বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৬ পি.এম
মায়ের মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে অংশ নিতে কারাবন্দী সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এই অনুমতি প্রদান করে। চিন্ময় কৃষ্ণের মা শ্রীমতী সন্ধ্যা রাণী ধর (৭১) বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল পুণ্ডরিক ধামে মারা যান।
সেখানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। মায়ের শেষকৃত্যে অংশগ্রহণের জন্য চট্টগ্রামের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ভাই রঞ্জন কুমার ধর প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক জানান, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছিল। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫ ঘণ্টার জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রয়াত মায়ের শেষকৃত্যে অংশগ্রহণের মানবিক দিক বিবেচনা করে ভাই অঞ্জন কুমার ধরের আবেদনের ভিত্তিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্যারোল মঞ্জুর করা হয়েছে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামে নিয়ে যাওয়া হবে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সন্ধ্যা রাণী ধর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্যে কারাগারে আটক চিন্ময় কৃষ্ণের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন।
মায়ের জীবনের শেষ সময়ে পাশে থাকতে না পারার পর অন্তত শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টির মানবিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য চিন্ময় কৃষ্ণকে প্যারোলে মুক্তি অথবা নিরাপত্তাসহ প্যারোলে উপস্থিতির অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বিডিআর বিদ্রোহে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি সাজা ভোগ শেষ করেন এবং তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকে, তবে তিনি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, "কোনো নিরাপরাধ বিডিআর সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করা হয়নি, বিধায় বর্ণিত চাকুরিচ্যুত সদস্যদের চাকুরিতে পুনর্বহালের সুযোগ নেই।"
এ তথ্যটি নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় অধিবেশন শুরু হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদা জানতে চান, বিডিআর বিদ্রোহে সাজাপ্রাপ্ত সদস্যরা সাজা ভোগ করে বের হওয়ার পরও আওয়ামী লীগ আমলের মামলায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না, তা জানতে চান।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ সংক্রান্ত মামলাগুলো ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতের সুনির্দিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রচলিত আইন অনুযায়ী, সাজা ভোগের পর যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন মামলা থাকে, তবে তা যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "শুধুমাত্র পরিচয়, পূর্ববর্তী সাজা বা রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে কেউ যেন কোনো প্রকার অযথা হয়রানির শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে পুলিশকে স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি আইনবহির্ভূত বা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়রানি, মিথ্যা মামলা কিংবা অযৌক্তিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, তবে সেই সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিবিড়ভাবে যাচাই করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিডিআর বিদ্রোহে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি সাজা ভোগ শেষ করার পর যদি তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকে, তবে তিনি যথাযথ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।
অন্যদিকে, গাইবান্ধা-৫ সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেছ জানতে চান, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআরের বিদ্রোহী গ্রুপ কর্তৃক সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের বিচারে নিরাপরাধ বিডিআর সদস্যদের চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে, তাদের বিজিবিতে চাকুরি দেওয়া হবে কিনা?
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "কোনো নিরাপরাধ বিডিআর সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করা হয়নি, বিধায় বর্ণিত চাকুরিচ্যুত সদস্যদের চাকুরিতে পুনর্বহালের সুযোগ নেই।"
