ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইআবি ভিসির অধিভুক্ত মাদরাসার পরীক্ষার ফি কমানোর আশ্বাস


ইআবি ভিসির অধিভুক্ত মাদরাসার পরীক্ষার ফি কমানোর আশ্বাস

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান, অধিভুক্ত মাদরাসার বিভিন্ন কোর্সের পরীক্ষার ফি কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায়, জেলা পর্যায়ের অধিভুক্ত মাদরাসার অধ্যক্ষদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।

ভাইস চ্যান্সেলর উল্লেখ করেন, মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেকোনো যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে প্রস্তুত। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দাবি অবশ্যই যৌক্তিক হতে হবে।

আরও পড়ুন: এইচএসসির সঙ্গে সমন্বয়ে আলিম পরীক্ষার নতুন বিষয় কোড প্রকাশ

তিনি আরও বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় মাদরাসা উচ্চশিক্ষার জন্য একটি বিশ্বস্ত শিক্ষা ও গবেষণার প্ল্যাটফর্ম। বর্তমান ফাজিল পাস ও কামিল মাস্টার্স কোর্স আন্তর্জাতিক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে কোর্সের সংখ্যা বেড়েছে। ফাজিল পাস কোর্সে আগে ৪টি ছিল, বর্তমানে ৭টি হয়েছে। কামিল কোর্সেও আগে ৪টি ছিল, এখন ৭টি। কোর্সের সংখ্যা বাড়ার কারণে ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত অধ্যক্ষরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান অধিভুক্তি নবায়ন ফি, পরীক্ষা ফি, রেজিস্ট্রেশন ফিসহ বিভিন্ন ধরনের ফি শিক্ষার্থীদের সাধ্যের বাইরে উল্লেখ করে তা কমানোর দাবি জানান। অধ্যক্ষদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে ভাইস চ্যান্সেলর যৌক্তিক পর্যায়ে ফি কমানোর আশা প্রকাশ করেন এবং মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় রেজিস্ট্রার ড. এ. কে. মুহা. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, কামিল (স্নাতকোত্তর) শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. আবুল হোসাইন মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মাদরাসা পরিদর্শক (অতি. দা.) প্রফেসর ড. হুসাইন আহমাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. ওয়ালিউর রহমান, পরিচালক অর্থ ও হিসাব মো: আবু বকর ছিদ্দিক, উপ-রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমদ মোমতাজী এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতি. দা.) মো. জিয়াউর রহমানসহ জেলা পর্যায়ের মাদরাসার অধ্যক্ষরা।

আরও পড়ুন: শিশুরা বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না: ববি হাজ্জাজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই: স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


আমি হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই: স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। তিনি হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসার পরিবর্তে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, "হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রকৃতপক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাথমিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই।" প্রতিমন্ত্রী জানান, হাসপাতাল বৃদ্ধি আমাদের মূল অগ্রাধিকার নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা।

সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলটেবিলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাকও বক্তব্য দেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সনাতন স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূলের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের সাথে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকার ইতোমধ্যে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যাদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামে সুসজ্জিত করার ব্যবস্থা করা হবে।

দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে ড. এম এ মুহিত বলেন, রোগীকে সেবা নিতে ঢাকায় ছুটতে না হয়, সেজন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ে এই সেবা সম্প্রসারিত হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঘোষিত প্রথম বাজেটে হার্টের রিং (স্টেন্ট), ডায়ালিসিস ফিল্টার, এপিআই ও কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের ভ্যাট ও ট্যাক্স হ্রাস বা মওকুফ করা হয়েছে। একই সাথে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিগত বছরগুলোতে চিকিৎসাসামগ্রী আমদানিতে যে দীর্ঘসূত্রতা ছিল তা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যে কমিটির বৈঠক অতীতে দুই বছরেও হয়নি, গত পাঁচ মাসে সেই কমিটি তিনবার বসে চিকিৎসাসামগ্রীর অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।

আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে শুধুমাত্র উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রি করলেই চলবে না; যন্ত্রপাতির জীবনকালীন ব্যয়, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং দেশের ভেতরে প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি করতে হবে। তিনি মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানান, বুয়েট বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের মেডিকেল টেকনোলজিতে দক্ষ করে তোলা এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ সংযোজন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের জন্য।

তিনি অকেজো পড়ে থাকা মেডিকেল যন্ত্রপাতির তাৎক্ষণিক তদারকিতে জাতীয় ই-হেলথ ও ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান।

সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় বৈশ্বিক বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে তাদের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

গোলটেবিলে আলোচনায় আরও অংশ নেন মেডট্রনিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মায়াঙ্ক ত্রিপাঠী, জিই হেলথকেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ডিরেক্টর মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (রোমেল), বেকটন ডিকিনসনের বাংলাদেশ বিজনেস লিডার মির্জা সজীব রায়হান এবং আমচ্যাম হেলথকেয়ার সাবকমিটির ইনচার্জ ডিরেক্টর ও ন্যাটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম রাসেল।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর: অ্যাটর্নি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


মন্ত্রিসভার যে কাউকে পদত্যাগ করতে বলার ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর: অ্যাটর্নি জেনারেল

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো রুহুল কুদ্দুস কাজল মন্তব্য করেছেন যে, মন্ত্রিসভার যেকোনো সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলার বৈধ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে।

তিনি সোমবার (১৯ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল উল্লেখ করেছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে। এই কারণে, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা রয়েছে কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলার।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীর পদে থাকা এবং পদত্যাগের বিষয়ে বিধান রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যদি পদত্যাগ করেন বা দায়িত্ব পালন বন্ধ করেন, তাহলে অন্য মন্ত্রীদেরও পদত্যাগ করতে হয়। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী যদি কোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগের জন্য বলেন এবং ওই মন্ত্রী তা না মানেন, তাহলে রাষ্ট্রপতি তাকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইশরাক কাণ্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা স্পষ্ট: আখতার হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


ইশরাক কাণ্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা স্পষ্ট: আখতার হোসেন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং বিতর্কিত একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠনের প্রেক্ষাপটে এসেছে। দলের সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক ‘ইশরাক কাণ্ড’-এর মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক অদক্ষতা ও ব্যর্থতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাংবিধানিক সংকট নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আখতার হোসেন বলেন, সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে অবাধে মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এসব প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এই ইশরাক কাণ্ডের মধ্য দিয়ে তাদের ব্যর্থতা ও অকার্যকর রূপ আবারও প্রকাশ্যে এসেছে।

বিতর্কিত সংবিধান সংশোধন কমিটি সম্পর্কে তিনি বলেন, সংবিধানের সঙ্গে চরম অসংগতিপূর্ণ এবং গণভোটের গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে এই একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান সাংবিধানিক সংকট সুরাহা করার কোনো রাজনৈতিক বা আইনি ক্ষমতা এই কমিটির নেই। এই সংবিধান সংশোধন কমিটির কোনো জাতীয় ভিত্তি নেই, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই এবং দেশের রাজনৈতিক ঐকমত্যের দিক থেকেও এর কোনো বৈধতা নেই। এটি দেশে নতুন করে আরও বড় ধরনের সাংবিধানিক সংকট তৈরি করবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি শুরু থেকেই দাবি জানিয়ে আসছে যে, এই একতরফা সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিল করে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর মাধ্যমে সাংবিধানিক জটিলতাগুলো নিরসন করতে হবে। বিরোধী দলের অসহযোগিতার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা এই অবৈধ কমিটিকে কোনোভাবেই সহযোগিতা করব না।" কারণ জনগণের ম্যান্ডেট বা গণভোটের কোনো সমর্থন এতে নেই। একদলীয় সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সরকার একতরফাভাবে এটি চাপিয়ে দিচ্ছে।

