মৌসুমে ইলিশের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পেলে দাম আরও কমতে পারে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিণা ফেরিঘাটের কাছে ইলিশের আড়ত পরিদর্শন করে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে জেলেরা পদ্মা-মেঘনা থেকে আহরণ করা ইলিশ এবং বিভিন্ন মাছ সরাসরি এনে বরফ ছাড়াই বিক্রি করছেন।

হরিণা আড়তে গিয়েও দেখা যায়, জেলে ও ব্যবসায়ীরা ইলিশের কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে মাত্র এক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। নদীতে ইলিশের উপস্থিতি কম থাকায় জেলেরা অনেক সময় খালি হাতে ফিরেছেন এবং আড়তেই ক্রেতার সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।

হরিণা ঘাটসংলগ্ন বহরিয়া এলাকার জেলে রনি বলেন, 'গত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি খরচ না ওঠায় তারা নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারেননি। তবে গত দুই দিন ধরে নদীতে ইলিশের বিচরণ বাড়তে শুরু করেছে। তাই আবারও মাছ ধরতে নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।'

তাজা ইলিশ কিনতে আসা একজন ক্রেতা জানান, তিনি ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের চারটি ইলিশ ৯ হাজার টাকায় কিনেছেন। এছাড়া মোট ১৮ হাজার টাকার মাছ কিনেছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন আকারের ইলিশ রয়েছে। এই ঘাটে আসার মূল কারণ হলো বরফ ছাড়াই পদ্মা-মেঘনার তাজা ইলিশ সরাসরি পাওয়া যায়।

ঘাটের একজন পাইকারি ইলিশ বিক্রেতা বলেন, এক সপ্তাহ আগে ইলিশের আমদানি ছিল খুবই কম। তবে গত কয়েকদিন ধরে জেলেদের জালে বিভিন্ন আকারের ইলিশ ধরা পড়ছে। তিনি জানান, বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল প্রায় ৩ হাজার ২০০ টাকা। এছাড়াও ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং ছোট আকারের ইলিশের দাম প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

একই আড়তের আরেক মাছ বিক্রেতা বলেন, বর্তমানে নদীতে পর্যাপ্ত পানি রয়েছে এবং ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। এ অবস্থায় যদি অব্যাহত থাকে, নদীতে ইলিশের বিচরণ ও আহরণ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সরবরাহ বাড়লে দামও কমবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, বর্তমানে ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে এবং নদীতে ইলিশের বিচরণ আরও বাড়বে, ফলে জেলেরা ভালো পরিমাণে ইলিশ পাবেন। তিনি বলেন, 'ইলিশ নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। মৌসুমের বাকি সময়ে ইলিশের আহরণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%