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিতে পিলখানায় সংঘটিত বিদ্রোহ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন বিডিআরের আইন/বিধি মোতাবেক গঠিত বিভাগীয় স্পেশাল কোর্টের মাধ্যমে ও প্রশাসনিক বিচার ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট বিডিআর সদস্যদের বিভিন্ন ইউনিট কর্তৃক গঠিত তদন্ত পর্ষদের মাধ্যমে শনাক্তকরণ শেষে ৬ হাজার ২৮৬ জন বিডিআর সদস্যকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত (বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডসহ) এবং প্রশাসনিক বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে ২ হাজার ৫১০ জন বিডিআর সদস্যকে পেনশন সুবিধাসহ চাকুরি থেকে ‘বাধ্যতামূলক অবসর’ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সর্বমোট ৮ হাজার ৭৯৬ জন বিডিআর সদস্যকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি বলেন, "বর্ণিত শাস্তি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণে বিচারের মাধ্যমে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করার পরে দেওয়া হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে বর্ণিত চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের মধ্যে ৮৫০ জন সদস্যের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা এবং ৮৩৪ জন সদস্যের বিরুদ্ধে একটি বিস্ফোরক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, হত্যা মামলায় নিম্ন আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত বিডিআর সদস্যদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে, যার দরুন বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল চলমান রয়েছে। এ ছাড়া, বিস্ফোরক মামলায় ৮৩৪ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে বর্তমানে বিচারকার্য চলমান রয়েছে। এমতাবস্থায়, বর্ণিত বিডিআর সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকায় উক্ত মামলা দুইটিতে আসামিভুক্ত চাকুরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকুরিতে পুনর্বহালের সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা মিডফিল্ডার রদ্রি, যিনি লা লিগায় ভালেন্সিয়াকে ‘খুব দুর্বল’ দল বলে মন্তব্য করেছেন, বর্তমানে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এই বিশ্বকাপজয়ী তারকা শেষ পর্যন্ত দলটির অধিনায়ক এবং পুরো স্কোয়াডের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
গনমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, রদ্রি এই মন্তব্যটি করেছিলেন সতীর্থ পাও কুবারসি ও রাফিনিয়ার সঙ্গে বেঞ্চে বসে থাকার সময়, যখন তাকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানো হয়। গত রবিবারের ম্যাচে বার্সেলোনা ৫-০ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল।
ভালেন্সিয়া প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে একটি ম্যাচেও জয়লাভ করতে পারেনি। তাদের মেস্তেয়া স্টেডিয়ামে এমন ফলাফলের কারণে তারা টেবিলের তলানিতে নেমে গেছে।
রদ্রির মন্তব্যের কোনো অডিও ফুটেজ নেই। তবে সম্প্রচারকারী মোভিস্টার দাবি করেছে, তারা ঠোঁট পড়ার মাধ্যমে বুঝতে পেরেছে যে ৩০ বছর বয়সী সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি খেলোয়াড় বলছেন, "তারা সত্যিই দুর্বল। তারা অর্ধেক লাইনও পেরোতে পারেনি।"
ভক্তরা এবং স্প্যানিশ গণমাধ্যমের একটি অংশ রদ্রিকে অসম্মানজনক মন্তব্যের জন্য অভিযুক্ত করেছে।
চ্যাম্পিয়নস লিগে বুধবার ফেয়েনুর্দের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৫-১ জয়ের পর রদ্রি বলেন, "আমি আমার বন্ধু ও সতীর্থ হোসে গায়া (স্পেন ডিফেন্ডার ও ভালেন্সিয়া অধিনায়ক)-র কাছে ক্ষমা চেয়েছি, এবং পুরো স্কোয়াডের কাছেও।"
"আমি আরও পরিষ্কার করতে চাই যে এটি কেবল বিস্ময়ের প্রকাশ ছিল-ভিডিও দেখলে যে কেউ তা বুঝতে পারবে। কোনো সময়ই আমি কাউকে উপহাস করতে চাইনি বা কোনো দলের কঠিন পরিস্থিতিকে প্রসঙ্গের বাইরে নিতে চাইনি। বরং উল্টোটা-আমরা সবাই চাই ভালেন্সিয়া আবার লিগে তাদের জায়গায় ফিরে আসুক, এটি প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ক্লাব। আমি শুধু সেটাই বলতে চেয়েছিলাম।"
"আমি আরও যোগ করতে চাই যে এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত আলাপ; আমাদের সবারই শেখা উচিত যে অনেক সময় বিষয়গুলো প্রসঙ্গের বাইরে চলে যায়। কিন্তু কোনো সময়ই আমি অসম্মান করতে চাইনি। ভ্যালেন্সিয়ার কাছে আমার ক্ষমা প্রার্থনা রইল।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ সম্প্রতি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের ইন্তেকালে বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ : ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা, হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা এবং সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এই শোক জানান। নেতৃদ্বয় বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জমিয়ত নেতৃদ্বয় মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর জন্য মাগফিরাত ও রহমত কামনা করেন।
তাঁরা বলেন, আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন, তাঁর দ্বীনি খেদমতগুলো কবুল করুন, কবরকে নূরে ভরপুর করে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের আ‘লা মাকাম দান করুন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সবরে জামিল নসিব করুন।