এনসিপির এই সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী বা নেতাদের পদত্যাগ ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে বলেন, অস্ত্র উঁচিয়ে রাস্তায় নামার পর তিনি (ইশরাক) নিজেই স্বীকার করেছেন যে পুলিশ ও রাষ্ট্র এখানে ব্যর্থ, তাই তাকে অস্ত্র নিতে হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে সীমান্ত সুরক্ষা এবং দেশীয় মাদক নির্মূলকারী সংস্থাগুলো পুরোপুরি অকার্যকর। অবৈধ মাদক সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ঢুকে পড়ছে, কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নীরব দর্শক।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ইশরাকের এই পদত্যাগের ঘটনা দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি বোঝা যায় না। এটি কি কেবল অস্ত্র প্রদর্শনী, নাকি ক্ষমতাসীন দল বা জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল- তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বড় প্রশ্ন জেগেছে। কেবল দু-একটি পদত্যাগ করিয়ে নিজেদের ইমেজ উজ্জ্বল করার চেষ্টা বা ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা এক ধরনের ‘আইওয়াশ’ বা লোক দেখানো নাটক মাত্র।

সরকারের প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, "উটপাখির মতো বালুতে মাথা গুঁজে দেশের মূল সংকটগুলোকে আড়াল করা যাবে না।" সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করা, চাঁদাবাজ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের চরম ব্যর্থতা চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর রূপরেখা বাস্তবায়ন করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জমি দখল-চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছি’ : ইশরাক হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ পি.এম


‘জমি দখল-চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছি’ : ইশরাক হোসেন

‘সেদিন জমি দখল বা চাঁদা তুলতে যাইনি, মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছি’ বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর গেণ্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকার ঘুণ্টিঘর মাদকের আস্তানা হিসেবে গড়ে উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ঢাকার আইন-শৃঙ্খলা বৈঠকে একাধিকবার আলোচনা হলেও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ওই এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের চেষ্টা করেও সফল হইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয়দের অনুরোধে আমি শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে ঢাকা-৬ আসনে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করি। বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে যাই। যা পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের পরে বিষয়টি জানাই। তারা পরে ঘটনাস্থল গিয়ে আমাদের সহযোগিতা করে।’

ইশরাক হোসেন আরো বলেন, ‘আগস্টে ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। ওই এলাকায় প্রতিনিয়ত নানা অপরাধ সংঘটিত হয়। ওই দিন পূর্বনির্ধারিত অভিযান ছিল।’

সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘ওই দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ২০-৩০ জন মাদক কারবারি ছোটাছুটি করতে থাকে। কয়েকজন আমার গাড়ির দিকে ছুটে আসে। এ সময় আত্মরক্ষাতে আমার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্রটি হাতে নিই। নিশ্চিত হই তাদের হাতে কোনো ধরনের অস্ত্র আছে কি না। তাদের হাতে কোনো অস্ত্র নেই নিশ্চিত হলে আমার অস্ত্রটি পকেটে রেখে দিই।’

তিনি বলেন, ‘সেদিন প্রায় ৪৫ মিনিটের অভিযানে কয়েকটি কক্ষে প্রবেশ করে পুলিশের সহযোগিতায় দেশীয় অস্ত্র, হেরোইনসহ নানা ধরনের মাদক উদ্ধার করি। এ সময় পুলিশ ছয়জনকে আটক করে।’

বিএনপির এ নেতা অভিযোগ করেন, ‘রাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একটি ভিডিও বিভিন্ন হেডলাইনে প্রকাশ করে আমার ও আমার দলকে বিব্রত করা হয়েছে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় আমার নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।’

তিনি জানান, ‘এক পর্যায়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করি। ইস্যুটি নিয়ে দল বিব্রত হওয়া আমি পদত্যাগ করতে চাই।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি সেদিন কোনো ভুল করিনি। শুধু আমার নিরাপত্তার জন্য কিছু সময় আমার অস্ত্রটি হাতে রেখেছিলাম।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%