ইসলামী ঐক্যজোট : ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ’র ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন দেশবরেণ্য একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশের উলামায়ে কেরাম, তালাবায়ে কেরাম ও দ্বীনি অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমত স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রূহের মাগফেরাত ও রহমত কামনা করেন।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে: সুনামগঞ্জ কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, জগন্নাথপুর উপজেলা জমিয়তের উপদেষ্টা, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং হযরত শায়খে কাতিয়া (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফেজ শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ (রহ.)-এর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকে।
এক শোকবার্তায় সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন একজন বিজ্ঞ আলেম, দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম এবং ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর ইন্তেকালে সুনামগঞ্জসহ দেশ-বিদেশের দ্বীনি অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম হযরত মাওলানা ইমদাদুল্লাহ (রহ.) দীর্ঘকাল ইলমে দ্বীন, তালিম-তরবিয়ত ও দ্বীনি খেদমতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর জীবন ও খেদমত উলামায়ে কেরাম এবং দ্বীনি অঙ্গনের মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ইন্তেকালে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের নেতৃবৃন্দ মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন, ছাত্র-শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর মাগফিরাত ও রহমতের জন্য দোয়া করেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের পক্ষে আরো যারা শোক প্রকাশ করেছেন তারা হচ্ছেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা মাওলানা শায়খ আসগর হুসাইন, সভাপতি ড. মাওলানা শুয়াইব আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুল মুনতাকিম, সহ-সভাপতি হাফিজ মাওলানা সৈয়দ তাছাদ্দুক আহমদ, মাওলানা হেলাল আহমদ, মাওলানা ফখরুদ্দিন ছাদিক, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, হাফিজ সৈয়দ তামীম আহমদ, হাফিজ হোসাইন আহমদ বিশ্বনাথী, মাওলানা আশফাকুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা সৈয়দ নাঈম আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শামছুল আলম কিয়ামপুরী, জয়েন্ট সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা ইলিয়াছ, মুফতি শাহ হিফজুল করীম মাশুক, মাওলানা আখতারুজ্জামান, সহ-সেক্রেটারি মুফতি সৈয়দ রিয়াজ আহমদ, হাফিজ জিয়া উদ্দিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাজমুল হাসান, হাফিজ মাওলানা মাছুম আহমদ, মাওলানা মঈন উদ্দিন খান, মাওলানা আব্দুল গাফফার, ট্রেজারার হাফিজ রশীদ আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা ওলীউর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা খালেদ আহমদ, প্রচার সম্পাদক মাওলানা শামছুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুল হাই এবং মিডিয়া সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলা গানের আলোচিত শিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল একসময় তার কণ্ঠ ও গায়কীর মাধ্যমে শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করেছিলেন। কলকাতার ‘সারেগামাপা’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর তিনি পরিচিতি অর্জন করেন এবং তার সামনে বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়। দেশের পাশাপাশি কলকাতাতেও তিনি গান ও কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন।
তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিতর্ক এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে নোবেল সেই সম্ভাবনাময় পথ থেকে অনেকটাই দূরে সরে যান। বিভিন্ন সময় তার কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা হয়েছে এবং এমনকি তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। তার এই অবস্থায় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার আশিকুজ্জামান টুলু আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।
১০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় টুলু নোবেলের প্রতিভা নিয়ে নিজের হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, নোবেলের কণ্ঠ ও গায়কীতে এমন কিছু ছিল যা তাকে সংগীতের অনেক উঁচু জায়গায় নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু নিজের সিদ্ধান্ত ও জীবনযাপনের কারণে সেই প্রতিভা নষ্ট হয়ে গেছে বলে তিনি আক্ষেপ করেন।
নোবেলের ‘কী আগুন জ্বলছে বুকে’ গানটির প্রসঙ্গে টুলু তার গায়কী, কণ্ঠের প্রকাশভঙ্গি ও দক্ষতার প্রশংসা করেন। টুলুর মতে, নোবেল যদি আরও মনোযোগী ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংগীতচর্চা করতেন, তাহলে তিনি অন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে পারতেন।
নোবেলের বর্তমান অবস্থার পেছনে নেশার প্রভাব রয়েছে বলেও টুলু ইঙ্গিত করেছেন। তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, নেশার কারণে প্রতিভাবান মানুষকে ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা তার কাছে অত্যন্ত কষ্টকর। টুলুর এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